ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

নীলের আবেশে জয়া আহসানের নতুন ছবি

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

বয়সের কাঁটা এগিয়ে চললেও চেহারায় তার ছাপ যেন একেবারেই নেই। বরং সময়ের সঙ্গে যেন আরও তরুণী হয়ে উঠছেন অভিনেত্রী জয়া আহসান। রুপালি পর্দার চাকচিক্য পেরিয়ে এবার নীলের মায়ায় ধরা দিলেন এই অভিনেত্রী। তার নতুন ছবিগুলো প্রকাশের পরই ভক্ত-অনুরাগীদের প্রশংসায় ভাসছেন তিনি।

রুপালি পর্দার আভিজাত্যের বাইরে জয়া আহসানের রয়েছে নিজের মতো এক স্বতন্ত্র জগৎ। সেখানে তিনি বেশ সাধারণ, প্রকৃতিপ্রেমী এবং নিজের মতো করে সময় কাটাতেই পছন্দ করেন। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব একটা খোলামেলা না হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিতই নিজের নানা মুহূর্ত ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন এই অভিনেত্রী।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একগুচ্ছ ছবি প্রকাশ করেছেন জয়া আহসান। নীলের আবেশে তোলা এসব ছবিতে অভিনেত্রীর চোখের চাহনি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে নেটিজেনদের। ছবি প্রকাশের পর থেকেই তার সৌন্দর্য ও বয়স নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে আলোচনা।

অনেকেরই মন্তব্য, সময় যতই গড়াচ্ছে, জয়ার বয়স যেন ততই কমছে! ছবিগুলো শেয়ার করে ক্যাপশনে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘নীল রং আমাতেই সাজে, আর আমার মুড পুরোপুরি আমার নিজের।’

ছবিগুলো প্রকাশের পরপরই কমেন্ট বক্সে জয়া আহসানের রূপের প্রশংসায় মেতেছেন ভক্তরা। একজন লিখেছেন, ‘আমি ছোটবেলা যেমন দেখছি, এখনো ঐরকম দেখি।’ আরেকজনের মন্তব্য, ‘আপনি দিন দিন আরও সুন্দর হয়ে যাচ্ছেন।’

অন্য এক ভক্ত লিখেছেন, ‘নীল রং দেখলে মনটা জানি কেমন হয়ে যায়। সুন্দর, অনেক সুন্দর।’

সব মিলিয়ে জয়া আহসানের নতুন ছবিগুলো আবারও প্রমাণ করল—বয়স শুধু একটি সংখ্যা, সৌন্দর্যের আবেদন সময়ের সঙ্গে বরং আরও গভীর হতে পারে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন পর্দার ‘মিনিস্টার ফাটাকেষ্ট’
সিনেমার পর্দায় তিনি ছিলেন ‘মিনিস্টার ফাটাকেষ্ট’। ২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। প্রতিবাদী ও দাপুটে চরিত্রে মিঠুন চক্রবর্তীকে ভালোবাসায় ভাসিয়েছিলেন দুই বাংলার দর্শক।
মন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন পর্দার ‘মিনিস্টার ফাটাকেষ্ট’
পূজায় আসছে মৌ খানের ‘স্নেহের বন্ধন’
নব্বইয়ের দশকের তুমুল জনপ্রিয় ও কালজয়ী সিনেমা ‘হঠাৎ বৃষ্টি’র নতুন সংস্করণ ‘আবার হঠাৎ বৃষ্টি’তে অভিনয়ের পর চলতি মাসেই প্রেক্ষাগৃহে আসছে চিত্রনায়িকা মৌ খানের আরও একটি সিনেমা।
পূজায় আসছে মৌ খানের ‘স্নেহের বন্ধন’
কৃষকের দুঃখে পাশে দাঁড়ানো নানার অজানা মানবিক গল্প
বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকার আর নেই। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভারতের গোয়ার ডোনা পাওলায় নিজের বাড়িতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন জনপ্রিয় এই অভিনেতা। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।
কৃষকের দুঃখে পাশে দাঁড়ানো নানার অজানা মানবিক গল্প
সিনেমাকেও হার মানায় নানার জীবন, ৩৫ রুপি থেকে ৮০ কোটির মালিক
বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকারের জীবন যেন সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানায়। দারিদ্র্য, অনিশ্চয়তা ও কঠিন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে পথচলা শুরু করে অভিনয়জগতে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন এই অভিনেতা। একসময় মাসে মাত্র ৩৫ রুপি আয় করা নানা পাটেকার পরবর্তী সময়ে কোটি কোটি রুপির সম্পদের মালিক হয়েছেন। শৈশব থেকেই আর্থিক সংকটের সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছে নানা পাটেকারকে। পরিবারের আর্থিক অবস্থার অবনতি হলে মাত্র ১৩ বছর বয়সেই কাজ শুরু করেন তিনি। নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় স্কুল শেষে প্রায় আট কিলোমিটার হেঁটে মুম্বাইয়ের চুনাভাট্টিতে যেতেন সিনেমার পোস্টার আঁকতে। সেই কাজের বিনিময়ে মাসে পেতেন মাত্র ৩৫ রুপি। এর সঙ্গে মিলত দিনে এক বেলার খাবার। কঠিন সেই সময়ই তাকে জীবনের বাস্তবতা ও অর্থের মূল্য বুঝতে শেখায়। পরবর্তী সময়ে অভিনয়কে পেশা হিসেবে বেছে নেন নানা। ১৯৭৮ সালে ‘গমন’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় তার। এরপর ধীরে ধীরে অভিনয় প্রতিভা দিয়ে দর্শকদের মনে আলাদা জায়গা করে নেন তিনি। ‘পরিন্দা’, ‘ক্রান্তিবীর’, ‘অগ্নিসাক্ষী’, ‘আব তক ছাপ্পন’, ‘নটসম্রাট’ ও ‘ওয়েলকাম’-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান নানা পাটেকর। হিন্দির পাশাপাশি মারাঠি চলচ্চিত্রেও নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন তিনি। অভিনয় ক্যারিয়ারের সাফল্যের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে তার আয়-সম্পদও। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে নানা পাটেকারের মোট সম্পদের পরিমাণ আনুমানিক ৬০ থেকে ৮০ কোটি রুপি বলে দাবি করা হয়েছে। ক্যারিয়ারের একপর্যায়ে একটি সিনেমায় অভিনয়ের জন্য তিনি প্রায় ২ থেকে ৩ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিতেন বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তবে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েও বিলাসী জীবনযাপনের জন্য পরিচিত নন নানা পাটেকার। মুম্বাইয়ের আন্ধেরিতে দীর্ঘদিন প্রায় ৭৫০ বর্গফুটের একটি এক শয়নকক্ষের অ্যাপার্টমেন্টে বসবাস করেছেন তিনি। কয়েক দশক আগে প্রায় ১ দশমিক ১ লাখ রুপিতে কেনা সেই ফ্ল্যাটটির বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৩ কোটি রুপি বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মুম্বাইয়ের পাশাপাশি গোয়াতেও তার একটি বাড়ি রয়েছে। পুনের খাডাকওয়াসলার কাছে প্রায় ২৭ একর জমির একটি ফার্মহাউসের সঙ্গেও তার নাম জড়িত। সেখানে গম ও ধানের মতো বিভিন্ন ফসল চাষ করা হয় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বলিউডের অনেক তারকার মতো বিলাসবহুল গাড়ির বড় সংগ্রহও নেই নানা পাটেকারের। তার ব্যবহৃত গাড়ির তালিকায় রয়েছে মাহিন্দ্রা জিপ সিজে৪, মাহিন্দ্রা স্করপিও ও অডি কিউ৭। এমনকি প্রায় দেড় কোটি রুপি দামের একটি বিলাসবহুল গাড়ি কেনার সুযোগ থাকলেও তিনি সেটি নিতে চাননি বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বরং সেই অর্থ কৃষকদের সহায়তায় ব্যয় করাই তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলে জানা যায়। নানা পাটেকারের জীবন তাই শুধু একজন সফল অভিনেতার গল্প নয়, বরং কঠিন বাস্তবতা থেকে উঠে আসার অনুপ্রেরণার গল্পও। একসময় যে মানুষটি এক বেলার খাবার ও সামান্য পারিশ্রমিকের জন্য সিনেমার পোস্টার আঁকতেন, তিনিই পরবর্তী সময়ে ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম পরিচিত ও সম্মানিত অভিনেতায় পরিণত হন। কোটি কোটি রুপির সম্পদের মালিক হয়েও সাধারণ জীবনযাপন, কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং অর্থের প্রতি সংযত মনোভাব নানা পাটেকারকে বলিউডের অনেক তারকার চেয়ে আলাদা করে তুলেছে। আরটিভি/এসকে
সিনেমাকেও হার মানায় নানার জীবন, ৩৫ রুপি থেকে ৮০ কোটির মালিক
গোয়ার ফ্ল্যাটে শেষ মুহূর্তে কী ঘটেছিল নানা পাটেকারের, সামনে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
ভারতের বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকার আর নেই। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে গোয়ার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যুর খবর আসে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।
গোয়ার ফ্ল্যাটে শেষ মুহূর্তে কী ঘটেছিল নানা পাটেকারের, সামনে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
আরও পড়ুন
ভারতের রাজপথের মিছিলে হঠাৎ জয়া আহসান
আবারও হাইকোর্টে জয়া আহসান, রুল জারি