ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ঢাবি শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে নীল দলের একচেটিয়া জয়

ঢাবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:০০ পিএম
ফাইল ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির ২০২৩ কার্যকরী পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামীপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন নীল দলের একচেটিয়া জয় হয়েছে। নির্বাচনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ১৫টি পদের ১৪টিতেই জয় পেয়েছে নীল দল। শুধু একটি সহসভাপতি পদে জয় পেয়েছে বিএনপি-জামায়াতপন্থি শিক্ষকদের প্যানেল সাদা দল। সাদা দলের একমাত্র বিজয়ী হলেন দলের আহ্বায়ক ও পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. লুৎফর রহমান। তিনি পেয়েছেন ৬৭৯ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী শামসুন নাহার হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক লাফিফা জামাল পেয়েছেন ৬৩২ ভোট।

বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন পরিচালক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার। এর আগে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাবে শিক্ষকদের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনে সভাপতি পদে জয়লাভ করেছেন পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূঁইয়া। এর আগে তিনি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ভোট পেয়েছেন ৮১৯টি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম পেয়েছেন ৩৮৪ ভোট। আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী ড. আ ক ম জামাল উদ্দিন পেয়েছেন ১৩২ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জিনাত হুদা। তিনি পেয়েছেন ৭১২ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. ছিদ্দিকুর রহমান খান পেয়েছেন ৫৮১ ভোট। কোষাধ্যক্ষ পদে হাজি মুহম্মদ মুহসীন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মাসুদুর রহমান ৮২৮ ভোট পেয়েছেন। প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী ব্যবসায় প্রশাসন ইনিস্টিউটের অধ্যাপক ড. মো. মহিউদ্দিন পেয়েছেন ৪৬১ ভোট। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. খাদেমুল হক পেয়েছেন ৮৪৫ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মৃৎশিল্প বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক দেবাশীষ পাল পেয়েছেন ৩৬৬ ভোট।

সদস্য পদে নীলদলের বিজয়ী ১০ জন হলেন সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান, স্যার এ এফ রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খান, প্রাণিবিদ্যা বিভাগেী অধ্যপক ড. শারমীন মুসা, চন্দ্রনাথ পোদ্দার, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এম আমজাদ, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো মাকসুদ রহমান, রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. কামরুল এহছান, টেলিভিশন, ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি বিভাগের অধ্যাপক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূঁইয়া, আলী আক্কাস এবং শরীফ আখতারুজ্জামান।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘নিজেদের স্বার্থে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় আইনের অপব্যবহার করছে’
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ বলেছেন, পৃথিবীর কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের মতো এত বেশিসংখ্যক বিভাগ ও সেন্টার নেই। শিক্ষাকে দেশ ও বিদেশের কাছে অর্থবহ করার জন্য আউটকাম বেইজড এডুকেশন বা ফলনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার দিকে সরকার মনোযোগ দিয়েছে। তবে তিনি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢালাওভাবে প্রফেসর সংখ্যা বৃদ্ধির কঠোর সমালোচনা করেন।  ‘রাষ্ট্রনীতিতে বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা ভাবনা ও দর্শনের প্রয়োগ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) ঢাকার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট অডিটরিয়ামে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মেসবাহ কামাল, ইউজিসি সদস্য ও ইআরডিএফবির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল আলম ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন। দেশের কিছু কিছু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নিজেদের স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় আইনের অপব্যবহার করছে দাবি করে ইউজিসি চেয়ারম্যান কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, ওনারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রকৃত উদ্দেশ্য থেকে সরে আসছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে। ছাত্র, অভিভাবকসহ সমাজে প্রতিনিয়ত আমাদেরকে এখন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এসময় তিনি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করার এবং গুণগত শিক্ষা ও গবেষণা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। এখন ঘরে ঘরে জিপিএ ফাইভ বা টপার আছে। অথচ তারা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় ব্যর্থ হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিভাগে ৫৪ জন শিক্ষার্থী প্রথম শ্রেণি প্রাপ্ত হয়েছে। কোনো শিক্ষার্থী দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণি প্রাপ্ত হয়নি। অথচ আমার সময়ে মাত্র ১/২ জন শিক্ষার্থী প্রথম শ্রেণি পেতো।
‘নিজেদের স্বার্থে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় আইনের অপব্যবহার করছে’
একাদশে ভর্তির সুযোগ পেল ১২ লাখ ৭৮ হাজার শিক্ষার্থী
প্রথম ধাপের ফলাফলে উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তির জন্য মনোনীত হয়েছে ১২ লাখ ৭৮ হাজার ১১৪ শিক্ষার্থী। প্রথম ধাপে ১৩ লাখ ৫৭ হাজার ৬৪৬ জন আবেদন করেছিল। এর আগে, শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ফল প্রকাশ করা হয়। অনলাইনে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে প্রথম ধাপের ফল জানা যাচ্ছে। এ বছর শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন কলেজের ৭০ লাখ ২০ হাজারের বেশি আসন চয়েস দিয়েছে। অনলাইনে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে (www.xiclassadmission.gov.bd) প্রবেশ করে ফলাফল জানা যাচ্ছে।
একাদশে ভর্তির সুযোগ পেল ১২ লাখ ৭৮ হাজার শিক্ষার্থী
একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ
উচ্চ মাধ্যমিক বা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ করা হয়েছে।  শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এই ফল প্রকাশ করা হয়। অনলাইনে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে (www.xiclassadmission.gov.bd) প্রবেশ করে ফলাফল জানা যাবে। এ বছর প্রায় ১৩ লাখ ভর্তিচ্ছু একাদশে ভর্তির আবেদন করেছিলেন। তারা বিভিন্ন কলেজের ৭০ লাখ ২০ হাজারের বেশি আসন ‘চয়েজ’ দিয়েছেন। প্রথম ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের আগামী ৮ জানুয়ারির মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে। ৩২৮ টাকা ফি দিয়ে ভর্তির প্রাথমিক নিশ্চায়ন করা যাবে। নিশ্চায়ন না করলে প্রথম পর্যায়ের নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হবে। এর ফলে পুনরায় ফিসহ আবেদন করতে হবে। আগামী ৯ ও ১০ জানুয়ারি দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ করা হবে। এর ফল প্রকাশ করা হবে ১২ জানুয়ারি। দ্বিতীয় পর্যায়ের শিক্ষার্থী নির্বাচন নিশ্চায়ন চলবে ১৩ ও ১৪ জানুয়ারি। এরপর তৃতীয় পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ করা হবে ১৬ জানুয়ারি। এর ফল প্রকাশ করা হবে ১৮ জানুয়ারি। তৃতীয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীর নির্বাচন নিশ্চায়ন চলবে ১৯ ও ২০ জানুয়ারি।  আগামী ২২ থেকে ২৬ জানুয়ারি একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি চলবে। এরপর ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ক্লাস শুরু হবে।
একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ
৮০ কৃতী শিক্ষার্থীকে সমমনা পরিষদের সংবর্ধনা 
রাজধানীর বনশ্রীতে সামাজিক সংগঠন সমমনা পরিষদের পক্ষ থেকে এসএসসি-২০২২ সালের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতী শিক্ষার্থীদের স্মারক উপহার ও সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকার বনশ্রীতে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বনশ্রীর সমমনা পরিষদের পক্ষ থেকে মোট ৮০ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে স্মারক উপহার ও সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমমনা পরিষদের নেতা রেজওয়ান কচি।  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও সমমনা পরিষদের সভাপতি শাহাবুদ্দিন শিকদার বলেন, শিক্ষার্থীদের কৃতিত্বের মূল্যায়ন করলে তারা বেশি বেশি উৎসাহ পায় এবং আরও উদ্যমী হয়ে ওঠে। শিক্ষর্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনে সফলতাকে আরও বেগবান করতে আমাদের আজকের আয়োজন। তিনি বলেন, আজকের শিক্ষার্থী আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। শিক্ষার্থীদের মেধা-মননে যথাযথ বিকাশের জন্য লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও মনোযোগী হতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে মানসম্মত শিক্ষক ছাড়া মানসম্মত শিক্ষার্থী গড়ে তোলা সম্ভব না।   সমমনা পরিষদের নেতা সাইফুদ্দিন বিটুর সঞ্চালনায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। এতে স্বাগত বক্তব্য ও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে কবিতা আবৃত্তি করেন এম এ করিম। এ ছাড়াও সমমনা পরিষদের সব সদস্য এবং সংবর্ধিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। 
৮০ কৃতী শিক্ষার্থীকে সমমনা পরিষদের সংবর্ধনা 
কুবির ৪২ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী পেলেন এনএসটি ফেলোশিপ
জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (এনএসটি) ফেলোশিপ ২০২২-২৩ এর জন্য কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ৪২ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী মনোনীত হয়েছেন। মনোনীতদের মধ্যে একজন শিক্ষক ও ৪১ জন শিক্ষার্থী।  বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব খান মো. রেজা-উন-নবী স্বাক্ষরিত দু'টি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুই ক্যাটাগরিতে (ভৌতবিজ্ঞান এবং জীববিজ্ঞান ও চিকিৎসা বিজ্ঞান) পাওয়া ৪২ জনের মধ্যে ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ তোফায়েল আহমেদ ও বাকী ৪১ জন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী।  শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১১ জন ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ৯ জন, ফামের্সি বিভাগের ৮ জন, রসায়ন বিভাগের ৬ জন ও গণিত বিভাগের ৪ জন এবং পরিসংখ্যান বিভাগের ৩ জন। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার ফেলোশিপ অর্জনে আমাদের শিক্ষার্থীদের সাফল্য বেড়েছে। এটি গবেষণায় তাদের ক্রমবর্ধমান আগ্রহকেই প্রকাশ করছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার সংস্কৃতি তৈরির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এই ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা টেকসইভাবে তাদের গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করবো। উল্লেখ্য, ৪১ জন শিক্ষার্থীদের প্রতিজন ৫৪ হাজার এবং শিক্ষক পাবেন তিন লাখ টাকা।
কুবির ৪২ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী পেলেন এনএসটি ফেলোশিপ
আরও পড়ুন
জাতীয় প্রেস ক্লাব নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে
পরিচালক সমিতির সভাপতি কাজী হায়াৎ, মহাসচিব শাহীন সুমন
যে দুটি কারণে মনোনয়ন পত্র কিনলেন মাহি  
ইউপি নির্বাচন: নৌকা প্রতীকে ১৫, স্বতন্ত্র প্রার্থীর ১২টিতে জয়লাভ