ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

দুর্ঘটনায় আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা অনুদান দেবে সরকার, আবেদন করবেন যেভাবে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের এককালীন চিকিৎসা অনুদান দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের অধীন দেশের ষষ্ঠ থেকে স্নাতক ও সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা এই অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

সম্প্রতি ট্রাস্টের উপবৃত্তি শাখা থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অনুদান পেতে আগ্রহী চিকিৎসাধীন অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের আগামী ৩১ আগস্ট রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

যেভাবে আবেদন করতে হবে

চিকিৎসা অনুদান পেতে শিক্ষার্থীকে এই লিংকে প্রবেশ করে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। চিকিৎসা অনুদানের জন্য আবেদনের ক্ষেত্রে দুর্ঘটনা প্রমাণে জেলা পর্যায়ে সিভিল সার্জন, সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক, উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কাছ থেকে গুরুতর আহতর সমর্থনে প্রত্যয়ন করা শিক্ষার্থীর চিকিৎসা সনদ, চিকিৎসা গ্রহণ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় রিপোর্ট ও নির্ধারিত ফরমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়ন অনলাইনে আপলোড করতে হবে।

চিকিৎসা অনুদানের প্রাপ্তির সময়সীমা

* আবেদনের প্রাপ্তির ৩-৪ মাস পর অর্থ পাঠানো হয়।

* শিক্ষার্থী চিকিৎসা অনুদানের জন্য নির্বাচিত হলে তার মোবাইল নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে।

আরও বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

আবেদনের প্রধান শর্তাবলি

আবেদনের সময়সীমা: দুর্ঘটনা ও হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার সময়কাল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অর্থবছর বা সর্বোচ্চ ১ বছরের ব্যবধানের মধ্যে হতে হবে। চিকিৎসা মেয়াদে একজন শিক্ষার্থী কেবল একবারই আবেদন করতে পারবেন। দুর্ঘটনাজনিত কারণ ছাড়া অন্য কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

শিক্ষাগত যোগ্যতা: শিক্ষার্থীকে পূর্বের শ্রেণিতে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। অথবা এসএসসি ও এইচএসসি (বা সমমান) পর্যায়ে জিপিএ ৫.০০-এর মধ্যে ন্যূনতম ৩.৫০ এবং স্নাতক পর্যায়ে জিপিএ ৪.০০-এর মধ্যে ৩.০০ প্রাপ্তির কপি আপলোড করতে হবে।

পারিবারিক আয়: সাধারণ শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে অভিভাবকের বার্ষিক আয় ২ লাখ টাকার কম হতে হবে। তবে সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের সন্তানরা অফিস প্রধানের প্রত্যয়নপত্র জমা দিয়ে আবেদন করতে পারবেন।

চিকিৎসা সনদ: দুর্ঘটনার প্রমাণস্বরূপ জেলা পর্যায়ের সিভিল সার্জন, সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক অথবা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কর্তৃক ‘গুরুতর আহত’ মর্মে প্রত্যয়নকৃত চিকিৎসা সনদের স্পষ্ট কপি আপলোড করতে হবে।

আরও পড়ুন

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

অনলাইনে আবেদনের সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা বিভাগীয় প্রধানের প্রত্যয়নপত্র, জন্মনিবন্ধন সনদ, মা-বাবার জাতীয় পরিচয়পত্র, শিক্ষার্থীর এক কপি ছবি, স্বাক্ষর এবং অনলাইন ব্যাংক হিসাবের সঠিক তথ্য আপলোড করতে হবে। কার্যক্রমটি সম্পূর্ণ অনলাইন ভিত্তিক হওয়ায় কোনো হার্ড কপি ডাকযোগে বা সরাসরি ট্রাস্টে পাঠানোর প্রয়োজন নেই।

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত নির্দেশনা

শিক্ষার্থী অথবা তার মা-বাবার নামের নিজস্ব অনলাইন ব্যাংক অ্যাকাউন্টের পূর্ণাঙ্গ নম্বর ও সচল মোবাইল নম্বর দিতে হবে। প্রমাণ হিসেবে চেকের পাতা বা ব্যাংক স্টেটমেন্ট আপলোড করা বাধ্যতামূলক। তবে মা-বাবার অনুপস্থিতিতে বৈধ অভিভাবকের ব্যাংক হিসাব বিবেচনা করা হবে। অসম্পূর্ণ বা ভুল অ্যাকাউন্টের কারণে টাকা বাউন্সড (ফেরত) হলে ট্রাস্ট আর পুনরায় টাকা পাঠাবে না।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, কোনো শিক্ষার্থী অনলাইনে আবেদনের সময় তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম খুঁজে না পেলে, প্রতিষ্ঠান প্রধানকে নিজস্ব প্যাডে ইআইআইএন নম্বরসহ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর আবেদন করতে হবে। এই আবেদন ডাকযোগে অথবা [email protected] ই-মেইলে পাঠানো যাবে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জবির পাঁচ মেধাবী শিক্ষার্থী পেলেন ফোবানা বৃত্তি
মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করা এবং আর্থিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) পাঁচ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দিয়েছে উত্তর আমেরিকায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশনস ইন নর্থ আমেরিকা (ফোবানা)।
জবির পাঁচ মেধাবী শিক্ষার্থী পেলেন ফোবানা বৃত্তি
উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবকে স্মারকলিপি চুয়েট শিক্ষার্থীদের
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন চুয়েট শিক্ষার্থীরা।
উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবকে স্মারকলিপি চুয়েট শিক্ষার্থীদের
কুকসুর গঠনতন্ত্র অনুমোদন-দ্রুত নির্বাচনের দাবিতে স্মারকলিপি
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (কুকসু)-এর খসড়া গঠনতন্ত্র দ্রুত অনুমোদন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে...
কুকসুর গঠনতন্ত্র অনুমোদন-দ্রুত নির্বাচনের দাবিতে স্মারকলিপি
কুবিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্ব 
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১৭তম জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াড-২০২৬ এর ঢাকা-দক্ষিণ আঞ্চলিক পর্ব। আগামীকাল ৬ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
কুবিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্ব 
শিশুর প্রকৃত শিখন নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: ববি হাজ্জাজ
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শুধু বিদ্যালয়ের অবকাঠামো নির্মাণ বা শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করাই যথেষ্ট নয়। বরং প্রতিটি শিশু বিদ্যালয়ে এসে কী শিখছে, তার মৌলিক শিক্ষার ভিত্তি কতটা মজবুত হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নে সরকার শিখনফল, পুষ্টি, শিক্ষক উন্নয়ন, কার্যকর মনিটরিং এবং জবাবদিহিতাকে সমান গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলা পরিষদে আয়োজিত ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচি’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় প্রধান শিক্ষকদের ওরিয়েন্টেশন এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা কি আমাদের সন্তানদের প্রাথমিক শিক্ষার মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত ও যথাযথ শিক্ষা দিতে পারছি? আমার মনে হয়, এখনো আমরা সেই জায়গায় পৌঁছাতে পারিনি। তবে এর অর্থ এই নয় যে, শিক্ষকরা চেষ্টা করছেন না কিংবা তাদের দায়িত্ব পালনে ঘাটতি রয়েছে। আমাদের দেখতে হবে, কোথায় কোথায় ঘাটতি রয়েছে এবং সম্মিলিতভাবে কীভাবে সেগুলো দূর করা যায়। শিক্ষকদের বিদ্যালয়ের সমস্যা, প্রয়োজন ও উন্নয়নসংক্রান্ত প্রস্তাব সরাসরি তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি। শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক পর্যায়েই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। পরবর্তী সময়ে মাধ্যমিকে যাওয়ার পথে এ সংখ্যা আরও বাড়ছে। কোনো শিশুই যেন বিদ্যালয়ের বাইরে না থাকে, সে লক্ষ্যে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদ্যালয়ে তাদের ধরে রাখা এবং নিয়মিত শিখন কার্যক্রমে সম্পৃক্ত রাখাও এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)-এর সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের বয়স অনুযায়ী আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পুষ্টিমান বিবেচনায় রেখে খাবারের মান নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কর্মসূচির আওতায় বিদ্যালয়গুলোতে খাবার সংরক্ষণের জন্য স্টোরেজ সুবিধা গড়ে তোলার বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি খাবারের গুণগত মান নিয়ে কোনো সমস্যা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর নির্দেশনা দেন তিনি। এক্ষেত্রে গুজব বা অসম্পূর্ণ তথ্যের পরিবর্তে যথাযথ পরীক্ষা ও তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৫) অনুমোদিত হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার অবকাঠামো ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি হবে। তবে উন্নয়ন প্রকল্পের সুফল পেতে নির্মাণকাজের প্রতিটি পর্যায়ে যথাযথ তদারকি ও গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার কিংবা অনিয়মের কারণে যেন নতুন অবকাঠামো দ্রুত নষ্ট না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৩১ লাখ শিক্ষার্থী স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় রয়েছে। ভবিষ্যতে এ কর্মসূচি সম্প্রসারণ করে ২০২৭ সালে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ শিক্ষার্থীকে এর আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এত বড় পরিসরে কর্মসূচি বাস্তবায়নে কার্যকর ব্যবস্থাপনা, স্থানীয় অংশগ্রহণ এবং যথাযথ তদারকি নিশ্চিত করতে হবে। সভায় সভাপতিত্ব করেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ড. রেজা কিবরিয়া, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির বাংলাদেশের হেড অব প্রোগ্রাম জেসি উড, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক এবং বাহুবল উপজেলা নির্বাহী অফিসার। সভায় বাহুবল উপজেলার সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রতিমন্ত্রী হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার বিষ্ণুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দারাগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বিদ্যালয় দু’টিতে চলমান স্কুল ফিডিং কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে খাবার বিতরণ ও খাবারের গুণগত মান, সংরক্ষণ এবং পরিবেশন ব্যবস্থার খোঁজখবর নেন। আরটিভি/টিআর
শিশুর প্রকৃত শিখন নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: ববি হাজ্জাজ
আরও পড়ুন
পাহাড়ে ওঠার সময় দড়ির বাঁধন ছিঁড়ে প্রাণ গেল দুই শিক্ষার্থীর
বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন থেকে প্রশাসন ক্যাডার বাকৃবির শাহীদুল
বাসাবোতে সংঘবদ্ধ হামলায় রক্তাক্ত জবি শিক্ষার্থী
এইচএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা