ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

‘বিএনপির সময় ব্যবসার ক্ষেত্রে ‘ফিল গুড ফ্যাক্টর’ দিয়েছে’

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০২ নভেম্বর ২০২৫, ১০:০২ পিএম
বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ফাইল ছবি

বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিশ্বস্ততা ও বিনিয়োগ উপযোগী পরিবেশ তথা ‘ফিল গুড ফ্যাক্টর’ ছাড়া বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আগ্রহী হবেন না। তিনি দাবি করেন, বিএনপি যতবারই ক্ষমতায় এসেছে, ততবারই ব্যবসার ক্ষেত্রে এই ‘ফিল গুড ফ্যাক্টর’ দিয়েছে।

রোববার (২ অক্টোবর) রাজধানীতে বাংলাদেশ গার্মেন্ট বায়িং হাউস অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিবিএ) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের বর্তমান সংকট ও পুনরুদ্ধারের পথ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমরা ক্ষমতায় এসে দেশে ব্যাপকহারে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছি, ব্যবসার ক্ষেত্রে সব বাধা দূর করেছি, দেশীয় উদ্যোক্তাদের নানাভাবে প্রণোদনা দিয়েছি, বিদেশি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করেছি।

আমির খসরু বলেন, বিএনপির স্লোগান হলো অর্থনীতির গণতান্ত্রয়ন। অর্থনীতিতে গণতন্ত্র না থাকলে এবং একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ থাকলে তা বিকশিত হবে না। তার মতে, অর্থনীতিতে যত নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়, ততোবেশি দুর্নীতি হয়।

আরও পড়ুন

এসময় তিনি বাংলাদেশকে ‘ওভার রেগুলেটেড কান্ট্রি’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, এতে ব্যবসায়ীদের অসুবিধা হয়, আর সুবিধা হয় চোরদের। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, ভিয়েতনাম ডিরেগুলেট করেছে বলেই অর্থনীতিতে আমাদের ছাড়িয়ে গেল।

বিজিবিএ প্রেসিডেন্ট মোফাজ্জল হোসেন পাভেলের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট শওকত আজিজ রাসেল, বিজিএমইএর পরিচালক ফয়সাল সামাদ, জেএফকে ফ্যাশনসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর কফিল উদ্দিন, বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক শোভন ইসলাম, বিকিএমইএর ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রাশেদ, বিকিএমইএর পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, অর্থনীতিবিদ এমএস সিদ্দিক, বিজিবিএর ভাইস প্রেসিডেন্ট সাইফুর রহমান ফরহাদ এবং সেক্রেটারি জেনারেল জাকির হোসেন।

আরটিভি/এএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
অগ্রগতি নেই নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে
২০০৭-০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হয়। পরে আওয়ামী লীগ সরকার উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ালেও তার বড় অংশ ব্যবহার করা যাচ্ছে না। উৎপাদিত বিদ্যুৎ বিতরণে জটিলতা তৈরি হওয়ায় মফস্বলে দীর্ঘদিন লোডশেডিং চলছে। বিতরণ ব্যবস্থায় পর্যাপ্ত বিনিয়োগ ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার না হওয়ায় সিস্টেম লসও বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুৎ খাতে সঞ্চালন ও বিতরণ অবকাঠামো আধুনিকায়ন না হওয়া মফস্বলে লোডশেডিংয়ের অন্যতম কারণ। বিদ্যুৎ বিভাগের উচিত ছিল এ খাতে নজর দিয়ে বিতরণ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করা। বিপিডিবির হিসাব বলছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন কমে দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ৭২৮ মিলিয়ন কিলোওয়াট ঘণ্টায়। তবে বিপিডিবির যৌথ মালিকানাধীন কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন বেড়ে আগের বছরের (২০২৩-২৪) ১০ হাজার ৬৮০ থেকে ১৩ হাজার ৬৭৫ মিলিয়ন কিলোওয়াট ঘণ্টায় হয়েছে। আরও পড়ুন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক আগামী সপ্তাহের মধ্যে গ্রাহকদের টাকা দেওয়া শুরু করতে পারে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিশেষ আইনের আওতায় নবায়নযোগ্য (বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্প, সৌরবিদ্যুৎ) বিদ্যুতের অনেকগুলো প্রকল্পের এলওআই (লেটার অব ইনটেন্ড) বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্প বাতিল না করে সরকার আলোচনার মাধ্যমে দর নির্ধারণ করে নবায়নযোগ্য প্রকল্প এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ ছিল বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তবে সরকারের শীর্ষ নির্বাহীরা বলছেন, নবায়নয্যোগ্য জ্বালানি খাতকে এগিয়ে নিতে সুষ্ঠু পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নীতিমালাও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির জন্য সরকার আলাদা নীতিই করেছে। সেই নীতি সরকারের কাছে বাস্তবসম্মত মনে হয়েছে। সেই অনুসারে কাজও শুরু করে দিয়েছে। টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (স্রেডা) তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের অফগ্রিড-অনগ্রিড মিলিয়ে সক্ষমতা ১ হাজার ৬৮৯ মেগাওয়াট। যার মধ্যে ১ হাজার ৫৯ মেগাওয়াট সরাসরি গ্রিডভিত্তিক বিদ্যুৎ। যেখানে গ্রিডের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৮ হাজার ৩৫৯ মেগাওয়াট। সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘বিদ্যুৎ খাতে বিগত সরকারের সময়ে যেসব দুর্নীতি-অনিয়ম হয়েছে সেগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত হওয়ার প্রয়োজন ছিল। অযাচিত চুক্তির আওতায় যেহেতু বিদ্যুতের বিল পরিশোধ করা হচ্ছে ফলে দেখা দরকার কতটুকু অর্থ তাদের প্রাপ্য। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ৬২ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি কমিয়ে চলতি অর্থবছরে ৩৭ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে। ব্যয় ১০ শতাংশ কমাতে বিপিডিবি বিভিন্ন সংস্কার চালাচ্ছে, যার ফলে ইতোমধ্যে দেড় হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে। তরল জ্বালানি আমদানির সার্ভিস চার্জ ৯ থেকে ৫ শতাংশে নামিয়ে সাশ্রয় হবে আরও ৪৭০ কোটি টাকা। মাতারবাড়ী প্ল্যান্টের ট্যারিফ কমানো, পুরনো ১০টি আইপিপি/রেন্টাল বন্ধ, এবং সরকারি কোম্পানির ট্যারিফ কমানোর মাধ্যমে মোট কয়েক হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে। বিশেষ আইনের অধীনে নির্মিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে অনিয়ম হয়েছে কি না, তা তদন্তে বিশেষজ্ঞ কমিটি আগামী জানুয়ারির মাঝামাঝি প্রতিবেদন দেবে। আরটিভি/এস
অগ্রগতি নেই নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে
দেশের ৩৫৩ পোশাক কারখানা বন্ধ, সোয়া লাখ শ্রমিক বেকার: বিজিএমইএ 
গত ১৪ মাসে সাভার, গাজীপুর, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীতে মোট ৩৫৩টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এতে এক লাখ ১৯ হাজার ৮৪২ জন শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন বলে দাবি করেছে বিজিএমইএ। গার্মেন্টসশিল্প মালিকদের সংগঠনটির ভাষ্যমতে- সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে সাভারে, যেখানে ২১৪টি কারখানা বন্ধ হয়েছে, এর মধ্যে ১২২টি স্থায়ীভাবে এবং ৯২টি অস্থায়ীভাবে। প্রায় ৩১ হাজার শ্রমিক এখানে কাজ হারিয়েছেন, যার মধ্যে ছেইন অ্যাপারেলস, জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন ও সাফওয়ান আউটারওয়্যারের মতো বড় কারখানাও রয়েছে। এ ছাড়া, গাজীপুরে ৭২টি কারখানা বন্ধ হয়ে ৭৩ হাজারেরও বেশি শ্রমিক বেকার হয়েছেন, যেখানে বেক্সিমকো গ্রুপের ১৩টি পোশাক কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ হওয়ায় বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা দিয়েছে। তবে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী নতুন অর্থবছরের শুরুতে অর্থাৎ জুলাই মাসে দেশের সার্বিক রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৫ শতাংশ বেড়েছিল। এরপর টানা তিনমাস ধরে নেতিবাচক ধারা চলছে। সবশেষ অক্টোবরে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি কমেছে সাত শতাংশেরও বেশি। এতে দেখা যায়, রপ্তানি কম হয়েছে ৫১ কোটি ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় ছয় হাজার ১২০ কোটি টাকার মতো। গত বছরের অক্টোবরে রপ্তানি হয় ৪১৩ কোটি ডলারের পণ্য। এবছরের অক্টোবরে তা ৩৬২ কোটি ডলারে নেমে এসেছে। কিন্তু সার্বিকভাবে অর্থবছরের প্রথম চার মাসের হিসাবে রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। চলতি বছরের হিসাবে তা আরো বেশি। এদিকে, সম্প্রতি বাংলাদেশ শ্রম আইন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ নীতিগত ও চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকার। কিন্তু কিছু সংশোধনী নিয়ে নাখোশ মালিকেরা। তবে, কিছু কারখানা বন্ধ হওয়াকে খারাপ কিছু নয় বলে মন্তব্য করে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম বলেন, নন-কমপ্লায়েন্স কারখানা বন্ধ হওয়া খারাপ কিছু নয়। এটি শিল্পের সুষ্ঠু ও টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।  বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান বাবু গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা আসলে এক ধরনের অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। একেবারে যে খুব খারাপ অবস্থায় চলে গেছি, বিষয়টি এমন না। তবে এই ১৪ মাসে আরো ভালো করার সুযোগ ছিল। বিশেষ করে চীন ও ভারতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের ফলে আমরা বেশ কিছু সুবিধা পেতে পারতাম। কিন্তু সেই সুযোগ আমরা হাতছাড়া করেছি।   বিজিএমইএর সাবেক সহসভাপতি এ বি এম শামসুদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, যদি সত্যি কথা বলি, তাহলে বাংলাদেশের গার্মেন্টস মালিকরা ভালো নেই। নির্বাচিত সরকারের দিকে চেয়ে বসে আছে বায়াররা। ছোট ফ্যাক্টরিগুলো টিকতে পারছে না। তারা বন্ধ করে চলে যাচ্ছে। এর মধ্যে সরকার শ্রম আইন সংশোধন করে আরেক বিপদ তৈরি করেছে। আসলে এখানে আমাদের কোনো অভিভাবক নেই। এতিমের মতো টিকে আছে সেক্টরটি।  বাংলাদেশ সেন্টার ফর ওয়ার্কার সলিডারিটির প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক কল্পনা আখতার গণমাধ্যমকে বলেন, জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে তো শ্রমিকরাও অংশ নিয়েছিলেন। বৈষম্য নিরসনের যে দাবিতে আন্দোলন হয়েছিল, সেটা নিরসন হয়নি। উল্টো কাজ হারিয়ে শ্রমিকরা বেকার হয়ে যাচ্ছেন। শ্রমিকদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না। শ্রমিকেরা যে কাতারে ছিলেন সেই কাতারেই রয়ে গেছেন। যারা বেকার হয়েছেন তাদের সংসার কোনোভাবেই চলছে না। নতুন কিছু গার্মেন্টস হলেও সেখানে তো সবার কর্মসংস্থান হচ্ছে না।  পোশাক খাত দেশের রপ্তানি আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস। সাম্প্রতিক এই সংকট শুধু শিল্প মালিকদের নয়, বরং সার্বিক অর্থনীতির ওপরও গুরুতর প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক। তিনি বলেন, আমেরিকার বাজারে মন্দা, চাহিদা কম এবং রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার ফলে রপ্তানি কমছে। অনিশ্চয়তার মধ্যে বড় ক্রেতারা কার্যাদেশ দেবে না। এখন নির্বাচিত সরকার এলে হয়তো পরিস্থিতি বদলাতে পারে।  সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানিত ফেলো ড. গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, মালিকরা যতটা খারাপ বলছেন পরিস্থিতি ততটা খারাপ নয়। গার্মেন্টস মালিকরা যা বলছেন তার সঙ্গে কিন্তু রপ্তানি সূচক মিলছে না। মালিকরা বলছেন, গার্মেন্টস বন্ধ হচ্ছে, অর্ডার নেই, শ্রমিকরা কাজ হারাচ্ছেন। কিন্তু আমাদের রপ্তানি সূচক দুই অংকের ঘরেই রয়েছে। শুধুমাত্র গত মাসে এক অংকে নেমেছে। অর্থাৎ আমাদের রপ্তানি আগের মতোই রয়েছে। হতে পারে বড় কারখানাগুলো থেকে রপ্তানি বেশি হচ্ছে, ছোট কারখানাগুলো হয়ত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আসলে নির্বাচিত সরকার ছাড়া সঠিক বিনিয়োগ হয় না।  শ্রম আইন (সংশোধন) অধ্যাদেশ নিয়ে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, একতরফাভাবে সংশোধিত শ্রম আইন শিল্পে অস্থিরতা বাড়াবে। একই সঙ্গে বৈদেশিক বিনিয়োগ কমাবে, রপ্তানি খাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে ও দেশের অর্থনীতি দুর্বল করে তুলবে। নতুন আইনে শিল্প মালিক ও শ্রমিক কোনো পক্ষের স্বার্থই সংরক্ষিত হয়নি।  শ্রম সংশোধন অধ্যাদেশকে ‘ভারসাম্যহীন’ ও ‘অযৌক্তিক’ আখ্যা দিয়ে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, উপদেষ্টা পরিষদে একতরফাভাবে শ্রম আইন সংশোধন করে মাত্র ২০ জন শ্রমিকের সম্মতিতে ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের বিধান করা হয়। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবতা বিবর্জিত। কারণ মাত্র ২০ জন শ্রমিক দিয়ে একটি ইউনিয়ন গঠন করা হলে কারখানাগুলোতে এমন ব্যক্তিরা ট্রেড ইউনিয়ন করবেন, যারা শিল্পসংশ্লিষ্ট নন। এটি অন্তর্দ্বন্দ্ব ও শিল্পে অস্থিতিশীলতা তৈরি করবে। এতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমবে এবং উদ্যোক্তারা নতুন প্রতিষ্ঠান স্থাপন বা পরিচালনায় নিরুৎসাহিত হবেন।  শ্রম অধ্যাদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানিয়ে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, শিল্প, শ্রমিক ও অর্থনীতির বাস্তব চাহিদা বিবেচনায় নতুন আইন প্রণয়ন করতে হবে। আইন যেন শিল্পের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা নষ্ট না করে; বরং টেকসই উন্নয়নকে সমর্থন করে। বাংলাদেশ গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সহসভাপতি জলি তালুকদার গণমাধ্যমকে বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে দুই থেকে তিন লাখ শ্রমিক কাজ হারিয়ে বেকার হয়ে পড়েছেন। এই সরকারের সময়েও চারজন শ্রমিককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এখন তারা ট্রেড ইউনিয়নও বন্ধ করতে চায়, যা কোনভাবেই প্রত্যাশিত না। বরং এই সরকারের সময় আমরা দেখেছি, বেতন-ভাতার আন্দোলনে যাওয়া শ্রমিককে গুলি করা হয়েছে। কোনো সুযোগ-সুবিধা তো বাড়েইনি, দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে শ্রমিকদের অবস্থা।  আরটিভি/কেএইচ
দেশের ৩৫৩ পোশাক কারখানা বন্ধ, সোয়া লাখ শ্রমিক বেকার: বিজিএমইএ 
শেষ হলো আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা
রাজধানীর বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ কনফারেন্স সেন্টার (বিসিএফসিসি)-এ তিন দিনব্যাপী দেশের বৃহত্তম পর্যটন উৎসব ১৩তম বিমান বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ) ২০২৫ (শনিবার) সফলভাবে শেষ হয়েছে।এবারের মেলায় প্রায় ৪০ হাজার দর্শনার্থী অংশ নেন, যেখানে মোট বিক্রয় ও বাণিজ্যিক লেনদেনের পরিমাণ প্রায় ৪০ কোটি টাকা ছাড়ায়। শুধু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সই তিন দিনে প্রায় ৩ কোটি টাকার টিকিট বিক্রি করে। দেশের পর্যটন শিল্পের শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্য সংগঠন ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) এই মেলার আয়োজন করে। এবারের আসরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ছিল টাইটেল স্পনসর, আইএইচজি গোল্ড পার্টনার এবং বিকাশ পেমেন্ট পার্টনার হিসেবে যুক্ত ছিল। মেলার শেষ দিনে অংশগ্রহণকারী সংস্থাগুলোকে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নুজহাত ইয়াসমিন। আরও উপস্থিত ছিলেন টোয়াবের সভাপতি মোঃ রাফেউজ্জামান, পরিচালক (বাণিজ্য ও মেলা) মো. তাসলিম আমিন শোভনসহ অন্যান্যরা। প্রধান অতিথি হিসেবে নুজহাত ইয়াসমিন বলেন, এক সময় ট্যুরিজম ছিল একটি শখ। মানুষ সবসময় অজানাকে জানতে চায়, অচেনাকে চিনতে চায়, অদেখাকে দেখতে চায়—এই কৌতূহল থেকেই পর্যটনের সূচনা। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ট্যুরিজম এখন একটি পূর্ণাঙ্গ শিল্পে পরিণত হয়েছে। পৃথিবীর অনেক দেশেই এই শিল্প এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খাতে পরিণত হয়েছে। আমাদের বাংলাদেশেও পর্যটন শিল্প রয়েছে, তবে আমরা এখনও সেই কাঙ্ক্ষিত অবস্থানে পৌঁছাতে পারিনি। এর মানে এই নয় যে আমাদের উপাদান বা সম্ভাবনা নেই, বরং আমরা এখনও তা যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারিনি। তিনি আরও বলেন, ট্যুরিজম বোর্ডে যোগ দেওয়ার পর বুঝেছি, ট্যুরিজমের উপাদান অনেক রকম হতে পারে—এটা কোনো স্থির বিষয় নয়। শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যই নয়, বরং সংস্কৃতি, খাবার, রীতিনীতি—সবকিছু মিলেই ট্যুরিজম। এটি কেবল অর্থনৈতিক খাত নয়, বরং এখানে আইডিয়া বা সৃষ্টিশীলতার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যা কিছু আমাদের নিজস্ব, সেটাই আমাদের ট্যুরিজম উপাদান। অন্য দেশের মতো করে দেখানোর প্রয়োজন নেই; বরং স্থানীয়ভাবে, নিজের জায়গার বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ণ রেখে সেটাকে উপস্থাপন করতে হবে। নুজহাত ইয়াসমিন বলেন, ট্যুরিজমের বিবর্তনে এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো পরিবেশ। আমরা অবশ্যই আনন্দ চাই—অজানাকে দেখা, অচেনাকে চেনা কিংবা অদেখাকে দেখা—কিন্তু এখন ট্যুরিজম শুধুই শখ নয়, এটি একটি পেশা। এর সঙ্গে ১২টিরও বেশি উপখাত যুক্ত, যা প্রায় ২০টির কাছাকাছি হবে। অনেকেই কোনো না কোনোভাবে এই খাতের সঙ্গে সম্পর্কিত, যদিও অনেক সময় আমরা তা বুঝি না। তবে কোনো কিছুই পরিবেশের ঊর্ধ্বে নয়। এর মানে এই নয় যে পরিবেশ রক্ষায় সমন্বয় করলে খাতটি পিছিয়ে যাবে; বরং আমাদের উচিত বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে ট্যুরিজমকে এগিয়ে নেওয়া। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, এবারের মেলায় এয়ারলাইন, হোটেল, রিসোর্ট, ট্যুর অপারেটর, হাসপাতাল, ক্রুজ লাইনসহ বিভিন্ন ভ্রমণ ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট ৮০ প্রতিষ্ঠান অংশ নেয় যেখানে মোট ১৫০টি স্টল স্থাপন করা হয়। তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে প্রায় ৪০ হাজার দর্শনার্থী মেলায় ঘুরেছেন। আয়োজকদের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, মেলায় মোট বিক্রয় ও বাণিজ্যিক লেনদেনের পরিমাণ প্রায় ৪০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এছাড়া এবারের মেলায় অংশ নেয় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া, থাই এয়ারওয়েজ, এয়ার এশিয়া, তুর্কিশ এয়ারলাইনস ও ড্রুক এয়ারসহ দেশি-বিদেশি বহু প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ তিনদিনে প্রায় ৩ কোটি টাকার টিকিট বিক্রি করেছে। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো অত্যন্ত সন্তোষজনক সাড়া পেয়েছে বলে জানায় টোয়াব। হোটেল ও রিসোর্ট প্রতিষ্ঠানগুলো বিশেষ ছাড়ে রুম ও ভ্রমণ প্যাকেজ বিক্রি করেছে। ছয়টি হোটেল ও রিসোর্ট তাদের শেয়ার বিক্রি করেছে, যা বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের ইতিবাচক ইঙ্গিত বহন করে। আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন এক্সিবিটর, পার্টনার, স্পনসর, টোয়াবের বোর্ড অব ডিরেক্টরস, কোম্পানি সেক্রেটারি এবং বিটিটিএফ কমিটির কনভেনাররা। এবারের মেলায় পাকিস্তান, নেপাল ও ভুটানের জাতীয় পর্যটন সংস্থা ও ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশন অংশ নেয়। এছাড়া মালদ্বীপ, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, চীন, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, তুরস্ক এবং স্বাগতিক বাংলাদেশের ট্যুর অপারেটর ও ট্রাভেল এজেন্টরাও অংশগ্রহণ করে। মেলা চলাকালীন দর্শনার্থীদের জন্য অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বিশেষ মূল্যছাড়ে সেবা ও পণ্য প্রদর্শন করে, যার মধ্যে দেশি-বিদেশি গন্তব্যে এয়ার টিকিট, তারকা হোটেলের রুম বুকিং ও আকর্ষণীয় ভ্রমণ প্যাকেজ অন্তর্ভুক্ত ছিল। তিনদিনের মেলায় বিটুবি সেশন, সেমিনার, এওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠান ও কান্ট্রি প্রেজেন্টেশন। মেলার উদ্বোধনের দিনে বাংলাদেশ ও নেপালের ট্রাভেল ট্রেড শিল্পের সংযোগ স্থাপন শীর্ষক বিটুবি নেটওয়ার্কিং ইভেন্টসহ ফিলিপাইন, মালদ্বীপ, ভূটান, পাকিস্থান, শ্রীলংকা এসব দেশের মধ্যে বিটুবি সেমিনার আয়োজন করা হয়। মেলায় দেশের পর্যটন খাতে অবদানের জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছেন তিন সাংবাদিকসহ ১৩ জন। দর্শনার্থীদের জন্য প্রতিদিন ছিল সাংস্কৃতিক আয়োজন এবং দেশের পর্যটন গন্তব্যভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী। এছাড়াও দর্শনার্থীদের জন্য ছিল আকর্ষণীয় র‌্যাফেল ড্র পুরস্কার এবং প্রবেশমূল্যে বিকাশের বিশেষ ক্যাশব্যাক অফার। এর আগে গত বৃহস্পতিবার ৩ দিন ব্যাপী এই মেলার প্রধান অতিথি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্ধোধন করেন প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী। আরটিভি/টিআই
শেষ হলো আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা
যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যসংযোজিত পণ্য রপ্তানিতে দ্বিতীয় বাংলাদেশ: আইএমএফ
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে মূল্য সংযোজিত পণ্য রপ্তানিতে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে কম্বোডিয়া এবং তৃতীয় অবস্থানে ভিয়েতনাম।   শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) প্রকাশিত আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।   প্রতিবেদনে চলতি অর্থবছরের বাংলাদেশের মোট দেশজ উত্পাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৪ দশমকি ৯ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।   আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে মূল্য সংযোজিত পণ্য রপ্তানি বাড়াতে শীর্ষে রয়েছে কম্বোডিয়া। এ খাতে তাদের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২১ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ, রপ্তানি বাড়িয়েছে ২০ শতাংশ। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভিয়েতনাম। তারা রপ্তানি বাড়িয়েছে ১০ শতাংশ। তবে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রপ্তানিতে শীর্ষ রপ্তানিকারকদের মধ্যে মূল্য সংযোজিত পণ্য রপ্তানিতে জাপান, মালয়েশিয়া, কোরিয়া, ফিলিপাইন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, তাইওয়ান প্রবৃদ্ধিতে পিছিয়ে পড়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এশিয়ার দেশগুলোর পণ্য রপ্তানির বড় বাজার হচ্ছে ইউরোপ ও আমেরিকা। ওইসব অঞ্চলের দেশ থেকে এশিয়ার দেশগুলো যেমন বেশি পণ্য রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে, তেমনি রেমিট্যান্স থেকে মোটা অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে। এর বিপরীতে আহরিত বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে আমদানি ব্যয় মিটিয়ে বৈদেশিক মুদ্রার স্থিতিপত্রে ভারসাম্য রক্ষা করতে অন্যতম ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে। আইএমএফের প্রতিবেদন মতে, রপ্তানি আয়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র সব সময়ই একটি প্রতিযোগিতার বাজার সৃষ্টি করে তাদের নীতি সহায়তার প্রয়োগ বাড়ায়। এর মধ্যে শ্রমের বাজার উন্নয়ন, কর্মীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, রপ্তানি পণ্যের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজনের হার বাড়ানো উল্লেখযোগ্য। যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজনের হার বাড়ানো সম্ভব হলে বেশি পণ্য রপ্তানির সুযোগ রয়েছে। এ জন্য দেশটির বাজারে রপ্তানিতে মূল্য সংযোজন বাড়ানোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে এক ধরনের প্রতিযোগিতা চলে। এ সুযোগ সবচেয়ে বেশি সফলভাবে কাজে লাগিয়েছে কম্বোডিয়া।  প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মূল্য সংযোজিত পণ্যের মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পণ্য রপ্তানি করে তৈরি পোশাক। এর বাইরে চামড়াজাত ও হস্তজাত পণ্য রপ্তানি করে। এসব পণ্যে বাংলাদেশের মূল্য সংযোজনের হার বাড়ছে। যে কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এসব পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধিও বেড়েছে। আরটিভি/কেএইচ
যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যসংযোজিত পণ্য রপ্তানিতে দ্বিতীয় বাংলাদেশ: আইএমএফ
‘পোশাক রপ্তানিতে ল্যাটিন আমেরিকা হতে পারে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত’
মেক্সিকোতে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী জানিয়েছেন, পোশাক রপ্তানিতে ল্যাটিন আমেরিকা হতে পারে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত।  বুধবার (১৫ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও শেয়ার করে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা জানান। ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, কয়েকটি গার্মেন্টস কারখানা পরিদর্শনের অংশ হিসেবে আজ সাভারের আল মুসলিম গার্মেন্টসে। সাথে মেক্সিকোর ২ হাজার ৩০টি স্টোরের চেইন Coppel এর ক্রেতা প্রতিনিধি ম‍্যারিয়া। আশা করি তৈরি পোশাক রফতানিতে ল‍্যাটিন অ‍্যামেরিকা হয়ে উঠবে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত। মুশফিকুল ফজল আনসারীর শেয়ার করা ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন আরটিভি/কেএইচ
‘পোশাক রপ্তানিতে ল্যাটিন আমেরিকা হতে পারে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত’
আরও পড়ুন
বহিষ্কারের প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন রুমিন ফারহানা
মাকে কবরে রেখে বিষণ্ন মনে বাসায় ফিরলেন তারেক রহমান
বাংলাদেশ-চীনের সম্পর্ক উন্নয়নে খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে
স্বামীর কবরের পাশে সমাহিত খালেদা জিয়া