
জাহাজের খোলের ভেতর দাঁড়িয়ে ইঞ্জিনের চুল্লিতে কয়লা ভরে কয়েকজন শ্রমিক। তাদেরই অন্যতম হচ্ছে ইয়াংক। দেখতে প্রায় বনমানুষের মতো কালিকুলি মাখা অবস্থায় তাকে আরও বন্য মনে হয়। মিলড্রেড ডগলাস, পুঁজিপতির আদুরের কন্যা, যে পুঁজিপতি আবার এ জাহাজের পরিচালকমণ্ডলীর অন্যতম। ডগলাস এ জাহাজের যাত্রী।
সে একবার জাহাজের খোলো নেমে ইয়াংককে দেখে ভয়ে চিৎকার দেয়। ইয়াংক যখন বুঝতে পারে যে তাকে উপলক্ষ করেই এই চিৎকার, তখন তীব্র একটা ঘৃণাবোধ জন্ম নেয় তার মধ্যে। ডগলাসকে কেন্দ্র করেই সারা দুনিয়ায় পুঁজিপতিদের ঘৃণা করতে থাকে সে। ভাঙতে চায় পুঁজিপতিদের ‘স্বর্গ’ তুল্য প্রাসাদ।

জাহাজ বন্দরে ভিড়লে সে শহরে ঘুরতে বের হয় তার এক সঙ্গীকে নিয়ে। শহরের জৌলুস ও উচ্চবিত্তের জাঁকজমক তাকে ক্ষিপ্ত করে তোলে। নানারকম পাগলামি প্রকাশ পায় তার মধ্যে। শেষে সে জেলে প্রেরিত হয়। জেল থেকে পালিয়ে সে সরাসরি চিড়িয়াখানায় বনমানুষের খাঁচার কাছে গিয়ে জন্তুটাকে ডাক দেয়। তার নিজের সঙ্গে হাত মেলানোর জন্য। শেষে বনমানুষের আক্রমণে নিহত হয় সে।
রোববার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টায় শিল্পকলা একাডেমির মূল থিয়েটার হলে প্রাচ্যনাট নাট্যদল প্রদর্শন করতে যাচ্ছে ইউজিন ও নীলের রচনায় নাটক ‘বনমানুষ-দ্য হেয়ারি এপ।’ নাটকটির নির্দেশনায় ছিলেন বাকার বকুল। প্রদর্শনীর সময় হল কাউন্টারে টিকিট পাওয়া যাবে।




