ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্টের খাতা ভাঙারির দোকানে বিক্রি হচ্ছে কেজি দরে

রাবি সংবাদদাতা, আারটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৫৩ পিএম
ছবি : আরটিভি

বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত মূল্যায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো অ্যাসাইনমেন্ট। শিক্ষকের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা সময় ব্যয় করে তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও লেখালেখির মাধ্যমে এসব অ্যাসাইনমেন্ট প্রস্তুত করে থাকে। কিন্তু মূল্যায়ন শেষে এসব খাতার অনেকগুলোরই শেষ ঠিকানা হয়ে উঠছে ভাঙারির দোকান ; যেখানে সেগুলো বিক্রি হচ্ছে কেজি দরে।

সম্প্রতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে এমন চিত্র দেখা গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের ৪০ থেকে ৬০ পৃষ্ঠার অ্যাসাইনমেন্ট দিয়ে থাকেন। দিনরাত পরিশ্রম করে এসব অ্যাসাইনমেন্ট লিখতে হয়। পাশাপাশি এ-ফোর আকারের কাগজ কিনতেও একজন শিক্ষার্থীর মাসে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা খরচ হয়। কিন্তু অ্যাসাইনমেন্ট জমা দেওয়ার পরই শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায়। এরপর সেই অ্যাসাইনমেন্ট খাতার কী হয়, তা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থীই জানেন না।

শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, একটি সেমিস্টারে বিভিন্ন কোর্সের জন্য শিক্ষার্থীদের একাধিক অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে হয়। প্রতিটি অ্যাসাইনমেন্টের জন্য শিক্ষার্থীরা লাইব্রেরি, ইন্টারনেট ও বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে খাতা পূরণ করেন। অনেক সময় একটি অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি করতে কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগে।

তবে মূল্যায়ন শেষ হলে এসব খাতা দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা হয় না। অনেক বিভাগে জায়গার অভাব এবং সংরক্ষণের নির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকায় কিছুদিন পরই এসব খাতা আলাদা করে জমা করা হয়। পরে সেগুলো ভাঙারির দোকানে বিক্রি করে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

ভাঙারির দোকানিদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মাঝেমধ্যে বড় পরিমাণে খাতা ও কাগজপত্র আসে। এগুলো সাধারণত কেজি দরে কেনা হয় এবং পরে পুনর্ব্যবহার (রিসাইক্লিং) বা পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য কাগজের কারখানায় পাঠানো হয়।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিনোদপুর এলাকার ভাঙারির ব্যবসায়ী আব্দুল খালেক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ থেকে প্রতিবছরই অ্যাসাইনমেন্ট, পরীক্ষার খাতা ও নানা ধরনের কাগজপত্র কেজি দরে বিক্রি করা হয়। আমরা সেগুলো অন্যান্য পুরোনো কাগজের মতোই কিনে থাকি। পরে এগুলো কাগজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করা হয়। এসব খাতা বা কাগজ কীভাবে ব্যবহার করা হবে, সে বিষয়ে আমাদের কোনো ধারণা থাকে না।

আরও পড়ুন

শিক্ষার্থীদের অনেকেই বিষয়টিকে হতাশাজনক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, একটি অ্যাসাইনমেন্ট তৈরিতে যে সময় ও শ্রম দেওয়া হয়, মূল্যায়নের পর সেটির কোনো একাডেমিক সংরক্ষণ বা ডিজিটাল আর্কাইভ থাকলে তা ভবিষ্যৎ গবেষণা ও শিক্ষার কাজে লাগতে পারত।

শিক্ষার্থীদের মতে, একটি অ্যাসাইনমেন্ট তৈরিতে অনেক সময়, শ্রম ও গবেষণা জড়িত থাকে। তাই মূল্যায়ন শেষে খাতাগুলো সরাসরি ভাঙারিতে বিক্রি না করে প্রথমে শিক্ষার্থীদের কাছে ফেরত দেওয়া উচিত। এতে তারা নিজেদের ভুল-ত্রুটি পর্যালোচনা করতে পারবে এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজ করার সুযোগ পাবে।

শিক্ষার্থীদের দাবি, ভবিষ্যতে ধাপে ধাপে ডিজিটাল অ্যাসাইনমেন্ট জমা দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করা হলে কাগজের অপচয় কমবে এবং অ্যাসাইনমেন্ট দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। প্রতিটি বিভাগে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অ্যাসাইনমেন্ট সংরক্ষণের নীতিমালা থাকা উচিত। এরপর প্রয়োজন না থাকলে শিক্ষার্থীদের সম্মতি নিয়ে পুনর্ব্যবহার (রিসাইক্লিং) করা যেতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী সামিউল বাকি বলেন, ভর্তি হয়ে ক্লাস শুরু হওয়ার পর থেকেই আমাদের ৫০ পৃষ্ঠা কোনো কোনো স্যারের ক্ষেত্রে কমবেশি অ্যাসাইনমেন্ট লিখতে দেওয়া হয়। আমরা নির্ঘুম রাত কাটিয়ে, সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পরিশ্রম দিয়ে সেগুলো হাতে লিখি এবং সুন্দরভাবে বাঁধাই করে জমা দিই। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, সেই পরিশ্রমের ফসল আমাদের হাতে লেখা অ্যাসাইনমেন্টগুলো শেষ পর্যন্ত ভাঙারির ঝুড়িতে চলে যাওয়ার কথা শুনি। অথচ বিভাগ চাইলে জমা দেওয়া অ্যাসাইনমেন্টগুলোর মধ্যে থেকে মানসম্মত ও ভালোভাবে উপস্থাপিত লেখাগুলো নির্বাচন করে বিভাগের সেমিনার লাইব্রেরিতে সংরক্ষণ করতে পারে অথবা ভুলগুলো চিহ্নিত করে আমাদের হাতে দিতে পারে। এতে আমরা উপকৃত হতাম, ভুলগুলো শুধরে নিতাম।

ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান বলেন, প্রতি বর্ষেই আমাদের অন্তত ১০ থেকে ১৫টি অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে হয়। কিন্তু সেগুলোর যথাযথ মূল্যায়ন বা ফিডব্যাক আমরা কখনোই পাই না। অনেক ক্ষেত্রে সিজিপিএর ভিত্তিতে অ্যাসাইনমেন্টের নম্বর দেওয়া হয়। অথচ একটি অ্যাসাইনমেন্ট প্রস্তুত করতে আমাদের সময়, শ্রম ও অর্থ—সবকিছুরই প্রয়োজন হয়। এছাড়া মূল্যায়নের পর খাতাগুলো শিক্ষার্থীদের ফেরত না দিয়ে বিক্রি করে দেওয়া হয়। আমাদের খাতায় প্রয়োজনীয় সংশোধনী ও মন্তব্য লিখে ফিডব্যাক হিসেবে ফেরত দিলে তা শেখার জন্য অনেক বেশি কার্যকর হতো। পাশাপাশি অ্যাসাইনমেন্টের খাতা বিক্রি না করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সেগুলো সংরক্ষণ করলে আরও ভালো হতো।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী এবং ফোকলোর ও উন্নয়ন গবেষক এস. এম. তাহমিদ হাসান বলেন, অ্যাসাইনমেন্টের খাতাগুলো একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সংরক্ষণ করা উচিত। হতে পারে এক যুগ বা তারও বেশি সময়। এরপর প্রয়োজন হলে বিক্রি করা যেতে পারে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের হেফাজতে রেখে যদি সেগুলো বিক্রি করা হয়, তাহলে বিক্রির অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে ব্যবহার করা সম্ভব।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপকরা মনে করেন, বর্তমান সময়ে কাগজভিত্তিক অ্যাসাইনমেন্টের পরিবর্তে ধীরে ধীরে ডিজিটাল সাবমিশন ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে। এতে কাগজের অপচয় কমবে এবং শিক্ষার্থীদের কাজও দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।

তাদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলো যদি অ্যাসাইনমেন্ট সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য সুস্পষ্ট নীতিমালা তৈরি করে, তবে শিক্ষার্থীদের শ্রমের মূল্য আরও ভালোভাবে প্রতিফলিত হতে পারে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বলেন, বর্তমানে অধিকাংশ ক্ষেত্রে অ্যাসাইনমেন্ট মূল্যায়নের মূল উদ্দেশ্যই ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা সময়, শ্রম ও অর্থ ব্যয় করে অ্যাসাইনমেন্ট প্রস্তুত করলেও অনেক শিক্ষক সেগুলো যথাযথভাবে পড়েন না, গঠনমূলক মন্তব্যও দেন না। মূল্যায়ন শেষে শিক্ষার্থীদের কাছে খাতা ফিরিয়ে দেওয়ার পরিবর্তে ভাঙারিতে বিক্রি করে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি শুধু শিক্ষার্থীদের পরিশ্রমের প্রতি অবমূল্যায়নই নয়, বরং উচ্চশিক্ষার মান ও মূল্যায়ন ব্যবস্থার প্রতিও এক ধরনের অবহেলার প্রকাশ। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিত এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করে অ্যাসাইনমেন্ট সংরক্ষণ এবং ফিডব্যাকসহ শিক্ষার্থীদের কাছে খাতা ফেরত দেওয়া নিশ্চিত করা।

অ্যাসাইনমেন্টের খাতা আগের মতো গুরুত্ব দিয়ে মূল্যায়ন করা হয় না বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের সিনিয়র অধ্যাপক ড. মো. মোস্তফা কামাল আকন্দ। তিনি বলেন, অ্যাসাইনমেন্টের মূল উদ্দেশ্য হলো নির্দিষ্ট একটি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও বিশ্লেষণী দক্ষতা বৃদ্ধি করা। কিন্তু ইদানীং যেমন অনেক শিক্ষার্থী অ্যাসাইনমেন্টের প্রতি যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে না, তেমনি অনেক শিক্ষকও খাতা মূল্যায়নে প্রয়োজনীয় মনোযোগ দিচ্ছেন না। একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর ভালো অ্যাসাইনমেন্ট অন্য শিক্ষার্থীদের জন্য অনুসরণীয় হতে পারে। তাই মানসম্মত অ্যাসাইনমেন্টগুলো সংরক্ষণ করা উচিত। কিন্তু আমাদের মধ্যে সেই চর্চা গড়ে ওঠেনি।

অ্যাসাইনমেন্টের খাতা কেজি দরে বিক্রি করে দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, আমার চাকরিজীবনে আমি কখনো এমনটি করিনি। এটি অবশ্যই একটি অনৈতিক কাজ। মূল্যায়নের পর খাতাগুলো শিক্ষার্থীদের কাছে ফেরত দেওয়া হলে তারা নিজেদের ভুল-ত্রুটি চিহ্নিত করে তা থেকে শেখার সুযোগ পেত। একই সঙ্গে একজন শিক্ষার্থীকে ৪০ থেকে ৫০ পৃষ্ঠার অ্যাসাইনমেন্ট করতে দেওয়া কতটা যৌক্তিক, সেটিও আমার কাছে প্রশ্নসাপেক্ষ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ বলেন, অ্যাসাইনমেন্ট, প্রেজেন্টেশন ও ভাইভা সবই শিক্ষার্থীদের পাঠদানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অ্যাসাইনমেন্ট সাধারণত নির্দিষ্ট একটি বিষয়ের ওপর করা হয়, তাই এটি অপ্রয়োজনীয়ভাবে বড় হওয়ার প্রয়োজন নেই। কোর্সের শিক্ষক মূল্যায়নের পর খাতায় শিক্ষার্থীদের ভুল ও দুর্বলতার দিকগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ফিডব্যাক দেবেন। তবে মূল্যায়ন শেষে খাতাগুলো কেজি দরে বিক্রি না করে বিভাগে সংরক্ষণ করা উচিত।

তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে ভালো হয়, শিক্ষার্থীদের খাতায় ভুলগুলো চিহ্নিত করে সেটি তাদের কাছে ফেরত দেওয়া। এতে তারা নিজেদের ত্রুটিগুলো সহজে বুঝতে এবং ভবিষ্যতে সংশোধন করতে পারবে। পাশাপাশি মানসম্মত কিছু অ্যাসাইনমেন্ট নির্বাচন করে বিভাগের সেমিনার লাইব্রেরিতে সংরক্ষণ করা যেতে পারে। এতে নতুন শিক্ষার্থীরা সেগুলো অনুসরণ করে আরও ভালো মানের অ্যাসাইনমেন্ট তৈরিতে উৎসাহিত হবে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, অ্যাসাইনমেন্ট শিক্ষার্থীদের শেখার ও মূল্যায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই মূল্যায়নের পর খাতাগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা এবং ফিডব্যাকসহ শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরা অধিক যুক্তিযুক্ত। যদি কোথাও খাতা বিক্রির মতো কোনো ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইবিতে পরীক্ষায় অসদুপায়, বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি পেলেন ২৪ শিক্ষার্থী
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ১২ বিভাগের ২৪ শিক্ষার্থীর বিভিন্ন মেয়াদে পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা শৃঙ্খলা কমিটির সুপারিশের পর সিন্ডিকেট সভায় এসব শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা অনুমোদন করা হয়।
ইবিতে পরীক্ষায় অসদুপায়, বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি পেলেন ২৪ শিক্ষার্থী
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হীরকজয়ন্তী উপলক্ষে মঞ্চ মাতাবেন জেমস
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ৬০ বছর পূর্তি  হীরকজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মঞ্চ মাতাতে আসছেন নগরবাউলখ্যাত জনপ্রিয় রক সংগীতশিল্পী জেমস। 
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হীরকজয়ন্তী উপলক্ষে মঞ্চ মাতাবেন জেমস
আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে চবি উপাচার্যের সঙ্গে ব্রিটিশ কাউন্সিল প্রতিনিধির মতবিনিময়
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের ডেপুটি ডিরেক্টর মারিয়া রেহমান।
আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে চবি উপাচার্যের সঙ্গে ব্রিটিশ কাউন্সিল প্রতিনিধির মতবিনিময়
ইবি শিক্ষার্থী তরিকুলের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সদ্য প্রয়াত তরিকুল ইসলাম সৈকতের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইবি শিক্ষার্থী তরিকুলের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল
বেরোবিতে হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার সোসাইটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) উৎসবমুখর পরিবেশে হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার সোসাইটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
বেরোবিতে হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার সোসাইটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
আরও পড়ুন
আন্তর্জাতিক তায়কোয়ানডোয় রাবির সাফল্য, দুটি সোনাসহ ৬ পদক
রাকসু নির্বাচনের এক বছরেও শপথ হয়নি পাঁচ সিনেট প্রতিনিধির
বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে সহজে বিসর্জন দেওয়া যায় এমন সম্পদ হলো মানুষের জীবন: প্রধান বিচারপতি
আন্তর্জাতিক তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে নেপাল যাচ্ছেন রাবির পাঁচ শিক্ষার্থী