ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ডিএনসিসিতে ব্যবসায়ী নেতা আতিকই আওয়ামী লীগের প্রার্থী

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ২৫ ডিসেম্বর ২০১৭, ০৯:১০ পিএম

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদে উপনির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ে প্রাথমিকভাবে আতিকুল ইসলামকেই প্রার্থী করা হচ্ছে। পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সাবেক এই সভাপতিকে এ বিষয়ে সবুজসংকেতও দেয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগের উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

২০১৫ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আনিসুল হক ৪ লাখ ৬০ হাজার ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। গেলো ৩০ নভেম্বর লন্ডনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মেয়র আনিসুল হক মারা যান। এরপর ৪ ডিসেম্বর মেয়রের পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়। এর ফলে ৯০ দিনের মধ্যে আরেকটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়েছে।

গেলো শনিবার গণভবনে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর বৈঠকে ডিএনসিসি নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে সম্ভব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে দলীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে। যেসব প্রার্থীদের কথা আলোচনা হয়েছে তাদের মধ্যে বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আতিকুল ইসলাম ও আরেক সাবেক সভাপতি এ কে আজাদ, ব্যবসায়ী আবদুস সালাম মুর্শেদী, আওয়ামী লীগের ঢাকা উত্তর কমিটির সভাপতি ও ব্যবসায়ী এ কে এম রহমত উল্লাহ, চিত্রনায়িকা সারাহ বেগম কবরী, আওয়ামী লীগের ঢাকা উত্তর কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, সাবেক সাংসদ এইচ বি এম ইকবাল প্রমুখ।

তখন দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা বলেন, প্রকৃত আগ্রহী কে সেটা আগে জানা দরকার। আর কাকে প্রার্থী করলে জয়ী হওয়া যাবে—এটাও গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে জরিপও চালানো হচ্ছে।

সূত্র জানায়, এ সময় প্রধানমন্ত্রী আতিকুল ইসলামকে নিয়ে এগোনো যায় কি না- তা জানতেও চেয়েছেন। এ বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত না হলেও দলীয় সূত্রগুলো একে সবুজ সংকেত হিসেবেই মনে করছেন।

আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, নির্বাচন নিয়ে আইনি জটিলতা থাকলেও ডিএনসিসিতে ভোট হবে ধরে নিয়েই প্রস্তুতি শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ। এ ক্ষেত্রে প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ এগিয়ে রাখতে চায় দলটি। আতিকুল ইসলাম ব্যবসায়ী নেতা হলেও রাজনৈতিক পরিচিতি তাঁর নেই। এখন থেকেই দলীয়ভাবে তাঁকে পরিচিত করে তোলার বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে হাইকমান্ড থেকে।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য ফারুক খান বলেন, রাজনীতিক, ব্যবসায়ী রাজনীতিক ও নাগরিক সমাজ-সব শ্রেণির প্রার্থীই আছে। প্রার্থী বাছাইয়ের প্রাথমিক কাজ শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করলে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হবে।

ফারুক খান বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় মেয়র পদ শূন্য ঘোষণা করেছে। এখন নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করবে। আইনি জটিলতার ব্যাপারে তো আওয়ামী লীগের কিছু করার নেই। দল হিসেবে তাদের কাজ হচ্ছে প্রস্তুতি নেওয়া। সেটাই তাঁরা শুরু করেছেন।

এ বিষয়ে বিজিএমইএ'র সাবেক এই সভাপতি বলেন, হাই কমান্ড থেকে সিগন্যাল পেয়েই গণসংযোগ শুরু করেছি। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নাম ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছি। রোববার থেকে গণসংযোগ শুরু করেছি। ইতোমধ্যে ঢাকা উত্তরের ৮ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে চারজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে। বাকি সংসদ সদস্যসহ কমিশনার ও আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবো।

তিনি বলেন, আনিসুল হকের অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনকে সুন্দর, আধুনিক বাসযোগ্য নগরী গড়তে কাজ করবো।


এসজে/সি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ঢাকা সিটি নির্বাচনে আগাম প্রচারণা সামগ্রী সরানোর নির্দেশ
ঢাকার সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের আগাম প্রচারের ব্যানার-ফেস্টুন সরানোর নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির যুগ্ম-সচিব (চলতি দায়িত্ব) ফরহাদ আহাম্মদ খান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদে উপ-নির্বাচন এবং ঢাকার দুই সিটির ৩৬ ওয়ার্ডের সম্ভাব্য প্রার্থীদের আগামী ৬ জানুয়ারি রাত ১২টার মধ্যে এসব সামগ্রী সরাতে নির্দেশ দেয়।  বৃহস্পতিবার ঢাকার দুই সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহের যেকোনো দিন উত্তর সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহের যেকোনো দিন ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। তফসিল ঘোষণার আগে সম্ভাব্য প্রার্থীদের পোস্টার, ব্যানার, দেয়াল লিখন, বিলবোর্ড, গেট, তোরণ বা ঘের, প্যান্ডেল ও আলোকসজ্জা ইত্যাদি প্রচার সামগ্রী ও নির্বাচনী ক্যাম্প থাকলে সেগুলো অপসারণ করা প্রয়োজন।  এছাড়া এগুলো না সরালে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার জন্যও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, নির্ধারিত সময়ের পরে কোনো প্রার্থীর পোস্টার-ব্যানার কোথাও দেখা গেলে সিটি করপোরেশন (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা অনুযায়ী তা হবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সর্বোচ্চ ছয় মাস কারাদণ্ড অথবা ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। নির্বাচনী আইন লঙ্ঘনের জন্য নির্বাচন কমিশন প্রার্থিতাও বাতিল করতে পারে। এমসি/এসএস
ঢাকা সিটি নির্বাচনে আগাম প্রচারণা সামগ্রী সরানোর নির্দেশ
\'কাজ চালিয়ে যেতে বলেছেন নেত্রী\'
'আমি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন উপ-নির্বাচনে নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় গণসংযোগ ও মতবিনিময় করছি তা নেত্রীকে অবহিত করতে গিয়েছিলাম। নেত্রী আমাকে কাজ চালিয়ে যেতে বলেছেন।'  বললেন উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) উপ-নির্বাচনে প্রার্থী হতে আগ্রহী বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি আতিকুল ইসলাম।  শনিবার দুপুর ২টার দিকে তিনি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে যান। প্রায় ১ ঘণ্টা পর ৩টার দিকে তিনি গণভবন থেকে বের হয়ে আসেন। মনোনয়ন বিষয়ে জানতে চাইলে আতিকুল ইসলাম বলেন, মনোনয়নের বিষয়ে দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ডিএনসিসির উপ-নির্বাচনে আতিকুল ইসলাম আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আছেন। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে বনানীতে অবস্থিত নিজ বাণিজ্যিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন, সবুজ সংকেত পাওয়ার পরেই আমি কাজ শুরু করেছি। বিভিন্ন এলাকায়, জায়গায়, গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে যাচ্ছি। এছাড়া মাঠে-ময়দানে, মসজিদ, মন্দিরে যাওয়া শুরু করেছি। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আমার মনোনয়ন বিষয়ে যা বলেছেন, সেটা ওনার ব্যক্তিগত মতামত। এ সমন্ধে আমি কোনো কমেন্টস করতে চাই না। আমি সবুজ সংকেত পেয়েছি বলেই মাঠে নেমেছি। সর্বোচ্চ মহল থেকেই সবুজ সংকেত পেয়েছি। আমার মনে হয়, দ্রুতই অচিরেই সেই সংকেত পাবেন। এসজে
\'কাজ চালিয়ে যেতে বলেছেন নেত্রী\'
\'আপনারাও দ্রুত সংকেত পাবেন\'
সর্বোচ্চ মহল থেকে সবুজ সংকেত পেয়েই আমি নির্বাচনী মাঠে নেমেছি। আপনারাও দ্রুতই সেই সংকেত পাবেন। বললেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদে উপ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রার্থী ও বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আতিকুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার বিকেলে বনানীতে অবস্থিত আতিকুল ইসলামের বাণিজ্যিক কার্যালয়ের সামনে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।  আতিকুল ইসলাম বলেন, সবুজ সংকেত পাওয়ার পরেই আমি কাজ শুরু করেছি। বিভিন্ন এলাকায়, জায়গায়, গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে যাচ্ছি। এছাড়া মাঠে-ময়দানে, মসজিদ, মন্দিরে যাওয়া শুরু করেছি। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আমার মনোনয়ন বিষয়ে যা বলেছেন, সেটা ওনার ব্যক্তিগত মতামত। এ সমন্ধে আমি কোনো কমেন্টস করতে চাই না। আমি সবুজ সংকেত পেয়েছি বলেই মাঠে নেমেছি। সর্বোচ্চ মহল থেকেই সবুজ সংকেত পেয়েছি। আমার মনে হয়, দ্রুতই অচিরেই সেই সংকেত পাবেন।’ তিনি বলেন, মনোনয়ন বোর্ড আছে। সেই বোর্ড থেকে ইলেকশন শিডিউল অনুযায়ী, রুটিন অনুযায়ী তারা বলবেন বলে আমি আশা করি এবং আমার বিশ্বাস আমি যদি মনোনয়ন পায়, তাহলে ঢাকাবাসীর যে স্বপ্ন আছে এবং আনিসুল হকের যে স্বপ্ন ছিল তা বাস্তবায়ন করব। তিনি বলেন, আনিসুল হকের ওপর প্রধানমন্ত্রীর খুব আস্থা ছিল। সেটা আনিসুল হক প্রমাণ করতে পেরেছেন। কথায় না, কাজে বিশ্বাসী। আমি দেখাতে চায় যদি ইচ্ছা থাকে, তাহলে অনেক কিছুই করা যায়। দল থেকে যদি মনোনয়ন পায়, তাহলে আমাকে জিতে আসতে হবে এবং তার পরেই মেয়র হিসেবে কাজ করতে পারব ইনশাআল্লাহ। আতিকুল বলেন, আনিস ভাই বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন, যেগুলো অ্যাডভেঞ্চার পদক্ষেপ। যেমন ৪ হাজার বাস নামাতে হবে এবং তার সঙ্গে আরও দুই হাজার বাস নামানো। রাস্তার ট্রাফিক জ্যাম উত্তরণ। আমাদের শহর আঁচলের মতো, এটাকে আমাদের সচল করতে হবে। ‘জলাবদ্ধতা দূর করতে হবে। বাচ্চারা টুইটার, ফেসবুক ব্যবহার না করে মাঠে এসে যেন সবাই নিরাপদে খেলতে পারে, এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা যদি সবাই মিলে কাজ করতে পারি তাহলে কামিয়াব হবো’ বলেন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি। এসজে
\'আপনারাও দ্রুত সংকেত পাবেন\'
তাবিথ ইয়াং অ্যান্ড শিক্ষিত, ও ভালো পারবে: মিন্টু
তাবিথ আওয়াল ইয়াং অ্যান্ড শিক্ষিত। দল চায় তরুণরা রাজনীতিতে আসুক। চেয়ারপারসন দলের স্থায়ী কমিটিকে প্রার্থী নির্বাচনের দায়িত্ব দিয়েছেন। আবার তিনি গতবারের প্রার্থী বদলেরও কোনো ইঙ্গিত দেননি। তাবিথ গতবার নির্বাচন করেছে। এবারও হয়তো সেই পাবে। ও ভালো কাজ করতে পারবে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তাবিথ আওয়ালের মেয়র প্রার্থী হওয়া নিয়ে এমনটাই বললেন তাবিথের বাবা ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু। বুধবার পুরানো ঢাকার বকসিবাজারে বিশেষ আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের একথা জানান তিনি।  আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেন, দলীয় সিদ্ধান্তে গতবার নির্বাচন বর্জন করা হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচন বর্জন না করে শেষ পর্যন্ত লড়াই করা উচিত ছিল তার। আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আনিসুল ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল বড় ব্যবধানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। গেলো ৩০ নভেম্বর ডিএনসিসির মেয়র আনিসুল হক মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুতে পদটি শূন্য হয়। শিগগির শূন্য পদে তফশীল ঘোষণা করা হবে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মেয়র শূন্য ঘোষণা করার পর নির্বাচনে অংশ নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। সেক্ষেত্রে গতবার নির্বাচনে অংশ নেওয়া তাবিথ আউয়ালের দলীয় মনোনয়ন পাওয়া অনেকটা নিশ্চিত বলে দলের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে। এসজে
তাবিথ ইয়াং অ্যান্ড শিক্ষিত, ও ভালো পারবে: মিন্টু
সাত পৌরসভা ও ১২৫ ইউপিতে ভোট আগামীকাল
দেশের সাত পৌরসভা ও ১২৫ ইউনিয়ন পরিষদে সাধারণ ও উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ করা হবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার। এছাড়া একটি উপজেলাতেও সাধারণ নির্বাচন হবে। এদিন সকাল আটটায় ভোটগ্রহণ শুরু হবে। চলবে বিকাল চারটা পর্যন্ত। ১৩২টির মধ্যে চারটি পৌরসভায় সাধারণ, তিন পৌরসভায় উপনির্বাচন, ৩৪ ইউপিতে সাধারণ, ৯১ ইউপিতে উপনির্বাচন হবে। এছাড়া একটি উপজেলায় সাধারণ নির্বাচন হবে। জামালপুরের বকশীগঞ্জ, নাটোরের বনপাড়া, ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা ও যশোরের বেনাপোল এই চারটি পৌরসভায় সাধারণ নির্বাচন হবে। ইসির ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ২৭ নভেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময়। ২৮ ও ২৯ নভেম্বর বাছাই ও ৭ ডিসেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময়। এর আগে এসব এলাকায় ভোটের তারিখ চূড়ান্ত হওয়ার পর ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব ফারহাদ হোসেন জানিয়েছেন, বন্যার কারণে অর্ধশত নির্বাচন করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া মামলাসহ অন্যান্য আইনি জটিলতার কারণেও কিছু নির্বাচন হয়নি। সে নির্বাচনগুলোই এখন সম্পন্ন করা হচ্ছে। পি
সাত পৌরসভা ও ১২৫ ইউপিতে ভোট আগামীকাল
আরও পড়ুন
\'কাজ চালিয়ে যেতে বলেছেন নেত্রী\'
মেয়রের মৃত্যুতে শোবিজে শোকের ছায়া
মেয়র আনিস গুরুতর অসুস্থ (ভিডিও)