ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে উত্তাল চুয়েট, শিক্ষার্থীদের মশাল মিছিল

চুয়েট সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৮ পিএম
উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে চুয়েটে শিক্ষার্থীদের মশাল মিছিল। ছবি: চুয়েট সংবাদদাতা

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য হিসেবে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে মশাল মিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬ টা ৩০ মিনিটে চুয়েটের সকল আবাসিক হল থেকে মশাল হাতে মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা স্বাধীনতা চত্বরে মিলিত হয়।

স্বাধীনতা চত্বরে মিলিত হবার পর শিক্ষার্থীরা ‘তোমার ভিসি, আমার ভিসি; সায়েম স্যার, সায়েম স্যার। উই ওয়ান্ট সায়েম স্যার’ ইত্যাদি ধ্বনিতে স্লোগান দেয়।সকল শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত মিছিলটি চুয়েটের যানবাহন শাখা সংলগ্ন সড়কটি প্রদক্ষিণ করে বাস্কেটবল মাঠে মিলিত হয়।

সবশেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশের মাধ্যমে পরবর্তী দিনের দেয়াল লিখন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

এছাড়াও প্রতিবাদের অংশ হিসেবে বাস্কেটবল গ্রাউন্ডে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করেন শিক্ষার্থীরা। মোমবাতি দিয়ে সেখানে ‘৫৬’ সংখ্যাটি ফুটিয়ে তোলেন তারা। যার মাধ্যমে অধ্যাপক ড.আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের উপাচার্য হিসেবে ৫৬ দিনের মেয়াদ কালকে ফুটিয়ে তোলা হয়।

মশাল মিছিল নিয়ে পেট্রোলিয়াম ও মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান বলেন, আঁধারে সবার হাতে একসঙ্গে জ্বলে ওঠা মশাল আন্দোলনের সুদৃঢ় ঐক্য প্রদর্শন করে।সায়েম স্যার একজন বহুমুখী গুণসম্পন্ন মানুষ। তিনি শিক্ষার্থীদের কাছে অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য একজন শিক্ষক ও উপাচার্য ছিলেন। তার গত ৫৬ দিনের নেতৃত্বে চুয়েট দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার পথে ছিলো।

তিনি বলেন, কিন্তু হঠাৎ করে তাকে দায়িত্ব থেকে অপসারণ করা টা কোনো ভাবেই আমরা মেনে নিতে পারছি না। তাই তাকে পুনরায় উপাচার্য পদে নিয়োগ না দেওয়া পর্যন্ত আমাদের দাবি ও আন্দোলন চলবে। আমাদের একটাই দাবি—সায়েম স্যারকে আবারও উপাচার্য হিসেবে চাই।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ক্যাম্পাসে কুকুরের উৎপাতে আতঙ্ক, আহত রুয়েট শিক্ষার্থী
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ক্যাম্পাসে কুকুরের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
ক্যাম্পাসে কুকুরের উৎপাতে আতঙ্ক, আহত রুয়েট শিক্ষার্থী
পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে বাসে তুলে ক্যাম্পাসে নিয়ে গেলেন কুবি শিক্ষার্থীরা
ভুয়া মনে করে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় কর্মরত দুই পুলিশ সদস্যকে মারতে মারতে বাসে তুলে ক্যাম্পাসে নিয়ে গেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে তল্লাশির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে।  বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে কুমিল্লা পুলিশ লাইন ও সরকারি মহিলা কলেজ সংলগ্ন এলাকা থেকে তাদের তুলে নেওয়া হয়। এসময় পুলিশের এক সোর্সকেও মারধর করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে নিয়ে যাওয়া হয়। ভুক্তভোগী পুলিশ সদস্যরা হলেন— কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শ্যামল সাহা, কনস্টেবল মো. হানিফ এবং পুলিশের সোর্স জাহিদ। পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় টিউশনি শেষ করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সিয়াম ও অর্প রাস্তা ধরে হাঁটছিলেন বাস ধরার জন্য। এসময় পুলিশ পরিচয়ে তিনজন তাদের পথরোধ করে তল্লাশি চালান। ওই শিক্ষার্থীরা পুলিশের পরিচয়পত্র দেখাতে বলায় তারা পরিচয়পত্র দেখাতে ব্যর্থ হন। পরে তাদের ভুয়া পুলিশ মনে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী বাস থেকে নেমে তাদের মারধর করে টেনে-হিঁচড়ে বাসে তুলে ফেলেন।  দুই পুলিশ সদস্যসহ তিনজনকে মারতে মারতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এবং পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে গিয়ে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হয় দুজন পুলিশ এবং একজন তাদের সোর্স। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনা হয়। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়। মারধরের শিকার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শ্যামল সাহা বলেন, আমরা দুই শিক্ষার্থীর পরিচয় জানতে চেয়েছিলাম। শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয় দেওয়ার পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় এবং দুঃখ প্রকাশ করা হয়। আমাদের সঙ্গে পরিচয়পত্র না থাকায় ওয়াকিটকি ও হ্যান্ডকাফ দেখানো হয়। পাশাপাশি ডিউটিতে থাকা কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার কথাও বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা সেটি না শুনেই মব সৃষ্টি করে আমাদের তুলে নিয়ে যান। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসাইন বলেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কোতোয়ালি থানার একজন এএসআই, একজন কনস্টেবল ও পুলিশের একজন সোর্স ছিলেন। তারা শিক্ষার্থীদের তল্লাশি করার চেষ্টা করেছিলেন। শিক্ষার্থীরা পরিচয়পত্র দেখতে চাইলে তারা তা দেখাতে পারেননি। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানার কর্তৃপক্ষও স্বীকার করেছে। তিনি বলেন, এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। পরে শিক্ষার্থীরা তাদের জোর করে ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন। এভাবে কাউকে তুলে না এনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানানো উচিত ছিল। একইভাবে পুলিশ সদস্যদেরও পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখা উচিত ছিল। উভয় পক্ষেরই কিছু ঘাটতি ছিল। পরে উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে বিষয়টির সমাধান করা হয়েছে। জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দক্ষিণ সার্কেল) মোস্তায়িন বিল্লাহ ফেরদৌস বলেন, ঘটনাস্থল থেকেই থানায় বা ৯৯৯-এ ফোন করে বিষয়টি সমাধান করা যেত। বাসে করে পুলিশ সদস্যদের ক্যাম্পাসে নিয়ে আসা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ৫ আগস্টের পর থেকে একটা মব কালচারের রেশ ছিল। সেখান থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। আরটিভি/এসআর  
পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে বাসে তুলে ক্যাম্পাসে নিয়ে গেলেন কুবি শিক্ষার্থীরা
অধ্যক্ষকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম শিক্ষার্থীদের
রাজধানীর গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্সের অধ্যক্ষ ড. মেহেরুন নেছাকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে মধ্যরাতে পুলিশের হামলার অভিযোগ তদন্ত করে জড়িতদের বিচারের দাবিতে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন তারা। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে কলেজের মূল ফটকের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।  এর আগে কলেজের সামনের সড়কের দুই পাশে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন তারা। এ সময় নীলক্ষেত মোড় থেকে আজিমপুর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা দুই দফা দাবি তুলে ধরেন। প্রথম দাবিতে বলা হয়, মধ্যরাতে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার ঘটনায় আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে। পাশাপাশি হামলায় জড়িত পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্বিতীয় দাবিতে কলেজের সব শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে অধ্যক্ষ ড. মেহেরুন নেছাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়। তার পদত্যাগের বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে আনুষ্ঠানিক সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত কলেজের সব প্রশাসনিক কার্যক্রম, ক্লাস ও পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন তারা। শিক্ষার্থীরা জানান, দাবি পূরণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। দাবি আদায় না হলে পরবর্তী সময়ে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা। এর আগে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তার পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন কলেজটির শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে তারা অধ্যক্ষকে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন। প্রায় ১৩ ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে। এ সময় পুলিশি অভিযানে শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জের অভিযোগ ওঠে। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের দাবি, মধ্যরাতে পুলিশের হামলায় কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে হাতুড়ি দিয়ে পেটানো এবং এক নারী শিক্ষার্থীর চুল ও হিজাব ধরে টানাটানির অভিযোগও করেছেন তারা। আরটিভি/এসআর  
অধ্যক্ষকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম শিক্ষার্থীদের
জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্বের শুভ উদ্বোধন
দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৭তম জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াড-২০২৬-এর রংপুর আঞ্চলিক পর্ব।
জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্বের শুভ উদ্বোধন
রাবিতে সংঘর্ষে ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ব্যাডমিন্টন খেলার কোর্ট তৈরি করাকে কেন্দ্র করে নৃবিজ্ঞান ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের ধৈর্য ধারণের আহ্বানও জানান।  
রাবিতে সংঘর্ষে ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের
আরও পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন চুয়েটের চার শিক্ষার্থী
উপাচার্য ক্যাম্পাসে ফিরলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি চুয়েট শিক্ষার্থীদের
আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে অধ্যাপক আরাফাতকে অবাঞ্চিত ঘোষণা চুয়েট শিক্ষার্থীদের
চুয়েটে রুটিন উপাচার্য মানছেন না শিক্ষার্থীরা