
মঙ্গলবার গভীর রাতে শেষ হবে রংপুর সিটি করপোরেশনের(রসিক) নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা। প্রার্থীরা ছুটছেন ভোটারদের দ্বারে-দ্বারে। দিচ্ছেন প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি। প্রচারণায় আছে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগও।
গত কয়েকদিনের প্রচার-প্রচারণা কতটা স্বাভাবিক ছিল, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড কেমন দেখা গেছে- এসব বিষয়ে আরটিভি অনলাইনের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয় সুশাসনের জন্য নাগরিকের(সুজন) রংপুর মহানগর সভাপতি ফখরুল আনাম বেনজুর কাছে।
তিনি বলেন, বড় ধরনের গোলযোগ না হওয়ায় নির্বাচনী পরিবেশ শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অনেকটা সুষ্ঠু রয়েছে। এটার রসিক নির্বাচনের সবচেয়ে ইতিবাচক দিক।
ফখরুল আনাম বলেন, প্রার্থীদের সাত জনের মধ্যে মধ্যে ছয় জনেরই কোনো নির্বাচনী ইশতেহার ছিল না। এটা নাগরিকদের সঙ্গে বড় ধরনের প্রতারণা বলে দাবি করলেন তিনি।
এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, প্রার্থীদের সততা এখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু প্রার্থীদের এ ব্যাপারে সচ্ছতার ঘাটতি ছিল।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তুহিন ওয়াদুদও গুরুত্বারোপ করলেন সৎ ও যোগ্য প্রার্থীর বিষয়টিতে।
তিনি বলেন, নির্বাচনে কয়েক কোটি টাকা করে খরচ হচ্ছে। কিন্তু প্রার্থীরা তা গোপন করছেন। কেউ যদি নির্বাচনের প্রচারণাতেই এত টাকা খরচ করেন, তবে নির্বাচিত হবার পর স্বাভাবিক কারণেই তার মধ্যে সততা থাকবে না।
বৃহস্পতিবার ভোটাররা সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিবেন- এমনটাই প্রত্যাশা তার।
এসজে/কে




