ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে অধ্যাপক আরাফাতকে অবাঞ্চিত ঘোষণা চুয়েট শিক্ষার্থীদের

চুয়েট সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২২ এএম
চুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. আরাফাত রহমান । ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. আরাফাত রহমানকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিবৃতি প্রদান করে চুয়েট শিক্ষার্থীরা।

বিবৃতিতে তারা বলেন, ‘দীর্ঘ তিন সপ্তাহ ধরে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) সর্বস্তরের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপাচার্য হিসেবে সায়েম স্যারকে পুনর্বহালের দাবিতে শান্তিপূর্ণ ও সর্বাত্মক আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এই আন্দোলন কেবল একজন ব্যক্তিকে একটি পদে পুনর্বহালের দাবি নয়; বরং এটি চুয়েটের স্বার্থ, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক প্রশাসনিক পরিবেশ, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মর্যাদা এবং ন্যায়সংগত দাবির প্রতি সম্মান প্রতিষ্ঠার আন্দোলন।

অত্যন্ত দুঃখ ও ক্ষোভের সঙ্গে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই আন্দোলনের প্রতি সংহতি ও সম্মান প্রদর্শনের পরিবর্তে প্রফেসর ড. আরাফাত রহমান রানা স্যারের কিছু কর্মকাণ্ড আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে গভীর আস্থার সংকট তৈরি করেছে। আন্দোলনরত চুয়েট পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, সর্বাত্মক আন্দোলন চলাকালে তিনি আন্দোলনকারীদের সঙ্গে যথাযথ আলোচনা ও স্বচ্ছতা বজায় না রেখে শরীফ স্যার এবং ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ক্যাম্পাসে প্রবেশের সুযোগ করে দিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে তার ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

আমরা মনে করি, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকটময় মুহূর্তে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা, জবাবদিহিতা ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ প্রত্যাশিত। অথচ আন্দোলনরত চুয়েট পরিবারের সদস্যদের মধ্যে যে অবিশ্বাস ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, তা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশকে আরও জটিল করে তুলছে। শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি ও সম্মিলিত অবস্থানকে উপেক্ষা করে কোনো সিদ্ধান্ত বা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে তা সংকট নিরসনের পরিবর্তে সংকটকে আরও দীর্ঘায়িত করবে।

এছাড়া, প্রফেসর ড. আরাফাত রহমান রানা স্যারের বিরুদ্ধে অতীতেও ক্যাম্পাসে সম্মানিত শিক্ষকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং তাদের গায়ে হাত তোলার অভিযোগ ও এ-সংক্রান্ত প্রমাণাদি থাকার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর এবং এগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও যথাযথ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মান, নিরাপত্তা এবং মর্যাদা রক্ষার প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, চুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি, সম্মিলিত অবস্থান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শনের অভিযোগকে আমরা কোনোভাবেই হালকাভাবে দেখছি না। আমরা চাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি সিদ্ধান্তে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের মতামত, ন্যায়সংগত দাবি এবং পারস্পরিক সম্মানের প্রতিফলন ঘটুক। কোনো ধরনের গোপনীয়তা, একতরফা পদক্ষেপ কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ যেন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে না পারে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

ভিন্নমত থাকতে পারে,সেটা তিনি আলোচনার মাধ্যমে প্রচেষ্টা চালানো পর্যন্ত তার গণতান্ত্রিক অধিকারের মাঝে পড়ে।কিন্তু তার প্রত্যক্ষ মদদে ক্যাম্পাসের হৃৎপিণ্ড-ভিসি ভবনের মতো জায়গায় যখন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও বহিষ্কৃত সন্ত্রাসী প্রবেশ করে তখন সেটা ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সুন্দর পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।তার এহেন আচরণ চুয়েটের শিক্ষার্থীসমাজ কখনোই মেনে নিবে না

উপরোক্ত পরিস্থিতি, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের গভীর ক্ষোভ এবং তার ভূমিকা নিয়ে সৃষ্ট গুরুতর আস্থার সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে প্রফেসর ড. আরাফাত রহমান রানাকে চুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে চুয়েট ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হচ্ছে।

আমরা পুনরায় স্পষ্ট করে জানাতে চাই, চুয়েটের শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি আদায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা রক্ষা এবং শিক্ষাঙ্গনে জবাবদিহিতা ও সম্মানজনক পরিবেশ প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে আমাদের অবস্থান সুদৃঢ়। আমরা সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের কাছে দায়িত্বশীল আচরণ, স্বচ্ছতা এবং চলমান সংকটের ন্যায়সংগত সমাধান প্রত্যাশা করছি।

চুয়েটের স্বার্থ সবার আগে।

শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সম্মিলিত অবস্থান অব্যাহত থাকবে।’


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ক্যাম্পাসে কুকুরের উৎপাতে আতঙ্ক, আহত রুয়েট শিক্ষার্থী
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ক্যাম্পাসে কুকুরের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
ক্যাম্পাসে কুকুরের উৎপাতে আতঙ্ক, আহত রুয়েট শিক্ষার্থী
পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে বাসে তুলে ক্যাম্পাসে নিয়ে গেলেন কুবি শিক্ষার্থীরা
ভুয়া মনে করে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় কর্মরত দুই পুলিশ সদস্যকে মারতে মারতে বাসে তুলে ক্যাম্পাসে নিয়ে গেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে তল্লাশির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে।  বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে কুমিল্লা পুলিশ লাইন ও সরকারি মহিলা কলেজ সংলগ্ন এলাকা থেকে তাদের তুলে নেওয়া হয়। এসময় পুলিশের এক সোর্সকেও মারধর করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে নিয়ে যাওয়া হয়। ভুক্তভোগী পুলিশ সদস্যরা হলেন— কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শ্যামল সাহা, কনস্টেবল মো. হানিফ এবং পুলিশের সোর্স জাহিদ। পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় টিউশনি শেষ করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সিয়াম ও অর্প রাস্তা ধরে হাঁটছিলেন বাস ধরার জন্য। এসময় পুলিশ পরিচয়ে তিনজন তাদের পথরোধ করে তল্লাশি চালান। ওই শিক্ষার্থীরা পুলিশের পরিচয়পত্র দেখাতে বলায় তারা পরিচয়পত্র দেখাতে ব্যর্থ হন। পরে তাদের ভুয়া পুলিশ মনে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী বাস থেকে নেমে তাদের মারধর করে টেনে-হিঁচড়ে বাসে তুলে ফেলেন।  দুই পুলিশ সদস্যসহ তিনজনকে মারতে মারতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এবং পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে গিয়ে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হয় দুজন পুলিশ এবং একজন তাদের সোর্স। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনা হয়। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়। মারধরের শিকার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শ্যামল সাহা বলেন, আমরা দুই শিক্ষার্থীর পরিচয় জানতে চেয়েছিলাম। শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয় দেওয়ার পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় এবং দুঃখ প্রকাশ করা হয়। আমাদের সঙ্গে পরিচয়পত্র না থাকায় ওয়াকিটকি ও হ্যান্ডকাফ দেখানো হয়। পাশাপাশি ডিউটিতে থাকা কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার কথাও বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা সেটি না শুনেই মব সৃষ্টি করে আমাদের তুলে নিয়ে যান। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসাইন বলেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কোতোয়ালি থানার একজন এএসআই, একজন কনস্টেবল ও পুলিশের একজন সোর্স ছিলেন। তারা শিক্ষার্থীদের তল্লাশি করার চেষ্টা করেছিলেন। শিক্ষার্থীরা পরিচয়পত্র দেখতে চাইলে তারা তা দেখাতে পারেননি। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানার কর্তৃপক্ষও স্বীকার করেছে। তিনি বলেন, এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। পরে শিক্ষার্থীরা তাদের জোর করে ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন। এভাবে কাউকে তুলে না এনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানানো উচিত ছিল। একইভাবে পুলিশ সদস্যদেরও পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখা উচিত ছিল। উভয় পক্ষেরই কিছু ঘাটতি ছিল। পরে উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে বিষয়টির সমাধান করা হয়েছে। জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দক্ষিণ সার্কেল) মোস্তায়িন বিল্লাহ ফেরদৌস বলেন, ঘটনাস্থল থেকেই থানায় বা ৯৯৯-এ ফোন করে বিষয়টি সমাধান করা যেত। বাসে করে পুলিশ সদস্যদের ক্যাম্পাসে নিয়ে আসা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ৫ আগস্টের পর থেকে একটা মব কালচারের রেশ ছিল। সেখান থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। আরটিভি/এসআর  
পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে বাসে তুলে ক্যাম্পাসে নিয়ে গেলেন কুবি শিক্ষার্থীরা
অধ্যক্ষকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম শিক্ষার্থীদের
রাজধানীর গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্সের অধ্যক্ষ ড. মেহেরুন নেছাকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে মধ্যরাতে পুলিশের হামলার অভিযোগ তদন্ত করে জড়িতদের বিচারের দাবিতে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন তারা। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে কলেজের মূল ফটকের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।  এর আগে কলেজের সামনের সড়কের দুই পাশে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন তারা। এ সময় নীলক্ষেত মোড় থেকে আজিমপুর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা দুই দফা দাবি তুলে ধরেন। প্রথম দাবিতে বলা হয়, মধ্যরাতে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার ঘটনায় আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে। পাশাপাশি হামলায় জড়িত পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্বিতীয় দাবিতে কলেজের সব শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে অধ্যক্ষ ড. মেহেরুন নেছাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়। তার পদত্যাগের বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে আনুষ্ঠানিক সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত কলেজের সব প্রশাসনিক কার্যক্রম, ক্লাস ও পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন তারা। শিক্ষার্থীরা জানান, দাবি পূরণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। দাবি আদায় না হলে পরবর্তী সময়ে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা। এর আগে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তার পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন কলেজটির শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে তারা অধ্যক্ষকে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন। প্রায় ১৩ ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে। এ সময় পুলিশি অভিযানে শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জের অভিযোগ ওঠে। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের দাবি, মধ্যরাতে পুলিশের হামলায় কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে হাতুড়ি দিয়ে পেটানো এবং এক নারী শিক্ষার্থীর চুল ও হিজাব ধরে টানাটানির অভিযোগও করেছেন তারা। আরটিভি/এসআর  
অধ্যক্ষকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম শিক্ষার্থীদের
জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্বের শুভ উদ্বোধন
দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৭তম জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াড-২০২৬-এর রংপুর আঞ্চলিক পর্ব।
জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্বের শুভ উদ্বোধন
রাবিতে সংঘর্ষে ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ব্যাডমিন্টন খেলার কোর্ট তৈরি করাকে কেন্দ্র করে নৃবিজ্ঞান ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের ধৈর্য ধারণের আহ্বানও জানান।  
রাবিতে সংঘর্ষে ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের
আরও পড়ুন
উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে টানা শাটডাউন চলছে চুয়েটে
উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে উত্তাল চুয়েট, শিক্ষার্থীদের মশাল মিছিল
চুয়েটের আবাসিক হলে গাঁজাসহ ৯ শিক্ষার্থী আটক