
নিয়োগ পরীক্ষার লিখিত অংশে নম্বর কমিয়ে ভাইভায় নম্বর বাড়ানোর মাধ্যমে দলীয়করণ, ঘুষ-বাণিজ্য ও দুর্নীতির সুযোগ তৈরির অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। পরে মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় মূল ফটকে এসে শেষ হয়। মিছিল শেষে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন শিক্ষার্থীরা।
এ সময় তারা ‘ভাইভার নামে প্রহসন চলবে না, চলবে না’, ‘দিকে দিকে খবর দে, ভাইভা কোটার খবর দে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
বিক্ষোভ শেষে সমাবেশে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী শিবলী সাদিক বলেন, আমরা অতীতে দেখেছি, কোটা প্রথার মাধ্যমে সন্ত্রাসী ছাত্রলীগকে বিভিন্ন চাকরিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ভাইভা এমন একটি পদ্ধতি, যার মাধ্যমে তারা তাদের দলের লোককে নিয়োগ দিতে চায়। এই ফায়দা বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা লুটতে দেবে না। নতুন সরকারকে বলতে চাই, স্বৈরাচার আইয়ুব খান, হাসিনা ও এরশাদের পতন থেকে শিক্ষা গ্রহণ করুন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তারেক হাসান বলেন, ২০২৪ সালের ছাত্রসমাজের রক্তের বিনিময়ে এই সরকার ক্ষমতায় এসেছে। যেহেতু তারা ছাত্রসমাজের রক্তের ওপর দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে, তারা যাই করুক আর না করুক, অন্তত নিয়োগ পরীক্ষা স্বচ্ছ করবে। কিন্তু তারা একের পর এক ফন্দি-ফিকির করছে, কীভাবে নিয়োগব্যবস্থা অস্বচ্ছ করা যায়।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের সেক্রেটারি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী ইমরান বলেন, সরকারি চাকরির ভাইভা পরীক্ষায় প্রায় ৪০ শতাংশ নম্বর বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর পেছনে একটাই কারণ রয়েছে। তারা দলীয় ক্যাডারদেরই চাকরি দিতে চায়। তারা মেধাবীদের বঞ্চিত করে নিজেদের দলীয় ক্যাডারদের চাকরি দিতে চায়। আমরা শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে তাদের হুঁশিয়ার করে বলতে চাই, কোনোভাবেই এ ধরনের প্রহসন মেনে নেওয়া হবে না।
আরটিভি/টিআর


