ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

‘মার্কিন রাষ্ট্রদূতের আচরণ পক্ষপাতদুষ্ট’

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:৫৩ পিএম

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাম্প্রতিক আচরণকে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ আখ্যা দিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। সমিতির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, সংবাদপত্রের মাধ্যমে জানা যায় যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত বিএনপি সমর্থিত ‘মায়ের ডাক’ নামক একটি সংগঠনের আহ্বানে ২০১৩ সালে একজন বিশেষ ব্যক্তির নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ শুনতে ঢাকা শহরের একটি বাড়িতে উপস্থিত হন। একই সময়ে খবর পেয়ে ‘মায়ের কান্না’ নামক সংগঠনের কর্মীরা তাদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি তাকে অবহিত করার জন্য একটি স্মারকলিপি দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ বিষয়ে তিনি কোনো কর্ণপাত করেননি।

বৃহস্পতিবার (১৫ ডিসেম্বর) সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়ার স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব অভিযোগ করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, মায়ের কান্না নামক সংগঠনটি সামরিক স্বৈরাচার জেনারেল জিয়ার সময়ে ১৯৭৭-৭৮ সালে বিচারের নামে হত্যা ও গুমের যে ঘটনা ঘটেছে এতে যারা স্বজন হারিয়েছেন তাদের মানবাধিকার রক্ষার আবেদন নিয়ে রাষ্ট্রদূতের শরণাপন্ন হয়েছিল। এদের কথা শুনতে অপারগতা মার্কিন রাষ্ট্রদূতের দ্বৈত আচরণের বহিঃপ্রকাশ, যা দুঃখজনক বলে মন্তব্য করা হয় বিবৃতিতে।

সম্প্রতি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে এবং রাজনৈতিক বিষয়ে কয়েকটি দেশের কূটনীতিক যেভাবে বক্তব্য রাখছেন ও অংশগ্রহণ করছেন তা দৃষ্টিকটু ও কূটনৈতিক শিষ্টাচারের লঙ্ঘন জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পরিতাপের বিষয় হলো যে পশ্চিমা দেশগুলো যেমন- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও যুক্তরাজ্য আমাদের বিভিন্ন সময়ে মানবাধিকারের কথা বলে। অথচ তারাই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের স্বঘোষিত খুনি ও একাত্তরের বুদ্ধিজীবী হত্যাকারীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি যে কোনো ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সর্বদা সোচ্চার। মার্কিন রাষ্ট্রদূতসহ যারা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার রক্ষার দাবি করেন তাদের সুস্পষ্ট বক্তব্য দাবি করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথিতযশা শিক্ষকসহ দেশের শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিজীবীদের পরিকল্পিত হত্যার ঘটনা, ৭১-এর গণহত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং বিভিন্ন সামরিক শাসনামলে হত্যা ও গুমের যে ঘটনা ঘটেছিল তার বিষয়ে বক্তব্য দিন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে বিদেশি কূটনীতিকদের শিষ্টাচার বজায় রেখে মানবাধিকার রক্ষায় সরকারকে সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘নিজেদের স্বার্থে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় আইনের অপব্যবহার করছে’
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ বলেছেন, পৃথিবীর কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের মতো এত বেশিসংখ্যক বিভাগ ও সেন্টার নেই। শিক্ষাকে দেশ ও বিদেশের কাছে অর্থবহ করার জন্য আউটকাম বেইজড এডুকেশন বা ফলনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার দিকে সরকার মনোযোগ দিয়েছে। তবে তিনি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢালাওভাবে প্রফেসর সংখ্যা বৃদ্ধির কঠোর সমালোচনা করেন।  ‘রাষ্ট্রনীতিতে বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা ভাবনা ও দর্শনের প্রয়োগ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) ঢাকার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট অডিটরিয়ামে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মেসবাহ কামাল, ইউজিসি সদস্য ও ইআরডিএফবির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল আলম ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন। দেশের কিছু কিছু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নিজেদের স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় আইনের অপব্যবহার করছে দাবি করে ইউজিসি চেয়ারম্যান কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, ওনারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রকৃত উদ্দেশ্য থেকে সরে আসছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে। ছাত্র, অভিভাবকসহ সমাজে প্রতিনিয়ত আমাদেরকে এখন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এসময় তিনি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করার এবং গুণগত শিক্ষা ও গবেষণা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। এখন ঘরে ঘরে জিপিএ ফাইভ বা টপার আছে। অথচ তারা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় ব্যর্থ হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিভাগে ৫৪ জন শিক্ষার্থী প্রথম শ্রেণি প্রাপ্ত হয়েছে। কোনো শিক্ষার্থী দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণি প্রাপ্ত হয়নি। অথচ আমার সময়ে মাত্র ১/২ জন শিক্ষার্থী প্রথম শ্রেণি পেতো।
‘নিজেদের স্বার্থে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় আইনের অপব্যবহার করছে’
একাদশে ভর্তির সুযোগ পেল ১২ লাখ ৭৮ হাজার শিক্ষার্থী
প্রথম ধাপের ফলাফলে উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তির জন্য মনোনীত হয়েছে ১২ লাখ ৭৮ হাজার ১১৪ শিক্ষার্থী। প্রথম ধাপে ১৩ লাখ ৫৭ হাজার ৬৪৬ জন আবেদন করেছিল। এর আগে, শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ফল প্রকাশ করা হয়। অনলাইনে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে প্রথম ধাপের ফল জানা যাচ্ছে। এ বছর শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন কলেজের ৭০ লাখ ২০ হাজারের বেশি আসন চয়েস দিয়েছে। অনলাইনে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে (www.xiclassadmission.gov.bd) প্রবেশ করে ফলাফল জানা যাচ্ছে।
একাদশে ভর্তির সুযোগ পেল ১২ লাখ ৭৮ হাজার শিক্ষার্থী
একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ
উচ্চ মাধ্যমিক বা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ করা হয়েছে।  শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এই ফল প্রকাশ করা হয়। অনলাইনে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে (www.xiclassadmission.gov.bd) প্রবেশ করে ফলাফল জানা যাবে। এ বছর প্রায় ১৩ লাখ ভর্তিচ্ছু একাদশে ভর্তির আবেদন করেছিলেন। তারা বিভিন্ন কলেজের ৭০ লাখ ২০ হাজারের বেশি আসন ‘চয়েজ’ দিয়েছেন। প্রথম ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের আগামী ৮ জানুয়ারির মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে। ৩২৮ টাকা ফি দিয়ে ভর্তির প্রাথমিক নিশ্চায়ন করা যাবে। নিশ্চায়ন না করলে প্রথম পর্যায়ের নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হবে। এর ফলে পুনরায় ফিসহ আবেদন করতে হবে। আগামী ৯ ও ১০ জানুয়ারি দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ করা হবে। এর ফল প্রকাশ করা হবে ১২ জানুয়ারি। দ্বিতীয় পর্যায়ের শিক্ষার্থী নির্বাচন নিশ্চায়ন চলবে ১৩ ও ১৪ জানুয়ারি। এরপর তৃতীয় পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ করা হবে ১৬ জানুয়ারি। এর ফল প্রকাশ করা হবে ১৮ জানুয়ারি। তৃতীয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীর নির্বাচন নিশ্চায়ন চলবে ১৯ ও ২০ জানুয়ারি।  আগামী ২২ থেকে ২৬ জানুয়ারি একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি চলবে। এরপর ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ক্লাস শুরু হবে।
একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ
৮০ কৃতী শিক্ষার্থীকে সমমনা পরিষদের সংবর্ধনা 
রাজধানীর বনশ্রীতে সামাজিক সংগঠন সমমনা পরিষদের পক্ষ থেকে এসএসসি-২০২২ সালের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতী শিক্ষার্থীদের স্মারক উপহার ও সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকার বনশ্রীতে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বনশ্রীর সমমনা পরিষদের পক্ষ থেকে মোট ৮০ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে স্মারক উপহার ও সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমমনা পরিষদের নেতা রেজওয়ান কচি।  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও সমমনা পরিষদের সভাপতি শাহাবুদ্দিন শিকদার বলেন, শিক্ষার্থীদের কৃতিত্বের মূল্যায়ন করলে তারা বেশি বেশি উৎসাহ পায় এবং আরও উদ্যমী হয়ে ওঠে। শিক্ষর্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনে সফলতাকে আরও বেগবান করতে আমাদের আজকের আয়োজন। তিনি বলেন, আজকের শিক্ষার্থী আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। শিক্ষার্থীদের মেধা-মননে যথাযথ বিকাশের জন্য লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও মনোযোগী হতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে মানসম্মত শিক্ষক ছাড়া মানসম্মত শিক্ষার্থী গড়ে তোলা সম্ভব না।   সমমনা পরিষদের নেতা সাইফুদ্দিন বিটুর সঞ্চালনায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। এতে স্বাগত বক্তব্য ও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে কবিতা আবৃত্তি করেন এম এ করিম। এ ছাড়াও সমমনা পরিষদের সব সদস্য এবং সংবর্ধিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। 
৮০ কৃতী শিক্ষার্থীকে সমমনা পরিষদের সংবর্ধনা 
কুবির ৪২ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী পেলেন এনএসটি ফেলোশিপ
জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (এনএসটি) ফেলোশিপ ২০২২-২৩ এর জন্য কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ৪২ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী মনোনীত হয়েছেন। মনোনীতদের মধ্যে একজন শিক্ষক ও ৪১ জন শিক্ষার্থী।  বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব খান মো. রেজা-উন-নবী স্বাক্ষরিত দু'টি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুই ক্যাটাগরিতে (ভৌতবিজ্ঞান এবং জীববিজ্ঞান ও চিকিৎসা বিজ্ঞান) পাওয়া ৪২ জনের মধ্যে ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ তোফায়েল আহমেদ ও বাকী ৪১ জন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী।  শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১১ জন ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ৯ জন, ফামের্সি বিভাগের ৮ জন, রসায়ন বিভাগের ৬ জন ও গণিত বিভাগের ৪ জন এবং পরিসংখ্যান বিভাগের ৩ জন। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার ফেলোশিপ অর্জনে আমাদের শিক্ষার্থীদের সাফল্য বেড়েছে। এটি গবেষণায় তাদের ক্রমবর্ধমান আগ্রহকেই প্রকাশ করছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার সংস্কৃতি তৈরির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এই ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা টেকসইভাবে তাদের গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করবো। উল্লেখ্য, ৪১ জন শিক্ষার্থীদের প্রতিজন ৫৪ হাজার এবং শিক্ষক পাবেন তিন লাখ টাকা।
কুবির ৪২ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী পেলেন এনএসটি ফেলোশিপ
আরও পড়ুন
বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহযোগিতা করবে জাপান : রাষ্ট্রদূত
মানবাধিকার বিষয়ে অভিযোগগুলো গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে : মার্কিন দূতাবাস
সাইকেলে চড়ে বাংলাদেশে জার্মান রাষ্ট্রদূত
সরকার কূটনীতিকদেরও ভয়ভীতি দেখাচ্ছে, অভিযোগ খসরুর