ঢাকা বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য বাকৃবির ১৩ শিক্ষার্থী মনোনীত 

বাকৃবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৩ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ প্রদান করে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। সম্প্রতি এই পদকের জন্য দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৪৬৯ জন শিক্ষার্থীর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। এতে ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ বর্ষের জন্য বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ১৩ শিক্ষার্থী মনোনীত হয়েছেন।

ইউজিসির প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বাকৃবি থেকে মনোনীত ১৩ শিক্ষার্থীর মধ্যে ২০১৯ সালে ৬ জন, ২০২০ সালের ৬ জন এবং ২০২১ সালের ১জন শিক্ষার্থী এ তালিকায় স্থান পেয়েছেন।

২০১৯ সালের মনোনীতরা হলেন- ভেটেরিনারি অনুষদের নাজনীন সুলতানা, কৃষি অনুষদের প্রত্যাশা বিশ্বাস, পশুপালন অনুষদের শারমীন ইসলাম, কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের শান্তা ইসলাম, কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের শাহাবুদ্দিন আহমেদ ও মৎসবিজ্ঞান অনুষদের নাফিসা তাসনীম বিনতি।

২০২০ সালের মনোনীতরা হলেন- ভেটেরিনারি অনুষদের ইসমাইল হোসেন, কৃষি অনুষদের মোসা. আয়েশা সিদ্দিকা, পশুপালন অনুষদের মো. আরিফুল ইসলাম, কৃষি অর্থনীতি ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ইসরাত জাহান, কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের চিত্রা রাণী পাল ও মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের জিন্নাত রেহানা ঋতু।

এছাড়াও ২০২১ সালের জন্য ভেটেরিনারি অনুষদের ফারহানা বিনতে ফেরদৌস মনোনীত হয়েছেন।

জানা গেছে, ‎বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে পাওয়া মনোনীত প্রার্থীদের আবেদন যাচাই-বাছাই এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে খসড়া তালিকা পুনরায় যাচাইয়ের পর ৪৬৯ শিক্ষার্থীর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত তালিকা নিয়ে কোনো প্রার্থী বা সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের আপত্তি থাকলে প্রয়োজনীয় প্রমাণকসহ আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ইউজিসিতে লিখিতভাবে জানাতে হবে।
‎
‎বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী, মনোনীত প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ২২ ক্যারেট মানের সাড়ে চার গ্রাম স্বর্ণ ও ১০ গ্রাম রৌপ্য দিয়ে তৈরি একটি পদক এবং সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।
‎
‎উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে মেধাবী শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক সাফল্যের স্বীকৃতি দেওয়া এবং উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় উৎসাহিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়। ইউজিসি ২০০৫ সাল থেকে এ পদক প্রদান করে আসছে।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্কুল-মাদরাসার বোর্ড পরীক্ষা হবে একই প্রশ্নপত্রে: শিক্ষামন্ত্রী
আগামীতে স্কুল ও মাদরাসার বোর্ড পরীক্ষা একই প্রশ্নপত্রে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
স্কুল-মাদরাসার বোর্ড পরীক্ষা হবে একই প্রশ্নপত্রে: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষার্থীদের চাকরির তথ্যের ডাটাবেজ তৈরি করা হবে: ইবি ভিসি
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থেকে প্রতিবছর কতসংখ্যক শিক্ষার্থী সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি পাচ্ছেন, তা নির্ণয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেজ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান।
শিক্ষার্থীদের চাকরির তথ্যের ডাটাবেজ তৈরি করা হবে: ইবি ভিসি
চুয়েটের অচলাবস্থা নিরসনে ইউজিসির পরামর্শক কমিটির বৈঠক
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) চলমান অচলাবস্থা নিরসনে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) ছয় সদস্যের পরামর্শক কমিটি। 
চুয়েটের অচলাবস্থা নিরসনে ইউজিসির পরামর্শক কমিটির বৈঠক
৩৬ দিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে সীমিত পরিসরে শুরু চুয়েটের শিক্ষা কার্যক্রম
দীর্ঘ ৩৬ দিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে অবশেষে একাডেমিক কার্যক্রমে ফিরেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষার্থীরা।  বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ৯টায় নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের ক্লাস শুরুর মধ্য দিয়ে পাঠদান কার্যক্রম শুরু হয়। সকাল ১১টা পর্যন্ত চলে ক্লাস। সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২টি বিভাগের মধ্যে কেবল নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগেই ক্লাস হয়েছে। বাকি ১১টি বিভাগের একাডেমিক কার্যক্রম এদিন বন্ধ ছিল। পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো: নাঈম হাওলাদার জানান, "বুধবার শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম থাকায় সীমিত পরিসরে ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়। নির্ধারিত রুটিনে ল্যাব ক্লাস থাকলেও বিভাগীয় আলোচনার ভিত্তিতে তা স্থগিত রাখা হয়।" বিভাগীয় প্রধান ফৌজিয়া গুলশানা রশিদ লোপা বলেন, বুধবার সকাল ৯টা থেকে ২১, ২২ ও ২৩ ব্যাচের ক্লাস নেওয়া হয়েছে। তবে সব ব্যাচেই শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল কম। তুলনামূলকভাবে ২১ ও ২২ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা বেশি উপস্থিত ছিলেন। আগামী দিনগুলোতে আরও বেশি শিক্ষার্থী ক্লাসে ফিরবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। এদিকে শ্রেণিকক্ষে ফিরলেও উপাচার্যকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সংকটের অবসান হয়নি। সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তাঁদের দাবি, নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি আন্দোলনও অব্যাহত থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সংকট নিরসনে ইউজিসির গঠিত ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গেও প্রতিনিধি দলটির বৈঠক করার কথা রয়েছে। সংকট সমাধানে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিধি দলটি। উল্লেখ্য, গত ২১ সেপ্টেম্বর চুয়েটে নতুন উপাচার্য নিয়োগের পর থেকেই প্রতিবাদে নামেন শিক্ষার্থীরা। পরদিন তাঁরা কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি শুরু করেন। নিয়োগ বাতিলের দাবিতে ধারাবাহিক আন্দোলনের একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম, ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ ৩৬ দিন পর বুধবার সীমিত পরিসরে ক্লাস শুরু হলেও উপাচার্যকে ঘিরে সৃষ্ট সংকটের সমাধান এখনো হয়নি। আরটিভি/এসআর
৩৬ দিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে সীমিত পরিসরে শুরু চুয়েটের শিক্ষা কার্যক্রম
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত পাবিপ্রবি শিক্ষার্থী, সাত দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) বাস থেকে নামতে গিয়ে সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী মনীষার আহত হওয়ার ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তসহ সাত দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা।  বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে অবস্থান কর্মসূচিতে নামেন বিভাগটির শিক্ষার্থীরা। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সবধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস থেকে পাবনা শহরের মুক্তমঞ্চ বাসস্টপে নামতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হন ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী মনীষা। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস থেকে কয়েকজন ছাত্রী শহরের মুক্তমঞ্চ এলাকায় নামছিলেন। এ সময় মনীষা বাস থেকে নামার আগেই চালক হঠাৎ বাসটি চালিয়ে দেন। এতে তিনি রাস্তায় পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান এবং তার মাথা থেকে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরে তাকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য পাবনা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে পাবনা এসোর্ট হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। অবস্থান কর্মসূচিতে সমাজকর্ম বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. মোশাররফ পারভেজ বলেন, আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং মনীষার চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণের দাবি জানাই। পাশাপাশি আমাদের অন্যান্য দাবিও বাস্তবায়ন করতে হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটলে এর সম্পূর্ণ দায়ভার প্রশাসনকেই নিতে হবে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব। একই বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. মুহুস্তাসিন নাদির বলেন, মনীষার দুর্ঘটনার ঘটনায় অবিলম্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে এ ঘটনায় দায়ীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। আগামী তিন দিনের মধ্যে দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে প্রশাসন ব্যর্থ হলে আমাদের চলমান আন্দোলন আরও কঠোর ও বেগবান হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা যেন আর না ঘটে, সে জন্য প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। এদিকে, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে গতকাল রাতেই আহত শিক্ষার্থীকে দেখতে হাসপাতালে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, প্রক্টর, ছাত্রপরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক, সংশ্লিষ্ট বিভাগের চেয়ারম্যান ও শিক্ষকেরা। শিক্ষার্থীদের সাত দফা দাবিগুলো হল ১) দুর্ঘটনায় আহত শিক্ষার্থী মনীষার চিকিৎসা সংক্রান্ত যাবতীয় ব্যয়ভার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বহন করতে হবে এবং তাঁর সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। ২) দুর্ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ী বাসচালকের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে তাঁকে ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের কোনো বাস চালানোর দায়িত্ব দেওয়া যাবে না। ৩) শিক্ষার্থীদের নিরাপদে ওঠানামা নিশ্চিত করতে প্রতিটি বাসে কমপক্ষে একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত হেলপার নিয়োগ করতে হবে এবং শিক্ষার্থীর সংখ্যা ও প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক হেলপার নিশ্চিত করতে হবে। ৪) প্রতিটি নির্ধারিত বাসস্টপেজে শিক্ষার্থীদের নিরাপদে ওঠানামা সম্পন্ন হওয়ার পর বাসের পরবর্তী গন্তব্যের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করতে হবে। এ ক্ষেত্রে চালক ও হেলপারকে যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। ৫) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ও যাতায়াতের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাসের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে।  ৬) সকল বাসচালক ও হেলপারের নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা যাচাই, পেশাগত দক্ষতা মূল্যায়ন এবং প্রয়োজনীয় কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাঁদের শালীন, দায়িত্বশীল ও পেশাদার আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। ৭) অনিবার্য কারণ দেখিয়ে হঠাৎ করে দূরপাল্লার বাস বন্ধ করা যাবে না, একান্তই বন্ধ রাখলে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান খান বলেন, এ ধরনের দুর্ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁদের গেট থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ করেছি। শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা রয়েছে, তাই বাস চলাচল স্বাভাবিক রাখার কথা বলেছি। বিআরটিসি কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুপুর ১২টায় আলোচনায় বসব। আরটিভি/এসআর
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত পাবিপ্রবি শিক্ষার্থী, সাত দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি
আরও পড়ুন
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন ঢাবির ৩২ শিক্ষার্থী
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন হাবিপ্রবির ১৬ শিক্ষার্থী
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকে মনোনীত দুই শিক্ষার্থীর সাফল্যের গল্প
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন বুটেক্সের ১৩ শিক্ষার্থী