ঢাকা বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

ক্ষমা চাইলেন সঞ্জয় দত্ত, ঘটনা কী

বিনোদন ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০২ পিএম
বলিউড সুপারস্টার সঞ্জয় দত্ত। ছবি: সংগৃহীত

আবারও খবরের শিরোনামে বলিউডের জনপ্রিয় ‘খলনায়ক’ খ্যাত অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত। তবে এবার কোনো নতুন সিনেমার সাফল্যের জন্য নয়, বরং একটি গানের কথা ও দৃশ্যায়ন নিয়ে সৃষ্ট বিতর্কের জেরে ক্ষমা চাইতে হলো তাকে। ‘সরকে চুনর তেরি সরকে’ গানটি নিয়ে বিতর্কের মুখে সোমবার (২৭ এপ্রিল) নারী কমিশনের সামনে সশরীরে হাজিরা দেন এই বলিউড সুপারস্টার।

আরও পড়ুন

আসন্ন সিনেমা ‘কেডি: দ্য ডেভিল’-এর হিন্দি ভার্সনের এই গানটিতে অশালীন শব্দ ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। এর প্রেক্ষিতে মহিলা কমিশন থেকে তলব করা হয়েছিল ছবির সংশ্লিষ্টদের। সোমবার কমিশনের সামনে উপস্থিত হয়ে সঞ্জয় দত্ত একটি লিখিত ক্ষমাপত্র জমা দেন। সেখানে তিনি স্পষ্ট করেন যে, সমাজের কোনো ক্ষতি করার বা কাউকে আঘাত করার কোনো ইচ্ছাকৃত অভিপ্রায় তার ছিল না।

ভুল স্বীকারের পাশাপাশি এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সঞ্জয়। দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, সমাজকল্যাণ ও নারী ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে ৫০ জন আদিবাসী শিশুকন্যার শিক্ষার যাবতীয় ব্যয়ভার তিনি বহন করবেন। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে চলচ্চিত্র বা যে কোনো সৃজনশীল কাজে নারী ও শিশুদের মর্যাদা রক্ষায় সচেতন থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

তবে এই ঘটনায় অপর অভিযুক্ত বলিউড ডিভা নোরা ফতেহি এদিন হাজিরা দেননি। বর্তমানে দেশের বাইরে থাকায় তিনি উপস্থিত হতে পারেননি বলে জানিয়েছেন এবং পরবর্তী একটি তারিখের জন্য আবেদন করেছেন।

এর আগে গত ৭ এপ্রিল এই মামলার প্রথম শুনানিতে ছবির পরিচালক প্রেম, গীতিকার রাকিব আলম এবং প্রযোজনা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সে সময় ছবির নির্মাতারা দাবি করেছিলেন যে, তারা গানের কথার গভীরতা বা নেতিবাচক দিকটি বুঝতে পারেননি। তবে কমিশন সেই যুক্তি গ্রহণ করেনি। এরপরই নির্মাতারা লিখিতভাবে ক্ষমা চেয়ে স্বীকার করে নেন যে, গানটি সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

আরটিভি/এমআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিজয়কে রোজ ১৫ বার ‘ভালোবাসি’ বলেন রাশমিকা
দীর্ঘ আট বছরের সম্পর্কের পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার তারকা বিজয় দেবারাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা।
বিজয়কে রোজ ১৫ বার ‘ভালোবাসি’ বলেন রাশমিকা
আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় মুখ খুললেন জাহ্নবী
‘দেবারা’ সিনেমায় জুনিয়র এনটিআরের সঙ্গে অভিনয় করে দর্শকদের নজর কাড়েন বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। সিনেমাটির ‘চুট্টামাল্লে’ গানটিও ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। তবে এবার সেই গানের দৃশ্য ব্যবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিতে তৈরি একটি আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় আলোচনায় এসেছেন এই অভিনেত্রী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিও নিয়ে ইতোমধ্যে প্রতিবাদ জানিয়েছেন দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রের বেশ কয়েকজন তারকা। এবার বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে মুখ খুলেছেন জাহ্নবী। ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক লিখিত বার্তায় অভিনেত্রী বলেন, প্রযুক্তির অপব্যবহার করে নারীদের সম্মতি ছাড়া বিকৃত বা আপত্তিকর কনটেন্ট তৈরি ও ছড়িয়ে দেওয়া যৌন নিপীড়নেরই আরেকটি রূপ। জাহ্নবীর ভাষায়, প্রযুক্তির অপরাধমূলক অপব্যবহার করে নারীদের পণ্য হিসেবে উপস্থাপন করা, সম্মতি ছাড়া বিকৃত কনটেন্ট ছড়িয়ে দেওয়া এসব যৌন নিপীড়নেরই আরেক রূপ। আমাদের ইন্ডাস্ট্রির প্রায় প্রতিটি নারীই এরকম কোনো না কোনো অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছেন। আর সবখানেই নারীরা এমন আচরণের শিকার হচ্ছেন। নারীর শরীর, ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত ও সম্মতির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, একজন নারী কোনো বিষয়ে সম্মতি দিলেও পরবর্তী সময়ে তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের অধিকার রয়েছে। তার ‘না’কে যেকোনো পরিস্থিতিতে সম্মান করতে হবে। জাহ্নবী আরও বলেন, একজন নারী ছোট পোশাক পরেছেন বলেই তার শরীরের ব্যক্তিগত পরিসরে প্রবেশ বা আপত্তিকরভাবে ছবি ধারণের অনুমতি কেউ পেয়ে যান না। একজন নারী কী পরবেন, কোন বিষয়ে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন এবং নিজের শরীর নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেবেন এসব একান্তই তার ব্যক্তিগত অধিকার। সাম্প্রতিক এআই-নির্মিত ভিডিওর ঘটনাকে বৃহত্তর একটি সমস্যার অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন জাহ্নবী। তার মতে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নারীদের প্রতি হুমকি ও হয়রানি বাড়লেও বাস্তব জীবনেও নারীদের নিরাপত্তা এখনো বড় উদ্বেগের বিষয়। পুরুষদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন এই অভিনেত্রী। তিনি বলেন, শুধু নারীদের বা মেয়েদের নিরাপদ থাকার পরামর্শ দিলেই হবে না; একই সঙ্গে যে মানসিকতা অন্যের সীমারেখা লঙ্ঘনকে বৈধ মনে করে, সেটিও বদলাতে হবে। এ সময় এআই-নির্মিত ওই আপত্তিকর ভিডিওর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় জুনিয়র এনটিআর ও চিরঞ্জীবীকে ধন্যবাদ জানান জাহ্নবী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানানো তারকাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। বার্তার শেষদিকে নারীর প্রতি সম্মান ও ব্যক্তিস্বাধীনতার প্রশ্ন তুলে জাহ্নবী বলেন, একজন নারী শুধু একজন মানুষ হিসেবে সম্মান পাওয়ার অধিকার রাখেন। তার শরীর যখন তার নিজের, তখন তার ছবি, সীমারেখা ও সিদ্ধান্তও তার নিজের। আরটিভি/এসকে
আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় মুখ খুললেন জাহ্নবী
হঠাৎ নায়িকার গালে হাত, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে বিতর্ক
কন্নড় চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রচিতা রামের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ঘটে যাওয়া একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।
হঠাৎ নায়িকার গালে হাত, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে বিতর্ক
‘যিনি ৪০ বছরের সংসার ভাঙছেন, স্রষ্টা তাকে দেখে নেবেন’, গোবিন্দের স্ত্রী
দীর্ঘ ৪০ বছরের সংসার। কৈশোরে প্রেম, মাত্র ১৫ বছর বয়সে আংটিবদল, ১৮ বছর বয়সে বিয়ে। এরপর স্বামী গোবিন্দের সঙ্গে সংসার, সন্তান ও জীবনের নানা লড়াই।
‘যিনি ৪০ বছরের সংসার ভাঙছেন, স্রষ্টা তাকে দেখে নেবেন’, গোবিন্দের স্ত্রী
বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন কিরণ রাও
সময় বদলের সঙ্গে বদলেছে মানুষের প্রেম, সম্পর্ক ও অনুভূতি প্রকাশের ধরন। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের কাছে প্রেম ও সম্পর্কের ক্ষেত্রে আগের অনেক সামাজিক বিধিনিষেধ এখন আর ততটা প্রভাবশালী নয়। বিয়ের আগে মানসিক কিংবা শারীরিক ঘনিষ্ঠতাকেও অনেকেই আগের মতো অস্বাভাবিকভাবে দেখেন না। সম্পর্কের এই পরিবর্তনকে সময়ের স্বাভাবিক বিবর্তন হিসেবেই দেখছেন পরিচালক কিরণ রাও। ‘লাস্ট স্টোরিজ ৩’-এর প্রচারণায় এক সাক্ষাৎকারে নতুন প্রজন্মের প্রেম ও সম্পর্কের ধরন নিয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেন কিরণ। তার পরিচালিত গল্পে তরুণদের সম্পর্কের ভিন্ন বাস্তবতা উঠে আসার প্রসঙ্গে তাকে প্রশ্ন করা হয় বর্তমান প্রজন্ম কি প্রেমের ক্ষেত্রে আগের তুলনায় বেশি স্বাধীন, নাকি কিছুটা হালকা মনোভাবাপন্ন? জবাবে কিরণ তরুণদের ‘হালকা’ না বলে ‘স্বাধীনচেতা’ হিসেবে দেখতে চান। তার মতে, আগের প্রজন্মের তুলনায় বর্তমান সময়ের তরুণরা নিজেদের অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে অনেক বেশি স্বচ্ছন্দ। কিরণ বলেন, আমার মনে হয়, আমাদের প্রজন্মের তুলনায় এখনকার তরুণদের মধ্যে অনেক বেশি স্বাধীনতা। নিজেদের প্রকাশ করার ধরনও বদলে গেছে। পৃথিবীটাও এখন অনেকটা আলাদা। আমরা সেই পরিবর্তনটাই গল্পের মাধ্যমে তুলে ধরতে চেয়েছি। বর্তমান প্রজন্মের সম্পর্কের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়েও কথা বলেন তিনি। তার মতে, দুজন মানুষ একে অপরের প্রতি আকৃষ্ট হতে পারেন, কিন্তু সেই আকর্ষণকে সবসময় প্রচলিত কোনো সম্পর্কের নাম দিতে চান না। আর সেখান থেকেই তৈরি হতে পারে নানা জটিলতা ও অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি। কিরণের ভাষায়, দুজন তরুণ-তরুণী একে অপরের প্রতি আকৃষ্ট। তারা কোনো সম্পর্কে আবদ্ধ নয়। এরপর তারা কী করবে, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। তাদের কিছু সিদ্ধান্তের কারণে হঠাৎ নানা অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটে যেতে পারে। আমার মনে হয়, এর মধ্যেই মজাটা লুকিয়ে আছে। নিজের প্রজন্মের সঙ্গে বর্তমান সময়ের প্রেমের পার্থক্যও তুলে ধরেন কিরণ। তার মতে, একসময় সমাজ নির্দিষ্ট কিছু সম্পর্ককেই স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করত। বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক যেমন সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য ছিল না, তেমনি বিয়ের পরও নিজের সঙ্গীর বাইরে অন্য কারও সঙ্গে মানসিক ঘনিষ্ঠতাকে সহজভাবে দেখা হতো না। তিনি বলেন, আমাদের সময়ে মানুষের কাছ থেকে নির্দিষ্ট ধরনের সম্পর্কেরই প্রত্যাশা করা হতো। বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক তো ছিলই না, এমনকি বিয়ের পরেও সেই সম্পর্কের বাইরে অন্য কারও সঙ্গে মানসিকভাবে জড়িয়ে পড়াকে সহজভাবে দেখা হতো না। এখন সেই পরিস্থিতি আর নেই। কিরণের মতে, সম্পর্কের এই পরিবর্তনকে শুধু পুরোনো নৈতিকতার মাপকাঠিতে বিচার না করে সময়ের পরিবর্তনের অংশ হিসেবেও দেখা প্রয়োজন। নতুন প্রজন্ম নিজেদের অনুভূতি, আকর্ষণ ও সম্পর্ককে আগের তুলনায় ভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করছে। আর এই বদলে যাওয়া মানসিকতা, ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং সম্পর্কের জটিলতাই নিজের কাজের মাধ্যমে তুলে ধরতে আগ্রহী কিরণ রাও। আরটিভি/এসকে
বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন কিরণ রাও
আরও পড়ুন
ট্রাম্প মামুকে গান্ধীগিরি শেখাতে হবে: সঞ্জয় দত্ত
সালমান খানের স্বাস্থ্য নিয়ে ভক্তদের উদ্বেগ, জবাব দিলেন ‘ভাইজান’ নিজেই
সালমান খানের ‘গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টে’ সাপ নিয়ে হুলুস্থুল
পাপারাজ্জিদের ‘জোর করে’ মদ খাওয়াতেন সঞ্জয় দত্ত!