ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ফিরে দেখা ২০২৪

বক্সঅফিস কাঁপানো ভারতীয় ৫ সিনেমা

হুমাইরা সিদ্দিকা

প্রকাশ : ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৬:৩৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

কতশত স্মৃতি নিয়ে বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে ২০২৪। নতুন বছর ২০২৫’কে বরণ করে নিতে সারাবিশ্বেই চলছে উৎসবের আমেজ। শুধু জীবন নয়, কাজ, বিনোদন সব মিলিয়েই যেন পুরাতন বছরে রয়েছে আশা-হতাশার নানান গল্প। নতুন সিনেমা, তারকাদের বিয়ে, প্রেমে পড়া কিংবা বিচ্ছেদ— এসবেই ভরপুর ছিল ২০২৪।

প্রতি বছরের মতো এবারও অসংখ্য সিনেমা মুক্তি পেয়েছে ভারতে। বলিউড ইন্ডাস্ট্রি থেকে শুরু করে ব্যবসাসফল সিনেমার বড় তালিকা বহন করেছে ভারতের দক্ষিণেও। বছরজুড়ে বহু সিনেমা মুক্তি পেলেও প্রত্যাশিত অনেক সিনেমাই ঝরে গেছে। আশার আলো ফেলতে পারেনি সিনেমা হলে। অন্যদিকে প্রত্যাশা ছাপিয়ে বক্সঅফিস মাতিয়েছে কয়েকটি সিনেমা।

চলুন দেখে নেওয়া যাক, চলতি বছর কোন কোন সিনেমা কাঁপিয়েছে ভারতীয় বক্সঅফিস।

‘পুষ্পা ২: দ্য রুল’

ভারতের অন্যতম সফল সিনেমাগুলোর একটি হলো ‘পুষ্পা’। মুক্তির পর ঝড় তোলে সিনেমাটি। এই সিনেমা দিয়ে নতুনভাবে রেকর্ড গড়েন আল্লু অর্জুন। এরপর সিনেমার দ্বিতীয় কিস্তির অপেক্ষায় ছিলেন দর্শক। অবশেষে প্রতীক্ষার পালা শেষ হয় সিনেমাপ্রেমীদের। বছরের শেষপ্রান্তে পর্দায় এলো চলচ্চিত্রটির দ্বিতীয় পার্ট ‘পুষ্পা ২: দ্য রুল’।

বহু প্রতীক্ষার পর গত ৫ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী মুক্তি পায় সিনেমাটি। এটিও ঝড় তুলেছে বক্সঅফিসে। মুক্তির তৃতীয় সপ্তাহে এসেও উন্মাদনা একটুও থামেনি সিনেমাপ্রেমীদের মাঝে। ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে একের পর এক রেকর্ড ভাঙছে আল্লু অর্জুনের ‘পুষ্পা টু’। শিগগির সিনেমাটি দুই হাজার কোটির ক্লাবে নাম লেখাতে চলেছে— এমনটিই মনে করছেন সিনে-বিশ্লেষকরা। সিনেমাটি মুক্তির মাত্র ১১ দিনে বিশ্বব্যাপী আয় করেছে ১ হাজার ৩০০ কোটি রুপির বেশি।

‘পুষ্পা টু’ নির্মাণ করেছেন সুকুমার। সিনেমায় পুলিশের চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফাহাদ ফাসিল। ন্যাড়া মাথার এই আইপিএস অফিসারের পারফরম্যান্সও দাগ কেটেছে দর্শকদের। এবারও সিনেমাটিতে আল্লু অর্জুনের সঙ্গে জুটি বেঁধে পর্দা মাতিয়েছেন রাশমিকা মান্দানা।

মোট পাঁচটি ভাষায় মুক্তি পেয়েছে আল্লু অর্জুনের ‘পুষ্পা টু’। এতে আল্লু অর্জুন, রাশমিকা এবং ফাহাদ ফাসিল ছাড়া আরও অভিনয় করেছেন, রাও রমেশ, জগদীশ প্রতাপ বান্দারি, শ্রীতেজ, সুনীলসহ প্রমুখ।

‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’

চলতি বছরের ২৭ জুন মুক্তি পায় প্রভাস-দীপিকার ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’। ভারতীয় মহাকাব্যিক বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি নির্ভর এই সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন নাগ অশ্বিন। বৈজয়ন্তী মুভিজের ব্যানারে সি. অশ্বিনী দত্ত প্রযোজিত ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’ সিনেমাটি একই সঙ্গে তেলুগু এবং হিন্দি ভাষায় ধারণ করা হয়েছে। হিন্দু পৌরাণিক কাহিনি দ্বারা অনুপ্রাণিত একটি পোস্ট-অ্যাপোক্যালিপটিক বিশ্বের পটভূমিতে চিত্রধারণ করা হয়েছে সিনেমাটির।

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে বৈজয়ন্তী মুভিজের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’ নির্মাণের ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু করোনার কারণে চলচ্চিত্রটির নির্মাণ এক বছর পিছিয়ে যায়। পরে ২০২১ সালের জুলাই মাসে হায়দ্রাবাদের রামোজি ফিল্ম সিটিতে নির্মিত একটি ভবিষ্যৎ সেটে চিত্রগ্রহণ শুরু হয়েছিল।

এটি নির্মাণে খরচ হয় প্রায় ৬০০ কোটি রুপি। সিনেমাটি মুক্তির পরই বক্সঅফিসে ঝড় তোলে। মুক্তির পর বিশ্বব্যাপী আয় করেছে ১০৬০.৪ কোটি রুপি এবং ভারতে আয় করেছে প্রায় ৭৮৪.৬ কোটি রুপি। ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’ সিনেমায় প্রভাস-দীপিকা ছাড়াও অভিনয় করেছেন অমিতাভ বচ্চন।

‘স্ত্রী টু’

২০১৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘স্ত্রী’র সিক্যুয়াল এটি। প্রথম কিস্তির মতো এই সিনেমাটিও কাঁপিয়েছে বক্সঅফিস। নির্মাতা অমর কৌশিক দারুণ এক হরর-কমেডি কম্বো উপহার দিয়েছেন দর্শকদের। গত ১৫ আগস্ট মুক্তি পায় শ্রদ্ধা কাপুর ও রাজকুমার রাও অভিনীত সিনেমা ‘স্ত্রী টু’।

সিনেমাটি মুক্তির পর শ্রদ্ধা-রাজকুমারের রসায়নে মুগ্ধ দর্শকেরা। এ ছাড়া সিনেমার ‘কামারিয়া’ গানে নেচে ভক্তদের মনে বরাবরের মতোই ঝড় তুলেছে নোরা ফাতেহি। এ ছাড়া ‘আও কাভি হাভেলি পে’ গানে কৃতি স্যাননের বিশেষ উপস্থিতিও নজর কাড়ে সিনেমাপ্রেমীদের।

‘স্ত্রী টু’ সিনেমায় শ্রদ্ধা, রাজকুমার ছাড়া আরও অভিনয় করেছেন, পঙ্কজ ত্রিপাঠি, অতুল শ্রীভাস্তাব, রামাকৃষ্ণা ধাকাড়সহ অনেকেই।

প্রায় ১২০ কোটি রুপি ব্যয়ে নির্মিত এই সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী আয় করে ৮৫২.৪ কোটি রুপি এবং ভারতে আয় করে ৭০৮.৬ কোটি রুপি।

‘দ্য গ্রেটেস্ট অব অল টাইম’

দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতে থালাপতি বিজয়ের সিনেমা মানেই হিট। প্রতি বছরের মতো এ বছরও বক্সঅফিস মাতিয়েছেন তিনি। ‘দ্য গ্রেটেস্ট অব অল টাইম’ সিনেমা দিয়ে এ বছর পর্দা কাঁপিয়েছেন বিজয়। সিনেমায় একজন অ্যান্টি টেররিজম কর্মকর্তার ভূমিকায় দেখা গেছে তাকে।

চলতি বছরের ৫ সেপ্টেম্বর মুক্তি পেয়েছে বিজয়ের ‘দ্য গ্রেটেস্ট অব অল টাইম’। এটি নির্মাণ করেছেন ভেঙ্কট প্রভু। ৪০০ কোটি রুপি ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি। মুক্তির পর বিশ্বব্যাপী সিনেমাটি মোট আয় করে ৪৫২.৮ কোটি রুপি। অন্যদিকে ভারতে আয় করে ২৯৪.৬ কোটি রুপি।

‘দ্য গ্রেটেস্ট অব অল টাইম’ সিনেমায় বিজয় ছাড়া আরও অভিনয় করেছেন, প্রভু দেবা, প্রশান্ত, স্নেহা, মোহনসহ প্রমুখ।

‘দেবারা পার্ট ওয়ান’

১৯৮০ ও ৯০ দশকের পটভূমির ওপর নির্মিত হয়েছে সিনেমা ‘দেবারা পার্ট ওয়ান’। এটি ছিল চলতি বছরের বহুল প্রত্যাশিত সিনেমার তালিকায়। মুক্তির পর বক্সঅফিসেও দেখা গেছে সেই ছাপ। কোরাতলা শিভার পরিচালনায় নির্মিত এই সিনেমায় এন টি রামা রাও জুনিয়র ও জাহ্নবী কাপুরের রোমান্সও নজর কেড়েছে দর্শকদের।

২৫০ কোটি রুপি ব্যয়ে নির্মিত এই সিনেমা বিশ্বব্যাপী আয় করেছে ৪২৬.৮ কোটি রুপি। অন্যদিকে ভারতে আয় করেছে ৩৫০.২ কোটি রুপি।

‘দেবারা পার্ট ওয়ান’ সিনেমায় জুনিয়র এনটি আর ও জাহ্নবী কাপুর ছাড়াও আরও অভিনয় করেছেন সাইফ আলী খান, প্রকাশ রাজ, নারায়ণ, অভিমন্যু সিংসহ প্রমুখ।


আরটিভি/এইচএসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
তামান্নার সঙ্গে তুলনা করে বারিশার আক্ষেপ
শোবিজের পরিচিত মুখ বারিশা হক। শুরুটা মডেলিং দিয়ে হলেও উপস্থাপনাসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ড প্রোমোটিংয়ের কাজ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শক্ত অবস্থান গড়েছেন তিনি। নাটকেও অভিনয় করেছেন। কিন্তু মাঝে মধ্যেই নানান কারণে সমালোচনার মুখে পড়েন বারিশা। বিশেষ করে তার শারীরিক স্থূলতা নিয়ে। একটা সময় স্লিম ফিগার ছিল বারিশার। তবে পরবর্তীতে তার স্বাস্থ্য বেড়ে গেলে তাকে নিয়ে শুরু হয় নেটিজেনদের চর্চা। আবার নিজেকে খানিকটা আকর্ষণীয় করতে বোটক্সের মতো প্লাস্টিক সার্জারিও করিয়েছেন এই মডেল।   কয়েকদিন আগে বোটক্স সার্জারি নিয়ে বিদ্রুপের মুখে পড়েন বারিশা। সেসময় নিশ্চুপই ছিলেন তিনি। এমনকি কোনো প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায়নি তাকে। তবে মনের মধ্যে ক্ষোভ আর আক্ষেপ পুষে রেখেছিলেন। সম্প্রতি সেটাই প্রকাশ করতে গেল বারিশাকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমতো দক্ষিণের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়ার সঙ্গে তুলনা করে আক্ষেপ করলেন।   নেটদুনিয়ায় তামান্নার কিছু ছবি পোস্ট করে বারিশা লিখেছেন, তামান্না ভাটিয়া আন্তর্জাতিক মানের তারকা; যিনি আমার ও আপনাদেরও প্রিয়। বাংলাদেশের মেয়েদের ও খুব প্রিয়। সে কিন্তু জিরো ফিগার এর নয়, বরং তার শরীরের মেদ নিয়েও স্টেজ এ আকর্ষণীয় পোশাকে সবাইকে মুগ্ধ করে তার প্রতিভায়। তিনি আরও লেখেন, তাকে আমাদের দেশের মেয়েরা খুব প্রশংসায় ভাসিয়ে দেয়। সে প্রশংসা পাওয়ারই যোগ্য, তবে আমরা নই।ম কারণ আমরা অকর্ম, আমরা সব গালাগাল পাওয়ার যোগ্য; কারণ আমরা বলিউড নই, আমরা শ্যাম বাঙালি! ভালোবাসি সবাইকে। বর্তমানে মডেলিং কিংবা অভিনয়ের চেয়ে ব্রান্ড প্রমোশনেই বেশি ব্যস্ত থাকেন বারিশা। ২০০৮ সালে বিটিভিতে কুইজ শো এবং বিতর্কে অংশ নেন তিনি। বুলবুল ললিতকলা একাডেমি থেকে ক্লাসিক্যাল নৃত্যে দীক্ষা নেন। এভাবেই শুরু হয় বারিশার পথ চলা। অল্প দিনের পথচলায় নৃত্য ও উপস্থাপনার পাশাপাশি বেশ কিছু নাটকেও অভিনয় করেছেন তিনি।  আরটিভি/এইচএসকে/এআর  
তামান্নার সঙ্গে তুলনা করে বারিশার আক্ষেপ
জুলাই ফাউন্ডেশনে গেল রাহাত ফতেহ আলীর কনসার্টের টাকা
চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারকে সহায়তার জন্য গত ২১ ডিসেম্বর রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় চ্যারিটি কনসার্ট ‘ইকোস অব রেভল্যুশন’। এতে পারফর্ম করেন জনপ্রিয় পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী রাহাত ফতেহ আলী খান। কনসাটর্টির আয়োজক ‘স্পিরিটস অব জুলাই’ প্ল্যাটফর্ম।  এই কনসার্ট থেকে আয় হওয়া ১ কোটি ৬৫ লাখ ১১ হাজার ৪৮৫ টাকা আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবার নিয়ে কাজ করা কল্যাণমূলক সংস্থা ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’-এ দান করা হয়েছে।  মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর ২টায় রাজধানীর শাহবাগস্থ হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল সংলগ্ন ফাউন্ডেশনটির কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলমের হাতে এই চেক তুলে দেওয়া হয়।  এ সময় ‘স্পিরিটস অব জুলাই’র পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন, ‘ইকোস অব রেভোল্যুশন’ কনসার্টের আয়োজক মহিউদ্দিন মুজাহিদ মাহি, এস এম এহসান উল্লাহ ধ্রুব, খাইরুল আহসান মারজান, সাদেকুর রহমান সানি, মো. নূর এ আলম চৌধুরী, মো. জাফর আলী এবং রাইয়ান রহমান ইরাত। কনসার্টে এ দিন বিনা পারিশ্রমিকে গান পরিবেশন করেন রাহাত ফতেহ আলী। তিনি ছাড়া আরও গান পরিবেশন করেন ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গান গেয়ে জেল-জুলুমের শিকার হওয়া শিল্পী হান্নান, র‍্যাপার সেজান, দেশীয় ব্যান্ডদল চিরকুট, আর্টশেল ও আফটারম্যাথ। কনসার্টে টাইটেল স্পন্সর হিসেবে ছিল প্রাইম ব্যাংক পিএলসি। আয়োজকরা জানান, স্পিরিটস অব জুলাই কর্তৃক আয়োজিত কনসার্টটির যাবতীয় আর্থিক হিসাবের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে অডিট রিপোর্ট প্রস্তুতের জন্য দেশের স্বনামধন্য অডিট কোম্পানি ‘Hoda Vasi Chowdhury & Co’র সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। উল্লেখ্য, অর্থসংক্রান্ত সার্বিক বিষয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ ও পরামর্শ প্রদানের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ নিয়ে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছিল।  এ পরিষদে ছিলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ ড. কাজী মাহফুজুল হক সুপণ, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. আনসারুল আলম, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মুহাম্মদ মাহবুব কায়সার, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ রুহুল আমিন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল আলম চৌধুরী, ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল হক খান এবং বারডেম হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. মাহবুবুল হাসান মুনির। আরটিভি/এইচএসকে/এআর  
জুলাই ফাউন্ডেশনে গেল রাহাত ফতেহ আলীর কনসার্টের টাকা
কেন বলিউড ছাড়ছেন অনুরাগ কাশ্যপ
মেধা ও রুচিশীল কাজ দিয়ে বলিউডে নিজের শক্ত অবস্থান প্রতিষ্ঠা করেছেন গুণি নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপ। দর্শকদের উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমা। শুধু নির্মাণই নয়, ভালো অভিনয়ও করেন তিনি। চলতি বছরের ‘মহারাজা’সিনেমায় অনুরাগ অভিনয় দাগ কেটেছে দর্শকের মনে। এবার জানা গেল, বলিউড ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন এই নির্মাতা।   এরপর থেকেই অনুরাগের ভক্তদের প্রশ্ন, হঠাৎ কি হলো নির্মাতার? কী কারণে বলিউড ছাড়তে চাচ্ছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে কথা বলেছেন অনুরাগ। পাশাপাশি হিন্দি ভাষার শোবিজ ত্যাগ করার জন্য বেশ কিছু কারণও দেখিয়েছেন নির্মাতা।  অনুরাগ বলেন, বলিউডে এখন আর সৃজনশীলতার কোনো জায়গা নেই। সবকিছুই অর্থের দিকে চলে গেছে। চলচ্চিত্রের খরচ বেড়ে যাওয়ায় এখন সিনেমা তৈরি করা কঠিন হয়ে পড়েছে। কোনো সিনেমা নির্মাণের আগে থেকেই চিন্তা থাকে কিভাবে তা বিক্রি করা যাবে। আর এই চাপের মধ্যে সৃজনশীলতা হারিয়ে যায়। বলিউডের পরিবর্তে দক্ষিণী সিনেমায় নিয়মিত হতে চান জানিয়ে নির্মাতা বলেন,  আমি দক্ষিণে যেতে চাই। সেখানে এমন পরিবেশ আছে যেখানে সৃজনশীলতার সুযোগ বেশি। এখানে যদি থাকা না হয়, আমি একজন বৃদ্ধ মানুষ হয়ে মরে যাব। আমি নিজের ইন্ডাস্ট্রির প্রতি অত্যন্ত হতাশ এবং খুবই অসন্তুষ্ট। কিন্তু মলায়ালম সিনেমাতে আমার এমন কিছু অনুভূতি হয়নি। সেখানে অভিনয় অভিজ্ঞতা বেশ ইতিবাচক। প্রতিভা ব্যবস্থাপনা করে এমন এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন নানা তিনি বলেন, এই এজেন্সিগুলো তরুণ অভিনেতাদের শুধুমাত্র মুনাফার জন্য ব্যবহার করে। তাদের মনোযোগ কেবল স্টার তৈরির দিকেই থাকে। অভিনয় দক্ষতা গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ নেই তাদের। অনুরাগ আরও বলেন, বলিউডে এখন আর কেউ অভিনয় করতে চায় না, সবাই স্টার হতে চায়। এজেন্সি কাউকে স্টার বানায় না। কিন্তু একবার যদি কেউ স্টার হয়ে যায়, তখন তারা তাদের থেকে মুনাফা তৈরির প্রতিযোগিতায় নেমে যায়।    আরটিভি/এইচএসকে  
কেন বলিউড ছাড়ছেন অনুরাগ কাশ্যপ
আতশবাজির জ্বলন্ত টুকরোতে পুড়ে যায় পাখিদের ছোট্ট শরীর: নওশাবা
প্রতিবছর আতশবাজি, পটকা ফুটিয়ে ও ফানুস উড়িয়ে থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপন করেন সবাই। কিন্তু এই উৎসবে অনেক সময় বিপাকে পরতে হয় সাধারণ মানুষকে। আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর শব্দে অত্যন্ত আতঙ্কের মাঝে কাটে শিশু থেকে শুরু করে অসুস্থ মানুষ, এমনকি পশু-পাখিও। শুধু তাই নয়, প্রাণনাশের ঘটনাও ঘটে। বিষয়টি নিয়ে মানুষকে সচেতন করতে কাজ করছে সরকার, সামাজিক কিংবা প্রাণী কল্যাণ সংগঠনগুলো। কেউ কেউ নিজ উদ্যোগেও সামাজিক মাধ্যমে আতশবাজি-ফানুস তাণ্ডবের ভয়াবহতা তুলে ধরে সচেতনতার বার্তা দিচ্ছেন। পিছিয়ে নেই অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ।  পটকা ফুটিয়ে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনকে হেলিকপ্টার থেকে গুলির সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি। পাশাপাশি থার্টিফার্স্ট নাইট বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন অভিনেত্রী।  গণমাধ্যমে এ প্রসঙ্গে নওশাবা বলেন, ২০২৪-এ আমাদের সবচেয়ে ভয়াবহ এক অভিজ্ঞতা ছিল হেলিকপ্টার থেকে গুলিতে নিরপরাধ শিশুর প্রাণ হারানো। কখনও কী ভেবে দেখেছেন, আমাদের উল্লাসে আকাশে ছুঁড়ে দেওয়া আতশবাজির জ্বলন্ত টুকরোতে পাখিদের ছোট্ট শরীর পুড়ে যায় একইভাবেই।  তিনি আরও বলেন, আমাদের উৎসবের শব্দে আতঙ্কে তাদের জীবনের আলো নিভে যায়! অথচ এই পৃথিবী তো শুধু আমাদের নয়, তাদেরও। ছোট্ট শিশু উমায়ের প্রাণ হারিয়েছিল এই বর্ষবরণের আতশবাজির ভয়াবহ শব্দে। অভিনেত্রী বলেন, এবারের বর্ষবরণ আগ্রাসী না হোক, চলুন দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হই। আপনার বাসার অসুস্থ বুড়ো বাবা-মা এবং শিশুদের কথা ভেবে, রাস্তার অসহায় পথপ্রাণী আর পাখিদের কথা ভেবে এবারের বর্ষবরণ হোক আতশবাজি মুক্ত। ২০২৫ হোক মঙ্গলময় পরিবর্তনের বছর। নতুন বছরের শুভেচ্ছা সবাইকে।   আরটিভি/এইচএসকে  
আতশবাজির জ্বলন্ত টুকরোতে পুড়ে যায় পাখিদের ছোট্ট শরীর: নওশাবা
জুয়ার প্রচারণায় তোপের মুখে যা বললেন পিয়া জান্নাতুল
মাঝে মধ্যেই জুয়ার অ্যাপের প্রচারণায় খবরের শিরোনামে উঠে আসে তারকাদের নাম। কেউ শুভেচ্ছাদূত হয়ে, কেউ বা আবার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এসব অ্যাপের স্পন্সরশিপের মাধ্যমে প্রচারণায় অংশ নেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন মডেল ও অভিনেত্রী পিয়া জান্নাতুলের নাম।  চলমান বিপিএলকে কেন্দ্র করে একটি জুয়ার অ্যাপের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে কথা বলতে দেখা গেছে তাকে। আর এতেই তোপের মুখে পড়েছেন পিয়া। অবশেষে বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে মুখ খুলেছেন তিনি। পিয়া বলেন, আমি একজন ক্রিকেটপ্রেমী। বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে কথা বলতে ভালোবাসি। আমি শুধু ক্রিকেট নিয়ে পোস্ট করেছি, যা ক্রিকেট সম্পর্কে আমার ভালোবাসা প্রকাশ করে। তাছাড়া আমি শুধু ওই অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করছি। এখানে কে স্পনসর দিলো সেটা তো বিষয় না। এর বেশি আর কিছুই বলতে চাই না। জানা গেছে, যে জুয়ার অ্যাপের টি-শার্ট পরে পিয়া অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন তা বাংলাদেশের সেরা জুয়ার এজেন্টদের একটি। এদিকে প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনে বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার জন্য কোনো পোর্টাল বা অ্যাপ বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান করেন বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনচিত্রে অংশগ্রহণ করেন, তা হবে ওই ব্যক্তির অপরাধ।’ এর আগে পরীমণি, নুসরাত ফারিয়া, অপু বিশ্বাস, মাহিয়া মাহি, এবং শবনম বুবলীর মতো তারকাদের এ ধরনের প্রচারণায় দেখা গেছে। আরটিভি/এইচএসকে/এস/এআর  
জুয়ার প্রচারণায় তোপের মুখে যা বললেন পিয়া জান্নাতুল
আরও পড়ুন
চলতি বছর হারাতে হয়েছে যেসব আলেমকে
চব্বিশে নিভে গেছে যেসব তারা
বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন যেসব তারকা
আলোচিত ফুটবলারদের অবসর