ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে রেকর্ড

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪১ পিএম
আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে রেকর্ড। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি গত আগস্টে একক মাস হিসেবে এযাবৎকালের সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই মাসের তুলনায় আগস্টে দেশটিতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ২৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ ৮১৭ মিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে। গত অর্থবছরের একই মাসে এর পরিমাণ ছিল ৬৫০ দশমিক ৩৪ মিলিয়ন ডলার। আর ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই ও আগস্টে দেশটিতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে মোট ১ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১১ দশমিক ৪২ শতাংশ বেশি।

চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির মাসিক গড় দাঁড়িয়েছে ৮০৬ দশমিক ৪৬ মিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মোট রপ্তানিকে ১২ মাসের সমান গড় হিসেবে ধরলে মাসিক গড় ছিল ৬৪৫ দশমিক ৩৮ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, চলতি অর্থবছরের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানির মাসিক গড় গত অর্থবছরের গড়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি হয়েছে।

তবে চলতি অর্থবছরের এই বাড়তি গতি মূলত আগস্টের শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির কারণে। ওই মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ২৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ।

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় একক রপ্তানি বাজার। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশটিতে বাংলাদেশের মোট পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে প্রায় ৯ দশমিক ০৪ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৪ দশমিক ০৯ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে তৈরি পোশাক থেকেই এসেছে ৭ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, পোশাকের বাইরে অন্যান্য পণ্য থেকেও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের প্রায় ১ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি রয়েছে।

পোশাকের বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, প্লাস্টিক ও মেলামাইন পণ্য, টেক্সটাইল ও সুতা, ওষুধ, হালকা প্রকৌশল পণ্য, জুতা ও অন্যান্য শিল্পপণ্য। এসব পণ্যের পাশাপাশি তৈরি পোশাকের উচ্চমূল্যের ও বৈচিত্র্যময় পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোরও সুযোগ রয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষিপণ্য, হালকা প্রকৌশল এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি শুধু তৈরি পোশাক নির্ভর না রেখে অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতেও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে।

রপ্তানিকারকরাও আগামী দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়ার সম্ভাবনা দেখছেন। তাঁদের মতে, সামনের মাসগুলোতে বাজারটিতে বাংলাদেশি পোশাকের অর্ডার বাড়তে পারে।

দেশের পোশাক শিল্পের অন্যতম বড় উদ্যোক্তা ও বর্তমানে বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) প্রশাসক মো. ফজলুল হক বাসসকে বলেন, শীতকালীন পোশাকের অর্ডারের কার্যাদেশ দেওয়ার শেষ সময় হওয়ায় গত আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক নানা সংকটের মধ্যেও বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের একটি অন্তর্নিহিত সক্ষমতা রয়েছে। এ কারণে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানো সম্ভব হয়েছে।

আগের কয়েক মাসের তুলনায় আগামী মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে তারা ভালো অর্ডার পাচ্ছেন উল্লেখ করে ফজলুল হক বলেন, পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানো সম্ভব হলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি কয়েকগুণ বাড়ানো সম্ভব। আগামীতে রপ্তানি আরও বাড়াতে তিনি পণ্যের বৈচিত্র্য আনার ওপর জোর দেন।

বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি ও ফতুল্লা অ্যাপারেলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলে শামীম এহসান বলেন, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা কাজে লাগাচ্ছেন।

প্রয়োজনমতো জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং সরকারের নীতি-ধারাবাহিকতা বজায় রাখা গেলে এই সুযোগ আরও ভালোভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মহিউদ্দিন রুবেল বাসসকে বলেন, বর্তমানে যে গতিতে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানি হচ্ছে, তা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। এই গতি আগামী ১২ মাস অব্যাহত থাকলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশটিতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি আয় ৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের একক বৃহত্তম রপ্তানি বাজার। তাই সেখানে রপ্তানি সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে একই সঙ্গে পণ্যের বৈচিত্র্য, উচ্চমূল্য সংযোজন ও মানোন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানির সম্ভাবনাকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে জ্বালানিসহ অন্যান্য ইউটিলিটি সেবা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

তৈরি পোশাকের পাশাপাশি চামড়া, পাট, হোম টেক্সটাইল, কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, ওষুধ, প্লাস্টিক ও হালকা প্রকৌশলসহ সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে রপ্তানি বাড়াতে পারলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের সামগ্রিক রপ্তানি আরও বিস্তৃত হতে পারে।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট পণ্য রপ্তানি আয় ছিল প্রায় ৪৮ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র একাই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় একক বাজার হিসেবে প্রায় ৯ দশমিক ০৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে। চলতি অর্থবছরের শুরুতেই দেশটির বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির গতি এবং আগস্টে একক মাসে এযাবৎকালের সর্বোচ্চ ২৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশের রপ্তানি সম্ভাবনাকে নতুন করে সামনে এনেছে।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কর্ণফুলী ইপিজেড: দুই দশকে রপ্তানি ছাড়িয়েছে ১৪ বিলিয়ন ডলার
২০০৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই ইপিজেডের উদ্বোধন করেন। ২০ বছরের পথচলায় ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পণ্য রপ্তানি করেছে ১৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি।
কর্ণফুলী ইপিজেড: দুই দশকে রপ্তানি ছাড়িয়েছে ১৪ বিলিয়ন ডলার
বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় লাফ
বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কায় ব্যাপকভাবে বেড়েছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের প্রধান সূচক ব্রেন্ট ক্রুডের (বা অপরিশোধিত ব্রেন্ট তেলের) দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৮ ডলারে উঠে গেছে। গত মে মাসের পর এই প্রথম ব্রেন্টের দাম ১০৮ ডলারে পৌঁছাল। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) লেনদেন শেষে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম মে মাসের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।  এদিন ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৭ দশমিক ৬৩ ডলারে লেনদেন শেষ হয়। আগের দিনের তুলনায় দাম বেড়েছে ৬ দশমিক ৩ শতাংশ। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দামও মে মাসের মাঝামাঝির পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে। বৃহস্পতিবার লেনদেন শেষে ডব্লিউটিআইয়ের দাম দাঁড়ায় ব্যারেলপ্রতি ১০৩ দশমিক ৮২ ডলার। এক দিনে এ দাম বেড়েছে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ। বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে সম্ভাব্য বিঘ্ন নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই-দুই ধরনের অপরিশোধিত তেলের দামেই বড় উত্থান দেখা গেছে। আবারও সংঘাত তীব্র হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ আরও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে অপরিশোধিত তেল পরিবহণ নিয়েও উদ্বেগ বেড়েছে।  বাজার বিশ্লেষণী সংস্থা ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের ডেপুটি চিফ ইমার্জিং মার্কেটস ইকোনমিস্ট জেসন টুভে এক নোটে বলেন, ‘হরমুজ প্রণালিতে এবং হুথিদের সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হামলা বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি ইঙ্গিত করছে যে, ইরান ও তার মিত্ররা যুদ্ধে আবারও উদ্যোগ নিজেদের হাতে নেওয়ার চেষ্টা করছে।’ টুভে বলেন, এতে উপসাগরীয় অঞ্চলে তেল উৎপাদন পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া পিছিয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে আগামী কয়েক সপ্তাহে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম আরও বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।’ যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো বৃহস্পতিবার এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল এনার্জি জানিয়েছে, আগামী বছরের শেষ নাগাদ মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদন যুদ্ধের আগের পর্যায়ে ফিরে আসবে বলে তারা আর আশা করছে না। প্রতিষ্ঠানটি এখন আর ধরে নিচ্ছে না যে যুদ্ধের একটি নিশ্চিত সমাপ্তি হবে কিংবা ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ হরমুজ প্রণালিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে। এসঅ্যান্ডপি এখন ধারণা করছে, আগামী বছরজুড়েও তেলের দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকবে এবং ব্যারেলপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ ডলারের মধ্যে থাকতে পারে। আরটিভি/এসআর
বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় লাফ
আলু-পেঁয়াজ রপ্তানির সম্ভাবনা যাচাইয়ে শ্রীলঙ্কায় যাবে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল
শ্রীলঙ্কার বাজারে বাংলাদেশি আলু ও পেঁয়াজ রপ্তানির সম্ভাবনা যাচাই এবং সম্ভাব্য ক্রেতা ও আমদানিকারকদের সঙ্গে বাণিজ্যিক যোগাযোগ স্থাপনে শিগগিরই একটি প্রতিনিধি দল পাঠাবে বাংলাদেশ। হংকংয়ে ১১তম ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড সামিট ২০২৬’-এর দ্বিতীয় দিনে বৃহস্পতিবার এক সাইড ইভেন্টে বাংলাদেশের বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার বাণিজ্য, বাণিজ্যিক কার্যক্রম, খাদ্য নিরাপত্তা ও সমবায় উন্নয়নমন্ত্রী ওয়াসান্থা সামারাসিংহের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জাননো হয়। প্রতিনিধি দলটি শ্রীলঙ্কায় আলু ও পেঁয়াজের বাজারের চাহিদা, স্থানীয় ও আমদানি মূল্য, আমদানির নিয়ম-কানুন, মান ও বাণিজ্যিক শর্ত যাচাই করবে। পাশাপাশি স্থানীয় আমদানিকারক, ব্যবসায়ী ও ফুড প্রসেসর্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলাদেশি পণ্যের সম্ভাব্য ক্রেতা, সরবরাহব্যবস্থা ও নিয়মিত রপ্তানির সুযোগ চিহ্নিত করবে। এ ছাড়া শ্রীলঙ্কার বাজারে বাংলাদেশি আলু-পেঁয়াজ প্রতিযোগিতামূলক দামে সরবরাহের ক্ষেত্রে পরিবহন, সংরক্ষণ ও গুদামজাতকরণ সুবিধার প্রয়োজনীয়তাও প্রতিনিধি দলটি পর্যালোচনা করবে। বৈঠকে বাংলাদেশের মন্ত্রী জানান, দেশে স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পরও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ আলু ও পেঁয়াজ উদ্বৃত্ত থাকে। এসব পণ্যের জন্য নতুন রপ্তানি বাজার তৈরি প্রয়োজন। তিনি বলেন, বর্তমানে নতুন আলু কেজিপ্রতি ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এবং প্রতিযোগিতামূলক দামের কারণে শ্রীলঙ্কার বাজারে বাংলাদেশি আলুর সম্ভাবনা রয়েছে। শ্রীলঙ্কার মন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে আলু ও পেঁয়াজ আমদানিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। দুই পক্ষ আশা করছে, প্রতিনিধি দলের বাজার যাচাই ও ব্যবসায়িক যোগাযোগের মাধ্যমে শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের জন্য নতুন রপ্তানি বাজার তৈরি হবে এবং কৃষকেরা উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাওয়ার সুযোগ পাবেন। আরটিভি/এসআর
আলু-পেঁয়াজ রপ্তানির সম্ভাবনা যাচাইয়ে শ্রীলঙ্কায় যাবে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল
বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, ‘বাড়তি লাভ’ বছরে ৯০ কোটি টাকা
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিবেশবান্ধব এই উদ্যোগে একদিকে ঢাকার বিশাল বর্জ্য সমস্যার টেকসই সমাধান হবে, অন্যদিকে বিশ্বমঞ্চে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের স্বীকৃতি পাবে দেশ।
বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, ‘বাড়তি লাভ’ বছরে ৯০ কোটি টাকা
পাট রপ্তানি করে ১০ বছরে দেশের আয় ৮৪ হাজার কোটি টাকা
গত ১০ বছরে কাঁচা পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ মোট ৮৪ হাজার ২ কোটি ৫৭ লাখ টাকা আয় করেছে।
পাট রপ্তানি করে ১০ বছরে দেশের আয় ৮৪ হাজার কোটি টাকা
আরও পড়ুন
সন্তান জন্মের ১০ দিনের মধ্যেই নবজাতককে কোলে নিয়ে সমাবর্তনের মঞ্চে মা 
মহাকাশে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের মহড়া, বেরিয়ে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
মহাকাশেও প্রস্তুত যুদ্ধক্ষেত্র, অস্ত্র মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের 
কানাডার পণ্যের ওপর নতুন মার্কিন শুল্ক ও ছাড় কার্যকর