ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

পাপারাজ্জিদের ‘জোর করে’ মদ খাওয়াতেন সঞ্জয় দত্ত!

বিনোদন ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:০৫ পিএম
পাপারাজ্জিদের ‘জোর করে’ মদ খাওয়াতেন সঞ্জয় দত্ত!। ছবি: সংগৃহীত

নব্বইয়ের দশক থেকে বলিউডের তারকাদের একেবারে কাছ থেকে দেখেছেন যিনি, তিনি আজ ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম পরিচিত পাপারাজ্জি বরিন্দর চাওলা। সম্প্রতি এক কথোপকথনে সঞ্জয় দত্তকে ঘিরে একাধিক অজানা ও রঙিন স্মৃতি ভাগ করে নিলেন তিনি-যেখানে যেমন আছে তারকা-আভিজাত্যের দাপট, তেমনই রয়েছে মানবিকতার উজ্জ্বল উদাহরণ।

বরিন্দরের কথায়, শুটিং চলাকালীন প্রায়ই পাপারাজ্জিদের নিজে থেকেই ডাকতেন সঞ্জয় দত্ত। কখনও শুটের মাঝেই মজার ছলে জিজ্ঞেস করতেন, এই, এদিকে আয়… তুই কি মদ খাস? উত্তরে পাপারাজ্জিরা বলতেন, কাজের মধ্যে আছেন, তাই মদ্যপান নয়। কিন্তু সঞ্জয়ের জোরাজুরিতে শেষ পর্যন্ত অনেক সময়ই আড্ডায় বসতে হতো।

বরিন্দরের দাবি, সঞ্জয় দত্তের তারকা-প্রভাব এতটাই ছিল যে, যারা সাধারণত মদ্যপান করতেন না, তার সঙ্গেই শেষ পর্যন্ত গ্লাস তুলতেন। এমনকি সঞ্জয়ের বাড়ির বাইরেও একসঙ্গে বসে পান করার স্মৃতিও রয়েছে তাঁদের।

তবে এই দাপুটে স্মৃতির পাশাপাশি বরিন্দরের জীবনে সঞ্জয় দত্ত একবার হয়ে উঠেছিলেন কার্যত ‘ত্রাতা’। পেশাগত জীবনের শুরুতে একটি সেকেন্ড-হ্যান্ড মারুতি জেন কিনেছিলেন বরিন্দর। একদিন ফিল্মিস্তানে সঞ্জয় দত্তের শুট কাভার করে বেরোনোর সময় ভুলবশত তাঁর ভ্যানিটি ভ্যানে ধাক্কা লেগে যায়।

বরিন্দরের অভিযোগ, সঙ্গে সঙ্গে সঞ্জয়ের লোকজন তাকে ঘিরে ধরে ক্ষতিপূরণের দাবি তোলে-যে অঙ্ক বলা হচ্ছিল, তা তার গাড়ির দামের থেকেও অনেক বেশি।

বরিন্দর জানান, পরিস্থিতি যখন ভয়াবহ দিকে যাচ্ছে, ঠিক তখনই নীচে নেমে আসেন সঞ্জয় দত্ত। পুরো ঘটনা শুনে তিনি শুধু বলেন, ওকে যেতে দাও।

বরিন্দরের কথায়, সেই মুহূর্তে সঞ্জয় দত্ত তার কাছে একেবারে মাসিহা হয়ে উঠেছিলেন। মানুষ হিসেবে বরাবরই শান্ত, ঠান্ডা এবং ‘চিল’-এমনটাই অভিজ্ঞতা তার।

এদিকে পেশাগত দিক থেকেও সময়টা দারুণ যাচ্ছে সঞ্জয় দত্তের। ২০২৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘ধুরন্ধর’ বক্স অফিসে কার্যত ঝড় তুলেছে। বিশাল স্কেল ও টানটান গল্পের জোরে ছবিটি বিশ্বজুড়ে ১,১০০ কোটি টাকার গণ্ডি পেরিয়েছে। বর্তমানে এটি বলিউডের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী ছবি, শীর্ষে রয়েছে আমির খানের ‘দঙ্গল’।

আরও পড়ুন

যদিও ‘ধুরন্ধর’-এ সঞ্জয় দত্তের উপস্থিতি ছিল সংক্ষিপ্ত, ইন্ডাস্ট্রি সূত্রের খবর অনুযায়ী সিক্যুয়েল ‘ধুরন্ধর ২’-এ তার চরিত্র আরও গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা ১৯ মার্চ, ২০২৬-এ। সেদিনই বক্স অফিসে মুখোমুখি সংঘর্ষ হবে যশ অভিনীত ‘টক্সিক’-এর সঙ্গে। অন্যদিকে, যারা প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে ‘ধুরন্ধর’ দেখতে পারেননি, তাদের জন্য সুখবর-চলতি মাসের শেষের দিকেই ছবিটি নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেতে চলেছে।

আরটিভি/কেআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আরটিভিতে আজ (২৬ সেপ্টেম্বর) যা দেখবেন
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩। একনজরে জেনে নিন আরটিভির আজকের আয়োজন—
আরটিভিতে আজ (২৬ সেপ্টেম্বর) যা দেখবেন
আজীবন সম্মাননা পেলেন চিত্রনায়িকা নূতন-নৃত্যশিল্পী মুনমুন
টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মসহ সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য কাজ ও সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে গ্রিনলিফ অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ দেওয়া হয়েছে।
আজীবন সম্মাননা পেলেন চিত্রনায়িকা নূতন-নৃত্যশিল্পী মুনমুন
বিজয়কে নিয়ে রাশমিকা: ‘ও আমারই, তবুও ওর ওপর ক্রাশ খাওয়া থামে না’ 
বাস্তব জীবনের প্রেম এবার নতুন মাত্রা পেতে যাচ্ছে রুপালি পর্দায়।
বিজয়কে নিয়ে রাশমিকা: ‘ও আমারই, তবুও ওর ওপর ক্রাশ খাওয়া থামে না’ 
আরটিভিতে আজ (২৫ সেপ্টেম্বর) যা দেখবেন
শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩। একনজরে জেনে নিন আরটিভির আজকের আয়োজন—
আরটিভিতে আজ (২৫ সেপ্টেম্বর) যা দেখবেন
শুক্রবার শিল্পকলায় ‘দুই পাখি ও নন্দিনী’র উদ্বোধনী মঞ্চায়ন
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অমর সৃষ্টি কবিতা ‘দুই পাখি’ ও নাটক ‘রক্তকরবী’ অবলম্বনে নাগরিক নাট্যাঙ্গনের নতুন প্রযোজনা ‘দুই পাখি ও নন্দিনী’। দলটির ২৮তম প্রযোজনা এটি। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে নাটকটির উদ্বোধনী প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। ইন্টারনেট-স্যাটেলাইট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর শোষন-শাসন-সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনময় বর্তমান বিশ্বে মানুষের জীবন যেন এক রোবটিক জীবন। সেই জীবনে একধরনের মানুষের জীবন প্রাচুর্য্য-বিলাসিতা-স্বাচ্ছন্দময় কিন্তু পরাধীন। অপরদিকে একধরনের মানুষের জীবন অনিশ্চয়তা-ঝুঁকি-কষ্টময় কিন্তু স্বাধীন। একটা জীবন স্বর্ণের খাঁচায় আবদ্ধ খাঁচার পাখির জীবন, অন্য জীবন অনিশ্চয়তা-ঝুকি-কষ্টময় সত্ত্বেও মুক্ত বনের পাখির মতো স্বাধীন। একটা জীবন আবদ্ধ হতে হতে উড়বার শক্তি হারিয়ে পরাধীন, অন্য জীবন খাঁচার ফাঁদ এড়িয়ে স্বাধীন। এই পরাধীন এবং স্বাধীন রুপ খাঁচায় ও বনের পাখির পারস্পরিক সাক্ষাতে যখন দ্বৈতসত্ত্বা মিলিত হয়ে এক অভিন্ন সত্ত্বায় মুক্তির বারতা ঘোষণা করতে যেয়ে ও অসমর্থ হয়। ঠিক তখনই মহামুক্তির পথ নির্দেশনা নিয়ে উপস্থিত হয় রক্তকরবী নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র যিনি আত্মার মুক্তি এবং খাঁচা তথা ব্যারিকেড ভেঙ্গে ফেলবার পথিকৃৎ সেই নন্দিনী। লোভ, নিষ্ঠুরতা, ভয়ভীতি, আঘাত প্রভৃতির যাঁতাকলে যক্ষপুরীর রাজা মকররাজের কারণে কিশোর, ফাগুলালের মতো শত সহস্র মানুষ বাধ্যতামূলক খনিতে নেমে স্বর্ণ তুলতে তুলতে যখন রোবটের মতো প্রানহীন দেহ নিয়ে বেঁচে থাকতে বাধ্য, তখন মানুষকে তার মানবিক অধিকার-স্বাচ্ছন্দ-জীবন উদযাপনের মূল সুরে ফিরিয়ে আনতে এবং শোকার্ত মানুষের সারিতে এনে যক্ষপুরীর রাজা মকররাজকে মানবিক হওয়ার, সমব্যাথী হওয়ার, সমন্বয় সাধনের পথরেখা দ্রোহ এবং আত্মত্যাগ দিয়ে আঁকেন রক্তকরবীর নন্দিনী। স্বাধীনতা আর মুক্তির দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে দুই পাখির যে জিজ্ঞাসা, রক্তকরবীর নন্দিনীর যে সমাধান, তারই চিরন্তন এবং সমসাময়িকতার শিল্প সৃজন ষড়েশ্বর্য লাকী ইনামের নাটক 'দুই পাখী ও নন্দিনী'। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন নূরুল হাসনাত জিলান, জুয়েল জহুর, পারিশা আফরোজ, লায়লা পলি, ফারিন তামান্না, প্রলয় জামান, হিল্লোল সরকার প্রমুখ।  আলোক পরিকল্পনা করেছেন জয়নাল আবেদীন পবন, আবহ সংগীত পরিচালনায় শওকত আলী রানা, মঞ্চসজ্জায় শাওন আকন্দ ও কোরিওগ্রাফি সুমন আহমেদ। আরটিভি/এসআর
শুক্রবার শিল্পকলায় ‘দুই পাখি ও নন্দিনী’র উদ্বোধনী মঞ্চায়ন
আরও পড়ুন
ক্ষমা চাইলেন সঞ্জয় দত্ত, ঘটনা কী