ঢাকা রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

এটা আবু সাঈদ-মুগ্ধের বাংলাদেশ: ইউজিসি সচিব

ডিআইইউ সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৪ পিএম
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সচিব ড. মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম। ছবি: ডিআইইউ সংবাদদাতা

‘এটা আবু সাঈদ-মুগ্ধের বাংলাদেশ। এখানে কোনো ধরনের পঙ্কিলতা থাকবে না, কোনো জটিলতা থাকবে না। আমরা নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করব’ বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সচিব ড. মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম।

শনিবার (১০ অক্টোবর) বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের হিট প্রকল্পের উদ্যোগে আয়োজিত ‘উচ্চশিক্ষায় শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতা: সচেতনতা, গবেষণা ও পেশাগত সহায়তা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ইউজিসি সচিব বলেন, উচ্চশিক্ষার মান নিয়ে আলোচনায় সাধারণত অবকাঠামো, গবেষণা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত, গবেষণাগার, প্রযুক্তি, আন্তর্জাতিক অবস্থান ও কর্মসংস্থানের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। তবে শিক্ষার্থীরা মানসিকভাবে কেমন আছে, সেটিও উচ্চশিক্ষার মানের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। মানসিক সুস্থতা না থাকলে শিক্ষার্থীদের শেখার সক্ষমতা, সৃজনশীলতা ও গবেষণার আগ্রহ বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

তিনি বলেন, কোনো শিক্ষার্থী উদ্বেগ, হতাশা, একাকিত্ব, অতিরিক্ত মানসিক চাপ কিংবা ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগলে তার হাতে আধুনিক গবেষণাগার বা উন্নত প্রযুক্তি থাকলেও সেগুলো যথাযথভাবে কাজে লাগানো কঠিন হয়ে পড়ে। তাই মানসিক সুস্থতাকে শিক্ষার বাইরের কোনো বিষয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি মানসম্মত শিক্ষার অন্যতম ভিত্তি।

বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের চাপের কথা উল্লেখ করে ড. মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, পরীক্ষার ফলাফল, সিজিপিএ, গবেষণা, পারিবারিক প্রত্যাশা, আবাসন সমস্যা, চাকরির অনিশ্চয়তা ও সামাজিক তুলনা শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ বাড়াতে পারে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মুঠোফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার, দীর্ঘ সময় পর্দার দিকে তাকিয়ে থাকা এবং সব সময় অনলাইনে যুক্ত থাকার প্রবণতা।

মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মানসিক চাপে থাকা দুর্বলতার পরিচয় নয়। পরামর্শদাতার কাছে গেলে কেউ মানসিকভাবে দুর্বল, এমন ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। শিক্ষার্থীরা যেন সংকোচ ছাড়াই নিজেদের সমস্যা নিয়ে কথা বলতে পারে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সে পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতা মূল্যায়নে মানসিক সুস্থতা সূচক চালুর উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। তবে এ ধরনের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা, সম্মতি ও নৈতিক মানদণ্ড নিশ্চিত করতে হবে। মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে গবেষণা ও কার্যক্রম পরিচালনার সময় এসব বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

শিক্ষার্থীদের জন্য পেশাগত মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ইউজিসি সচিব বলেন, আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রন্থাগার, গবেষণাগার ও তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্রের পাশাপাশি শিক্ষার্থী পরামর্শকেন্দ্র এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবাও গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষিত পরামর্শদাতা, চিকিৎসামনোবিজ্ঞানী এবং প্রয়োজন অনুযায়ী মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সহায়তা নিশ্চিত করা দরকার। গুরুতর মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত বা আত্মহত্যার ঝুঁকিতে থাকা শিক্ষার্থীদের দ্রুত বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থাও থাকতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য পরামর্শকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার নির্দেশনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে সহজে সরাসরি ও অনলাইনে পরামর্শ নিতে পারে, সে ব্যবস্থা থাকা জরুরি। পাশাপাশি সেবাগ্রহীতার গোপনীয়তা রক্ষা, প্রয়োজনীয় পরবর্তী যোগাযোগ এবং বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠানোর কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতায় বন্ধুদের পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, অনেক শিক্ষার্থী পরিবারের সদস্য বা শিক্ষকের কাছে নিজের সমস্যার কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে না। তারা প্রথমে বন্ধুর কাছে মনের কথা বলতে পারে। তাই ক্যাম্পাসে এমন পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে কেউ অন্যকে উপহাস করবে না; বরং বিপদে পড়লে একে অন্যকে সহযোগিতা করবে। সহমর্মিতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, অন্তর্ভুক্তি ও বন্ধুত্বের সংস্কৃতি গড়ে তোলা প্রয়োজন।

পরিবারের ভূমিকা তুলে ধরে ইউজিসি সচিব বলেন, সন্তানের কাছ থেকে ভালো ফলাফল প্রত্যাশা করা স্বাভাবিক। তবে সেই প্রত্যাশা যেন তার ওপর অসহনীয় চাপ তৈরি না করে। একজন শিক্ষার্থীর মূল্য শুধু তার সিজিপিএ দিয়ে নির্ধারিত হয় না। তাকে ভালো ফল করার পাশাপাশি ভালো থাকার গুরুত্বও বোঝাতে হবে।

মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সময় ব্যবস্থাপনা, যোগাযোগের দক্ষতা ও আবেগ নিয়ন্ত্রণের মতো বিষয়গুলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিকশিত করতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়ানো এবং শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা ছড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন।

মাদকাসক্তির বিষয়ে সতর্ক করে তিনি বলেন, মাদকের ভয়াবহতা থেকে শিক্ষার্থীদের দূরে রাখতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ চর্চা এবং দায়িত্বশীল জীবনযাপনে উৎসাহিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

ড. মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এ প্রকল্পের মাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ রয়েছে। প্রকল্পটির সফলতা নির্ভর করবে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা এর কার্যক্রম থেকে কতটা উপকৃত হচ্ছেন এবং মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে তাঁদের সচেতনতা কতটা বাড়ছে, তার ওপর।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন উচ্চশিক্ষায় গবেষণা ও উদ্ভাবনের বিভিন্ন উদ্যোগে সহযোগিতা করছে। ভবিষ্যতে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এ ধরনের আরও প্রকল্প গ্রহণ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে নতুন বাংলাদেশ গঠনে তরুণদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে ইউজিসি সচিব বলেন, ‘এটা আবু সাঈদের বাংলাদেশ, এটা মুগ্ধের বাংলাদেশ। এখানে কোনো ধরনের পঙ্কিলতা থাকবে না, কোনো জটিলতা থাকবে না। আমরা নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করব।’ মাদকমুক্ত, উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে মূল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহীদ মুগ্ধ চিকিৎসাকেন্দ্রের মনোবিজ্ঞানী মো. আবু তারেক। সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
যবিপ্রবিতে ইকো অলিম্পিয়াড ও নবীনবরণ ১৩ অক্টোবর
পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও সচেতনতা বাড়াতে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) ‘ইকো অলিম্পিয়াড ও নবীনবরণ ২০২৬’ আয়োজন করতে যাচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব স্টুডেন্টস ইন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রিলেটেড সায়েন্সেস (আইএএএস) বাংলাদেশের যবিপ্রবি শাখা। আগামী ১৩ অক্টোবর দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফ হোসেন গ্যালারিতে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজক সূত্রে জানা যায়, ইকো অলিম্পিয়াডে পরিবেশবিজ্ঞান ও দূষণ, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, জীববৈচিত্র্য ও বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ, খাদ্যনিরাপত্তা, পুষ্টি ও অণুজীববিজ্ঞান, জীবপ্রযুক্তি, জেনেটিক্স ও বায়োকেমিস্ট্রি, মৎস্যবিজ্ঞান, সামুদ্রিক বিজ্ঞান, জলজ বাস্তুবিদ্যা এবং টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশ সচেতনতাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের জন্য থাকবে ইনডোর প্ল্যান্ট, সনদপত্র ও উপহার। পাশাপাশি আয়োজনে তাৎক্ষণিক কুইজ প্রতিযোগিতা, আকর্ষণীয় পুরস্কার এবং বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে আলোচনা পর্ব থাকবে। এদিন সংগঠনটির নবীন সদস্যদেরও বরণ করে নেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবিরের। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ফারুক হাসান এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক মো. রাফিউল হাসান। এ ছাড়া মূল বক্তা হিসেবে থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস এবং ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেলের (আইকিউএসি) পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মীর মোশাররফ হোসেন। সংগঠনটির যবিপ্রবি শাখার সমন্বয়ক মো. আশিকুল ইসলাম বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও টেকসই উন্নয়ন সম্পর্কে তরুণদের মধ্যে সচেতনতা এবং বৈজ্ঞানিক চিন্তাভাবনা গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এ আয়োজন করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ আয়োজন শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও পরিবেশবান্ধব চিন্তাধারাকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি পারস্পরিক যোগাযোগ ও নেতৃত্বের দক্ষতা বিকাশে ভূমিকা রাখবে। একটি সবুজ, সচেতন ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়তে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইএএএসের সদস্যদের জন্য নিবন্ধন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। তবে সংগঠনের বাইরের অংশগ্রহণকারীদের জন্য নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ টাকা। আরটিভি/ এসআর
যবিপ্রবিতে ইকো অলিম্পিয়াড ও নবীনবরণ ১৩ অক্টোবর
সাংবাদিকদের মারধরের ঘটনায় রাবিতে বিশেষ সিন্ডিকেট ১৫ অক্টোবর
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় চারজনের ছাত্রত্ব সাময়িক বাতিল, চারজনের বিরুদ্ধে অধিকতর তদন্ত এবং তিনজনকে সতর্ক করার সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি। এসব সুপারিশের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে আগামী বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ৫৫০তম সভায়। শনিবার (১০ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এ এইচ এম আসলাম হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আসলাম হোসেন বলেন, আজই সিন্ডিকেট সভার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ১৫ অক্টোবর সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনার তদন্ত কমিটির সুপারিশসহ পূর্বনির্ধারিত সব এজেন্ডা উত্থাপন করা হবে। সিন্ডিকেট সভা শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হবে। এর আগে গতকাল শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে সাংবাদিক পেটানোর ঘটনায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলামের কাছে অভিযুক্ত শাখা ছাত্রদলের তিনজন নেতা-কর্মী ও হল সংসদের জিএস-এর ছাত্রত্ব সাময়িকভাবে বাতিলের সুপারিশ করে তদন্ত কমিটি। এ ছাড়া আরও চার জনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অধিকতর তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া এবং তিন জনকে সতর্ক করার সুপারিশ করা হয়। তদন্ত কমিটির সুপারিশে বলা হয়, সব ধরনের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে অপরাধের ধরন ও মাত্রা বিবেচনায় আহসান হাবীব (সহসভাপতি, রাবি ছাত্রদল), বিশাল চক্রবর্তী (রাবি ছাত্রদল কর্মী), হাসিবুল হাসান (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, রাবি ছাত্রদল), আরিফুল ইসলাম (জিএস, জিয়া হল সংসদ)-এর ছাত্রত্ব সাময়িকভাবে বাতিলের সুপারিশ করা হলো। এতে, রাকসুর সহসাংকৃতিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম, রাবি শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি তাকবীর আহমেদ ইমন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজহারুল ইসলাম, ছাত্রদল কর্মী তানিম রহমানের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ ও বিভিন্ন ধরনের প্রমাণাদি অধিকতর তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি বুলবুল রহমান, সহসভাপতি শরীফুল ইসলাম ও সহদপ্তর সম্পাদক শাহরিয়ার আলমকে সতর্ক করার জন্য সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি। উল্লেখ্য, গত রবিবার (৪ অক্টোবর) রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে চার সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।  এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম কমিটিকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। আরটিভি/এসআর  
সাংবাদিকদের মারধরের ঘটনায় রাবিতে বিশেষ সিন্ডিকেট ১৫ অক্টোবর
ধর্ম অবমাননার অভিযোগে রুয়েটে আইএপি সদস্যকে বহিষ্কার
পবিত্র কোরআন ও ইসলাম ধর্ম নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ ও দাবির মুখে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ইসিই বিভাগের শিল্প-উপদেষ্টা প্যানেল (আইএপি) থেকে সাঈদ ইমতিয়াজ আহমেদকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।  শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে অনুষ্ঠিত বিভাগের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং (ইসিই) বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।  সেখানে বলা হয়, আজ বিকেল ৩টায় ইসিই বিভাগের প্রধানের সভাপতিত্বে আইএপি প্যানেল থেকে একজন সদস্য বাদ দেওয়ার প্রসঙ্গে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সাঈদ ইমতিয়াজ আহমেদকে কমিটি থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তে উপস্থিত সদস্যরা অনুমোদন করেছেন। তবে উক্ত সদস্যকে বাদ দেওয়ার বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। উল্লেখ্য শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রুয়েট ডেভেলপমেন্ট ফোরাম (আরডিএফ) নামের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে কোরআন ও ইসলাম ধর্ম নিয়ে বহিষ্কৃত ব্যক্তির কিছু মন্তব্য ঘিরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। রুয়েটের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী, শিক্ষক, ইইই, ইসিই, ইটিই ও এমটিই বিভাগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে গ্রুপটি গঠিত।  যেখানে কুরআন কোর্স সংক্রান্ত একটি বার্তা ঘিরে সাঈদ ইমতিয়াজ আহমেদের বেশ কিছু বিতর্কিত মন্তব্য উঠে আসে। যা ধর্মপ্রাণ মুসলিম শিক্ষার্থীদের ধর্ম চর্চা ও ধর্মীয় মৌলিক অনুভূতিতে আঘাত করে বলে। সেখানে সাইদ ইমতিয়াজ কোরআনকে ‘ইশারা গ্রন্থ’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন রুয়েটের উচিত বিজ্ঞান বইয়ের পরিবর্তে ইশারা গ্রন্থ থেকে শিক্ষা দেওয়া। এছাড়াও তিনি কোরআন বিজ্ঞানের বই নয়, এটি নিদর্শনের বই হিসেবে উল্লেখ করেন। প্রকৌশলীদের পণ্য নকশা ও নির্মাণ, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কোরআনের জ্ঞান ব্যবহারের প্রসঙ্গ তোলেন তিনি।  কোরআনে বিমান তৈরি, প্রযুক্তিগত বিপ্লব, বিদ্যুৎ উৎপাদন কিংবা যন্ত্র তৈরির পদ্ধতি নিয়ে আয়াত নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি কোরআনে পণ্য নকশার কথা থাকলে গ্রন্থটির ঐশী গ্রন্থ হিসেবে গ্রহণযোগ্যতা ক্ষুণ্ন হতো, এমন বক্তব্যও দেন। পাশাপাশি তিনি কোরআনের বিভিন্ন আয়াত নিয়ে বিব্রতকর মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। তিনি বার্তায় লিখেছেন,বাবার হাতে মাকে মার খেতে দেখে সন্তানদের কাঁদা উচিত নয়। কুরআনের ৪ নং সূরার ৩৪ নং আয়াতে পুরুষদেরকে তাদের স্ত্রীদের মারধর করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কুরআনের ৬৪ নং সূরার ১৪ নং আয়াতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি লিখেছেন, রুয়েট-এর স্নাতক ও শিক্ষার্থীদের সন্তানরা যখন এ আয়াত পড়বে, তখন তারা জানতে পারবে যে তারা এবং তাদের মায়েরা তাদের পিতার শত্রু। তাই, কুরআন পুরুষদেরকে অতিরিক্ত সতর্ক থাকতে উপদেশ দেয়। এসব মন্তব্যকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও পবিত্র ধর্মগ্রন্থের প্রতি অবমাননা হিসেবে দেখছেন ইসিই বিভাগের মুসলিম শিক্ষার্থীরা। তাদের ভাষ্য, ধর্ম ও ধর্মগ্রন্থ নিয়ে এমন বক্তব্যের কারণে তারা ক্ষুব্ধ এবং সাঈদ ইমতিয়াজ আহমেদকে আইএপি সদস্য হিসেবে মানতে সম্মত নন।  তার বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে উপদেষ্টা প্যানেল থেকে তাকে অবিলম্বে বাদ দেওয়া এবং ভবিষ্যতে বিভাগের কোনো কার্যক্রমে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত না রাখার দাবি জানান। অন্যদিকে শিক্ষার্থীরা তার বিরুদ্ধে একাডেমিক ও পাঠ্যক্রম সংক্রান্ত বেশ কিছু অভিযোগ জানান। শিক্ষার্থীদের একাংশের দাবি, রুয়েটের প্রাক্তন শিক্ষার্থী বা বিভাগের শিক্ষক না হয়েও সাঈদ ইমতিয়াজ আহমেদ বিভাগের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তার করছিলেন। তার পরামর্শে গুরুত্বপূর্ণ কিছু মৌলিক কোর্সের পরিবর্তে মাইক্রোকন্ট্রোলার ভিত্তিক কাজের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।  এমনকি ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ কোর্স ‘ইলেকট্রনিক শপ প্র্যাকটিস’ এ এসটিএম৩২-সংক্রান্ত সেশন উপস্থিতির ওপর ২০ শতাংশ নম্বর রাখার বিষয়টিও প্রশ্নবিদ্ধ করে।  এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, থিসিসের পরিবর্তে প্রকল্প ভিত্তিক কাজকে প্রাধান্য দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তার পরামর্শে। এসব প্রভাবের কারণে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের একাংশের মধ্যেও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে ইসিই বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের কিছু যৌক্তিক দাবি-দাওয়া ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে আমাদের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাডভাইজারি প্যানেলের একজন সদস্যের ধর্মীয় বিষয়ে বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে শিক্ষার্থীরা আপত্তি জানায় এবং তাকে প্যানেল থেকে বাদ দেওয়ার দাবি তোলে। শিক্ষার্থীদের এই আবেগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমরা ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে উক্ত প্যানেল থেকে অব্যাহতি দিয়েছি।  ‘এছাড়াও, শিক্ষার্থীদের অন্যান্য দাবির মধ্যে ল্যাব সংস্কার, প্রজেক্ট এবং ওয়ার্কশপের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ল্যাব বা ওয়ার্কশপ বাধ্যতামূলক না করে শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে তা ঐচ্ছিক করার বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। ডিপার্টমেন্টের সার্বিক উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত অগ্রগতির জন্যই আমরা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছি। শিক্ষার্থীদের যেকোনো যৌক্তিক ও ইতিবাচক দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসন সবসময় আন্তরিক।’ জানা যায়, সাঈদ ইমতিয়াজ আহমেদ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ১৯৭৫ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী এবং কানাডাভিত্তিক সিগন্যাল স্ট্রিম ইনকরপোরেটেডের সভাপতি। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষার উদ্দেশ্যে গঠিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মে একজন বহিরাগত ব্যক্তির উপস্থিতি এবং বিভাগের পাঠ্যক্রমে তার হস্তক্ষেপ তাদের একাডেমিক স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে বলে জানান শিক্ষার্থীরা।  সামগ্রিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে আজকের বিভাগীয় সভায় সাঈদ ইমতিয়াজ আহমেদকে আইএপি এর সদস্যপদ বাতিলের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের দাবির বাস্তবায়ন বলে মন্তব্য সংশ্লিষ্টদের। আরটিভি/এসআর  
ধর্ম অবমাননার অভিযোগে রুয়েটে আইএপি সদস্যকে বহিষ্কার
অচলাবস্থার মধ্যেই দুই দিনের জন্য চুয়েটের দায়িত্বে অধ্যাপক আরাফাত রহমান
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) চলমান অচলাবস্থার মধ্যেই উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব পেয়েছেন যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আরাফাত রহমান।  আগামী ১১ ও ১২ অক্টোবর, দুই দিনের জন্য তাকে এ দায়িত্ব দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) একটি সভায় অংশ নিতে ঢাকায় অবস্থান করবেন। এ কারণে তাঁর অনুপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব পালনের জন্য অধ্যাপক আরাফাত রহমানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম বলেন, অধ্যাপক আরাফাত রহমানকে আগামী ১১ ও ১২ অক্টোবরের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি মন্ত্রণালয়, ইউজিসি, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার, ডিন এবং বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানদের অবহিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান অচলাবস্থার মধ্যে দায়িত্ব পালন প্রসঙ্গে অধ্যাপক আরাফাত রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাদের যত দ্রুত সম্ভব শিক্ষা কার্যক্রমে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে বোঝানোর চেষ্টা করবেন তিনি। উল্লেখ্য, গত ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্যের পদ থেকে সরিয়ে চুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নিয়োগ দেওয়া হয়।  এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং অধ্যাপক সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে সর্বাত্মক শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। একই দাবিতে কর্মবিরতি পালন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও। ফলে ক্লাস-পরীক্ষাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। আরটিভি/এসআর  
অচলাবস্থার মধ্যেই দুই দিনের জন্য চুয়েটের দায়িত্বে অধ্যাপক আরাফাত রহমান
হাবিপ্রবির রিজেন্ট বোর্ডে যুক্ত হলেন দুই সাংসদ 
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি ) রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য হিসেবে নতুন দুই সংসদ সদস্যকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।  গত সোমবার (৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ইস্যু করা এক চিঠিতে বিষয়টি জানানো হয়।  মনোনীত দুইজন সংসদ সদস্য হলেন— দিনাজপুর-১ আসনের মো. মনজুরুল ইসলাম এবং সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য রেজেকা সুলতানা।  চিঠিতে বলা হয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১-এর ১৮(১)(ঘ) ধারা অনুযায়ী রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য হিসেবে ২ জন সংসদ সদস্যকে সংসদ নেতা তথা প্রধানমন্ত্রী মনোনয়ন প্রদান করেছেন। চিঠির অনুলিপি হাবিপ্রবি উপাচার্য, জাতীয় সংসদের স্পিকার এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে অবগতির জন্য পাঠানো হয়েছে। আরটিভি/এসআর  
হাবিপ্রবির রিজেন্ট বোর্ডে যুক্ত হলেন দুই সাংসদ 
আরও পড়ুন
পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধন দুর্বল হওয়ায় বাড়ছে মানসিক চাপ: ডিআইইউ উপাচার্য
ডিআইইউ ইংলিশ ক্লাবের নতুন নেতৃত্বে রনি ও মাহমুদুল
বিভাজন নয়, ঐক্যই এগিয়ে যাওয়ার পথ: সাজ্জাদ হোসেন
ডিআইইউতে নিষিদ্ধ সংগঠনের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি, উপাচার্যকে স্মারকলিপি