ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

শুক্রবার শিল্পকলায় ‘দুই পাখি ও নন্দিনী’র উদ্বোধনী মঞ্চায়ন

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৪ পিএম
মহড়ায় নাগরিক নাট্যাঙ্গনের সদস্যরা। ছবি: সংগৃহীত

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অমর সৃষ্টি কবিতা ‘দুই পাখি’ ও নাটক ‘রক্তকরবী’ অবলম্বনে নাগরিক নাট্যাঙ্গনের নতুন প্রযোজনা ‘দুই পাখি ও নন্দিনী’। দলটির ২৮তম প্রযোজনা এটি।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে নাটকটির উদ্বোধনী প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে।

ইন্টারনেট-স্যাটেলাইট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর শোষন-শাসন-সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনময় বর্তমান বিশ্বে মানুষের জীবন যেন এক রোবটিক জীবন। সেই জীবনে একধরনের মানুষের জীবন প্রাচুর্য্য-বিলাসিতা-স্বাচ্ছন্দময় কিন্তু পরাধীন। অপরদিকে একধরনের মানুষের জীবন অনিশ্চয়তা-ঝুঁকি-কষ্টময় কিন্তু স্বাধীন। একটা জীবন স্বর্ণের খাঁচায় আবদ্ধ খাঁচার পাখির জীবন, অন্য জীবন অনিশ্চয়তা-ঝুকি-কষ্টময় সত্ত্বেও মুক্ত বনের পাখির মতো স্বাধীন।

একটা জীবন আবদ্ধ হতে হতে উড়বার শক্তি হারিয়ে পরাধীন, অন্য জীবন খাঁচার ফাঁদ এড়িয়ে স্বাধীন। এই পরাধীন এবং স্বাধীন রুপ খাঁচায় ও বনের পাখির পারস্পরিক সাক্ষাতে যখন দ্বৈতসত্ত্বা মিলিত হয়ে এক অভিন্ন সত্ত্বায় মুক্তির বারতা ঘোষণা করতে যেয়ে ও অসমর্থ হয়।

ঠিক তখনই মহামুক্তির পথ নির্দেশনা নিয়ে উপস্থিত হয় রক্তকরবী নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র যিনি আত্মার মুক্তি এবং খাঁচা তথা ব্যারিকেড ভেঙ্গে ফেলবার পথিকৃৎ সেই নন্দিনী। লোভ, নিষ্ঠুরতা, ভয়ভীতি, আঘাত প্রভৃতির যাঁতাকলে যক্ষপুরীর রাজা মকররাজের কারণে কিশোর, ফাগুলালের মতো শত সহস্র মানুষ বাধ্যতামূলক খনিতে নেমে স্বর্ণ তুলতে তুলতে যখন রোবটের মতো প্রানহীন দেহ নিয়ে বেঁচে থাকতে বাধ্য, তখন মানুষকে তার মানবিক অধিকার-স্বাচ্ছন্দ-জীবন উদযাপনের মূল সুরে ফিরিয়ে আনতে এবং শোকার্ত মানুষের সারিতে এনে যক্ষপুরীর রাজা মকররাজকে মানবিক হওয়ার, সমব্যাথী হওয়ার, সমন্বয় সাধনের পথরেখা দ্রোহ এবং আত্মত্যাগ দিয়ে আঁকেন রক্তকরবীর নন্দিনী।

স্বাধীনতা আর মুক্তির দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে দুই পাখির যে জিজ্ঞাসা, রক্তকরবীর নন্দিনীর যে সমাধান, তারই চিরন্তন এবং সমসাময়িকতার শিল্প সৃজন ষড়েশ্বর্য লাকী ইনামের নাটক 'দুই পাখী ও নন্দিনী'।

বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন নূরুল হাসনাত জিলান, জুয়েল জহুর, পারিশা আফরোজ, লায়লা পলি, ফারিন তামান্না, প্রলয় জামান, হিল্লোল সরকার প্রমুখ।

আলোক পরিকল্পনা করেছেন জয়নাল আবেদীন পবন, আবহ সংগীত পরিচালনায় শওকত আলী রানা, মঞ্চসজ্জায় শাওন আকন্দ ও কোরিওগ্রাফি সুমন আহমেদ।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রেজাউদ্দিন স্টালিনের নেতৃত্বে শিল্পকলায় গতি, পুনঃর্নিয়োগ চান শিল্পী-সাংস্কৃতিক কর্মীরা
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন দায়িত্বের এক বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ শেষ হয়েছে। ২০২৫ সালের ২১ সেপ্টেম্বর তাকে এক বছরের জন্য এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
রেজাউদ্দিন স্টালিনের নেতৃত্বে শিল্পকলায় গতি, পুনঃর্নিয়োগ চান শিল্পী-সাংস্কৃতিক কর্মীরা
অভিনেতা রিফাত চৌধুরীর শারীরিক অবস্থা নিয়ে সবশেষ যা জানা গেল
কবি ও একসময়ের দর্শকপ্রিয় নাট্যাভিনেতা রিফাত চৌধুরী গুরুতর অসুস্থ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালের নতুন ভবনের মেডিসিন ইউনিট-৩-এর দশম তলার ১০৩ নম্বর কেবিনে রয়েছেন এই অভিনেতা।  জানা গেছে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে তাকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিজের শারীরিক অবস্থা নিয়ে রিফাত চৌধুরী জানান, এখন তিনি বেড রেস্টে রয়েছেন। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। চিকিৎসকেরা সব রিপোর্ট ও তার ফাইল পর্যালোচনা করে এরপর মূল চিকিৎসা শুরু করবেন।  হাসপাতালে রিফাতের পাশে শুরু থেকেই রয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ও কবি অমিতাভ অরণ্য। তিনি জানান, অভিনেতার বেশিরভাগ পরীক্ষা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আগামী বুধবার  (২৩ সেপ্টেম্বর) আরও দুটি পরীক্ষা করানোর কথা রয়েছে। এসব পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর চিকিৎসার পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ করা হবে। মূলত পা ও কোমরের সমস্যায় ভুগছেন রিফাত চৌধুরী। অসুস্থতার কারণে তিনি ঠিকমতো হাঁটাচলা করতে পারছেন না। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগে বেড না পেয়ে তাকে দুই দিন ফ্লোরে থাকতে হয়েছিল। পরে বেডের ব্যবস্থা হলেও তার চিকিৎসা ব্যয় নিয়ে নতুন করে সংকট তৈরি হয়।  অভিনেতার অসুস্ততার বিষয়টি জানার পর শোবিজ অঙ্গনে অনেকেই বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন। পাশাপাশি অভিনয়শিল্পী সংঘ ও শোবিজের কয়েকজন তারকা তার পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন।  অমিতাভ অরণ্য জানিয়েছেন, রিফাতের নিজের কোনো ব্যাংক বা বিকাশ অ্যাকাউন্ট নেই। তার চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা প্রয়োজন। সহযোগিতার অর্থ তার মাধ্যমে রিফাতের কাছে পৌঁছে দেয়ার কথা জানানো হয়েছে। আরটিভি/এসআর
অভিনেতা রিফাত চৌধুরীর শারীরিক অবস্থা নিয়ে সবশেষ যা জানা গেল
দিলারা জামানের বাড়ি দখলের খবর, যা জানা গেল
সম্প্রতি জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিলারা জামানের বাড়ি দখলের খবর সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। এর মাঝেই বিষয়টি নিয়ে মুখে খুলেছেন বরেণ্য এই অভিনয়শিল্পী। শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) এক সাক্ষাৎকারে দিলারা জামান বলেন, মানুষের মাথা কি নষ্ট হয়ে গেছে! একটু ভেবেচিন্তে, কথা বলে লিখলে তো ভালো হয়। ভালো কাজে যদি মস্তিষ্ক কাজে না লাগে, তাহলে কেমন লাগে! কী আর বলব। সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে বিষয়টিকে অনেক পুরোনো বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। তার ভাষ্য, ২০০৩–২০০৪ সালের দিকে তিনি ঢাকার শ্যামলী এলাকায় থাকতেন। সেখানে ছিল তাঁর পৈতৃক বাড়ি। বাবার কাছ থেকে পাওয়া সেই বাড়িতেই পরিবার নিয়ে থাকতেন তিনি।  একপর্যায়ে বাড়িটি দখলের পরিস্থিতি তৈরি হয়। তখন বিষয়টি নিয়ে প্রথম আলোয় খবর প্রকাশিত হলে সংশ্লিষ্টদের টনক নড়ে। এরপর সেই দখলের পরিস্থিতি আর এগোয়নি। তবে সেই বাড়ি এখন আর তার নেই। তিনি বলেন, ঢাকার শ্যামলীর সেই ঘটনা তো ২২–২৩ বছর আগের। সেই বাড়ি পরে বিক্রি করে দিই। ২০০৮ সালে আমি পরিবার নিয়ে উত্তরায় চলে আসি। এখানে ১৬০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কিনি। তারপর থেকে এখানেই থাকছি। দেশের বাইরে থাকা দুই মেয়ের কাছে মাঝেমধ্যে গিয়ে কিছুদিন থাকার কথা জানিয়ে দিলারা জামান বলেন, ‘এখন আর তেমন দেশের বাইরে যাওয়া হয় না। অভিনয় নিয়েই ব্যস্ততা, আর উত্তরার নিজের ফ্ল্যাটেই থাকি।’  এত বছর পর পুরোনো সেই ঘটনা নতুন করে কেন বা কারা ছড়াল—তা নিয়ে নিজেও বিস্মিত দিলারা জামান। তার মতে, ‘হঠাৎ করে এই ধরনের আজগুবি তথ্য সামনে কীভাবে এল, নিজেই তো অবাক হয়ে গেলাম!’ প্রসঙ্গত, ‘বাবার দেওয়া জমিতে ধারদেনা করে বাড়ি করেছিলাম। দেনা শোধ করতে বাড়ি ভাড়া দিয়েছিলাম, কিন্তু ভাড়ার টাকা পাইনি। একপর্যায়ে ভাড়াটে বাড়ি দখল করে নেয়। এখন ছোট্ট পাখির মতো বাসায় ভাড়া থাকি।’ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন একটি বক্তব্য ঘিরে শুক্রবার সকাল থেকেই আলোচনা শুরু হয়।  আরটিভি/এসআর
দিলারা জামানের বাড়ি দখলের খবর, যা জানা গেল
পারিবারিক গল্পে আরটিভির একক নাটক ‘শুন্যের সংসার’
পারিবারিক টানাপোড়েন ও মায়ের প্রতি নিখাদ ভালোবাসার গল্পে নির্মিত হয়েছে একক নাটক ‘শুন্যের সংসার’।  সায়েম খানের কাহিনী ও চিত্রনাট্যে এটি নির্মাণ করেছেন সেলিম রেজা।  নাটকের গল্পে দেখা যাবে, ব্যস্ততার কারণে আদিল ও বেলার সম্পর্কের দূরত্ব বাড়ে, যা বিয়ের দুই বছর পর কক্সবাজার ভ্রমণের পরিকল্পনা বাতিল হওয়া নিয়ে আরও জটিল হয়। শ্বাশুড়ি জাহানারা বেগমের অসুস্থতা এবং সাংসারিক নানা ঝামেলায় দম্পতির মধ্যে মানসিক দূরত্ব বাড়ে। ঝগড়ার এক পর্যায়ে ঘর ছাড়েন জাহানারা বেগম এবং নিখোঁজ হন। এরপর মায়ের খোঁজে  আদিলের ব্যাকুলতা, বেলার ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত এবং পরবর্তী নানা নাটকীয় মোড়ে উন্মোচিত হয় সম্পর্কের ভিন্ন রূপ।  একপর্যায়ে রিহ্যাব সেন্টার থেকে মানসিক আঘাতপ্রাপ্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় অসুস্থ মাকে। পরবর্তীতে অনাগত সন্তানের খবর পেয়ে নিজের ভুল বুঝতে পেরে আদিলের কাছে ফিরে আসে বেলা। নাটকের শেষ দৃশ্যে উঠে আসে এক ট্র্যাজিক পরিণতি—যেদিন ঘরে আসে আদিল-বেলার নতুন সন্তান, সেদিনই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন অসুস্থ মা জাহানারা বেগম।  সন্তানকে কোলে পাওয়ার আনন্দের মাঝেই মাকে হারানোর এক গভীর শূন্যতায় শেষ হয় এই নাটক। নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে নিলয় আলমগীর, তানিয়া বৃষ্টি, মনিরা আক্তার মিঠু, তুতিয়া ইয়াসমিন পাপিয়া, রিপন মিয়া প্রমুখ অভিনয় করেছেন। শিগগিরই আবেগঘন গল্পের এই নাটকটি জনপ্রিয় বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন আরটিভির পর্দায় প্রচারিত হবে। পরে এটি টেলিভিশনটির ইউটিউব চ্যানেলে উন্মুক্ত করা হবে। আরটিভি/এসআর
পারিবারিক গল্পে আরটিভির একক নাটক ‘শুন্যের সংসার’
লিভিং থিয়েটারের ভাষায় ‘দোজখের শেষ মেয়েটি’, মঞ্চায়ন ২৮ আগস্ট
প্রচলিত নাট্যরীতির বাইরে গিয়ে লিভিং থিয়েটারের নান্দনিকতা ও পরীক্ষামূলক ভাষায় নতুন প্রযোজনা নিয়ে আসছে নাট্যদল নাট্যধারা। ‘দোজখের শেষ মেয়েটি’ শিরোনামের নাটকটির উদ্বোধনী মঞ্চায়ন হবে আগামী ২৮ আগস্ট শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায়। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরীক্ষামূলক মঞ্চে নাটকটির প্রথম প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। লিভিং থিয়েটারের বৈশিষ্ট্য অনুসরণ করে এ নাটকে দর্শক ও মঞ্চের প্রচলিত দূরত্ব কমিয়ে নাট্যঘটনাকে আরও সরাসরি ও অনুভবনির্ভর করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। শরীরী ভাষা, প্রতীকী অভিনয়, আলো-আঁধারি, শব্দ ও আবহকে নাটকের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র নাদিয়া মুরাদ। ইরাকের ইয়াজিদি সম্প্রদায়ের এই তরুণী উগ্রবাদী সন্ত্রাসীদের হাতে বন্দিত্ব ও ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হন। পরে সেখান থেকে পালিয়ে ইউরোপে আশ্রয় নেন এবং মানবাধিকার রক্ষায় সোচ্চার হন। তার সংগ্রাম ও সাহসী ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৮ সালে তিনি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তবে ‘দোজখের শেষ মেয়েটি’ শুধু নাদিয়া মুরাদের ব্যক্তিজীবনের গল্প নয়। যুদ্ধ, রাষ্ট্র, মৌলবাদ, বিশ্বরাজনীতি, অর্থনৈতিক স্বার্থ, জাতিসত্তার ওপর আঘাত ও মানবিক বিপর্যয়ের মতো সমকালীন নানা সংকটও উঠে এসেছে নাটকটিতে। আরও পড়ুন হানিয়া আমিরের ভিডিও ভাইরাল, নেটদুনিয়ায় তুমুল আলোচনা নাট্যধারার ভাষ্য অনুযায়ী, নাদিয়ার জীবনকাহিনিকে ব্যক্তিগত আত্মজীবনী হিসেবে নয়, বরং সময় ও ইতিহাসের প্রতিচ্ছবি হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। দর্শককে শুধু গল্পের পর্যবেক্ষক না রেখে নাট্যঘটনার মধ্য দিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের মুখোমুখি করাই এ প্রযোজনার অন্যতম লক্ষ্য। নাটকের শেষাংশে দর্শকের সামনে রাখা হয়েছে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—নাদিয়াই কি পৃথিবীর দৃশ্যমান ও অদৃশ্য দোজখের শেষ মেয়ে? চলমান যুদ্ধই কি পৃথিবীর শেষ যুদ্ধ? মৌলবাদের তৈরি দোজখই কি পৃথিবীর শেষ দোজখ? নাদিয়াই কি পৃথিবীর শেষ দোজখের শেষ মেয়ে? আর যুদ্ধশিশু কি পরিকল্পিত? নাটকটি রচনা করেছেন আনিসুর রহমান এবং নাট্যনির্মাণ করেছেন আশীষ খন্দকার। অভিনয়ে রয়েছেন মো. কামাল হোসেন, ফাহমিদা রহমান তৃষা, রিয়াদ মাহমুদ, হাফসা আক্তার, মো. আব্দুল আজিজ, মো. রফিকুল ইসলাম, রহিম পারভেজ, আল হাছিবুর রহমান, জাহাঙ্গীর সিকদার, ইমতিয়াজ আহমেদ দুলু ও হাফসা মাহমুদ ঋদ্ধি। নেপথ্যে নাট্যকার হিসেবে রয়েছেন আনিসুর রহমান। নাট্যনির্মাণের পাশাপাশি সঙ্গীত ও পোশাক পরিকল্পনায় আছেন আশীষ খন্দকার। সহযোগী নির্দেশক রিয়াদ মাহমুদ। মঞ্চ ও আলো পরিকল্পনা করেছেন পলাশ সেন হেনরী। নাটকটির নির্মাণে সহযোগিতা করছে বিডিজবস ডট কম ও সাইমন কালিনারী ইনস্টিটিউট। লিভিং থিয়েটারের পরীক্ষামূলক ভাষায় নির্মিত ‘দোজখের শেষ মেয়েটি’ সমকালীন বাংলা মঞ্চনাটকে নতুন অভিজ্ঞতা তৈরি করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এখন দর্শকদের অপেক্ষা ২৮ আগস্টের উদ্বোধনী মঞ্চায়নের। আরটিভি/জেএমএ
লিভিং থিয়েটারের ভাষায় ‘দোজখের শেষ মেয়েটি’, মঞ্চায়ন ২৮ আগস্ট
আরও পড়ুন
হাইকোর্টের পর এবার শিল্পকলার সামনে ককটেল বিস্ফোরণ
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে নৃত্যাঞ্চলের বর্ণাঢ্য রজতজয়ন্তী উৎসব
‘বৈষম্যহীন সংস্কৃতি গড়তে সরকারের লক্ষ্য ইনক্লুসিভ সোসাইটি তৈরি’
চৈত্রসংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষ উদযাপনে শিল্পকলায় ৫ দিনব্যাপী কর্মসূচি