ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ঢাবিতে প্রধান মেডিকেল অফিসার পদে অযোগ্য প্রার্থী নিয়োগের অভিযোগ 

ঢাবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৭ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:৫৩ এএম
ফাইল ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শহিদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারের প্রধান মেডিকেল অফিসার পদে অযোগ্য প্রার্থী নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্ত পূরণ ছাড়াই প্রাথমিকভাবে প্রার্থী নির্বাচন করেছে সিলেকশন বোর্ড। যা আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সিন্ডিকেট সভায় চূড়ান্ত হবে বলে জানা যায়।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারের শূন্য চীফ মেডিকেল অফিসার পদ পূরণের জন্য বাংলাদেশী স্থায়ী নাগরিকদের নিকট থেকে দরখাস্ত আহ্বান করা হয়। এতে প্রার্থীর যোগ্যতা হিসেবে প্রার্থীকে এম.বি.বি এস এবং যে কোনো অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি বা ডিপ্লোমাধারী চাওয়া হয়। এ ছাড়াও শিক্ষাজীবনের সকল পরীক্ষায় কমপক্ষে দ্বিতীয় বিভাগ অথবা শ্রেণির কথা বলা হয়। অভিজ্ঞতা হিসেবে প্রার্থীকে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে ১৫ (পনেরো) বছরের পেশাগত দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়।

গত ৪ ডিসেম্বর এ পদের জন্য অনুষ্ঠিত হওয়া মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে প্রার্থী নির্বাচন করে সিলেকশন বোর্ড। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ডার ১৯৭৩ প্রথম স্ট্যাটিউটসের ২৮ ধারা অনুযায়ী চীফ মেডিকেল অফিসার পদে নিয়োগের জন্য এ বোর্ড গঠিত হয়।

সিলেকশন বোর্ডের তরফ থেকে জানা যায়, চিফ মেডিকেল অফিসার পদের জন্য বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান মেডিকেল অফিসার ডা. হাফেজা জামানকে নিয়োগের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যা চলতি মাসের শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় চূড়ান্ত করা হবে। তবে মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী বাকি প্রার্থীদের অভিযোগ ডা. হাফেজা বেগম এ পদের জন্য অযোগ্য।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন প্রার্থী জানান, বিজ্ঞপ্তির শর্ত হল এম.বি.বি এস পাশের পর স্নাতকোত্তর ডিগ্রী বা ডিপ্লোমাধারী হতে হবে। কিন্তু তিনি ( হাফেজা বেগম) স্নাতকোত্তর ডিগ্রী করেছেন, তা বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) আইন-২০১০ এর অনুমোদিত নয়। তিনি একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স (পাবলিক হেলথ্) ডিগ্রি করেন যা অনুমোদিত নয়।

এ বিষয়ে প্রথমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ও সিলেকশন বোর্ডের সদস্য ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি বলেন, আমি তো আর সবকিছু বলতে পারবো না। আপনি উপাচার্যের অফিসে যোগাযোগ করেন।

আরেক সিলেকশন বোর্ডের সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদের ডিন ড. সীতেশ চন্দ্র বাছারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, যেটা করা হয়েছে সম্পূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিবিধান অনুযায়ী করা হয়েছে। এ বিষয়ে উপাচার্যের সঙ্গে কথা বললে ভালো হয়। পরে তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের যে বিজ্ঞপ্তি আছে সেখানে ওরকম কিছু বলা নাই যে, অমুক যায়গা থেকে স্নাতকোত্তর করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. শাহরিয়ার নবী এ বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলেন। যিনি সিলেকশন বোর্ডের সদস্য ছিলেন। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখানে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্ব দিয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিএমডিসির কোনো শব্দ লেখা ছিল না। যেমন আমরা মেডিকেল কলেজগুলোতে যখন নিয়োগ দেই; আমরা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করে দেই যে বিএমডিসি স্বীকৃত ডিগ্রিপ্রাপ্ত হতে হবে। তবে আমি এ অভিযোগের সঙ্গে একমত। ইদানীং প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এরকম বিভিন্ন ডিগ্রি দিচ্ছে। ব্যক্তিগত স্বার্থে নয় বরং আমি একজন মেডিকেল প্রফেশনের মানুষ হিসেবে এর ঘোরতর আপত্তি জানাই।

অভিযোগের সঙ্গে একমত জানিয়ে তিনি বলেন, বোর্ডে আমি আমার বক্তব্য পেশ করছি। জানিনা পরবর্তী সিদ্ধান্ত কি। যাই-ই দিক না কেনো বিশ্ববিদ্যালয় স্বীকৃত হতে পারে। কিন্তু ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিগুলো যদি স্বীকৃত হয়, তাহলে বিএমডিসি কি ভূমিকা পালন করবে? বলে তিনি প্রশ্ন করেন।

তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি যে, মেডিকেল বোর্ডের প্রোমোশনে আসলে এ ডিগ্রিটা বিএমডিসি কর্তৃক স্বীকৃত হওয়া উচিত। এটা আমার বক্তব্য, যেটা আমিও চাই। কিন্তু এখানে আমার বক্তব্য তো সবকিছু না। আমার কাছে বিজ্ঞপ্তির ভেতরেই একটা টেকনিক্যালি ফল্ট (ভুল) রয়েছে বলে মনে হয়েছে।

বর্তমান শহিদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারের ভারপ্রাপ্ত প্রধান ডা, হাফেজা জামান বলেন, আমার এগুলো কিছু জানা নেই। মূলত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এগুলো বুঝবে। আমি পরীক্ষা দিয়েছি, এরপর বাকি কোনো কিছুই আমি জানি না। আমি খুব চাপে আছি, প্লিজ আমাকে এখন ডিস্টার্ব করবেন না।

কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স করেছেন জানতে চাইলে ডা. হাফেজা জামান বলেন, আমি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স (পাবলিক হেলথ্) করেছি।

এ বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলতে রাজি হয়নি সিলেকশন বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান। তিনি শুধু বলেন, কোথায় কি নিয়ম আছে জানি না। এই নিয়োগ প্রক্রিয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী হবে বলে তিনি ফোন রেখে দেন।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘নিজেদের স্বার্থে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় আইনের অপব্যবহার করছে’
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ বলেছেন, পৃথিবীর কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের মতো এত বেশিসংখ্যক বিভাগ ও সেন্টার নেই। শিক্ষাকে দেশ ও বিদেশের কাছে অর্থবহ করার জন্য আউটকাম বেইজড এডুকেশন বা ফলনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার দিকে সরকার মনোযোগ দিয়েছে। তবে তিনি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢালাওভাবে প্রফেসর সংখ্যা বৃদ্ধির কঠোর সমালোচনা করেন।  ‘রাষ্ট্রনীতিতে বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা ভাবনা ও দর্শনের প্রয়োগ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) ঢাকার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট অডিটরিয়ামে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মেসবাহ কামাল, ইউজিসি সদস্য ও ইআরডিএফবির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল আলম ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন। দেশের কিছু কিছু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নিজেদের স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় আইনের অপব্যবহার করছে দাবি করে ইউজিসি চেয়ারম্যান কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, ওনারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রকৃত উদ্দেশ্য থেকে সরে আসছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে। ছাত্র, অভিভাবকসহ সমাজে প্রতিনিয়ত আমাদেরকে এখন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এসময় তিনি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করার এবং গুণগত শিক্ষা ও গবেষণা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। এখন ঘরে ঘরে জিপিএ ফাইভ বা টপার আছে। অথচ তারা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় ব্যর্থ হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিভাগে ৫৪ জন শিক্ষার্থী প্রথম শ্রেণি প্রাপ্ত হয়েছে। কোনো শিক্ষার্থী দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণি প্রাপ্ত হয়নি। অথচ আমার সময়ে মাত্র ১/২ জন শিক্ষার্থী প্রথম শ্রেণি পেতো।
‘নিজেদের স্বার্থে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় আইনের অপব্যবহার করছে’
একাদশে ভর্তির সুযোগ পেল ১২ লাখ ৭৮ হাজার শিক্ষার্থী
প্রথম ধাপের ফলাফলে উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তির জন্য মনোনীত হয়েছে ১২ লাখ ৭৮ হাজার ১১৪ শিক্ষার্থী। প্রথম ধাপে ১৩ লাখ ৫৭ হাজার ৬৪৬ জন আবেদন করেছিল। এর আগে, শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ফল প্রকাশ করা হয়। অনলাইনে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে প্রথম ধাপের ফল জানা যাচ্ছে। এ বছর শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন কলেজের ৭০ লাখ ২০ হাজারের বেশি আসন চয়েস দিয়েছে। অনলাইনে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে (www.xiclassadmission.gov.bd) প্রবেশ করে ফলাফল জানা যাচ্ছে।
একাদশে ভর্তির সুযোগ পেল ১২ লাখ ৭৮ হাজার শিক্ষার্থী
একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ
উচ্চ মাধ্যমিক বা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ করা হয়েছে।  শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এই ফল প্রকাশ করা হয়। অনলাইনে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে (www.xiclassadmission.gov.bd) প্রবেশ করে ফলাফল জানা যাবে। এ বছর প্রায় ১৩ লাখ ভর্তিচ্ছু একাদশে ভর্তির আবেদন করেছিলেন। তারা বিভিন্ন কলেজের ৭০ লাখ ২০ হাজারের বেশি আসন ‘চয়েজ’ দিয়েছেন। প্রথম ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের আগামী ৮ জানুয়ারির মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে। ৩২৮ টাকা ফি দিয়ে ভর্তির প্রাথমিক নিশ্চায়ন করা যাবে। নিশ্চায়ন না করলে প্রথম পর্যায়ের নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হবে। এর ফলে পুনরায় ফিসহ আবেদন করতে হবে। আগামী ৯ ও ১০ জানুয়ারি দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ করা হবে। এর ফল প্রকাশ করা হবে ১২ জানুয়ারি। দ্বিতীয় পর্যায়ের শিক্ষার্থী নির্বাচন নিশ্চায়ন চলবে ১৩ ও ১৪ জানুয়ারি। এরপর তৃতীয় পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ করা হবে ১৬ জানুয়ারি। এর ফল প্রকাশ করা হবে ১৮ জানুয়ারি। তৃতীয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীর নির্বাচন নিশ্চায়ন চলবে ১৯ ও ২০ জানুয়ারি।  আগামী ২২ থেকে ২৬ জানুয়ারি একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি চলবে। এরপর ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ক্লাস শুরু হবে।
একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ
৮০ কৃতী শিক্ষার্থীকে সমমনা পরিষদের সংবর্ধনা 
রাজধানীর বনশ্রীতে সামাজিক সংগঠন সমমনা পরিষদের পক্ষ থেকে এসএসসি-২০২২ সালের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতী শিক্ষার্থীদের স্মারক উপহার ও সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকার বনশ্রীতে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বনশ্রীর সমমনা পরিষদের পক্ষ থেকে মোট ৮০ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে স্মারক উপহার ও সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমমনা পরিষদের নেতা রেজওয়ান কচি।  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও সমমনা পরিষদের সভাপতি শাহাবুদ্দিন শিকদার বলেন, শিক্ষার্থীদের কৃতিত্বের মূল্যায়ন করলে তারা বেশি বেশি উৎসাহ পায় এবং আরও উদ্যমী হয়ে ওঠে। শিক্ষর্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনে সফলতাকে আরও বেগবান করতে আমাদের আজকের আয়োজন। তিনি বলেন, আজকের শিক্ষার্থী আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। শিক্ষার্থীদের মেধা-মননে যথাযথ বিকাশের জন্য লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও মনোযোগী হতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে মানসম্মত শিক্ষক ছাড়া মানসম্মত শিক্ষার্থী গড়ে তোলা সম্ভব না।   সমমনা পরিষদের নেতা সাইফুদ্দিন বিটুর সঞ্চালনায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। এতে স্বাগত বক্তব্য ও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে কবিতা আবৃত্তি করেন এম এ করিম। এ ছাড়াও সমমনা পরিষদের সব সদস্য এবং সংবর্ধিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। 
৮০ কৃতী শিক্ষার্থীকে সমমনা পরিষদের সংবর্ধনা 
কুবির ৪২ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী পেলেন এনএসটি ফেলোশিপ
জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (এনএসটি) ফেলোশিপ ২০২২-২৩ এর জন্য কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ৪২ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী মনোনীত হয়েছেন। মনোনীতদের মধ্যে একজন শিক্ষক ও ৪১ জন শিক্ষার্থী।  বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব খান মো. রেজা-উন-নবী স্বাক্ষরিত দু'টি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুই ক্যাটাগরিতে (ভৌতবিজ্ঞান এবং জীববিজ্ঞান ও চিকিৎসা বিজ্ঞান) পাওয়া ৪২ জনের মধ্যে ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ তোফায়েল আহমেদ ও বাকী ৪১ জন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী।  শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১১ জন ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ৯ জন, ফামের্সি বিভাগের ৮ জন, রসায়ন বিভাগের ৬ জন ও গণিত বিভাগের ৪ জন এবং পরিসংখ্যান বিভাগের ৩ জন। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার ফেলোশিপ অর্জনে আমাদের শিক্ষার্থীদের সাফল্য বেড়েছে। এটি গবেষণায় তাদের ক্রমবর্ধমান আগ্রহকেই প্রকাশ করছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার সংস্কৃতি তৈরির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এই ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা টেকসইভাবে তাদের গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করবো। উল্লেখ্য, ৪১ জন শিক্ষার্থীদের প্রতিজন ৫৪ হাজার এবং শিক্ষক পাবেন তিন লাখ টাকা।
কুবির ৪২ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী পেলেন এনএসটি ফেলোশিপ
আরও পড়ুন
ইন্সপেক্টর স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ এসআই স্ত্রীর
আইনজীবীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ 
ঢাবি শিক্ষক জামাল উদ্দীনের প্রচারপত্রে বঙ্গবন্ধুর নামসহ ৩৯ বানান ভুল 
মার্টিনেজের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনল ফ্রান্স