ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রশাসনিক ভবনের তালা ভেঙে চুয়েট ক্যাম্পাসে প্রবেশ নতুন উপাচার্যের

চুয়েট সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০১ এএম
ছবি : আরটিভি

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) চলমান অচলাবস্থার মধ্যেই প্রশাসনিক ভবনের তালা ভেঙে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেছেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল পৌনে ৮টার দিকে তিনি প্রশাসনিক ভবন-২-এর তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ১১ ও ১২ অক্টোবর ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) আয়োজিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সভায় উপাচার্যের অংশ নেওয়ার কথা ছিল। এ উদ্দেশ্যে ১০ অক্টোবর বিকেলে তার ঢাকা যাওয়ার কথা জানানো হয়। তার অনুপস্থিতিতে ১১ ও ১২ অক্টোবরের জন্য যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আরাফাত রহমানকে উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী উপাচার্য ঢাকায় রয়েছেন বলে জানা গেলেও সোমবার সকালে আকস্মিকভাবে চুয়েট ক্যাম্পাসে উপস্থিত হন তিনি। এ সময় ছাত্রদলপন্থী বর্তমান ও সাবেক আট থেকে দশজন শিক্ষার্থী তার সঙ্গে প্রশাসনিক ভবনে প্রবেশ করেন। পরে তারা উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

উল্লেখ্য, গত ২১ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্যের পদ থেকে অপসারণ করা হয়। একই দিন অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ওই রাতেই শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন। পরদিন ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের মাধ্যমে সর্বাত্মক শাটডাউন কর্মসূচি শুরু করেন তারা। একইসঙ্গে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ঢাবি ভিসির প্রতীকী দায়িত্বে এইচএসসি পড়ুয়া শীতল 
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভিসি হিসেবে একদিনের জন্য প্রতীকী দায়িত্ব পালন করেছেন উচ্চমাধ্যমিক পড়ুয়া শীতল। 
ঢাবি ভিসির প্রতীকী দায়িত্বে এইচএসসি পড়ুয়া শীতল 
হাবিপ্রবিতে তিন দফা দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’
দেশের সর্বোত্তরের স্থান বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু হওয়া ইনকিলাব মঞ্চের দীর্ঘ পদযাত্রা ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলা অতিক্রম করে রোববার (১১ অক্টোবর) দিনাজপুরে প্রবেশ করেছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ তারা হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) এসে পৌঁছান। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পৌঁছানোর পর আয়োজিত এক সমাবেশে বক্তব্য দেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। বক্তব্যে আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, গত পাঁচ দিন ধরে দেশের সর্বোত্তরের স্থান বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট থেকে আমরা আমাদের এই ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ পদযাত্রা শুরু করেছি। সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সরকারের কাছে আমরা এই বার্তা দিতে চাই যে, বিচারের দাবিতে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ। সমাবেশে ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি তুলে ধরা হয় ১. আগামী ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দিল্লি থেকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার নিশ্চিত করা। ২. গণভোটে জনগণের দেওয়া ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার রায় বাস্তবায়ন করা। ৩. জুলাই গণহত্যা, শাপলা চত্বর ও পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করা। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে আয়োজিত এ সমাবেশে তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে তরুণেরা সব রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধ থাকবেন। সমাবেশ শেষে শহীদ ওসমান হাদির রুহের মাগফিরাত এবং আন্দোলনকারীদের সুস্থতা ও নিরবচ্ছিন্ন পদযাত্রার জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়। দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে জাবের জানান, ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচির প্রধান লক্ষ্য জনসমর্থন তৈরি করে সরকারকে সহযোগিতা করা। তবে এ বিষয়ে কোনো টালবাহানা বা চক্রান্ত বরদাশত করা হবে না বলে সতর্ক করে তিনি বলেন, কোনো চক্রান্ত হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথেই প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল জাবের আরও জানান, দিনাজপুরের কর্মসূচি শেষ করে টেকনাফ অভিমুখে তাদের দীর্ঘ পদযাত্রা অব্যাহত থাকবে। আরটিভি/টিআর
হাবিপ্রবিতে তিন দফা দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’
চুয়েটে রুটিন উপাচার্য মানছেন না শিক্ষার্থীরা
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আরাফাত রহমানকে উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছেন শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে, সদ্য সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চুয়েট শিক্ষক সমিতি। এ নিয়ে টানা ২০ দিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে অচলাবস্থা বিরাজ করছে। শিক্ষার্থীরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন। পাশাপাশি শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সংগঠনগুলোও পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। ধারাবাহিক আন্দোলন কর্মসূচির অংশ হিসেবে রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল ১১টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। পরে দুপুর ১টায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক ও পানিসম্পদ কৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. সামিউন বাসির বলেন, আন্দোলনের কারণে এ পর্যন্ত বিভিন্ন বর্ষের ১৫টি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া ১২ কার্যদিবসে কোনো ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়নি। পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ে বড় ধরনের সেশনজটের আশঙ্কা রয়েছে। তাই আর কালক্ষেপণ না করে বিষয়টি যৌক্তিকভাবে সমাধানের জন্য সরকারের প্রতি আকুল আবেদন জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের বিকল্প উপাচার্য হিসেবে কাউকে তারা দেখছেন না। তাকে পুনর্বহালের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের প্রজ্ঞাপন জারি করা না হয়, সে বিষয়েও তারা জোরালো অবস্থান জানাচ্ছেন। সংবাদ সম্মেলন শেষে দুপুর দেড়টার দিকে শিক্ষকদের একটি মৌন মিছিল উপাচার্য ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়। মিছিলটি শহীদ মিনার প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপাচার্য ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। এর আগে গত শনিবার (১০ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে চুয়েট শিক্ষক সমিতি জানায়, সমিতির ২০২৬-২৭ কার্যকরী পরিষদের জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে পূর্বঘোষিত পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি, অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকা এবং অবস্থান ধর্মঘট আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এসব কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। এদিকে, চুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আরাফাত রহমানকে দুই দিনের জন্য উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। সিদ্ধান্তটিকে ‘প্রহসনমূলক’ আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন তারা। শিক্ষার্থীদের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে না পেরে দূর থেকে তথাকথিত ‘অনলাইন ভিসি’ উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। এ সিদ্ধান্ত সাধারণ শিক্ষার্থীরা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করছেন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যাঁকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপাচার্য হিসেবে মেনে নেননি, তার দেওয়া কোনো রুটিন দায়িত্ব কিংবা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত চুয়েট ক্যাম্পাসে বাস্তবায়ন করতে দেওয়া হবে না। অধ্যাপক আরাফাত রহমানকে উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে চুয়েটের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো. মঈনুল ইসলাম জানান, অতীতে নিয়ম অনুযায়ী উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব হস্তান্তর করা হলে এ বিষয়ে অফিস আদেশ জারি করা হতো। কে দায়িত্ব পেয়েছেন এবং কত দিনের জন্য পেয়েছেন, তা নোটিশের মাধ্যমে জানানো হতো। তবে এবার তারা এ ধরনের কোনো অফিস আদেশ পাননি। ফলে কে দায়িত্ব পেয়েছেন এবং কত দিনের জন্য পেয়েছেন, সে বিষয়ে তারা অবগত নন। চুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ বলেন, এ বিষয়ে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানেন না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অধ্যাপক আরাফাত রহমানের উপাচার্যের দায়িত্ব পাওয়ার খবর দেখেছেন বলে জানান তিনি। উল্লেখ্য, গত ২১ সেপ্টেম্বর চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে অপসারণ করে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক শরিফুল ইসলামকে চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরবর্তী সময়ে একই দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতিতে যোগ দেন। ফলে চুয়েটের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। আরটিভি/টিআর
চুয়েটে রুটিন উপাচার্য মানছেন না শিক্ষার্থীরা
জবি হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার সোসাইটির সভাপতি লাবিব, সম্পাদক রাকিবুল
হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডারস সোসাইটির (এইচআরডিএস) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখার ২০২৬–২৭ সেশনের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ২৬ সদস্যের এই কমিটিতে সভাপতি হয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের ২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জুহার আলমাস লাবিব। সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন একই শিক্ষাবর্ষের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাকিবুল ইসলাম। রোববার (১১ অক্টোবর) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক সিফাত উল্লাহ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে সহসভাপতি হয়েছেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাকেরুল ইসলাম এবং প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের নুরে হাসানা ও আসাদুল্লাহ ওয়াকিফ। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন একই বিভাগের নিলাঞ্জলা হালদার, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের মোস্তাফিজুর রহমান এবং আইন বিভাগের মো. সাখাওয়াত হোসেন। কোষাধ্যক্ষ হয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের মিনহাজুর রহমান। এ ছাড়া কর্মসূচি সম্পাদক হয়েছেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের হাসিব সরদার, যুগ্ম কর্মসূচি সম্পাদক হয়েছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মো. ফারহান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক হয়েছেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের নুসরাত আফিন নাফিয়া এবং ডকুমেন্টেশন সম্পাদক হয়েছেন একই বিভাগের মো. সাবিক। সংখ্যালঘুবিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের সুজন প্রামাণিক। অন্যান্য পদে প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হয়েছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মো. সাইফুল ইসলাম রিয়ন, নারী ও শিশুবিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের খাদিজা আক্তার ঈশিতা এবং দপ্তর সম্পাদক হয়েছেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের মো. সিদ্দিকুর রহমান সায়েদ। আইনি সহায়তা ও ভুক্তভোগী সহায়তা সম্পাদক হয়েছেন আইন বিভাগের মো. লিমন মিয়া এবং তথ্য ও যোগাযোগ সম্পাদক হয়েছেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শরীফ উদ্দিন সিয়াম। যুগ্ম আইনি সহায়তা ও ভুক্তভোগী সহায়তা সম্পাদক হয়েছেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের রাফিয়া রাইহানা রিশা। গবেষণা ও পরিকল্পনা সম্পাদক হয়েছেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মো. মাহমুদুর রহমান এবং তথ্য অনুসন্ধান ও তদন্ত সম্পাদক হয়েছেন সমাজকর্ম বিভাগের মো. মানিক চৌধুরী। কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে কমিটিতে রয়েছেন দর্শন বিভাগের ফাহিমা আক্তার, মনোবিজ্ঞান বিভাগের শাজিয়া খান, অর্থনীতি বিভাগের অন্তরা আক্তার নদী এবং বাংলা বিভাগের বিন ইয়ামিন। নবনিযুক্ত সভাপতি জুহার আলমাস লাবিব বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শুধু জ্ঞান অর্জনের স্থান নয়, বরং মুক্তচিন্তা ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চারও গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। শিক্ষার্থীদের মানবাধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করে নিরাপদ, মানবিক ও বৈষম্যহীন ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে তাঁরা কাজ করবেন। পাশাপাশি অন্যায়, অবিচার ও হয়রানির বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি, ভুক্তভোগীদের পাশে দাঁড়ানো এবং শিক্ষার্থীদের আইনি ও সামাজিক সহায়তা পাওয়ার সুযোগ সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। সাধারণ সম্পাদক মো. রাকিবুল ইসলাম বলেন, তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব শিক্ষার্থীদের আস্থার প্রতিফলন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবাধিকার বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি অধিকারবঞ্চিত মানুষের সহায়তায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও জনকল্যাণমুখী করে তুলতে সবার সহযোগিতায় এইচআরডিএসকে মানবাধিকার সুরক্ষায় একটি শক্তিশালী ও অনুকরণীয় সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে চান তিনি। আরটিভি/টিআর
জবি হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার সোসাইটির সভাপতি লাবিব, সম্পাদক রাকিবুল
ডিন’স অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন ইবির ৩৬ শিক্ষার্থী
অনুষদভিত্তিক অবস্থানের ভিত্তিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের ৩৬ শিক্ষার্থী ‘ডিন’স অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন। আগামী ১৪ অক্টোবর তাদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে প্রকাশিত তালিকায় আটটি অনুষদের ৩৬ শিক্ষার্থীর নাম রয়েছে। থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের নয় শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের মোহাম্মদ আল-ফাইদ ও আলি আহসান মোহাম্মদ জুবায়ের। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এবং দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের নাজমুল ইসলাম। তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের আব্দুল্লাহ ইহসান ভুঁইয়া, আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের মো. দেলওয়ার হোসেন, মো. শরিফুল ইসলাম ও নাইমুর রহমান এবং দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের নোমান আল হাদি। কলা অনুষদের তিন শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের মোসা. তানজিলা খাতুন। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন একই বিভাগের মো. হাফিজুল ইসলাম এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন জেবা রহমান। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের চার শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন লোকপ্রশাসন বিভাগের মো. মুনতাকিম রহমান। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন অর্থনীতি বিভাগের মো. টগর আলী ও জেসিয়া খাতুন এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন মোসা. সিরাজুম মুনিরা। আইন অনুষদের তিন শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের সাদিয়া। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন একই বিভাগের রাফিয়া খাতুন এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন মোসা. হাফসা খানম সন্ধানী। ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ছয় শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সুমি খাতুন। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের প্রত্যয় সানা। তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের মো. সিরাজুল ইসলাম ও অনিন্দ সাহা, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ফয়সাল আহমেদ ফাহিম এবং অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের মেহেদী হাসান শিকদার। বিজ্ঞান অনুষদের তিন শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন পরিসংখ্যান বিভাগের মো. মেহেদী হাসান লিমন। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন একই বিভাগের মো. মাহমুদুল হাসান এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন গণিত বিভাগের আরিফুল ইসলাম। প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের পাঁচ শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মোসা. মহুয়া রহমান নাইস ও জান্নাতুন নাইম এবং ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মো. আহসান হাবিব। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের মো. মাহফুজুর রহমান এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন নাফিজ রহমান সায়িম। জীববিজ্ঞান অনুষদের তিন শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন ফার্মেসি বিভাগের আব্দুল্লাহ আল মামুন। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন একই বিভাগের মো. আব্দুল বাশার এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মো. মেহেদী হাসান। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান বলেন, ডিন’স অ্যাওয়ার্ডে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন এবং তাদের আগামীর জন্য শুভকামনা জানাচ্ছি। এ পুরস্কার জুনিয়রদের কাছে অনুপ্রেরণা জোগায়। যথাসময়ে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুরস্কার প্রদান করা হবে। আরটিভি/টিআর
ডিন’স অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন ইবির ৩৬ শিক্ষার্থী
আরও পড়ুন
অচলাবস্থার মধ্যেই দুই দিনের জন্য চুয়েটের দায়িত্বে অধ্যাপক আরাফাত রহমান
ব্যাংক ঘেরাওয়ের মুখে চুয়েট শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ
সরকারের সাড়া না পেয়ে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে চুয়েট শিক্ষার্থীদের অবস্থান
দুই সপ্তাহেও কাটেনি চুয়েটের অচলাবস্থা, শিক্ষক দিবসেও শ্রেণিকক্ষে ফিরতে পারেননি শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা