ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ সম্পর্কে নতুন তথ্য

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৪৪ এএম
ছবি: সংগৃহীত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ নিয়ে নানা গুঞ্জন ও অপপ্রচার চলছে। তবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর স্পষ্ট করেছে, এসব গুঞ্জনের কোনো ভিত্তি নেই। খাতা দেখার কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর শিগগিরই ফল প্রকাশ করা হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশন বিভাগের পরিচালক একে সামছুল আহসান জানান, তারা এখনো নির্বাচন কমিশন বা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো নির্দেশনা পাননি। তবে দ্রুততম সময়ে ফল প্রকাশের সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে এবং খুব শিগগিরই ফল প্রকাশ করা হবে।

২০ জানুয়ারির মধ্যে ফল প্রকাশের সম্ভাবনা সম্পর্কে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনও কোনো নির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। ফলে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয় কখন ফল প্রকাশ হবে। তবে পরীক্ষার ফল প্রকাশ বাতিল হবে বা না হবে—এমন কোনো তথ্য সঠিক নয়।

গত ৯ জানুয়ারি ৬১ জেলায় অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্যপদের বিপরীতে ১০ লাখ ৮০ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। পরীক্ষার আগে প্রশ্নফাঁসের গুঞ্জন ছড়ায় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন শেয়ার করা হয়। এ ছাড়া ‘ডিভাইস পার্টি’ নামে একটি গোষ্ঠী মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে নকলের সহায়তা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এই অবৈধ কর্মকাণ্ডের কারণে ২০৭ জন পরীক্ষার্থী হাতেনাতে আটক হয়েছেন, যাদের মধ্যে গাইবান্ধায় ৫৩ জন, নওগাঁয় ১৮ জন, দিনাজপুরে ১৮ জন, কুড়িগ্রামে ১৬ জন এবং রংপুরে ২ জন রয়েছেন।

প্রশ্নফাঁস ও জালিয়াতির অভিযোগে কিছু পরীক্ষার্থী আন্দোলনে নেমেও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, প্রশ্নফাঁসের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। যারা জালিয়াতির চেষ্টা করেছে, তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং এই কারণে পরীক্ষা বাতিল করার সুযোগ নেই।

অধিদপ্তর নিশ্চিত করেছে, পরীক্ষা ও ফলাফল যথাযথভাবে সম্পন্ন হচ্ছে এবং ফল প্রকাশের অপেক্ষায় থাকতে বলা হয়েছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘স্কুলবাসের নিচে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে ছেলে, গলায় ঝুলছে আইডি কার্ড’
রাজধানীর আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের জলসিঁড়ি শাখার ক্যাম্পাসে বাসচাপায় দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শাহরিয়ার সায়ন (৮) নিহতের ঘটনায় স্কুল কর্তৃপক্ষের গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন তার বাবা সাজু আহমেদ সেলিম। এ ঘটনায় তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি। তবে আইনি প্রক্রিয়ায় জড়াতে চান না বলে জানিয়েছেন নিহত শিশুটির বাবা। বুধবার (১৪ অক্টোবর) ভোরে সায়নের মরদেহ নিয়ে ঢাকার খিলক্ষেত থেকে পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার মাজপাড়া ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামে পৌঁছান স্বজনরা। পরে সকাল ৯টার দিকে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে স্কুল ক্যাম্পাসে বাসচাপায় প্রাণ হারায় শিশু সায়ন। সে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের জলসিঁড়ি শাখার দ্বিতীয় শ্রেণির ‘সি’ শাখার শিক্ষার্থী ছিল। সায়নের বাবা সাজু আহমেদ সেলিম ঢাকার খিলক্ষেতের বটতলা এলাকায় বসবাস করেন। তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তার স্ত্রী শারমিন খাতুন গৃহিণী। দুই সন্তানের মধ্যে সায়ন ছিল বড়। ছোট মেয়ে শাহরিনের বয়স চার বছর। নিহত সায়নের চাচা সোহেল রানা জানান, আগামী ১২ নভেম্বর সায়নের নবম জন্মদিন উদ্‌যাপনের কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় শিশুটিকে হারিয়ে পুরো পরিবার ভেঙে পড়েছে। তিনি বলেন, ‘সবাই খুব ভেঙে পড়েছে। সায়নের বাবা-মাকে সান্ত্বনা দিতে পারছি না। বাসচালকের অবহেলায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।’ ছেলের মৃত্যুর ঘটনা বর্ণনা করতে গিয়ে বাবা সাজু আহমেদ সেলিম বলেন, প্রতিদিন বেলা ৩টায় সায়নের ক্লাস শেষ হতো। এরপর ৩টা ১৫ থেকে ৩টা ২০ মিনিটের মধ্যে স্কুলবাস ছাড়ত। দুর্ঘটনার সময় তিনি ধানমন্ডিতে নিজের কর্মস্থলে ছিলেন। তিনি বলেন, ‘স্কুল থেকে বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে আমাকে ফোন দিয়ে দ্রুত স্কুলে যেতে বলা হয়। মোটরসাইকেল নিয়ে ৪০ মিনিটের মধ্যে স্কুলে পৌঁছাই। সেখানে গিয়ে যা দেখলাম, তা দেখার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। বাসের নিচে আমার ছেলে সায়ন রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। স্কুলড্রেস পরা, গলায় আইডি কার্ড ঝুলানো। আমার দুনিয়া যেন অন্ধকার হয়ে গেল।’ সাজু আহমেদ জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ ও সেনাসদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তিনি ছেলের মরদেহ বুঝে নেন। পরে স্কুলব্যাগ ও স্কুলড্রেসও তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। তিনি আরও জানান, পরে স্কুলের অধ্যক্ষের সহায়তায় সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখেন। তার দাবি, ফুটেজে একটি বাসকে ক্যাম্পাস থেকে বের হতে দেখা যায়। ওই বাসে কোনো সহকারী ছিলেন না। এ সময় তার ছেলে হয়তো খেলাধুলা করছিল। বাসটি বাম দিকে বাঁক নেওয়ার সময় সায়ন বাম পাশের চাকার নিচে চাপা পড়ে। সাজু আহমেদ সেলিম বলেন, ‘এত বড় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রায় ২০টি বাস এবং কয়েক হাজার শিক্ষার্থী। সেখানে এমন অবহেলা মেনে নেওয়া যায় না। ক্যাম্পাসের ভেতরে চালক বাস চালাচ্ছেন, অথচ তার সঙ্গে কোনো হেলপার বা সহকারী নেই। হাজারো শিশুর উপস্থিতিতে চালক কীভাবে সতর্কতা ছাড়া বাস চালান? এ ঘটনায় স্কুল কর্তৃপক্ষ ও বাসচালকের গাফিলতি রয়েছে।’ ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ না নেওয়ার কারণ জানিয়ে তিনি বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য সন্তানের মরদেহ কাটাছেঁড়া করা, মামলা পরিচালনার ঝামেলা, চাকরির ব্যস্ততা ও সময়ের অভাব সব মিলিয়ে তিনি আইনি প্রক্রিয়ায় জড়াতে চান না। দেশের বিচারব্যবস্থার প্রতিও তার আস্থা নেই বলে জানান তিনি। সাজু আহমেদ বলেন, ‘তাই লিখিত দিয়ে সন্তানের মরদেহ নিয়ে এসেছি। তবে ওই লিখিতপত্রে দাবি জানিয়েছি, এ ঘটনা তদন্ত করে যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে যেন স্কুল কর্তৃপক্ষ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।’ সন্তান হারানোর শোকের মধ্যেও সায়নের মৃত্যুর ঘটনায় যথাযথ তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি। আরটিভি/এসকে
‘স্কুলবাসের নিচে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে ছেলে, গলায় ঝুলছে আইডি কার্ড’
বিশ্ব ছাত্র দিবস আজ: শিক্ষার্থীদের অধিকার ও ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যয়
শিক্ষার্থীদের অধিকার, শিক্ষার সুযোগ ও মানোন্নয়নের গুরুত্ব তুলে ধরার দিন বিশ্ব ছাত্র দিবস আজ (১৫ অক্টোবর)।
বিশ্ব ছাত্র দিবস আজ: শিক্ষার্থীদের অধিকার ও ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যয়
‘মারামারির ভিডিও পোস্ট হইলেই তোর খবর আছে, তোরে ধরমু’, আরটিভির সাংবাদিককে হুমকি
পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে শিক্ষার্থীদের মারামারির ভিডিও ধারণ করায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) আরটিভির সংবাদদাতা আবু তাহেরকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ব্যবস্থাপনা বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে।
‘মারামারির ভিডিও পোস্ট হইলেই তোর খবর আছে, তোরে ধরমু’, আরটিভির সাংবাদিককে হুমকি
পশু জবাই নিয়ে নিষেধাজ্ঞার বিজ্ঞপ্তির বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ জবি প্রশাসনের
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে পশু জবাই থেকে বিরত থাকার আহ্বানকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ভুল-বোঝাবুঝির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে পশু জবাইসহ যেকোনো অনুষ্ঠান উদ্‌যাপনের অধিকার সবার রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের এক বক্তব্যে প্রশাসনের এ অবস্থান জানানো হয়। বক্তব্যে বলা হয়, গত ১২ অক্টোবর রাতে ক্যাম্পাসে খিচুড়ি রান্নাকে কেন্দ্র করে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে ভুল-বোঝাবুঝি দেখা দিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের উদ্যোগে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলেই বিষয়টির সমাধান করা হয়। পরদিন পারস্পরিক আলোচনা ও বক্তব্যের মাধ্যমে বিষয়টি আরও সন্তোষজনকভাবে সমাধান করা হয়। এদিকে বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ে। এ অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের মাধ্যমে প্রশাসনের অবস্থান স্পষ্ট করা হয়। প্রশাসনের বক্তব্যে আরও বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ১৫ অক্টোবর ক্যাম্পাসে পশু জবাইয়ের সম্ভাব্য কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ বিবেচনায় নতুন করে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি বা ধর্মীয় সম্প্রীতি বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা এড়াতে সবাইকে এ ধরনের কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানান প্রক্টর। তবে তাঁর এ আহ্বানকে কেন্দ্র করে ভুল-বোঝাবুঝির সৃষ্টি হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেছে প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, ক্যাম্পাসে পশু জবাইসহ যেকোনো অনুষ্ঠান উদ্‌যাপনের অধিকার সবার রয়েছে। তবে একটি উদ্‌যাপন যেন অন্য কোনো উদ্‌যাপনের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। ক্যাম্পাসে শান্তি, শৃঙ্খলা ও ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্বশীল ভূমিকা ও সহযোগিতা কামনা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আরটিভি/টিআর
পশু জবাই নিয়ে নিষেধাজ্ঞার বিজ্ঞপ্তির বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ জবি প্রশাসনের
গরু জবাই নিষিদ্ধের প্রতিবাদে জবিতে বিক্ষোভ, চলছে গরুভোজের প্রস্তুতি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে যেকোনো ধরনের পশু জবাই থেকে বিরত থাকার নির্দেশনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন একদল শিক্ষার্থী। এ সময় তাঁরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। একই সঙ্গে প্রথমে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) ক্যাম্পাসে গরুভোজের কর্মসূচি দিলেও পরে তা এগিয়ে আগামীকাল করার ঘোষণা করেছেন তারা। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত এ বিক্ষোভে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) প্রতিনিধিদের পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার্থীরাও অংশ নেন।  বিক্ষোভকারীদের ‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার’, ‘হিন্দুত্ববাদী আগ্রাসন রুখে দাও’, ‘তোমার আমার অধিকার, রুখে দেওয়ার সাধ্য কার’ এবং ‘বিজেপির দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। এদিকে, প্রশাসনের নির্দেশনার প্রতিবাদে প্রথমে শুক্রবার হলেও পরে একদিন এগিয়ে বৃহস্পতিবার গরুভোজ কর্মসূচি আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। এ জন্য ইতিমধ্যে অর্থ সংগ্রহ শুরু হয়েছে। আয়োজকদের দাবি, এ পর্যন্ত প্রায় এক লাখ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে। কর্মসূচিতে অংশ নিতে জনপ্রতি ৭০ টাকা নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত ১২ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চের সামনে গরুর মাংসের খিচুড়ি রান্নাকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের আয়োজনে রান্নার সময় মন্দিরের ইট ব্যবহারের অভিযোগ তোলেন সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা।  তবে আয়োজকদের দাবি, ইটগুলো মন্দিরের বলে জানার পর তাঁরা সেগুলোর ব্যবহার বন্ধ করেন এবং রান্নার স্থান পরিবর্তন করেন। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আজম খানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ক্যাম্পাসে যেকোনো ধরনের পশু জবাই থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়।  বিজ্ঞপ্তিতে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়। আরটিভি/এসআর    
গরু জবাই নিষিদ্ধের প্রতিবাদে জবিতে বিক্ষোভ, চলছে গরুভোজের প্রস্তুতি
আরও পড়ুন
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ১৮০ কর্মকর্তাকে ‘বিশেষ নির্দেশনা’
বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জরুরি নির্দেশনা
প্রাথমিক বৃত্তির ফলাফল নিয়ে যা জানা গেল
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রথম নারী মহাপরিচালক হলেন শাহীনা ফেরদৌসী