ঢাকা বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য শনাক্তে এআই প্ল্যাটফর্ম তৈরি করছে ডিআইইউ

ডিআইইউ সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩১ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিভিন্ন ঝুঁকি শনাক্ত এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শের সুযোগ তৈরি করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করছে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগ। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) উচ্চশিক্ষা ত্বরান্বিতকরণ ও রূপান্তর (হিট) প্রকল্পের আওতায় নেওয়া এই উপপ্রকল্পে দেশের ৫০টির বেশি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার শিক্ষার্থীর তথ্য সংগ্রহ করে গবেষণা করা হবে।

হিট প্রকল্পের একাডেমিক ট্রান্সফরমেশন ফান্ডের আওতায় ডিআইইউ সিএসই বিভাগের এ উপপ্রকল্পের নম্বর ১৩৮১৪। প্রকল্পটির নাম ‘ডেভেলপমেন্ট অব আ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ড্রিভেন বাই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ফর আর্লি ইন্টারভেনশন অ্যান্ড মেন্টাল হেলথ ডায়াগনসিস অ্যামং বাংলাদেশি ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস’। প্রকল্পটির মোট বাজেট ২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা এবং মেয়াদ তিন বছর। বর্তমানে প্রকল্পটির অগ্রগতি প্রায় ৩০ শতাংশ। আগামী ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে এআই প্ল্যাটফর্মটি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, প্ল্যাটফর্মটি মূলত চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সহায়ক একটি এআই টুল হিসেবে কাজ করবে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে একটি ফলাফল তৈরি করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা পরামর্শকের মাধ্যমে তা মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে।

গবেষণার জন্য দেশের সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে ৫০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার শিক্ষার্থীর তথ্য সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। তথ্য সংগ্রহের কাজে প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ জন শিক্ষার্থীকে যুক্ত করা হবে। ফলে গবেষণাটি শুধু ডিআইইউর শিক্ষার্থীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে।

প্রকল্পে শিক্ষার্থীদের বিষণ্নতা, মানসিক চাপ ও উদ্বেগসহ বিভিন্ন মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত বিষয় মূল্যায়নের জন্য প্রশ্নমালা তৈরি করা হবে। প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন মনোবিজ্ঞানী এ প্রশ্নমালা তৈরির সঙ্গে যুক্ত থাকবেন। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সংগৃহীত তথ্য পরবর্তী সময়ে গবেষণা ও এআইভিত্তিক বিশ্লেষণের কাজে ব্যবহার করা হবে।

কোনো শিক্ষার্থীর মানসিক স্বাস্থ্যে ঝুঁকির ইঙ্গিত পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা পরামর্শকের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা নেওয়ার সুযোগ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, এআইকে সরাসরি চিকিৎসকের বিকল্প হিসেবে নয়, বরং চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সহায়ক প্রযুক্তি হিসেবে ব্যবহারের লক্ষ্য রয়েছে।

প্রকল্প বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ডিআইইউর নতুন ভবনের সিএসই বিভাগের ৬০২ নম্বর কক্ষে রিসার্চ অ্যান্ড ডেটা অ্যানালাইসিস সেল স্থাপন করা হচ্ছে। এই সেল থেকে গবেষণা, তথ্য বিশ্লেষণ এবং প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিগত কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

গবেষণা ও তথ্য বিশ্লেষণের জন্য প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম কেনা হয়েছে। এর মধ্যে ১০টি কম্পিউটার, চারটি ল্যাপটপ, ১০টি ট্যাব, পাঁচটি ক্যামেরা, স্মার্ট হোয়াইটবোর্ড, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, কনফারেন্স রুমের চেয়ার-টেবিলসহ বিভিন্ন ল্যাব ও অফিস সরঞ্জাম রয়েছে। বড় পরিসরের তথ্য বিশ্লেষণ ও মেশিন লার্নিংয়ের জন্য দুটি উচ্চক্ষমতার কম্পিউটারও রাখা হয়েছে। প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের দাবি, এসব সরঞ্জাম ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছেছে।

সরকারি ই-জিপি তথ্য অনুযায়ী, এসপি ১৩৮১৪-এর আওতায় রিসার্চ অ্যান্ড ডেটা অ্যানালাইসিস সেলের জন্য আইসিটি ইকুইপমেন্ট অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ কেনার একটি প্যাকেজে ৬৮ লাখ ৬৯ হাজার ১৭৫ টাকার চুক্তি করা হয়েছে। এ প্যাকেজের আওতায় প্রকল্পের গবেষণা ও তথ্য বিশ্লেষণ কার্যক্রমের প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত অবকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে।

প্রকল্পটির অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং প্রাথমিকভাবে নিজেদের ঝুঁকি সম্পর্কে ধারণা পাওয়ার সুযোগ তৈরি করা। প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের মতে, প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

এদিকে প্রকল্পের আওতায় ডিআইইউর শিক্ষার্থীদের গবেষণার সুযোগও তৈরি হচ্ছে। প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের গবেষণার কাজে হিট প্রকল্পের ল্যাব ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। এতে গবেষণা ও তথ্য বিশ্লেষণের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হবে।

তবে প্রকল্পের আওতায় বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। ফলে তথ্যের গোপনীয়তা, শিক্ষার্থীদের সম্মতি এবং সংগৃহীত তথ্য কীভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবহার করা হবে, তা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠছে। বিশেষ করে মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সংবেদনশীল তথ্যের ক্ষেত্রে তথ্য সুরক্ষা ও ব্যবহারের নীতিমালা স্পষ্ট থাকা জরুরি।

বর্তমানে প্রকল্পটির কাজ প্রায় ৩০ শতাংশ এগিয়েছে। নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে এআই প্ল্যাটফর্মটি চালুর লক্ষ্য রয়েছে। তবে প্রকল্প শেষে প্ল্যাটফর্মটির স্থায়ী পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব কার থাকবে এবং গবেষণার ফলাফল কীভাবে ব্যবহার করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
টাইমস হায়ার র‍্যাঙ্কিংয়ে যৌথভাবে দ্বিতীয় অবস্থানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
যুক্তরাজ্যভিত্তিক খ্যাতনামা শিক্ষা সাময়িকী ‘টাইমস হায়ার এডুকেশন’ (টিএইচই)-এর ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিং-২০২৭ প্রকাশিত হয়েছে।  মর্যাদাপূর্ণ এ র‍্যাঙ্কিংয়ে যৌথভাবে দ্বিতীয় অবস্থান লাভ করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। টানা চতুর্থবার একই অবস্থানে থাকলেও কয়েকটি সূচকে অগ্রগতি হয়েছে। এবারের তালিকায় রাবিসহ দেশের ৩৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম এসেছে।  বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) টিএইচই প্রতিষ্ঠানটির অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তালিকা থেকে এ তথ্য জানা গেছে। শিক্ষার মান, শিক্ষার্থী-শিক্ষকের অনুপাত, গবেষণার মান, সাইটেশন, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীসহ কয়েকটি সূচকের ওপর ভিত্তি করে বিশ্বের ১১৮টি দেশের ২ হাজার ২৯৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে মূল্যায়ন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। র‍্যাঙ্কিংয়ের তালিকা থেকে জানা গেছে, চতুর্থবারের মতো এই র‍্যাঙ্কিংয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম উঠে এসেছে। র‍্যাঙ্কিংয়ের তালিকায় ১০০১ থেকে ১২০০ -এর মধ্যে অবস্থান করছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। যা দেশের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থান। গত বছরের তুলনায় এ বছর সূচকগুলোতে এগিয়ে গেছে রাবি। গবেষণার পরিবেশ সূচকে গত বছরে ৯.৯ ছিল ও বর্তমানে ১২.১, শিল্পক্ষেত্রের সঙ্গে সহযোগিতা সূচকে গত বছরে ২২.১ ছিল ও বর্তমানে ২২, শিক্ষা সূচকে গত বছরে ১৬.৫ ছিল ও বর্তমানে ১৫.৭, আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি সূচকে গত বছরে ৪২ ছিল ও বর্তমানে ৪২.৩, গবেষণার মান সূচকে গত বছরে ৭৭ ছিল ও বর্তমানে ৭৭.৯। র‍্যাঙ্কিং অনুযায়ী, ৮০১ থেকে ১০০০ অবস্থানে আছে বাংলাদেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়। সেগুলো হলো- আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি। গত বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৮০১-১০০০-এর মধ্যে থাকলেও এ বছর পিছিয়ে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয় দুটি।   এদিকে ১০০১ থেকে ১২০০ অবস্থানে রয়েছে দেশের আরও আটটি বিশ্ববিদ্যালয়। সেগুলো হলো বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।  এ ছাড়া ১২০১ থেকে ১৪০০ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। উল্লেখ্য, বিভিন্ন মানসম্মত পারফরম্যান্স সূচক ব্যবহার করে শিক্ষার মান, গবেষণা পরিবেশ, গবেষণা শ্রেষ্ঠত্ব, ইন্ডাস্ট্রি সংযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক সম্ভাবনা এই গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি ক্ষেত্রে টাইমস হায়ার এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিং বিশ্বের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের র‍্যাঙ্কিং করে থাকে।  আরটিভি/এসএস
টাইমস হায়ার র‍্যাঙ্কিংয়ে যৌথভাবে দ্বিতীয় অবস্থানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে আবারও দেশসেরা যবিপ্রবি
যুক্তরাজ্যভিত্তিক বিশ্বখ্যাত শিক্ষা সাময়িকী ‘টাইমস হায়ার এডুকেশন’ (টিএইচই)-এর ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাংকিং-২০২৭’-এ বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি)। এবারের র‍্যাংকিংয়ে ১০০১ থেকে ১২০০-এর মধ্যে অবস্থান করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। 
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে আবারও দেশসেরা যবিপ্রবি
টাইমস হায়ার র‍্যাঙ্কিং / শীর্ষ ১০০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় নেই ঢাবি-বুয়েট, চমক ৩ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের
যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা সাময়িকী টাইমস হায়ার এডুকেশেন ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিং ২০২৭’ প্রকাশ করেছে। এ র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ এক হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় জায়গা মেলেনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট)।  তবে দেশের এ দুটি বিশ্ববিদ্যালয়কে টপকে তিনটি বেসরকারি ও একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় (মোট ৪টি) ৮০০ থেকে ১০০০-এর তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এ তালিকায় বিশ্বের সেরা ১০০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে স্থান পাওয়া দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো- অ্যামেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি। এছাড়া, ১০০০ থেকে ১২০০-এর মধ্যে আছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, আইইউবিএটি, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষার মান, শিক্ষার্থী-শিক্ষকের অনুপাত, গবেষণার মান, সাইটেশন, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীসহ কয়েকটি সূচকের ওপর ভিত্তি করে বিশ্বের ১১৮টি দেশের ২ হাজার ২৯৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে এবারের র‍্যাঙ্কিং করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা সাময়িকী ‘টাইমস হায়ার এডুকেশন’। এবারের র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে আছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, দ্বিতীয় স্থানে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এমআইটি) এবং যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন ও স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়। এ ছাড়াও মর্যাদাপূর্ণ এ র‍্যাঙ্কিং তালিকায় সেরা ১০০০ এর মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের ৪০টি ও পাকিস্তানের ২২টি বিশ্ববিদ্যালয় আছে।   তালিকায় ভারতের মধ্যে শীর্ষ হিসেবে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সের অবস্থান ২৫৪তম। আর পাকিস্তানের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে কায়েদ এ আজম ইউনিভার্সিটির অবস্থান ৫৫১ থেকে ৬০০-এর মধ্যে। আরটিভি/এসআর
শীর্ষ ১০০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় নেই ঢাবি-বুয়েট, চমক ৩ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের
বাঁচতে চান চবি শিক্ষার্থী মোশারফ, প্রয়োজন সবার সহযোগিতা
বয়স মাত্র ২৬ বছর। বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষ করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু প্রায় এক বছর ধরে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থী মোশারফ হুছাইন। চিকিৎসায় ইতোমধ্যে পরিবারের প্রায় আট লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে।
বাঁচতে চান চবি শিক্ষার্থী মোশারফ, প্রয়োজন সবার সহযোগিতা
জকসুর উদ্যোগে জবিতে রক্তদাতা খুঁজতে ‘JnURedDrop’ অ্যাপ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত রক্তদাতা খুঁজে দিতে ‘JnURedDrop’ নামে একটি অ্যাপ চালু করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু)।  জকসুর সমাজসেবা সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমানের উদ্যোগে অ্যাপটি তৈরি করা হয়েছে। এতে সহযোগিতা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী তুষার শেখ। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) অ্যাপটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন জকসুর ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম। ‘JnURedDrop’ অ্যাপের মাধ্যমে রক্তের গ্রুপ ও অবস্থান অনুযায়ী রক্তদাতার তথ্য খোঁজার পাশাপাশি বর্তমানে রক্তদানে প্রস্তুত দাতাদেরও শনাক্ত করা যাবে। এ ছাড়া জবি শিক্ষার্থীরা অ্যাপটিতে নিজেদের প্রোফাইল তৈরি করে রক্তের গ্রুপসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করতে পারবেন। নিবন্ধিত রক্তদাতাদের মধ্যে থেকে রক্তের গ্রুপ ও এলাকার ভিত্তিতে অনুসন্ধান করে প্রয়োজনীয় দাতার তথ্য পাওয়া যাবে। পাশাপাশি কোনো দাতা বর্তমানে রক্তদানে প্রস্তুত আছেন কি না, সেটিও জানা যাবে। জকসুর সমাজসেবা সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের জরুরি সময়ে রক্তদাতা খোঁজার প্রক্রিয়া সহজ করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অ্যাপটিতে রক্তের গ্রুপ ও এলাকা অনুযায়ী দাতা খোঁজার সুবিধা রাখা হয়েছে। জরুরি রক্তের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছায় রক্তদানে উৎসাহিত করা এবং ক্যাম্পাসে পারস্পরিক সহযোগিতার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। অ্যাপ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জকসুর এজিএস মাসুদ রানা, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ইব্রাহীম খলিল, আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক হাবিব মোহাম্মদ ফারুক, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ, কার্যনির্বাহী সদস্য আকিব হাসান ও আব্দুল্লাহ আল ফারুক উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর
জকসুর উদ্যোগে জবিতে রক্তদাতা খুঁজতে ‘JnURedDrop’ অ্যাপ
আরও পড়ুন
বাঁচতে চান চবি শিক্ষার্থী মোশারফ, প্রয়োজন সবার সহযোগিতা
চুয়েট শিক্ষার্থীদের চোখে কালো কাপড় বেঁধে মিছিল
ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের বদলি আবেদন শুরু ৩০ সেপ্টেম্বর
ঢাকা কলেজের ৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল, ৪২ জনকে টিসি