ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

৩০০ প্রার্থীর কেউই পাননি সুযোগ; রুয়েটে ইমাম নির্বাচন ঘিরে নানা অনিয়মের অভিযোগ

রুয়েট সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৩ পিএম
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) : ছবি সংগৃহীত

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক হলের মসজিদে সম্প্রতি নিয়োগপ্রাপ্ত ইমামের বিরুদ্ধে অশুদ্ধ তিলাওয়াত, মাসআলা সংক্রান্ত ভুল, বেশি ছুটি কাটানো, অসময়ে আজান দেওয়াসহ রয়েছে নানা অনিয়মের অভিযোগ। বিষয়টি কেন্দ্র করে হল শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ ও বিভিন্ন প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। নিয়োগে অস্বচ্ছতা, প্রার্থীর যোগ্যতা এবং দায়িত্ব পালনে অনিয়মের অভিযোগে বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রশাসনিক ব্যাখ্যা দাবি করেছেন তারা।

জানা গেছে, প্রায় ৮ শতাধিক শিক্ষার্থীর আবাসিক হলটিতে দীর্ঘদিন স্থায়ী ইমাম না থাকায় শিক্ষার্থীরা নিজেরাই শুদ্ধভাবে তিলাওয়াতে পারদর্শীদের নিয়ে প্রায় ১বছর নিয়মিত ইমামতির দায়িত্ব পালন করাতেন। পরবর্তীতে হল মসজিদে স্থায়ী ইমাম নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হলে শিক্ষার্থীরা তাদের মতামত প্রশাসনের কাছে তুলে ধরেন।

এ বিষয়ে এমটিই বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের সাজিদ জানান, হল প্রশাসন তখন জানায়, হলের ফান্ডে অমুসলিম শিক্ষার্থীদের ফি অন্তর্ভুক্ত থাকায় প্রশাসনিক অনুমোদন ব্যতীত এবিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব না। তারই প্রেক্ষিতে আমরা ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম সরকার বরাবর ইমাম নিয়োগে লিখিত আবেদন করি। এতে কর্তৃপক্ষ প্রাথমিকভাবে জানায়, রুয়েটে কেন্দ্রীয় মসজিদ থাকায় হল ভিত্তিক পৃথক ইমামের প্রয়োজন নেই। তবে শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দেন তারা।

এরপরও ২-৩ মাসে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় প্রায় ১৫০ শিক্ষার্থীর স্বাক্ষরসহ পৃথক আবেদন দেওয়া হয়। সেখানে প্রস্তাব করা হয়, শিক্ষার্থীদের থেকে মাসে ৫০-১০০ টাকা সংগ্রহ করে ইমামের ব্যয় বহন করা হোক। পাশপাশি ইমামের আবাসন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার অনুরোধও করা হয়।

এমন প্রেক্ষাপটে রুয়েট প্রশাসন তিনজন ইমাম ও দুইজন মুয়াজ্জিন নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। প্রায় ৪০০ আবেদনকারীর মধ্য থেকে ৩০০ জনকে পরীক্ষা বা ভাইভার জন্য প্রাথমিকভাবে বাছাই করা হয়। তবে আনুষ্ঠানিক নিয়োগ পরীক্ষার আগেই হঠাৎ হল মসজিদে নতুন একজনকে ইমামের দায়িত্ব দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ জানান শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে হল প্রশাসনের কাছে জানতে চাইলে শিক্ষার্থীদের জানানো হয়, নিয়োগের বিষয়টি তাদের পূর্বে জানানো হয়নি। ওপরের নির্দেশে ঐ ইমামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং তার বেতন ও আবাসন ব্যয় হলের ফান্ড থেকে বহনের নির্দেশনা রয়েছে। এতে নির্ধারিত নিয়োগ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই কীভাবে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হলো—প্রশ্ন শিক্ষার্থীদের।

উল্লেখ্য দায়িত্ব গ্রহণের পর ঐ ইমামের কিরাত, তাজবিদ ও নামাজ-সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মাসআলায় ভুল পরিলক্ষিত করে হল শিক্ষার্থীরা। এতে আপত্তি ওঠায়, হল প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে রাজশাহী নগরীর তালিমুদ্দীন একাডেমির দুই শিক্ষকের মাধ্যমে তার মান যাচাই করা হয় বলে জানা যায়।

কিন্ত মান যাচাইকরণের নথি অনুযায়ী, ১০০ নম্বরের মূল্যায়নে ঐ ইমাম মাত্র ৩১ নম্বর পেয়েছেন। এর মধ্যে কিরাতে ২৫ নম্বরে ১০, তাজবিদে ২৫ নম্বরে ৫ এবং মাসআলায় ৫০ নম্বরে ১৬ নম্বর পেয়েছেন। মূল্যায়নের প্রিন্ট ও সফট কপি প্রশাসনের কাছে ইতিমধ্যেই জমা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

তবে প্রশ্ন থেকেই যায়, যেখানে প্রায় ৩০০ প্রার্থীকে পরীক্ষা বা ভাইবারের জন্য বাছাই করা হয়, আনুষ্ঠানিক পরীক্ষার আগেই কী প্রক্রিয়ায় ইমাম নিয়োগ দেওয়া হলো? এদিকে তার মূল্যায়নে ফলাফলে পরিলক্ষিত হলে, নিয়োগ পূর্ববর্তী যাচাই-বাছাই নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন ধর্মপ্রাণ মুসলিম শিক্ষার্থীরা। বর্তমান ইমামের ধর্মীয় জ্ঞান ও প্রয়োজনীয় যোগ্যতা কীভাবে যাচাই করা হয়েছিল-তা প্রশাসনকে স্পষ্ট করার দাবি তাদের।

নিয়োগ বিষয় এবং হলের অন্যান্য অভিযোগের প্রতিকার চেয়ে শিক্ষার্থীরা টানা ২দিন উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাতের চেষ্টা করলেও ২য় দিনও মেলেনি অনুমতি। এ বিষয়ে পুরকৌশল বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের মুস্তাফিজ বলেন, আমরা ইমাম সাহেবের ভুলসমূহ এবং নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে গত ৫-৬ মাসে ২বার উপাচার্যের কাছে, ২বার ছাত্রকল্যাণ দপ্তরে এবং ৫-৬ বার হল প্রভোস্ট এর কাছে গিয়েছি; ইমাম সাহেবের সঙ্গে বসেছি, ছাত্রদের মতামত নিয়েছি; এসবের পিছনে আমাদের সম্মিলিতভাবে ১০০০ নিরেট ঘন্টার বেশি সময় অপচয় হয়েছে।

অন্যদিকে ঐ ইমামের দায়িত্ব পালনে অসঙ্গতিতে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম সপ্তাহের পর থেকে তিনি নিয়মিত আজান না দিয়ে শুধু নামাজের সময় আসতেন। ফলে বিভিন্ন ওয়াক্তে শিক্ষার্থীদেরই আজান দিতে হয়। কোনো ওয়াক্তে পূর্বঘোষণা ছাড়াই অনুপস্থিতি এবং সপ্তাহের শুক্র-শনি ২ দিন ছুটি কাটানোর বিষয়টিও জানান তারা।

এ প্রসঙ্গে যন্ত্রকৌশল বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইকবাল জানান, এসব ছুটিতে প্রক্সি ইমাম হিসেবে একজন হল শিক্ষার্থীর নাম ও স্বাক্ষর ব্যবহার করে হল প্রশাসনে আবেদন করতেন। প্রথম সপ্তাহে ঐ শিক্ষার্থীর সম্মতি নিলেও পরবর্তী সপ্তাহগুলোতে তার অজ্ঞাতসারেই নাম ও রেফারেন্স ব্যবহার করেছেন ইমাম সাহেব।

আবাসন ও খাবার ব্যবস্থাপনার বিষয়ে হল শিক্ষার্থী সাজিদ জানান, ইমামের দায়িত্ব গ্রহণের শুরু থেকেই তার ছেলেসহ হলে কক্ষ বরাদ্দ এবং হল ডাইনিংয়ে বিনামূল্যে খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্ত যখন শিক্ষার্থীদের পৃথক অর্থায়নে ইমামের ব্যয় বহনের প্রস্তাব ও কেবল কক্ষের ব্যবস্থার অনুরোধ জানানো হয়, তখন সে প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়নি। অথচ পরবর্তীতে অস্বচ্ছতা প্রক্রিয়ায় নিয়োগ প্রাপ্ত ইমামের জন্য আবাসন ও খাবার উভয়ই ব্যবস্থাই কী প্রক্রিয়ায় করা হলো—এ নিয়ে প্রশাসনের ব্যাখ্যা স্পষ্ট নয়।

এছাড়াও সংশ্লিষ্ট ইমাম নিয়োগে হেফজ ও কারীয়ানা কোর্সের সনদ জমা এবং তার যোগ্যতা নিয়ে সন্দিহান হলে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চান মুসলিম শিক্ষার্থীরা। তখন ঐ ব্যক্তি কারীয়ানা কোর্স করতে হল প্রশাসনের কাছে প্রায় এক মাসের ছুটির আবেদন করেন বলে জানা যায়। অর্থাৎ তার নিয়োগে যোগ্যতা ও সনদ যাচাই না করার, প্রসঙ্গে আবারও প্রশ্নবিদ্ধ প্রশাসন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগের বিষয়ে শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আল-আমিন-আল-আজাদুল ইসলাম জানান, যে ব্যক্তিকে ইমামের দায়িত্বে রাখা হয়েছিল তিনি এখন হল মসজিদে নেই। এছাড়াও উক্ত ব্যক্তিকে ইমামতির জন্য না রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সার্বিক বিষয়ে শিক্ষার্থীদের মূল দাবি, নিয়োগে যথাযথ প্রক্রিয়া, যোগ্যতা যাচাই, দায়িত্ব পালনে অসঙ্গতি এবং ইমামের সুবিধা প্রদানের বিষয়গুলো প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্বচ্ছভাবে ব্যাখ্যা করা হোক। একই সঙ্গে উত্থাপিত অভিযোগের নিরপেক্ষ যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সামনের স্থায়ী ইমাম স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় যোগ্য ব্যাক্তিকে প্রত্যাশা করেছেন শিক্ষার্থীরা।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রামেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষণা
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের তীব্র সংকট, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতা এবং হাসপাতালের অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটি, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পক্ষ থেকে আগামীকাল বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে এ কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সংগঠনটির অভিযোগ, হাসপাতালের ভর্তি ওয়ার্ডগুলোতে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের তীব্র সংকট রয়েছে। পাশাপাশি রোগীর স্বজনদের অবাধ প্রবেশ এবং দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের দায়িত্ব পালনে অবহেলার কারণে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের প্রতিনিয়ত অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ও সংঘবদ্ধ হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে। ইতোমধ্যে একাধিক ইন্টার্ন চিকিৎসককে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি রোগীর স্বজনদের হুমকির মুখে একজন নারী ইন্টার্ন চিকিৎসককে নিরাপত্তার স্বার্থে সাধারণ পোশাকে ওয়ার্ড ত্যাগ করতে হয়েছে বলেও জানিয়েছে সংগঠনটি। এ ছাড়া হাসপাতালের অবজারভেশন রুম ও ক্যাজুয়ালটি বিভাগ চালু না থাকায় ভর্তি ওয়ার্ডগুলোতে রোগীর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে। ফলে সীমিত জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জাম নিয়ে রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের। ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দাবি, এসব সমস্যা সমাধানে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একাধিকবার আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত অসন্তোষ ও নিরাপত্তাহীনতার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ইন্টার্ন চিকিৎসকদের পাঁচ দাবি হলো ১. হাসপাতালের ভর্তি ওয়ার্ডগুলোতে পর্যাপ্ত ওষুধ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের সরবরাহ নিশ্চিত করা। ২. কর্মরত ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ৩. একজন রোগীর সঙ্গে সর্বোচ্চ দুজন স্বজনের হাসপাতালে প্রবেশের নিয়ম কার্যকর করা। ৪. রোগী ভর্তির দিন ও পরবর্তী দিন সংশ্লিষ্ট সব ওয়ার্ডে আনসার সদস্যদের সক্রিয় উপস্থিতি নিশ্চিত করা। ৫. অনতিবিলম্বে হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি বিভাগ চালু করা। ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটি জানিয়েছে, ঘোষিত কর্মবিরতির মধ্যেও দাবিগুলোর কার্যকর সমাধান না হলে পরবর্তী সময়ে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। আরটিভি/টিআর
রামেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষণা
‘বাইক চালানোর কারণে’ শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায় তরিকুলের, অতঃপর...
শ্বাসকষ্টজনিত কারণে মারা গেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তরিকুল ইসলাম। তার মৃত্যুতে বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা শোক প্রকাশ করেছেন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তরিকুলের বাড়ি চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলায়। তিনি ঝিনাইদহ শহরের পাগলা কানাই এলাকার একটি মেসে থাকতেন। পারিবারিক ও বিভাগীয় সূত্রে জানা গেছে, তরিকুল দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। এর আগে গত কোরবানির ঈদের সময় প্যানিক অ্যাটাকের কারণে তাকে তিন দিন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন থাকতে হয়েছিল। সে সময় চিকিৎসা শেষে তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও মঙ্গলবার আবার একই সমস্যার পুনরাবৃত্তি ঘটে। শারীরিক জটিলতা বেড়ে গেলে সহপাঠী ও বন্ধুরা তাকে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে চিকিৎসকদের সর্বাত্মক চেষ্টা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। জার্নালিজম বিভাগের প্রভাষক জাকির হোসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শোক প্রকাশ করে লেখেন, তরিকুলের অকালপ্রয়াণে গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত। কিছু বিদায় মেনে নেওয়া খুবই কঠিন। মহান আল্লাহ তরিকুলকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। এ বিষয়ে কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক তন্ময় সাহা জয় বলেন, বিভাগের শিক্ষার্থী তরিকুলের মৃত্যুতে আমরা উদ্বিগ্ন। জানতে পেরেছি, এর আগেও তার এমন সমস্যা হয়েছিল। গতকাল বাইক চালানোর কারণে ঠান্ডা লেগে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। আজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আমরা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছি। আরটিভি/টিআর
‘বাইক চালানোর কারণে’ শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায় তরিকুলের, অতঃপর...
এক বছরেও শুরু হয়নি ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হত্যার বিচার
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হোসেন হত্যার এক বছর পূর্ণ হয়েছে। তবে এখনো শুরু হয়নি মামলার বিচার কার্যক্রম। সন্তান হত্যার বিচার দেখতে অপেক্ষার প্রহর গুনছেন তার বৃদ্ধ বাবা-মা।
এক বছরেও শুরু হয়নি ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হত্যার বিচার
জবিতে জিমনেসিয়ামের জন্য জায়গা বরাদ্দ, সরঞ্জাম কিনবে জকসু
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) জিমনেসিয়াম স্থাপনের জন্য জায়গা বরাদ্দ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সাজিদ ভবনের নিচে গ্যারেজের একটি অংশে এ জিমনেসিয়াম স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)।
জবিতে জিমনেসিয়ামের জন্য জায়গা বরাদ্দ, সরঞ্জাম কিনবে জকসু
এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছে সেই রাবি শিক্ষার্থীকে
পূজার দাওয়াত খেয়ে ফেরার পথে ট্রাকের ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়ে আইসিউতে থাকা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী চেসি ত্রিপুরাকে জরুরি ভিত্তিতে এয়ার এম্বুলেন্সে ঢাকায় স্থানান্তর করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।  
এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছে সেই রাবি শিক্ষার্থীকে
আরও পড়ুন
রাস্তার কাজে ‘নয়-ছয়’, চার লাখ টাকা ইউপি সদস্যের পকেটে!
মানবিক প্রকৌশলী গড়ে তুলছে রুয়েটের সোপান, নেতৃত্বে ফুয়াদ-তালহা-নাদভী 
‘বেশি বাড়াবাড়ি করিও না’: অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিকদের ইউপি চেয়ারম্যান
রুয়েটের এক হলে ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম চালু