ঢাকা রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

নকলের দায়ে ১২৩ শিক্ষার্থীকে শাস্তি দিল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:৪৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩ সালের ডিগ্রি (পাস) ও সার্টিফিকেট কোর্স তৃতীয় বর্ষ পরীক্ষায় নকল ও অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে ১২৩ জন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এক স্মারকে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা শৃঙ্খলা কমিটির সভায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র, লিখিত কৈফিয়ত এবং জব্দ করা নকলের আলামত পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় উপাচার্য ও পরীক্ষা শৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি ড. এ এস এম আমানুল্লাহ সভাপতিত্ব করেন। ১২৩ জন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ বিস্তারিতভাবে আলোচনা শেষে অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় সর্বসম্মতিক্রমে বিভিন্ন ধারায় শাস্তি প্রদান করা হয়।

শাস্তির অংশ হিসেবে ৯২ জন পরীক্ষার্থীর সংশ্লিষ্ট বছরের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া ২২ জন শিক্ষার্থীকে পরীক্ষা আইন ‘ঙ’ ধারায় এবং ৪ জন শিক্ষার্থীকে ‘দ’ ধারায় কঠোর শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এসব শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বছরের পরীক্ষা বাতিলের পাশাপাশি পরবর্তী চার বছর পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ স্থগিত করা হয়েছে। বাকি শিক্ষার্থীদের অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী এক থেকে চার বছর পর্যন্ত বহিষ্কার করা হয়েছে।

সভা সূত্র জানায়, পরীক্ষাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, পর্যবেক্ষক ও প্রধান পরীক্ষকদের দাখিল করা প্রতিবেদন এবং জব্দ করা নকলের আলামত বিশ্লেষণ করেই এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
চাকসুর মেয়াদ পূর্ণ হলেও ভাঙা মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ নজরে আসেনি মুক্তিযুদ্ধ সম্পাদকের
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) এক বছর পূর্ণ হলেও সংস্কার করা হয়নি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাঙা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ ও নামফলক। দীর্ঘদিন ধরে অযত্ন-অবহেলায় পড়ে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থাপনাগুলো। কোথাও ভেঙে পড়ে রয়েছে স্মৃতিফলক, কোথাও জমেছে শ্যাওলা, লতাপাতা ও ময়লা-আবর্জনা। স্মৃতিস্তম্ভের গায়ে পেঁচিয়ে রয়েছে বৈদ্যুতিক তার, অকেজো হয়ে পড়েছে আলোকসজ্জা। অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে সাত শহীদের স্মরণে নির্মিত স্মরণ চত্বর বারবার ঢেকে যাচ্ছে খোদ চাকসুর ব্যানার-ফেস্টুনে। এক বছরেও এসব স্থাপনার সংস্কার ও সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ বাস্তবায়িত না হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে চাকসুর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদকের ভূমিকা নিয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারসংলগ্ন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থাপনাগুলোর অন্যতম ‘বিজয় ৭১ চত্বর’, যার পূর্বনাম ছিল ‘জয় বাংলা চত্বর’। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর চত্বরটি ‘বিজয় ৭১’ নামে পরিচিতি পেলেও পুরোনো নামফলক ভেঙে ফেলার পর সেখানে এখনো নতুন কোনো নামফলক স্থাপন করা হয়নি। বর্তমানে দেয়ালে রং দিয়ে ‘বিজয় ৭১’ লেখা থাকলেও ভাঙা ফলকটি পুনঃস্থাপন কিংবা নতুন নামফলক নির্মাণের কোনো উদ্যোগ দৃশ্যমান হয়নি। সরেজমিনে দেখা গেছে, বিজয় ৭১ চত্বরের স্মৃতিস্তম্ভজুড়ে জমে রয়েছে শ্যাওলা। দীর্ঘদিন রং না করায় স্থাপনাটির বিভিন্ন অংশ বিবর্ণ হয়ে পড়েছে। স্মৃতিস্তম্ভের চারপাশে জন্মেছে লতাপাতা, জমেছে ময়লা-আবর্জনা। স্মৃতিস্তম্ভের গায়ে পেঁচিয়ে রয়েছে বৈদ্যুতিক তার। এমনকি সেখানে স্থাপিত লাইটগুলোও দীর্ঘদিন ধরে জ্বলছে না। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সংস্কারের অভাবে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনাটির সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে। এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পোস্ট অফিসসংলগ্ন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের ভাঙা অংশও দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারবিহীন অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভগুলো যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অযত্ন-অবহেলার শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এসব স্থাপনার সংস্কার, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কিংবা যথাযথভাবে সংরক্ষণে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। এ বিষয়ে চাকসুর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মোনায়েম শরীফের কাছে জানতে চাওয়া হয়, তার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও কেন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভগুলোর সংস্কার ও সংরক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়নি। জবাবে তিনি বলেন, আমার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, তুমি তো বলছো। পোস্ট অফিসসংলগ্ন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের ভাঙা অংশের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ও ভাঙা পড়ে আছে না? এটা ঠিক করা দরকার ছিল। তবে স্মৃতিস্তম্ভ সংস্কারের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে মোনায়েম শরীফ বলেন, বুদ্ধিজীবী চত্বর সংস্কার ও শহীদ মিনারের আশপাশের এলাকা সংস্কারের জন্য আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলাম। বিষয়গুলো সিরিয়ালে রয়েছে। ধাপে ধাপে এগুলো করা হবে বলে জানানো হয়েছিল। প্রায় দেড় মাস আগে এ বিষয়ে উপাচার্যের সঙ্গে বসেছিলাম। এরপর আর বসা হয়নি। চাকসুর মেয়াদ শেষ হলেও নিজের অবস্থান থেকে এসব স্থাপনা সংস্কারের জন্য আবারও চেষ্টা করবেন বলে জানান তিনি। অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রবেশমুখ জিরো পয়েন্টে অবস্থিত ‘স্মরণ চত্বর’ নির্মাণ করা হয়েছে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতজন বীর সন্তানের স্মরণে। এখানে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নাম ও প্রতিকৃতি স্থান পেয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবোজ্জ্বল অবদান তুলে ধরার ক্ষেত্রে চত্বরটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। তবে মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী এসব বীর সন্তানের স্মরণে নির্মিত চত্বরটি প্রায়ই ঢেকে যায় খোদ চাকসুর ব্যানার ও ফেস্টুনে। বিশেষ করে ছাত্রসংগঠন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠনের প্রচারণামূলক ব্যানারের কারণে শহীদদের নাম ও প্রতিকৃতি আড়াল হয়ে যায়। এ নিয়ে একাধিকবার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলেও সমস্যাটির স্থায়ী সমাধান হয়নি। স্মরণ চত্বর চাকসুর ব্যানারে ঢেকে থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মোনায়েম শরীফ বলেন, স্মরণ চত্বর তো গোল। এক সাইডে ঢেকে থাকলে আরেক সাইডে দেখা যায়। সমস্যা নাই তো। এরপর তিনি পাল্টা প্রশ্ন করেন, তাহলে মুক্তিযুদ্ধ সম্পাদক হিসেবে এটা আমার ব্যর্থতা নাকি? তিনি আরও বলেন, চাকসুর বিভিন্ন প্রোগ্রামের জন্য জিরো পয়েন্টে ব্যানারগুলো দেওয়া হয়। সবাই আসে, দেখে, এ জন্য আরকি। এর আগে একটা খেলাধুলার প্রোগ্রামের কারণে সেখানে ব্যানার দেওয়া হয়েছে। এখন বিতর্ক উৎসবের জন্য ব্যানার দেওয়া হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে ব্যানারগুলো সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করবেন বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক সংগঠন ভয়েস অব স্টুডেন্টসের সভাপতি আশিকুর রহমান আশিক বলেন, কিছুদিন আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে অবস্থিত স্মরণ চত্বর ছাত্রদল, ছাত্রশিবিরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের ব্যানারে ঢেকে যায়। আমরা এর প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম এবং ব্যানার অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন করেছিলাম। এর পরপরই ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের ব্যানার সরিয়ে নেওয়া হয়। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও চাকসুর ব্যানারও দেখা যায়। বর্তমানে চাকসুর ব্যানারগুলো এখনো ঝুলে আছে, অথচ সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম শেষ হয়ে গেছে এবং চাকসুর মেয়াদও উত্তীর্ণ হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “স্মরণ চত্বরটি দ্রুত ব্যানারমুক্ত করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে, যাতে দূর থেকেই চত্বরটি স্পষ্টভাবে দেখা যায় এবং শহীদদের স্মৃতিবিজড়িত স্থাপনাটির পরিবেশ ও সৌন্দর্য অক্ষুণ্ণ থাকে।” বিজয় ৭১ চত্বরের ভাঙা নামফলক নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করে আশিকুর রহমান আশিক বলেন, জয় বাংলা চত্বরকে অনেকেই বিজয় ৭১ চত্বর হিসেবে নামকরণ করেছেন। কিন্তু সেখানে এখনো আগের ভাঙা ফলকটি পড়ে আছে। বিজয় ৭১ নামটি শুধু দেয়ালে রং দিয়ে লেখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। অথচ সেখানে নতুনভাবে একটি ফলক স্থাপন করা প্রয়োজন ছিল। চাকসুর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করলেও এসব স্মৃতিফলক সংস্কার ও পুনঃস্থাপনের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেননি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতিবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের এক শিক্ষার্থী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে যেভাবে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে, ঠিক একইভাবে মহান মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকেও গুরুত্ব দেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আমরা সেই উদ্যোগের প্রতিফলন দেখতে পাইনি। পরবর্তী সময়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কিছু গ্রাফিতি আঁকা হলেও তা করা হয়েছে একেবারে শেষ মুহূর্তে। আমাদের মনে হয়েছে, স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগের পরিবর্তে সমালোচনার কারণেই এসব গ্রাফিতি করা হয়েছে। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাশে অবস্থিত মুক্তিযোদ্ধা স্তম্ভটির বর্তমান অবস্থাও অত্যন্ত দুঃখজনক। স্তম্ভটির চারপাশ ঝোপঝাড়ে ঘেরা, বিভিন্ন অংশ ভাঙাচোরা অবস্থায় রয়েছে। অথচ এটি সংস্কার ও যথাযথভাবে সংরক্ষণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়ে না। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত এমন একটি স্থাপনার প্রতি অবহেলা সত্যিই হতাশাজনক। তিনি আরও বলেন, একজন দায়িত্বশীল অবস্থানে থেকে তার উচিত ছিল আমাদের জাতীয় ইতিহাসের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে যথাযথ মর্যাদা দেওয়া। কিন্তু তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে অগ্রাধিকার দিলেও মহান মুক্তিযুদ্ধ ও এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরার ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত ভূমিকা পালন করতে পারেননি বলে আমরা মনে করি। যে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি, সেই মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও চেতনাকে যথাযথ গুরুত্ব না দেওয়ার বিষয়টি আমাদের কাছে অত্যন্ত দুঃখজনক। এটি মুক্তিযুদ্ধের প্রতি অবমূল্যায়নেরই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। আরটিভি/টিআর
চাকসুর মেয়াদ পূর্ণ হলেও ভাঙা মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ নজরে আসেনি মুক্তিযুদ্ধ সম্পাদকের
ভাড়া বাসা থেকে কুবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, আটক স্বামী
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি ভাড়া বাসা থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ফার্মেসি বিভাগের ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফারজানা ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
ভাড়া বাসা থেকে কুবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, আটক স্বামী
সহজেই এইচএসসি ও সমমানের ফল দেখবেন যেভাবে
চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামী ২৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) প্রকাশ করা হবে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ২৯ অক্টোবর এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ চূড়ান্ত করা হয়েছে। ২৬ অক্টোবর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। ফল দেখার পদ্ধতিসহ সেখানে বিশদ বিবরণ থাকবে। এর আগে শিক্ষাবোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ফল প্রকাশের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। এখন ২৯ অক্টোবর ফল প্রকাশের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। ফল সহজেই জানবেন যেভাবে পরীক্ষার্থী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো অনলাইন ও মোবাইলের খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে ফল সংগ্রহ করতে পারবে। ১. অনলাইনে ফলাফল: শিক্ষা বোর্ডের সমন্বিত ওয়েবসাইট educationboardresults.gov.bd-এ প্রবেশ করে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও বোর্ড নির্বাচন করে ফল দেখা যাবে। সেখান থেকে মার্কশিটও ডাউনলোড করা যাবে। ২. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নিজস্ব ইআইআইএন (EIIN) ব্যবহার করে সমন্বিত ওয়েবসাইট থেকে পুরো প্রতিষ্ঠানের ফলাফল একসঙ্গে ডাউনলোড করতে পারবে। ৩. এসএমএসের মাধ্যমে: মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে HSC DHA 123456 2026 লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। এখানে DHA-এর জায়গায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের নামের প্রথম তিনটি ইংরেজি অক্ষর এবং 123456-এর জায়গায় নিজের রোল নম্বর বসাতে হবে। উল্লেখ, সারা দেশে একযোগে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২ জুলাই। ৮ আগস্ট পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বন্যার কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি বোর্ডের পরীক্ষা শেষ করতে আরও সময় লাগে। এইচএসসি-আলিম-এইচএসসি (বিএম-বিএমটি) বা এইচএসসি (ভোকেশনাল) বা ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স পরীক্ষায় ১১টি বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। মোট কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৬৯৭টি এবং পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৯ হাজার ৪৩৯টি। এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ২ জুলাই শুরু হয়েছিল এবং ৮ আগস্ট শেষ হয়েছে। ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৫ আগস্টের মধ্যে শেষ হয়। আরটিভি/টিআর
সহজেই এইচএসসি ও সমমানের ফল দেখবেন যেভাবে
পাবিপ্রবিতে নেই স্বাস্থ্যবিমা, চিকিৎসা ব্যয়ে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের জন্য নেই কোনো স্বাস্থ্যবিমা সুবিধা। ফলে অসুস্থতা, দুর্ঘটনা কিংবা জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হলে চিকিৎসা ব্যয়ের বড় অংশই তাদের নিজেদেরকেই বহন করতে হচ্ছে। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থী পড়তে হচ্ছে চরম আর্থিক চাপে। 
পাবিপ্রবিতে নেই স্বাস্থ্যবিমা, চিকিৎসা ব্যয়ে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি
আরটিভিতে সংবাদ প্রকাশের পর সাবেক শিক্ষার্থীদের মৃত্যুতে মাভাবিপ্রবির শোকবার্তা
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) সাবেক শিক্ষার্থীদের মৃত্যুর ঘটনায় শোকবার্তা প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। 
আরটিভিতে সংবাদ প্রকাশের পর সাবেক শিক্ষার্থীদের মৃত্যুতে মাভাবিপ্রবির শোকবার্তা
আরও পড়ুন
পোশাক নকলের অভিযোগে রক ব্যান্ডের বিরুদ্ধে চিয়ারলিডারদের মামলা
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ
ব্যাংকের নামে ফোন, কণ্ঠস্বর নকল করে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার ডলার
যবিপ্রবির খেলোয়াড়দের পেটালেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েরা