ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

দুর্ঘটনায় আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা অনুদান দেবে সরকার, আবেদন করবেন যেভাবে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের এককালীন চিকিৎসা অনুদান দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের অধীন দেশের ষষ্ঠ থেকে স্নাতক ও সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা এই অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

সম্প্রতি ট্রাস্টের উপবৃত্তি শাখা থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অনুদান পেতে আগ্রহী চিকিৎসাধীন অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের আগামী ৩১ আগস্ট রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

যেভাবে আবেদন করতে হবে

চিকিৎসা অনুদান পেতে শিক্ষার্থীকে এই লিংকে প্রবেশ করে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। চিকিৎসা অনুদানের জন্য আবেদনের ক্ষেত্রে দুর্ঘটনা প্রমাণে জেলা পর্যায়ে সিভিল সার্জন, সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক, উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কাছ থেকে গুরুতর আহতর সমর্থনে প্রত্যয়ন করা শিক্ষার্থীর চিকিৎসা সনদ, চিকিৎসা গ্রহণ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় রিপোর্ট ও নির্ধারিত ফরমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়ন অনলাইনে আপলোড করতে হবে।

চিকিৎসা অনুদানের প্রাপ্তির সময়সীমা

* আবেদনের প্রাপ্তির ৩-৪ মাস পর অর্থ পাঠানো হয়।

* শিক্ষার্থী চিকিৎসা অনুদানের জন্য নির্বাচিত হলে তার মোবাইল নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে।

আরও বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

আবেদনের প্রধান শর্তাবলি

আবেদনের সময়সীমা: দুর্ঘটনা ও হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার সময়কাল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অর্থবছর বা সর্বোচ্চ ১ বছরের ব্যবধানের মধ্যে হতে হবে। চিকিৎসা মেয়াদে একজন শিক্ষার্থী কেবল একবারই আবেদন করতে পারবেন। দুর্ঘটনাজনিত কারণ ছাড়া অন্য কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

শিক্ষাগত যোগ্যতা: শিক্ষার্থীকে পূর্বের শ্রেণিতে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। অথবা এসএসসি ও এইচএসসি (বা সমমান) পর্যায়ে জিপিএ ৫.০০-এর মধ্যে ন্যূনতম ৩.৫০ এবং স্নাতক পর্যায়ে জিপিএ ৪.০০-এর মধ্যে ৩.০০ প্রাপ্তির কপি আপলোড করতে হবে।

পারিবারিক আয়: সাধারণ শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে অভিভাবকের বার্ষিক আয় ২ লাখ টাকার কম হতে হবে। তবে সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের সন্তানরা অফিস প্রধানের প্রত্যয়নপত্র জমা দিয়ে আবেদন করতে পারবেন।

চিকিৎসা সনদ: দুর্ঘটনার প্রমাণস্বরূপ জেলা পর্যায়ের সিভিল সার্জন, সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক অথবা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কর্তৃক ‘গুরুতর আহত’ মর্মে প্রত্যয়নকৃত চিকিৎসা সনদের স্পষ্ট কপি আপলোড করতে হবে।

আরও পড়ুন

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

অনলাইনে আবেদনের সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা বিভাগীয় প্রধানের প্রত্যয়নপত্র, জন্মনিবন্ধন সনদ, মা-বাবার জাতীয় পরিচয়পত্র, শিক্ষার্থীর এক কপি ছবি, স্বাক্ষর এবং অনলাইন ব্যাংক হিসাবের সঠিক তথ্য আপলোড করতে হবে। কার্যক্রমটি সম্পূর্ণ অনলাইন ভিত্তিক হওয়ায় কোনো হার্ড কপি ডাকযোগে বা সরাসরি ট্রাস্টে পাঠানোর প্রয়োজন নেই।

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত নির্দেশনা

শিক্ষার্থী অথবা তার মা-বাবার নামের নিজস্ব অনলাইন ব্যাংক অ্যাকাউন্টের পূর্ণাঙ্গ নম্বর ও সচল মোবাইল নম্বর দিতে হবে। প্রমাণ হিসেবে চেকের পাতা বা ব্যাংক স্টেটমেন্ট আপলোড করা বাধ্যতামূলক। তবে মা-বাবার অনুপস্থিতিতে বৈধ অভিভাবকের ব্যাংক হিসাব বিবেচনা করা হবে। অসম্পূর্ণ বা ভুল অ্যাকাউন্টের কারণে টাকা বাউন্সড (ফেরত) হলে ট্রাস্ট আর পুনরায় টাকা পাঠাবে না।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, কোনো শিক্ষার্থী অনলাইনে আবেদনের সময় তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম খুঁজে না পেলে, প্রতিষ্ঠান প্রধানকে নিজস্ব প্যাডে ইআইআইএন নম্বরসহ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর আবেদন করতে হবে। এই আবেদন ডাকযোগে অথবা [email protected] ই-মেইলে পাঠানো যাবে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণের পর সমাবর্তন ঘোষণার হিড়িক, কোন বিশ্ববিদ্যালয় কবে
বিভাগের সাইনবোর্ড, ক্লাসরুম, শিক্ষক, কর্মকর্তা কিংবা কর্মচারীদের মধ্যে মান অভিমান, নানা রাগ, দ্বন্দ্ব, আনন্দ, হাসি তামাশা এমনকি ৪/৫ বছরের জমানো ক্লান্তির ইতি টেনে একজন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিদায় নেয়। শেষ সময়ের স্মৃতিকে সম্মিলিতভাবে স্বযত্নে ধরে রাখতে চাইলেও কর্তৃপক্ষ হাতে ধরিয়ে দেয় পরবর্তী চালিকাশক্তি হিসেবে সাময়িক সার্টিফিকেট (প্রোভিশনাল সার্টিফিকেট)। স্বাভাবিকভাবে একাডেমিক মূল সনদপত্র বিতরণ সমাবর্তনে করা হয়। সেই সমাবর্তনের জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হয় প্রাক্তনদের। ৩ বছর থেকে শুরু করে ২০ বছরও অপেক্ষায় থাকার নজির রয়েছে। এতক্ষণে কেউ চাকরিজীবী, কেউ বুদ্ধিজীবী, কেউ ব্যবসায়ী, কেউ বা প্রবাসী বনে যায়। স্বাভাবিক রেওয়াজে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য অর্থাৎ রাষ্ট্রপতির হাত থেকে মূল সনদ গ্রহণ করেন বিদায়ী শিক্ষার্থীরা। শুধু সার্টিফিকেট নয়; বরং কালো ‘গাউন আর টুপি’ পরিধানের বাসনা শিক্ষার্থীদের মনে আরও উদ্দীপনা সৃষ্টি করে। রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দায়িত্ব গ্রহণের পর সমাবর্তন আয়োজনের বিষয়টি নতুন করে আবারও আলোচনায় এসেছে। ২১ আগস্ট তিনি দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হিসেবে রাষ্ট্রপতির উপস্থিতি ও সময়সূচির সঙ্গে সমাবর্তন আয়োজনের বিষয়টি সরাসরি যুক্ত থাকায় নতুন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমাবর্তন নিয়ে তৈরি হয়েছে নানান প্রত্যাশা। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সৌজন্যে সাক্ষাতে সমাবর্তনের প্রসঙ্গও ওঠে এসেছে। আগামী বছরের শুরুতে একযোগে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন। একদিকে আর্থিক চ্যালেঞ্জ অন্যদিকে ধারাবাহিক ব্যবস্থাপনার বিষয়টিও এড়িয়ে যাওয়ার মতো নয়। কোন বিশ্ববিদ্যালয় কবে সমাবর্তন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম। ১৪ সেপ্টেম্বর বঙ্গভবনে এক সাক্ষাতকারে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ম সমাবর্তন আয়োজন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করা হয়। বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হিসেবে রাষ্ট্রপতি আগামী ১৮ জানুয়ারি সমাবর্তন আয়োজনের বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন।  এ সময় সুন্দরবন, উপকূল, লবণাক্ততা, জলবায়ু পরিবর্তন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় উৎকর্ষতার বিষয়টি তুলে ধরেন উপাচার্য। একই সঙ্গে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট, শ্রেণিকক্ষের অপ্রতুলতা এবং মাঠ গবেষণাগারের সীমাবদ্ধতার কথাও উপস্থাপন করেন তিনি। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘ ৮ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) পঞ্চম সমাবর্তন। রাষ্ট্রপতির সম্মতি নিয়ে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির ১, ২ ও ৩ তারিখে মধ্যে সুবিধাজনক কোনো একদিন সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ১৪ সেপ্টেম্বর বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে এক সাক্ষাতকালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর (আচার্য) মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই সমাবর্তন আয়োজনের বিষয়ে সম্মতি জ্ঞাপন করেন।  এদিকে ৫ম সমাবর্তন আয়োজন উপলক্ষে একটি স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কমিটিতে সভাপতি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান এবং সদস্য সচিব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান রয়েছেন। জনসংযোগ দপ্তর বলছে, সমাবর্তনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সর্বশেষ অর্থাৎ চতুর্থ সমাবর্তন ২০১৮ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দীর্ঘদিন পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে ডিগ্রি প্রদান ও একাডেমিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ এই আয়োজনকে ঘিরে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে একটি সফল ও স্মরণীয় সমাবর্তন আয়োজনের লক্ষ্যে কাজ করবে কমিটি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রতি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসানের সৌজন্যে সাক্ষাৎ হয়েছে। এতে রাষ্ট্রপতি সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য। সম্ভাব্য আগামী বছরের এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে। ১৭ সেপ্টেম্বর বঙ্গভবনে সাক্ষাতকালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষা ও গবেষণার গুণগত মান বাড়াতে শিক্ষক নিয়োগসহ সব ক্ষেত্রে মেধা ও যোগ্যতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে আগামী বছরের এপ্রিলে অনুষ্ঠেয় জাবির ৭ম সমাবর্তনে যোগ দেওয়ার সম্মতি দিয়েছেন তিনি। নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে সম্মত হয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীর আমন্ত্রণে তিনি এ সম্মতি জানান। ৩১ আগস্ট বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন নোবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। সাক্ষাৎকালে উপাচার্য নোবিপ্রবির শিক্ষা, গবেষণা ও সামগ্রিক অগ্রগতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। এসময় দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার বিকাশে নোবিপ্রবির অবদান, বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও তাদের মধ্যে আলোচনা হয়। পরে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী আগামী ২৪ জানুয়ারি ২০২৭ অনুষ্ঠিতব্য নোবিপ্রবির তৃতীয় সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতিকে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আমন্ত্রণ গ্রহণ করে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার সদয় সম্মতি জানান। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় সমাবর্তন আগামী বছরের ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন। ২৩ আগস্ট গণমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে জবির ২য় সমাবর্তন উপলক্ষ্যে একটি খসড়া তারিখ করা হয়েছে। ২০২৭ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ জানুয়ারি সমাবর্তনের তারিখ নির্ধারণ করা হয় এবং ভেন্যু হিসেবে জবির কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ (ধূপখোলা মাঠ) প্রাথমিকভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) দ্বিতীয় সমাবর্তন আগামী  বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এ সমাবর্তনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ১৬ সেপ্টেম্বর বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল লতিফের সৌজন্য সাক্ষাতে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।সাক্ষাৎকালে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকার্যক্রম, সার্বিক উন্নয়ন, গবেষণার অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি এই সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়টি নির্ধারিত হয়েছে। রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) সমাবর্তন আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এসএম আবদুর রাজ্জাক। সম্প্রতি বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে রুয়েটের উপাচার্যের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে সমাবর্তন আয়োজনের বিষয়ে প্রাথমিক সম্মতি পাওয়া গেছে। সাক্ষাৎকালে রুয়েটের শিক্ষা কার্যক্রম, গবেষণা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সামগ্রিক একাডেমিক অগ্রগতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা। রাষ্ট্রপতির অনুমতিক্রমে আগামী বছরের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে সমাবর্তন আয়োজনের সম্মতি পাওয়া গেলেও চূড়ান্ত তারিখ পাওয়া যায়নি। পরে রাষ্ট্রপতির সময়সূচি অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে। পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আগামী বছরের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠান। সমাবর্তনের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্প্রসারণ, নতুন বিভাগ চালু, শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়ন এবং উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন পাবিপ্রবি প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা। ২২ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীমের সাক্ষাতে পাবিপ্রবির প্রথম সমাবর্তনের সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে আলোচনা হয়। রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আলোচনার ভিত্তিতে আগামী বছরের ১৫ অথবা ১৬ মার্চ  সমাবর্তন আয়োজনের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন আগামী ২৩ জানুয়ারি ২০২৭ অনুষ্ঠিত হবে। গণমাধ্যমে দেওয়া তথ্য মতে, সমাবর্তন উপলক্ষে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লাহর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করেছে। দ্বিতীয় সমাবর্তন আগামী ২৩ জানুয়ারি ২০২৭ অনুষ্ঠিত হবে এবং রাষ্ট্রপতি সম্মতি প্রদান করেছেন। এর আগে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রায় ২৫ বছর পর ২০১৭ সালের ১৭ জানুয়ারিতে প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। আরটিভি/এসএস
রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণের পর সমাবর্তন ঘোষণার হিড়িক, কোন বিশ্ববিদ্যালয় কবে
মাভাবিপ্রবিতে ইংরেজি বিভাগে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) ওয়েবসাইটে ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ইংরেজি বিভাগের এমএ কোর্সে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এ শিক্ষাবর্ষে MA in English Literature এবং MA in English Language Teaching (ELT)—দুইটি কোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।
মাভাবিপ্রবিতে ইংরেজি বিভাগে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হবে মাদক-জুয়া প্রতিরোধ কমিটি
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদক ও জুয়া প্রতিরোধে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পরিচালক) ফয়সল হাসানের সই করা এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হবে মাদক-জুয়া প্রতিরোধ কমিটি
জুডিসিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় জজ হলেন তিন শিক্ষার্থী, ববিতে খুশির বন্যা
১৮তম বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) আইন বিভাগের তিন শিক্ষার্থী সিভিল জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এ তথ্য জানা যায়। বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের (বিজেএসসি) অধীনে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষাসহ বিভিন্ন ধাপের পরীক্ষা শেষে তাদের সিভিল জজ পদে সুপারিশ করা হয়। সুপারিশপ্রাপ্ত তিন শিক্ষার্থী হলেন, আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ৭ম ব্যাচের জান্নাতুল আইশা, ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ৬ষ্ঠ ব্যাচের জয়ন্ত হালদার এবং ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের ৪র্থ ব্যাচের মো. নাইম হোসাইন। প্রকাশিত ফলাফলে জান্নাতুল আইশা ১৫তম এবং জয়ন্ত হালদার ৬৭তম স্থান অর্জন করেছেন। একই পরীক্ষায় মো. নাইম হোসাইনও সিভিল জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। তিন শিক্ষার্থীর এ সাফল্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। সাফল্যের অনুভূতি জানিয়ে জয়ন্ত হালদার বলেন, দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, ধৈর্য ও একাগ্রতার পর এই সাফল্য অর্জন করতে পেরে তার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। এই দীর্ঘ ও কঠিন যাত্রায় পরিবার, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অবদান অপরিসীম উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন ছাড়া এ পথ অতিক্রম করা সম্ভব হতো না। তিনি আরও বলেন,মেধা তালিকায় ৬৭তম স্থান অর্জন করেছি। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন, যেন অর্পিত দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে পালন করতে পারি। এ বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. কাইসার আহমেদ বলেন, সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত আমাদের তিন কৃতী শিক্ষার্থী জান্নাতুল আইশা, নাইম হোসাইন ও জয়ন্ত হালদারকে আইন বিভাগের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আশা করি, তারা কর্মক্ষেত্রে নিজেদের মেধা, দক্ষতা ও সততার মাধ্যমে দেশ, জাতি ও বিচার বিভাগের সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও আইন বিভাগের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখবে। তিনি বলেন, তাদের এই সাফল্য বিভাগের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করবে। ভবিষ্যতেও বিভাগের শিক্ষার্থীরা সাফল্যের এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। আরটিভি/এসকে
জুডিসিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় জজ হলেন তিন শিক্ষার্থী, ববিতে খুশির বন্যা
আজ থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু 
২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্লাস আজ (২৪ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হচ্ছে।
আজ থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু 
আরও পড়ুন
রাবির ৯৯ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা
কায়রোর আইন শামস বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন বরণে উচ্ছ্বসিত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বড় সুযোগ দিল যুক্তরাষ্ট্র, আবেদন শেষ ২৩ সেপ্টেম্বর
রাবি শিক্ষার্থীকে মারধর ও স্টেশনে ভাঙচুরের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন