
আগামী ২১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় রংপুর সিটি করপোরেশন(রসিক) নির্বাচনকে ঘিরে সরগরম হয়ে উঠেছে রংপুরের পাড়া-মহল্লা। চারদিকে বিরাজ করছে সাজ সাজ রব। পোস্টারে পোস্টারে ছেঁয়ে গেছে নগর। দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত চলছে মাইকিং।
এবার মেয়র পদে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে হেভিওয়েট তিন প্রার্থী হলেন- আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু, বিএনপির কাওসার জামান বাবলা এবং জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজার রহমান। চলছে তাদের প্রচারণা।
এই তিন প্রার্থীর সমর্থনে বাইরে থেকে আসছেন অতিথি নেতারা। প্রার্থীদের পক্ষে ভোট চাইছেন এসব অতিথি পাখিরা।
আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালাতে রংপুরে এসেছেন দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন ও তথ্য গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেনের নেতৃত্বে দুইটি টিম।
বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে এসেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও নির্বাচন পরিচালনার কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলুসহ আরো অনেক।
সোমবার প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এসময় তিনি বলেন, এই নির্বাচন সরকার বদলের নয়, সরকারকে ম্যাসেজ দেয়ার। নির্বাচন কমিশনের প্রতি তার আস্থা নেই বলেও উল্লেখ করেন বিএনপি মহাসচিব।
জাতীয় পার্টির পক্ষে গণসংযোগে নেমেছেন দলের কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের। রোববার তিনি মেডিকেল মোড়ে গণমাধ্যমকে জানান, রংপুর হলো জাতীয় পার্টির লাঙলের দুর্গ ও মানুষের আস্থার জায়গা। রংপুরের মানুষের আশ্রয়স্থল হলো জাতীয় পার্টি।
তিনি আরো জানান, জাতীয় পার্টির অনেক নেতাকর্মী অতীতে অনেক চাপে থেকেও লাঙলকে ধরে রেখেছেন। রংপুরবাসী ভবিষ্যতে সেটাই করবে।
এদিকে সোমবার রংপুরে এসেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ। তবে তিনি প্রচারণায় অংশ নেননি। তিনি জানিয়েছেন, নির্বাচন নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই। সেনাবাহিনী মোতায়েনের কোনো দরকার নাই। নির্বাচন অবাধ এবং সুষ্ঠু হবে।
এসজে/কে




