ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

র‍্যাগিং এর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৬ পিএম
ছবি: আরটিভি

এবার নবীন শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় র‍্যাগিং এর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বুলিং ও র‍্যাগিং প্রতিরোধে গঠন করা হয়েছে এন্টি বুলিং কমিটি।

আর কিছুদিন পরেই গুচ্ছ অধিভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের শিক্ষার্থীরা অনার্স ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করবে। এই নবীন শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া কিছু সিনিয়র শিক্ষার্থীরা ম্যানার শেখানোর নামে র‍্যাগিং এর মতো অসুস্থ সংস্কৃতিতে মেতে ওঠে।

ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুল আলমকে আহ্বায়ক এবং প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমানকে সদস্য সচিব করে গঠন করা হয়েছে উক্ত কমিটি। কমিটিতে সদস্য হিসেবে আরও রয়েছেন বিদ্রোহী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম, দোলনচাঁপা হলের প্রভোস্ট সহযোগী অধ্যাপক উম্মে ফারহানা, শিউলিমালা হলের প্রভোস্ট সহযোগী অধ্যাপক ড. হাবিবা সুলতানা, অগ্নিবীণা হলের সহকারী অধ্যাপক মো. হারুনুর রশিদ এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের সহকারী পরিচালক মোছা. আদিবা আক্তার।

আরও পড়ুন

প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, প্রতিবারের মতো এবারও আমরা র‍্যাগিং প্রতিরোধে শক্ত অবস্থান নিয়েছি। নতুন পরিবেশে, নতুন ক্যাম্পাসে আগত নবীন শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, এবার কোনো প্রকার র‍্যাগিং কিংবা র‍্যাগিং এর নামে ব্যাচকলের কোনো সুযোগ নেই এবার। যদি এধরণের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়, যে কোথাও ব্যাচকলে বসেছে সেটা ডিপার্টমেন্টে হোক কিংবা ডিপার্টমেন্টের বাইর বা যদি কোথাও র‍্যাগিং এর অভিযোগ আসে বা আমাদের কানেও যদি আসে, তাহলে এসবের সাথে যে বা যারাই জড়িত থাকুক না কেন! আমরা তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালায় বড় পরিবর্তন আনলো রাবি 
যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালায় নতুন করে ডেমোনেস্ট্রেশন বা ডেমো ক্লাস যুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিয়োগের যোগ্যতায় আংশিক কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। তবে চলমান শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালার অন্যান্য বিষয়গুলো বহাল রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪৯তম সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় উপস্থিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সিন্ডিকেট সদস্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নতুন করে ডেমোনেস্ট্রেশন যুক্ত করা এবারের শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালার অন্যতম পরিবর্তন। এখন থেকে প্রার্থীদের ডেমো ক্লাসের মাধ্যমে পাঠদানের সক্ষমতা যাচাই করা হবে। তবে, শিক্ষক পদে আবেদনের ক্ষেত্রে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় ন্যূনতম সিজিপিএ ৩ দশমিক ৫ এবং বিভাগের মেধাক্রম অনুযায়ী প্রথম থেকে সপ্তম স্থানের মধ্যে থাকার বিদ্যমান শর্ত বহাল রয়েছে। সিন্ডিকেট সূত্রে আরও জানা যায়, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোনো প্রার্থী স্নাতক (অনার্স) পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করলে স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় প্রথম থেকে সপ্তমের মধ্যে না থাকলেও শিক্ষক পদে আবেদন করতে পারবেন। একইভাবে স্নাতক পরীক্ষায় প্রথম থেকে সপ্তমের মধ্যে না থাকলেও স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় প্রথম হলে আবেদন করার সুযোগ থাকবে। তবে এক্ষেত্রে উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম সিজিপিএ ৩ দশমিক ৫ বাধ্যতামূলক। এই পরিবর্তন শুধু অনার্স/মাস্টার্স পরীক্ষায় যারা শুধু প্রথম স্থান অর্জন করবেন, সেই সব প্রার্থীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এ ছাড়া দেশের বাইরে থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করা প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সহযোগী ও অধ্যাপক নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধাক্রমের শর্ত প্রযোজ্য হবে না।  সিন্ডিকেট সদস্য জানান, কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বিপরীতে যোগ্য কোনো প্রার্থীর স্নাতক ও স্নাতকোত্তর— কোনো পরীক্ষাতেই সিজিপিএ ৩ দশমিক ৫ না থাকলে সংশ্লিষ্ট বিভাগ বা প্লানিং কমিটি সুপারিশ করতে পারবে। পরে সিন্ডিকেটের অনুমোদন নিয়ে নতুন করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া যাবে। সে ক্ষেত্রে যোগ্যতার শর্ত শিথিল করার সুযোগ থাকবে। নতুন নীতিমালায় প্রার্থীদের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ক্ষেত্রেও শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগের প্রার্থীদের এসএসসি ও এইচএসসির সমষ্টিগত জিপিএ ন্যূনতম ৯ এবং মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৮ দশমিক ৫ হতে হবে। একই সঙ্গে যে-কোনো একটি পরীক্ষায় জিপিএ ৪ থাকতে হবে। এ ছাড়া শিক্ষক পদে আবেদনকারী থিসিস গ্রুপের প্রার্থীদের অগ্রাধিকার পাবে।  বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়। ওই নীতিমালায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় ন্যূনতম সিজিপিএ ৩ দশমিক ৫ এবং বিভাগের মেধাক্রম অনুযায়ী প্রথম থেকে সপ্তম স্থানের মধ্যে থাকা প্রার্থীদের শিক্ষক পদে আবেদনের সুযোগ রাখা হয়। পরবর্তীতে ২০১৭ সালে তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক আবদুস সোবহানের দায়িত্ব গ্রহণের পর ওই নীতিমালায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়। ‘শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা-২০১৭’-এ বিভিন্ন অনুষদের ক্ষেত্রে প্রথম থেকে সপ্তম স্থান পর্যন্ত থাকার শর্ত শিথিল করে আবেদনের সুযোগ সম্প্রসারণ করা হয়। একই সঙ্গে কিছু অনুষদে আবেদনের ন্যূনতম সিজিপিএ কমিয়ে ৩ করা হয়। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এবার ৫৪৯তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বিদ্যমান শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালায় ডেমোনেস্ট্রেশন, থিসিস গ্রুপ ও পিএইচডি ধারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।  এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে সংবেদনশীল বিষয় হলো শিক্ষক নিয়োগ। প্রশাসন ও উপাচার্যের নৈতিক অবস্থান শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়। তাই শুরু থেকেই আমরা বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছি এবং গত ১৭ বছরের শিক্ষক নিয়োগের অভিজ্ঞতাও বিবেচনায় নিয়েছি। তিনি বলেন, নতুন নিয়োগ নীতিমালায় প্রার্থীর অ্যাকাডেমিক ফলাফল, প্রকাশনা, ডিগ্রি ও ডেমনস্ট্রেশনকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ডেমোনেস্ট্রেশনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, কারণ ভালো ফলাফলের পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ও বক্তব্য উপস্থাপনের সক্ষমতাও একজন শিক্ষকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন নীতিমালার সুবিধা-অসুবিধা পর্যালোচনা করে দুর্বলতাগুলো কমানোর চেষ্টা করা হয়েছে। উপাচার্য আরও বলেন, এর মাধ্যমে আমরা বার্তা দিতে চাই, শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে এই প্রশাসন কোনো ধরনের আপস করবে না। কোনো প্ররোচনা বা সুপারিশ কাজে আসবে না; প্রার্থীর নিজের যোগ্যতা ও পারফরম্যান্সই নির্ধারণ করবে তিনি শিক্ষক হওয়ার যোগ্য কিনা। সম্প্রতি আইবিএর নিয়োগেও আমরা ডেমোনেস্ট্রেশন নিয়েছি এবং অনার্স ও মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হওয়া প্রার্থীকে নির্বাচিত করেছি। আরটিভি/এসএস
শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালায় বড় পরিবর্তন আনলো রাবি 
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি ড. মো. নূরুল ইসলাম
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম। তিনি এর আগে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর ) রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের গত ১৬ মার্চ ২০২৬ তারিখের ৩৭.০০.০০০০.০৭৯,১১.০০২.২০২৬-১০২ নম্বর প্রজ্ঞাপনের (ঙ) নম্বর শর্ত অনুযায়ী অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলামকে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩-এর ১১(১) ধারা অনুযায়ী তাকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর অথবা তার অবসর গ্রহণের তারিখ-যেটি আগে ঘটে সেই সময় পর্যন্ত তিনি উপাচার্য পদে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া তিনি তার বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী উপাচার্য পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে উপাচার্যকে সার্বক্ষণিক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে। তবে রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজন মনে করলে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক। নতুন দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসনিক নেতৃত্বে আসছেন। আরটিভি/এসকে
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি ড. মো. নূরুল ইসলাম
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে অপ্রীতিকর অবস্থায় প্রেমিক যুগল ধরা, আজ বিয়ে
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীদের (প্রেমিক যুগল) হাতেনাতে ধরেছে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন স্থানীয়রা। প্রক্টরিয়াল বডির সিদ্ধান্তে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।  শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন একটি মেসের পাশে এই ঘটনা ঘটে। প্রেমিক যুগল শিক্ষার্থীরা হলেন- মার্কেটিং বিভাগের ২০২৩-২৪ বর্ষের ছাত্র এবং হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২৪-২৫ বর্ষের ছাত্রী। জানা গেছে, ওই মার্কেটিং বিভাগের ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। ওই ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন মল্লিক মেসে থাকেন। রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে আপত্তিকর অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে নিরাপত্তা কর্মীদের হাতে হস্তান্তর করেন। পরে প্রক্টর অফিসে আনা হলে স্বীকারোক্তি দিয়ে বিয়ের সম্মতি দেয় প্রেমিক যুগল। প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামানের সিদ্ধান্তে কাল (২৬ সেপ্টেম্বর) উভয় পক্ষের পিতামাতার উপস্থিতিতে বিয়ে পড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।  স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তারা কয়েকমাস ধরে নিয়মিত নির্জন জায়গায় বসে। তাদের গতিবিধি লক্ষ্য রেখে এবার হাতেনাতে ধরে তারা। পরে নিরাপত্তা কর্মীদের হাতে তুলে দেয়। তবে ওই সময় ছাত্রকে চড় থাপ্পড় মারছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের বিরুদ্ধে। প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, দুই শিক্ষার্থকে প্রক্টর অফিসে এনে জিজ্ঞেসাবাদ করলে তারা স্বীকারোক্তি দেয়। পরে বিয়ের সম্মতি জানান তারা। বাবা-মাকে আহ্বান করবো। তারপর বিয়ে দিয়ে দিব। অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এছাড়া মেয়েটি যে মেসে থাকে ওই মেস মালিককে তলব করবো, যেহেতু সাড়ে ৮টার মধ্যে মেসগুলো বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। আরটিভি/এসকে
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে অপ্রীতিকর অবস্থায় প্রেমিক যুগল ধরা, আজ বিয়ে
ডিআইইউতে নিষিদ্ধ সংগঠনের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি, উপাচার্যকে স্মারকলিপি
ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিআইইউ) কোনো শিক্ষক, শিক্ষার্থী বা কর্মকর্তা-কর্মচারীর সঙ্গে আইনগতভাবে নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো সংগঠনের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হলে বহিষ্কারসহ রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে ‘জুলাই ঐক্য পরিষদ’। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর দেওয়া এক স্মারকলিপিতে এ দাবি জানায় সংগঠনটি। স্মারকলিপিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আইনগতভাবে নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো সংগঠনের সম্ভাব্য গোপন তৎপরতা নিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এ ধরনের অভিযোগ ও আশঙ্কা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ, নিরাপত্তা এবং সুনামের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এতে আরও বলা হয়, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি কোনোভাবেই এমন কর্মকাণ্ডের আশ্রয়স্থল হতে পারে না, যা দেশের আইন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা এবং নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশের পরিপন্থী। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নীরবতা বা পদক্ষেপ গ্রহণে বিলম্ব এ ধরনের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। স্মারকলিপিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনগতভাবে নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো সংগঠনের সম্ভাব্য তৎপরতা সম্পর্কে পাওয়া অভিযোগগুলো দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়। তদন্তে কোনো শিক্ষক, শিক্ষার্থী বা কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে এমন সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ প্রমাণিত হলে রাষ্ট্রীয় আইন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি-বিধান অনুযায়ী বহিষ্কারসহ প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিমালা ও রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে—এমনটাই প্রত্যাশা করে ‘জুলাই ঐক্য পরিষদ’। আরটিভি/এসআর
ডিআইইউতে নিষিদ্ধ সংগঠনের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি, উপাচার্যকে স্মারকলিপি
ইবিতে গোপনে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের পোস্টারিং
বিভিন্ন প্রতিবাদী লেখা সম্বলিত ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় পোস্টারিং করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) আনুমানিক রাত ১১টার দিকে গোপনে এ পোস্টারিং কর্মসূচি করে সংগঠনটি। সরেজমিনে দেখা যায়, পোস্টারে ‘ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন’, ‘অবৈধ ক্যাঙ্গারু ট্রাইব্যুনালের ফরমায়েশি রায়ের প্রতিবাদ’, এবং ‘শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরলে কি হবে?’ লেখা মোট তিনটি শিরোনাম দেখা যায়। তবে শিক্ষার্থীদের চোখে পড়ার আগেই নিরাপত্তা কর্মীরা এসব পোস্টার সরিয়ে নেয়।  এদিকে ‘নেত্রীর প্রত্যাবর্তন সুনিশ্চিত করতে ও অবৈধ ক্যাঙ্গারু ট্রাইবুনালের ফরমায়েশি রায়ের প্রতিবাদে ইবি ছাত্রলীগের উদ্যোগে পোস্টারেং কার্যক্রম’ উল্লেখ করে এসব পোস্টারের ছবি ও একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন সংগঠনটির শাখা আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হাফিজ। নিরাপত্তা কর্মীরা জানান, একই সময়ে একদিকে সিগারেটের টাকা পরিশোধ নিয়ে দোকানি কর্তৃক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে ক্যাম্পাসে উত্তপ্ত পরিস্থিতি, নিরাপত্তা কর্মীরা সেইদিকে যখন নজর দিই, সেই সুযোগে এসব পোস্টার লাগিয়ে পালায় ছাত্রলীগ। ঘটনার একই সূত্র কিনা বা ইন্ধন আছে কিনা প্রশাসন খতিয়ে দেখছে। এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ইতোমধ্যে উপাচার্য ও পুলিশ প্রশাসনের সাথে এ বিষয়ে কথা বলেছি। এ কাজের সাথে যারা জড়িত ও ইন্ধন দিয়েছে তাদের শনাক্ত করে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের দুষ্কৃতকারীদের ঠাঁই হবে না। আরটিভি/এসআর
ইবিতে গোপনে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের পোস্টারিং
আরও পড়ুন
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হুদা
স্মার্ট শ্রেণিকক্ষ ও আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব পেল নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী
২১ শিক্ষককে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সম্মাননা প্রদান
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন সিন্ডিকেট সদস্য ড. আখতার হোসেন খান