ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

ইবিতে ঈদে মিলাদুন্নবি উপলক্ষে মুবারক র‍্যালি ও আলোচনা সভা

ইবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৯:১৫ পিএম
ইবিতে ঈদে মিলাদুন্নবি উপলক্ষে মুবারক র‍্যালি। ছবি: ইবি সংবাদদাতা

যথাযোগ্য মর্যাদায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবি (সা.) উদযাপন করা হয়েছে। এদিন মুবারক র‍্যালি শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বুধবার (২৬ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অনুষদ ভবন থেকে মুবারক র‌্যালি বের করা হয়। পরে বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে আলোচনা সভার আয়োজন করেন উদযাপন কমিটি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের ডিন এবং উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. সেকান্দার আলীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান।

আরও পড়ুন

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা এ আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন।

সিরাত বক্তা হিসেবে মহানবি হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনী ও আদর্শের ওপর আলোচনা করেন আল-হাদিস এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. আ খ ম ওয়ালী উল্লাহ, আল-কুরআন এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের হাফেজ আবু নোমান মো. এরশাদ উল্লাহ এবং আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. কাউছার মো. বাকী বিল্লাহ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী সাধারণ শিক্ষা ও ইসলামী শিক্ষার সমন্বয় ঘটিয়ে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে উপাচার্যের নেতৃত্বকে সমর্থনের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ইসলামকে সঠিকভাবে অনুধাবনের জন্য সাধারণ ও আধুনিক ইসলামী শিক্ষার মেলবন্ধন ঘটানো অত্যন্ত জরুরি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠাকালীন আদর্শ ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে বর্তমান উপাচার্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এবং এই রূপান্তরের ইতিবাচক প্রতিফলন ইতোমধ্যে ক্যাম্পাসে দেখা যাচ্ছে।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ তুলে ধরে বলেন, তার সমগ্র জীবন ছিল মানবতা ও আল্লাহর প্রতি নিবেদিত, যা সকল ধর্মের মানুষের কাছেই অনুকরণীয়। উম্মত হিসেবে তার আদর্শ ধারণ ও প্রচারের দায়িত্ব বর্তমান প্রজন্মের ওপর বর্তায় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অনুষদকে গবেষণায় দেশের শীর্ষস্থানীয় অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কুরআন-সুন্নাহর শিক্ষাকে মানুষের কাছে সহজ ও প্রাণবন্তভাবে পৌঁছে দেওয়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা ক্ষেত্র। বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটরা দেশে নীতি-নৈতিকতা ও মূল্যবোধের সংকট উত্তরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

বাদ জোহর দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কল্যাণ কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা আশরাফ উদ্দিন খান।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ শিক্ষার্থী
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের মোট ১৪ জন শিক্ষার্থী ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ পাওয়ার জন্য মনোনীত হয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ শিক্ষার্থী
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার খাতা উধাও, তদন্ত কমিটি গঠন
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের পরীক্ষার খাতার উত্তরপত্র খুঁজে না পাওয়ায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার খাতা উধাও, তদন্ত কমিটি গঠন
‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’-এর যবিপ্রবির ১৬ শিক্ষার্থী মনোনীত
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১-এর জন্য যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ১৬ শিক্ষার্থীকে চূড়ান্তভাবে মনোনীত করা হয়েছে। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের এসব শিক্ষার্থীর নাম রয়েছে।
‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’-এর যবিপ্রবির ১৬ শিক্ষার্থী মনোনীত
ডেঙ্গু প্রতিরোধে রাবিতে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান 
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) মতিহার হলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে মতিহার হল প্রশাসন।  
ডেঙ্গু প্রতিরোধে রাবিতে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান 
সরকারের সাড়া না পেয়ে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে চুয়েট শিক্ষার্থীদের অবস্থান
টানা দুই সপ্তাহ ধরে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করেও সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের সাড়া না পাওয়ায় আন্দোলনের ১৫তম দিনে ক্যাম্পাস ছেড়ে চট্টগ্রাম শহরে গিয়ে নিজেদের দাবি তুলে ধরেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষার্থীরা।  মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচির মাধ্যমে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের দাবি জানান তারা। বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলে। চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে দীর্ঘ দুই সপ্তাহ পর চুয়েট ক্যাম্পাসের বাইরে শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। ক্যাম্পাস থেকে প্রায় ২৩ কিলোমিটার দূরে প্রেসক্লাব এলাকায় পাঁচটি বাসে করে শতাধিক শিক্ষার্থী এতে অংশ নেন। এর পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকেও চুয়েটের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী কর্মসূচিতে যোগ দেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। এর মধ্যে ছিল— ‘চুয়েট সচলে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ’, ‘চুয়েট রিভোল্টস ফর সায়েম স্যার’ এবং ‘পিএম, কনসিডার আওয়ার অ্যাপিল’। পাশাপাশি ‘দফা এক, দাবি এক, অনলাইন ভিসির পদত্যাগ’ এবং ‘দাবি মোদের একটাই, সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’ -সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন আন্দোলনকারীরা। মানববন্ধনে পেট্রোলিয়াম ও মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং (পিএমই) বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আসাদুল্লাহ হিল গালিব বলেন, আমরা দীর্ঘ ১৫ দিন ধরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত এ সংকট সমাধানে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখতে পাচ্ছি না। আমরা এর নিন্দা জানাই। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি একটি অনন্য নজির যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা সবাই একজনকে উপাচার্য হিসেবে দেখতে চান। আশা করি, সরকার আমাদের দাবির প্রতি সম্মান দেখিয়ে সায়েম স্যারকেই উপাচার্য পদে পুনর্বহাল করবে। মানববন্ধনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চুয়েটের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আহনাফ শাহরিয়ার অর্ণব, মাহিরা তাজরিন ও যুলকারনাইন মিহাদ। লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, চুয়েটের চলমান সংকট দীর্ঘায়িত হওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই এবং দেশের অন্যতম প্রধান এই প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় দিনের পর দিন অচল থাকায় হাজারো শিক্ষার্থীর ক্লাস, পরীক্ষা, গবেষণা ও অ্যাকাডেমিক ভবিষ্যৎ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়নি, বরং একটি ব্যাখ্যাহীন প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ন্যায্য পুনর্বিবেচনা চাচ্ছে। বক্তব্যে আরও বলা হয়, কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, বরং চুয়েটে স্বাভাবিক শিক্ষাপরিবেশ ফিরিয়ে আনাই শিক্ষার্থীদের মূল দাবি। অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের ৫৬ দিনের কার্যকালের পরিকল্পিত উদ্যোগগুলো বিবেচনায় নিয়ে তাকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের বিষয়ে সরকারের দ্রুত ও স্পষ্ট সিদ্ধান্ত চান তারা। একই সঙ্গে সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া চুয়েটের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও কৌশল বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফাইজুল কবির আবরার বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম স্যারকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এতদিন ধরে শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করলেও সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আমাদের দাবির বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ বা স্পষ্ট বক্তব্য আসেনি। সরকারের এমন নীরবতা ও উদাসীনতার আমরা তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাই। বাধ্য হয়েই আজ ক্যাম্পাসের বাইরে এসে আমাদের দাবি জানাতে হচ্ছে। আমরা সরকারের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি, দ্রুত শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি বিবেচনা করে চুয়েটের চলমান অচলাবস্থার অবসান ঘটানো হোক এবং অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম স্যারকে উপাচার্য পদে পুনর্বহাল করা হোক। প্রসঙ্গত, ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে চুয়েটের উপাচার্য পদ থেকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। দায়িত্ব নেওয়ার ৫৬ দিনের মাথায় উপাচার্য পরিবর্তনের প্রতিবাদে ওই দিন থেকেই আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। পরদিন ২২ সেপ্টেম্বর থেকে চুয়েটে শুরু হয় ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি। এর পর থেকে লাল কার্ড প্রদর্শন, মশাল মিছিল, মুখোশ মিছিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা। তবে টানা ১৫ দিন ধরে আন্দোলন চললেও এখনও দাবির বিষয়ে কোনো কার্যকর সমাধান না হওয়ায় চুয়েটের অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা অব্যাহত রয়েছে। আরটিভি/এসএস
সরকারের সাড়া না পেয়ে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে চুয়েট শিক্ষার্থীদের অবস্থান
আরও পড়ুন
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ইবি জিয়া পরিষদের শুভেচ্ছা
দুই দিন ধরে নিখোঁজ ইবি শিক্ষার্থী, ভিন্ন তথ্য দিল পুলিশ
ইবির সেই ছাত্রীর ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রথম বৈঠক
ইবি একটি আন্তর্জাতিক মানের ‘সেন্টার অব এক্সেলেন্স’ হবে: শিক্ষামন্ত্রী