
কলকাতার রাস্তায় দাঁড়িয়ে ফুচকা খাওয়া কিংবা ঠাসা ভিড়ের মধ্যে মিশে গিয়ে ঠাকুর দেখা তারকাদের জন্য যেন অনেকটাই স্বপ্নের মতো। জনপ্রিয়তার কারণে চাইলেও সাধারণ মানুষের মতো স্বচ্ছন্দে রাস্তায় বের হতে পারেন না তারা।
তবে ব্যতিক্রম টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার। বন্ধুদের সঙ্গে কলকাতার রাস্তায় বেরিয়ে পূজার আনন্দ উপভোগ করতে বেশ পছন্দ করেন তিনি।
চলতি বছর মধুমিতার জন্য দুর্গাপূজা আরও বিশেষ। কারণ বিয়ের পর এটিই তার প্রথম পূজা। তবে স্বামীর সঙ্গে প্যান্ডেল হপিংয়ের চেয়ে বন্ধুদের সঙ্গে রাস্তায় বেরিয়ে ঠাকুর দেখাতেই বেশি আনন্দ পান অভিনেত্রী।
তারকা হওয়ায় রাস্তায় বের হলে ভক্তদের চিনে ফেলার আশঙ্কা থাকেই। তাই ভিড়ের মধ্যে নিজেকে আড়াল রাখার কৌশলও রপ্ত করেছেন মধুমিতা। সম্প্রতি ‘দ্য ওয়াল’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সেই কৌশলই জানিয়েছেন তিনি।
মধুমিতা বলেন, আমি ভিড়ের মধ্যে খুব সহজে মিশে যেতে পারি। আমি মানুষের চোখের দিকে তাকাই না। একদম মাটির দিকে তাকিয়ে এগিয়ে যাই। ঠাকুর দেখেই আবার চট করে বেরিয়ে যাই। পূজার সময় সবাই নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত থাকে, তাই চট করে কেউ নজর দেয় না।
তবে সবসময় যে এত সহজে রক্ষা পান, তা নয়। এমনই এক মজার অভিজ্ঞতার কথাও জানিয়েছেন অভিনেত্রী।
মধুমিতা বলেন, অনেক সময় এমন হয়েছে একটি জায়গায় গাড়ি রেখে আমরা হাঁটতে হাঁটতে অনেকটা বেরিয়ে গেছি। আবার বাসে করে ফিরেছি, যেখানে গাড়ি রাখা আছে। বন্ধুরা প্রথমে কিছু বলে না; কিন্তু ঠিক যখন বাস থেকে নামতে যাব, তখন ওদের মধ্যে কেউ একজন বলে দেয় ওটা পাখি না! বাসের অন্য যাত্রীরা কিছু বোঝার আগেই বন্ধুরা আমার হাত ধরে নামিয়ে নিয়ে চলে যায়।
তারকার পরিচয় আড়াল করে সাধারণ মানুষের মতো পূজার আনন্দ উপভোগের এই অভিজ্ঞতাই মধুমিতার কাছে আলাদা আনন্দের। তাই মজার ছলে অভিনেত্রীর মন্তব্য, এগুলো না হলে আর পূজার আনন্দ কী!
আরটিভি/এসকে


