ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

ভারতের আইআইটিতে ফুল ফান্ডেড স্কলারশীপ পিএইচডি পেলেন বেরোবির শিক্ষার্থী বাইজিদ

বেরোবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ আগস্ট ২০২৬, ০১:২৬ পিএম
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরের (বেরোবি) সাবেক শিক্ষার্থী বাইজিদ আহমেদ । ছবি: আরটিভি

উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় সাফল্য অর্জন করেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরের (বেরোবি) সাবেক শিক্ষার্থী বাইজিদ আহমেদ। ভারতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (আইআইটি) কানপুরে মার্কেটিং বিষয়ে টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টশিপসহ ফুল ফান্ডেড পিএইচডি স্কলারশিপ পেয়েছেন তিনি।

বাইজিদ আহমেদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অষ্টম ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী। তিনি চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক। তার বাড়ি গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে। চলতি বছরের জুলাই মাসে তিনি আইআইটি কানপুরের পিএইচডি প্রোগ্রামে যোগ দেন।

স্কলারশিপের আওতায় বাইজিদ টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ, মাসিক উপবৃত্তি, গবেষণা সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য ভ্রমণ ভাতা, স্বাস্থ্যসেবা এবং একাডেমিক খরচের জন্য আর্থিক সহায়তাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

নিজের গবেষণার যাত্রা সম্পর্কে বাইজিদ আহমেদ আরটিভিকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই আমি একাডেমিক ক্যারিয়ারের স্বপ্ন দেখতাম। আমি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞ। এখান থেকেই আমার গবেষণার যাত্রা শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন

বিশ্ববিদ্যালয়-পরবর্তী একাডেমিক যাত্রা সম্পর্কে তিনি বলেন, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে যোগদানের পর থেকেই নিজের ডোমেইনে গবেষণার কাজে নিয়মিত মনোনিবেশ করেছি। আইআইটির মতো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানগুলো গবেষণায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য চমৎকার প্ল্যাটফর্ম। আমি বিশ্বাস করি, আমার এই সাফল্য বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও একাডেমিক ক্যারিয়ারে আরও বেশি মনোযোগী হতে অনুপ্রাণিত করবে।

নিজের এ সাফল্য কাদের উৎসর্গ করতে চান—জানিয়ে বাইজিদ বলেন, আমার এই সাফল্য আমি উৎসর্গ করতে চাই আমার প্রিয় শিক্ষার্থী এবং ছোট ভাই-বোনদের, যারা আগামী দিনে গবেষণা ও উচ্চশিক্ষায় নিজেদের এগিয়ে নিতে চায়।

উল্লেখ্য, বাইজিদ আহমেদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
গাঁজাসহ দুই শিক্ষার্থী আটক, ইবির প্রক্টরিয়াল বডির ৪ সিদ্ধান্ত
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) গাঁজাসহ দুই শিক্ষার্থী আটকের ঘটনায় ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা জোরদারে চারটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রক্টরিয়াল বডি।
গাঁজাসহ দুই শিক্ষার্থী আটক, ইবির প্রক্টরিয়াল বডির ৪ সিদ্ধান্ত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রাতে পরপর তিনটি ককটেলের বিস্ফোরণ হয়েছে। আজ রাত ১০টা ৪৫ মিনিটের দিকে জগন্নাথ হলের সামনে দুটি এবং টিএসসি মেট্রোরেল স্টেশনের কাছে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে এতে কেউ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ
যবিপ্রবির ছাদে সোলার প্যানেল, মাসে ৪ লাখ টাকা সাশ্রয় 
দেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে রুফটপ সোলার সিস্টেম স্থাপন করে ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি)। সূর্যের আলো কাজে লাগিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার এক-তৃতীয়াংশ মেটানোর পাশাপাশি ছাদ ভাড়া থেকে প্রতি মাসে বাড়তি আয় হচ্ছে ১ লাখ ২৭ হাজার টাকা।  একই সঙ্গে ছুটির দিনে ক্যাম্পাসে অব্যবহৃত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সোলার সিস্টেম। শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদন ও আর্থিক সাশ্রয়ই নয়, এই সোলার সিস্টেম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যবহারিক শিক্ষারও একটি জীবন্ত ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।  সিস্টেম থেকে পাওয়া রিয়েল টাইম তথ্য গবেষণা ও শিক্ষার কাজে ব্যবহার করছেন শিক্ষার্থীরা। ২০২৩ সালের জুন থেকে যবিপ্রবির অধিকাংশ ভবনের ছাদে রুফটপ সোলার সিস্টেম স্থাপনের কাজ শুরু হয়।  সুপারস্টার রিনিউঅ্যাবল এনার্জি লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠান অপেক্স মডেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনগুলোর প্রায় ৬৩ হাজার বর্গফুট ছাদজুড়ে ১ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সোলার প্যানেল স্থাপন করেছে। যবিপ্রবির গবেষণাগার উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমান জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের মাসিক বিদ্যুৎ চাহিদা প্রায় ৩ লাখ ইউনিট। এর বিপরীতে বর্তমানে সোলার প্যানেল থেকে পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ১ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ। তিনি বলেন, সরকারি নির্ধারিত দরের চেয়ে ২৬ দশমিক ৬ শতাংশ কম মূল্যে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এই বিদ্যুৎ কিনছে যবিপ্রবি। বাকি বিদ্যুৎ নেওয়া হচ্ছে পল্লী বিদ্যুৎ থেকে। কম দামে বিদ্যুৎ কেনায় প্রতি মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৩ লাখ টাকা সাশ্রয় হচ্ছে। এছাড়া ভবনগুলোর ছাদ প্রতি বর্গফুট ২ টাকা হিসেবে ভাড়া দিয়ে প্রতি মাসে আয় হচ্ছে ১ লাখ ২৭ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে বিদ্যুৎ খরচের ক্ষেত্রে প্রতি মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাশ্রয় ও আয় দাঁড়াচ্ছে ৪ লাখ ২৭ হাজার টাকা। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ভবনে সোলার প্যানেল স্থাপনের কাজ শেষ হলে এই সাশ্রয়ের পরিমাণ আরও বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। যবিপ্রবি কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রতি সপ্তাহে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটি থাকে। এ দুই দিনসহ অন্যান্য সরকারি ছুটির দিনে ক্যাম্পাসে ব্যবহার না হওয়া বিদ্যুৎ সরাসরি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। বর্তমানে প্রতি মাসে ২৪ থেকে ২৬ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সোলার সিস্টেম। এই পরিমাণ ভবিষ্যতে আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ করছে কর্তৃপক্ষ। আর্থিক সাশ্রয় ও বিদ্যুৎ সরবরাহের পাশাপাশি এই প্রকল্প থেকে উপকৃত হচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের শিক্ষার্থীরা। অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী ইমরান খান বলেন, এই সোলার সিস্টেম শিক্ষার্থীদের জন্য হাতে-কলমে শেখার একটি বাস্তব ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।  এখান থেকে রিয়েল টাইম ডেটাও পাওয়া যাচ্ছে, যা গবেষণা ও শিক্ষার কাজে সহায়ক হচ্ছে। তিনি বলেন, জ্বালানি সংকটের এই সময়ে লোডশেডিং হলেও সোলার এনার্জি থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম বা গবেষণার কাজ কোনো কিছুই থেমে থাকছে না। যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের এখনো কিছু ভবনে সোলার প্যানেল স্থাপনের কাজ বাকি রয়েছে। এসব ভবনে কাজ শেষ হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ৪০ শতাংশ সোলার প্যানেল থেকে পাওয়া যাবে। তিনি জানান, যবিপ্রবির ঝিনাইদহ ক্যাম্পাসেও সোলার প্যানেল স্থাপন করা হবে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় করা হবে। ফলে ওই ক্যাম্পাসে উৎপাদিত বিদ্যুৎ পুরোপুরি বিনামূল্যে পাওয়া যাবে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্ট্রিট লাইটগুলোতেও সোলার প্যানেল বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। উপাচার্য বলেন, বর্তমানে যে জ্বালানি সংকট চলছে, তাতে সোলার প্যানেল স্থাপনে সরকার সবাইকে উদ্বুদ্ধ করছে এবং সহযোগিতাও করতে চাচ্ছে। সরকার প্রণোদনা দিলে যবিপ্রবির চাহিদার ১০০ শতাংশ বিদ্যুৎ সোলার থেকে উৎপাদন করা সম্ভব হবে। আরটিভি/এসআর  
যবিপ্রবির ছাদে সোলার প্যানেল, মাসে ৪ লাখ টাকা সাশ্রয় 
ছেলের ভর্তি পরীক্ষায় পরিদর্শকের দায়িত্বে রাবি অধ্যাপক, অতঃপর... 
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের ভর্তি পরীক্ষায় নিজের ছেলে পরীক্ষার্থী থাকা সত্ত্বেও পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্ব পালন করায় বিভাগীয় সভাপতি অধ্যাপক মোহা. মনিরুল হককে তার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।   মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এ এইচ এম আসলাম হোসেন স্বাক্ষরিত পৃথক দাপ্তরিক আদেশ এ তথ্য জানানো হয়।  বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ব্যবহারিক ভর্তি পরীক্ষায় অধ্যাপক মনিরুল হকের ছেলে পরীক্ষার্থী ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো শিক্ষকের সন্তান বা নিকটাত্মীয় পরীক্ষার্থী হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে লিখিতভাবে কো-অর্ডিনেশন কমিটিকে বিষয়টি জানিয়ে পরীক্ষা-সংক্রান্ত সব দায়িত্ব থেকে বিরত থাকতে হয়। অভিযোগ উঠেছে, এই বিধান অনুসরণ না করে অধ্যাপক মনিরুল হক পরীক্ষা কো-অর্ডিনেশন কমিটির কো-অর্ডিনেটর, ব্যবহারিক পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সদস্য ও পরিদর্শকের দায়িত্ব পালন করেন। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে বিভাগীয় সভাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়। একই আদেশে প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মতিয়ার রহমানকে নতুন বিভাগীয় সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর আগে, ১৩ সেপ্টেম্বর ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে ঘটনা তদন্তে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আনিছুর রহমানকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির অন্য ২ সদস্য হলেন- মেটেরিয়ালস সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. এম. আসাদুল হক এবং দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আরিফুল ইসলাম। কমিটিকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বলেন, ‘ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’  আরটিভি/এসএস
ছেলের ভর্তি পরীক্ষায় পরিদর্শকের দায়িত্বে রাবি অধ্যাপক, অতঃপর... 
ইবিতে হল ডিবেটিং সোসাইটির নেতৃত্বে আজমেরী-ফারহানা
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হল ডিবেটিং সোসাইটির ২০২৬-২৭ বর্ষের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে সভাপতি হিসেবে ল’ অ্যান্ড ল্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আজমেরী রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন একই শিক্ষাবর্ষের কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগের ফারহানা ইয়াসমিন। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. এ. কে. এম রাশেদুজ্জামান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটির অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন- সহ-সভাপতি মোছা. হিতুয়ারা খাতুন ও সাহারা আক্তার সিঁথি, সাংগঠনিক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদাউস বর্ষা, দপ্তর সম্পাদক তাহিয়া সুলতানা নাদিয়া, সহ-দপ্তর সম্পাদক মুক্তা খাতুন, অর্থ সম্পাদক সুমি আক্তার, সহ অর্থ সম্পাদক জিন্নাত আলভী, প্রচার সম্পাদক হুমাইরা আছিয়া প্রীতি, সহ-প্রচার সম্পাদক সিনথিয়া সিরাত। কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন- নিশাত নাবিল্লাহ প্রাপ্তি, ইসরাত জাহান এবং হাবিবা আক্তার সিনথিয়া। দায়িত্ব পেয়ে সাধারণ সম্পাদক ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, ‘বিতর্কচর্চা শিক্ষার্থীদের যুক্তিবোধ, চিন্তাশক্তি ও নেতৃত্বের দক্ষতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আমাদের হলের বিতর্কচর্চাকে আরও গতিশীল ও সুশৃঙ্খল করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য। সবার সহযোগিতায় হল ডিবেটিং সোসাইটির এই নতুন যাত্রা আরও দূর এগিয়ে যাবে বলে আমি আশাবাদী।’ সভাপতি আজমেরী রহমান বলেন, ‘বিতর্ক অঙ্গনে যোগ্য ও দক্ষ বিতার্কিক তৈরি করার ভিত্তিমূল হিসেবে কাজ করে আমাদের হল ডিবেটিং সোসাইটিগুলো। আমি দায়িত্বশীল হিসেবে চেষ্টা করবো নিয়মিত সেশন এবং অন্যান্য বিতর্কের সুবিধার মাধ্যমে হলে ভালো বিতার্কিক সৃষ্টি করার এবং চাইবো ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্ক অঙ্গন তারা ভালো বিতার্কিক হিসেবে পরিচিতি পাক। একই সাথে হলের বিতর্ক অঙ্গনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে এই পথ চলায় পাশে থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’ আরটিভি/এসএস
ইবিতে হল ডিবেটিং সোসাইটির নেতৃত্বে আজমেরী-ফারহানা
আরও পড়ুন
ডেঙ্গু প্রতিরোধে বেরোবি ছাত্রদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান
সরকারি নিয়োগে ভাইভায় নম্বর বাড়ানোর প্রতিবাদে বেরোবিতে বিক্ষোভ
যৌন হয়রানি প্রতিরোধে সচেতনতা ও সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান বেরোবি উপাচার্যের
বেরোবিতে ডিনস ও মেরিট অ্যাওয়ার্ড প্রদান