ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

১৫ ডিসেম্বর: ইতিহাসে আজকের এই দিনে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৫:৫৪ এএম
ফাইল ছবি

ঘটে যাওয়া আজকের এই দিনের ঘটনা, অনেক আলোচিত-সমালোচিত ব্যক্তির জন্ম-মৃত্যু আমরা জানতে চাই। পাঠকের এ চাওয়া মাথায় রেখে নিয়মিত আয়োজন ‘ইতিহাসের এই দিনে’।

আজ সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫। ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ। ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া নানান ঘটনা।

ঘটনাবলি

১২৫৬ - হালাকু খান বর্তমান ইরানের আলামুত ও হাসাসুন শহর দখল ও ধ্বংস করেন। এর মাধ্যমে এ এলাকার ইসলামি শক্তির ওপর প্রথম আঘাত আনেন।
১৫১৬ - দক্ষিণ আমেরিকায় আর্জেন্টিনার উপকূল আবিস্কৃত হওয়ার এক বছর পর স্পেনের প্রথম অভিবাসি দলটি ওই এলাকায় প্রবেশ করে।
১৬৪০ - পর্তুগালের রাজা হিসেবে চতুর্থ জোহানের অভিষেক।
১৭৯১ - যুক্তরাস্ট্র বিল আইন হয়ে ভার্জিনিয়া সাধারণ অধিবেশনে আইন হিসেবে গৃহীত হয়।
১৭৯২ - যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম জীবন বিমা পলিসি জারি হয়।
১৮৫৭ - সিলেটের সিপাহিদের বিদ্রোহ হয়।
১৮৫৯ - চার্লস ডারউইনের বিবর্তনবাদ সম্পর্কিত গ্রন্থ ‘অরিজিন অফ দ্য এস্পিচেস’-এর প্রকাশ।
১৮৭৭ - টমাস এডিসন ফোনোগ্রাফ প্যাটেন্ট করেন।
১৯০৬ - লন্ডনের পাতাল রেলপথ চালু।
১৯১৪ - গ্যাস বিস্ফোরণে জাপানের মিটসুবিসি কয়লা খনিতে ৬৮৭ জন নিহত। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: সার্বিয়ার সেনাবাহিনী অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান সেনাবাহিনীকে পরাজিত করে বেলগ্রেড দখল করে।
১৯২৮ - ব্রিটেনে সর্বপ্রথম টিভি নাটক প্রদর্শিত হয়।
১৯২৯ - কলকাতায় কবি নজরুলকে গণসংবর্ধনা দেয়া হয়।
১৯৩৯ - বিশ্বখ্যাত সিনেমা গন্ড অব দ্য উইন্ডের প্রিমিয়ার হয় জর্জিয়ার আটলান্টার লুইস গ্যান্ড থিয়েটারে।
১৯৪১ - আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠিত হয়। ইউক্রেনের কিয়েভে জার্মান সেনাবাহিনী ১৫ হাজার ইহুদিকে হত্যা করে।
১৯৪৫ - জাপান দখলের পর জেনারেল ডগলাস ম্যাকআর্থার শিন্তো ধর্মকে জাপানের রাষ্ট্রধর্ম বাতিল করেন।
১৯৪৯ - পেইচিংয়ে চীনা গণ পররাষ্ট্র ইনস্টিডিউট প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৬১ - জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ জাতিসংঘে চীনের অন্তর্ভুক্তির পক্ষে ভোট দেয়। বিখ্যাত নাজি নেতা অ্যাডলফ আইখম্যানকে ইহুদি হত্যাসহ পনেরটি অপরাধে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় ইসরাইলের রাজধানী জেরুজালেমে।
১৯৬৫ - বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড়ে ১০ হাজার লোকের প্রাণহানি ঘটে।
১৯৭০ - সোভিয়েত মহাকাশযান ভিনিরা-৭ সফলভাবে ভেনাসে ল্যান্ড করে।
১৯৭৫ - পশ্চিম আফ্রিকায় অবস্থিত পশ্চিম সাহারা এলাকা থেকে স্প্যানিশরা সরে আসার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে।
১৯৭৬ - সামোয়া জাতিসংঘের সদস্য পদ পায়।
১৯৭৭ - জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগ দল) গঠিত হয়।
১৯৮৮ - যুক্তরাষ্ট্র পিএলওর সঙ্গে সরাসারি সংস্রবের ক্ষেত্রে ১৩ বছরের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়।
১৯৯৩ - সাত বছর আলোচনার পর ১১৭টি দেশ গ্যাট চুক্তিতে সম্মত হয়।
১৯৯৪ - পালউ জাতিসংঘে সদস্যপদ লাভ করে।
২০০৪ - ইংরেজিতে ২৪ ঘণ্টা সম্প্রচারিত স্যাটেলাইট চ্যানেল চালুর বিষয়ে আল-জাজিরার ঘোষণা।
২০০৬ - ঢাকার ধানমন্ডির শংকরে ছায়ানট সংস্কৃতি ভবনের উদ্বোধন করা হয়।
২০০৭ - অস্ট্রেলিয়ায় পার্লামেন্ট নির্বাচনে দেশটির ৭৮ বছরের ইতিহাসে কোনো প্রধানমন্ত্রী (জন হাওয়ার্ড) নিজ আসনে পরাজিত হন।
২০২১ - কলকাতার দুর্গাপূজা ইউনেস্কোর আবহমান অধরা বা অস্পর্শনীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের শিরোপা লাভ করে।

জন্ম

৩৭ - নিরো, রোমান সম্রাট।
১৬২৬ - গ্রেগরি কিং, ইংরেজ পরিসংখ্যানবিদ।
১৭৯৭ - উইলিয়াম ইয়েটস, শিক্ষাবিদ ও বহু ভাষাবিদ, বাংলা মুদ্রণ শিল্পের পথিকৃৎ।
১৮৩২ - গুস্তাভ আইফেল, ফরাসি প্রকৌশলী, আইফেল টাওয়ারের স্থপতি।
১৮৫২ - অঁরি বেকেরেল, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী।
১৮৫৯ - লুডভিক লাযারুস জামেনহোফ, পোলিশ চিকিৎসক, সাহিত্যিক ও ভাষাবিদ।
১৮৭০ - জোসেক হফম্যান, মার্কিন স্থপতি।
১৯০০ - সতীশচন্দ্র সামন্ত, ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী ও সাবেক লোকসভা সদস্য।
১৯০৫ - ইরাবতী কার্বে ভারতের নৃবিজ্ঞানী, সমাজবিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ এবং লেখক।
১৯০৬ - বন্দে আলী মিয়া, বাঙালি কবি।
১৯০৮ - রামকৃষ্ণ মিশনের ত্রয়োদশ অধ্যক্ষ স্বামী রঙ্গনাথানন্দ।
১৯১৬ - মরিস উইলকিন্স, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ জীবপদার্থবিজ্ঞানী।
১৯৩৩ - এমাজউদ্দিন আহমদ, বাংলাদেশি রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য।
১৯৩৫ - একেএম আবদুর রউফ, বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী, বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানের হস্তলেখক।

মৃত্যু

১২৬৩ - নরওয়ের রাজা চতুর্থ হ্যাকন।
১৯২৫ - প্রগতিবাদী সমাজসেবী শশীপদ বন্দ্যোপাধ্যায়।
১৯৪০ - মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী বাংলাভাষার লেখক এবং সাংবাদিক।
১৯৪১ - গাব্রিয়েল পেরি, জার্মান নাৎসি বাহিনী ফরাসি কমিউনিস্ট নেতা।
১৯৫০ - বল্লভভাই প্যাটেল উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামী ও জাতীয়তাবাদী নেতা।
১৯৬৬ - ওয়াল্টার এলিয়াস ডিজনি, মার্কিন চলচ্চিত্র প্রযোজক, নির্দেশক, কাহিনীকার, নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী ও অ্যানিমেটর।
২০০০ - গৌরকিশোর ঘোষ, বাঙালি সাংবাদিক ও সাহিত্যিক।
২০০৬ - নিতুন কুণ্ডু, বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী ও উদ্যোক্তা।
২০০৭ - নবেন্দু ঘোষ, ভারতীয় বাঙালি লেখক ও চিত্রনাট্যকার।
২০১৬ - হাইকোর্টের বিচারপতি জে এন দেব চৌধুরী।
২০২০ - সুধীর চক্রবর্তী, বাঙালি অধ্যাপক, লেখক, সঙ্গীত-গবেষক এবং লোকসংস্কৃতি বিশেষজ্ঞ।

আরটিভি/একে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৬০০ বছর আগে বিলুপ্ত হওয়া মোয়া পাখিকে প্রকৃতিতে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বায়োটেকনোলজি প্রতিষ্ঠান কলোসাল বায়োসায়েন্সেসের বিজ্ঞানীরা প্রায় ৬০০ বছর আগে পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া বিশালাকার মোয়া পাখিকে আবার প্রকৃতিতে ফিরিয়ে আনার উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। এটি ‘জুরাসিক পার্ক’ সিনেমার মতো কল্পকাহিনির আদলে বাস্তবায়িত হওয়ার চেষ্টা। এর আগে প্রতিষ্ঠানটি প্রাগৈতিহাসিক ডায়ার উলফ বা নেকড়ে ফিরিয়ে আনার কাজেও আলোচনায় এসেছিল। মোয়া ছিল নিউজিল্যান্ডের উড়তে না পারা বিশালাকার পাখি, যার উচ্চতা প্রায় ১২ ফুট এবং ওজন ৫০০ পাউন্ডের বেশি ছিল। মাওরি জনগোষ্ঠী নিউজিল্যান্ডে বসতি স্থাপনের পর অতিরিক্ত শিকারের কারণে এই বিশালাকার পাখিটি বিলুপ্ত হয়ে যায়। এই প্রকল্পে ‘লর্ড অব দ্য রিংস’খ্যাত পরিচালক স্যার পিটার জ্যাকসনও যুক্ত রয়েছেন এবং তিনি প্রকল্পের একজন প্রধান বিনিয়োগকারী। নিউজিল্যান্ডের নাই টাহু রিসার্চ সেন্টার, মাওরি সম্প্রদায় ও ইউনিভার্সিটি অব ক্যান্টারবেরির সঙ্গে সমন্বয়ে কাজ করা হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, মোয়া ফিরিয়ে আনা ডায়ার উলফের চেয়ে অনেক বেশি জটিল কারণ মোয়ার নিকটতম জীবিত আত্মীয় ‘টিনামু’ পাখির সঙ্গে বিবর্তনের দূরত্ব কোটি কোটি বছর। নতুন পরিকল্পনায় কোনো জীবিত পাখির ভ্রূণে জেনেটিক্যালি মোয়ার কোষ স্থাপন করা হবে, যা ডিম ও শুক্রাণু তৈরি করতে পারবে। পরবর্তীতে সেই ডিম থেকে মোয়ার ছানা জন্ম নিতে পারে। বর্তমানে ইমু পাখিকে সারোগেট হিসেবে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, কারণ ইমুর উচ্চতা মোয়ার কাছাকাছি হলেও মোয়ার ডিম ইমুর চেয়ে অনেক বড় হওয়ায় ভ্রূণ বৃদ্ধিতে সমস্যা হতে পারে। এই প্রকল্প সফল হলে, বিলুপ্ত মোয়া পাখির পুনরুত্থান হবে এবং প্রকৃতিতে তার অবদান ফিরে আসবে। সূত্র: এনডিটিভি আরটিভি/এসকে
৬০০ বছর আগে বিলুপ্ত হওয়া মোয়া পাখিকে প্রকৃতিতে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ
২৯ ডিসেম্বর: ইতিহাসে আজকের এই দিনে
ঘটে যাওয়া আজকের এই দিনের ঘটনা, অনেক আলোচিত-সমালোচিত ব্যক্তির জন্ম-মৃত্যু আমরা জানতে চাই। পাঠকের এ চাওয়া মাথায় রেখে নিয়মিত আয়োজন ‘ইতিহাসের এই দিনে’। আজ সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫। ১৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ। ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া নানান ঘটনা। ঘটনাবলি ১৫০৩ - ক্যারিগনিয়ানোর যুদ্ধে স্পেনের কাছে ফ্রান্স পরাজিত হয়।১৭৭৮ - যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধ: সাড়ে তিন হাজার ব্রিটিশ সেনাসহ লেফটেন্যান্ট কর্নেল আর্চবেল্ড ক্যামবেল জর্জিয়াতে বন্দি হন। ইংরেজ সেনাবাহিনী জর্জিয়ার সাভানাহ দখল করে।১৮৬০ - ব্রিটেনের প্রথম লৌহবৃত্ত যুদ্ধজাহাজ এইচএমএস ওয়ারিয়র সাগরে ভাসানো হয়।১৮৯০ - যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ডাকোটার ওনডেড নি খাড়িতে আন্দোলনরত আদিবাসীদের ওপর নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায় মার্কিন সেনারা। এতে ১৫৩ জন নিহত হন, যার বেশিরভাগ ছিল নারী ও শিশু। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের আদিবাসীদের ভূমি রক্ষার আন্দোলনের চির সমাপ্তি ঘটে। ইতিহাসে এটি ‘ওনডেড নি হত্যাযজ্ঞ’ নামে কুখ্যাত হয়ে আছে।১৯১১ - সান ইয়াৎ সেন চীনের অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ পান। খান সাম্রাজ্য থেকে মঙ্গোলিয়ার স্বাধীনতা লাভ।১৯৩০ - স্যার মো. ইকবাল দুই দেশ ভাগ করা ও পাকিস্তান নির্মাণের জন্য একটা রূপরেখা প্রকাশ করেন।১৯৪০ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: লন্ডনে বিমান হামলার ফলে সেকেন্ড গ্রেট ফায়ার লন্ডন সৃষ্টি হয়। এতে প্রায় ২০০ সাধারণ মানুষ নিহত হন।১৯৭২ - ভারতের কলকাতায় প্রথম মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। মার্কিন পত্রিকা ‘লাইফ’-এর প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যায়।১৯৭৫ - নিউইর্য়কের লা গ্রেডিয়া এয়ারপোর্টে বোমা বিস্ফোরণে ১১ জন নিহত ও ৭৪ জন আহত হন।১৯৮৯ - ১৯৪৮-এর পর চেকোস্লাভাকিয়ার প্রথম অকমিউনিস্ট প্রেসিডেন্ট হলেন ভাকলাভ হাভেল।১৯৯২ - কেনিয়ায় ২৫ বছর পর প্রথম প্রেসিডেন্ট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।১৯৯৬ - গুয়েতামালা সরকারের সঙ্গে গুয়েতামালার গেরিলা সংগঠন গুয়েতামালা ন্যাশনাল রেভুলেশন ইউনিয়নের নেতাদের সঙ্গে শান্তি চুক্তি করা হয়। এর ফলে দীর্ঘ ৩৬ বছরের গৃহযুদ্ধ শেষ হয়।২০০০ - বাংলাদেশে ঈদুল আজহার রাতে চাঁদপুরের মতলব উপজেলার ষাটনল এলাকায় মেঘনা নদীতে এমভি জলকপোত এবং এমভি রাজহংসী নামের দুটি যাত্রীবাহী লঞ্চের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে রাজহংসী লঞ্চটি পানিতে তলিয়ে যায়। ওই লঞ্চের ১৬২ জন যাত্রীর প্রাণহানি হয়েছিল।২০০৪ - বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান টেলিটক যাত্রা শুরু করে।২০০৮ - বাংলাদেশে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট বিজয়ী হয়। জন্ম ৭৬৫ - আলী আর-রিদা, দ্বাদশী শিয়া মুসলমানদের অষ্টম ইমাম।১৭০৯ - পিটার দ্য গ্রেটের কন্যা এলিজাবেথ পেত্রোভনা।১৮০০ - ভলকানাইজড রাবারের উদ্ভাবক চার্লস গুডইয়ার।১৮০৮ - এন্ড্রু জন‌সন, যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তদশ প্রেসিডেন্ট।১৮৪৪ - উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ভারতীয় ব্যারিস্টার, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম সভাপতি।১৮৬৩ - সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠাতা।১৮৭৩ - সাহিত্যিক, সংগীতশিল্পী ইন্দিরা দেবী চৌধুরানী।১৯১৪ - শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন, বাংলাদেশি প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী।১৯১৭ - রামায়ণ (টেলিভিশন ধারাবাহিক) খ্যাত হিন্দি চলচ্চিত্র পরিচালক রামানন্দ সাগর।১৯২৬ - নোবেলজয়ী পাকিস্তানি পরমাণু বিজ্ঞানী আবদুস সালাম (পদার্থবিজ্ঞানী)।১৯৩৪ - নিত্যপ্রিয় ঘোষ, ভারতীয় বাঙালি প্রাবন্ধিক ও রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ।১৯৪২ - রাজেশ খান্না, ভারতীয় ফিল্ম তারকা।১৯৪৯ - সৈয়দ কিরমানী, ভারতীয় ক্রিকেটার।১৯৬০ - ডেভিড বুন, অস্ট্রোলিয়ান ক্রিকেটার।২০০২ - মুসফেকুস সোয়ালেহীন ফাহাদ। তিনি বিখ্যাত সৎ মানুষ সারতাজ আরেফিনের ভাই। মৃত্যু ১৮৯১ -জার্মান গণিতবিদ লিওপল্ড ক্রোনেকার।১৯২২ - অম্বিকাচরণ মজুমদার, বাঙালি রাজনীতিবিদ, আইনজীবী, সমাজসেবী এবং ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন।১৯২৬ -জার্মান কবি রাইনার মারিয়ার রিলক।১৯৭৯ - ভূপেন্দ্র কুমার দত্ত, ভারতীর, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী এবং বিপ্লবী।১৯৯৫ - মোনাজাতউদ্দিন, বাংলাদেশি সাংবাদিক।২০০৩ - সালমা সোবহান, বাংলাদেশের প্রখ্যাত ব্যরিস্টার, শিক্ষক, মানবাধিকারকমী।২০০৬ - নজরুলগীতির জনপ্রিয় শিল্পী ধীরেন বসু।২০১২ - টনি গ্রেগ, ইংরেজ টেস্ট ক্রিকেটার ও ক্রিকেট ধারাভাষ্যকার।২০১৫ - প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী সুবীর সেন।২০২০ - পিয়েরে কার্দিন বিশ্ব বিখ্যাত ফরাসি ফ্যাশন ডিজাইনার।২০২২ - বিশ্বখ্যাত ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার এডসন আরান্তেস দো নাসিমেন্তো, সারা বিশ্বে যিনি পেলে নামে বিখ্যাত।  আরটিভি/একে
২৯ ডিসেম্বর: ইতিহাসে আজকের এই দিনে
বৈবাহিক সম্পর্কে প্রতারণা, জেন জি’রা কীভাবে দেখেন
২০২৫ সালে দাঁড়িয়ে সম্পর্কের সংজ্ঞা বদলেছে আমূল। ল্যান্ডফোনের জমানায় বেড়ে ওঠা আশি বা নব্বই দশকের প্রজন্মের কাছে সম্পর্কের যে ব্যাকরণ ছিল সহজ ও ছকে বাঁধা, বর্তমান সময়ে তা যেন নতুন মোড়কে নতুন এক গোলকধাঁধা। সম্প্রতি একটি কোল্ডপ্লে কনসার্টে এক বিলিয়নিয়ার কোম্পানির সিইও ও তার প্রতিষ্ঠানের এইচআর প্রধানের ‘অন্তরঙ্গ’ মুহূর্ত সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। যদিও এটি ব্যক্তিগত বিষয়, কিন্তু আধুনিক যুগের সম্পর্কের জটিলতা আর প্রতারণার সংজ্ঞাকে তা আবারও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। আজকের জেন জি প্রজন্মের অভিধানে প্রেম মানে কেবলই চিরস্থায়ী বন্ধন নয়। তাদের জীবন আবর্তিত হচ্ছে সিচুয়েশনশিপ, গোস্টিং আর ব্রেডক্রাম্বিংয়ের মতো নিত্যনতুন সব শব্দের ভিড়ে। সম্পর্কের ক্ষেত্রে দায়বদ্ধতা আর পিছুটান ছাপিয়ে এখনকার সময়ে ব্যক্তিভেদে সম্পর্কের অর্থও আলাদা। ২১ বছর বয়সী নিলুফার (ছদ্মনাম) কাছে যেমন জীবনের স্বাধীনতা আর অভিজ্ঞতাই মুখ্য। তার কাছে সম্পর্কের চূড়ান্ত পরিণতি মানেই বিয়ে নয়, বরং সফল হওয়া এবং নিজেকে শানিয়ে তোলা। সম্পর্কের ‘সীমানা’ বিষয়েও তার দৃষ্টিভঙ্গি বেশ নমনীয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্য কাউকে লাইক দেওয়াকে সে প্রতারণা মনে করে না। এমনকি সঙ্গী অন্য কাউকে ডেটে নিয়ে গেলে সেও নিজের সুবিধা ও স্বাধীনতা অনুযায়ী চলায় বিশ্বাসী। অন্যদিকে, কর্মজীবনের ব্যস্ততা ও করপোরেট সংস্কৃতির চাপ সম্পর্কের বিশ্বস্ততাকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে ঠেকেছে। ২৫ বছর বয়সী আবেদ (ছদ্মনাম), যিনি একটি বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরত, তার মতে সারাদিনের দীর্ঘ সময় সহকর্মীদের সাথে কাটানোর পর আলাদাভাবে রোমান্টিক সম্পর্কে মনোযোগ দেওয়া বেশ কঠিন। তার চারপাশের বিবাহিত সহকর্মীদের দেখে তিনি বুঝেছেন, বর্তমান সময়ে স্বামী বা স্ত্রীর প্রতি বিশ্বস্ততার টান অনেকটাই ফিকে হয়ে এসেছে। ফলে দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্কের বদলে ফারহান এখন ক্যাজুয়াল ডেটিংয়েই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। আরও পড়ুন নিঃশব্দে সম্পর্ক ভেঙে দেয় যে ৩ অভ্যাস তার ভাষায়, একজনের প্রতি বিশ্বস্ত থাকাটা বেশ ঝামেলার কাজ। মজার ছলে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ২০২৫ সালেও কি ‘সত্যিকারের ভালোবাসা’ বলে কিছু টিকে আছে? সাধারণত সম্পর্কের প্রতারণাকে নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখা হলেও বর্তমান প্রজন্মের কাছে এর সংজ্ঞা ব্যক্তিভেদে ভিন্ন। আর্থিক টানাপোড়েন, পারিবারিক সমস্যা বা ব্যক্তিগত অপূর্ণতা মানুষকে অনেক সময় নতুন সঙ্গীর দিকে ঠেলে দেয়। অনেকে মনে করেন, তৃতীয় ব্যক্তির আগমনেই সম্পর্কের মৃত্যু ঘটে এবং কিছু সীমারেখা কখনোই অতিক্রম করা উচিত নয়। কিন্তু এই সীমারেখা ঠিক কোথায় টানা হবে, তা নিয়েই এখনকার প্রজন্মের সাথে আগের প্রজন্মের রয়েছে বিস্তর মতভেদ। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে সম্পর্কের ধরন যত জটিল হচ্ছে, ততই বিস্ময় নিয়ে পুরনো প্রজন্ম দেখছে জেন জি’র এই বিবর্তনশীল প্রেম আর প্রতারণার নতুন সংজ্ঞায়ন। আরটিভি/এএইচ
বৈবাহিক সম্পর্কে প্রতারণা, জেন জি’রা কীভাবে দেখেন
কাটা কান পায়ের পাতায় বাঁচিয়ে রেখে মাথায় বসালেন চিকিৎসকরা
চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক অভিনব ও নজিরবিহীন সফলতা অর্জন করলেন চীনের শানডং প্রভিন্সিয়াল হাসপাতালের চিকিৎসকরা। এক ভয়াবহ শিল্প দুর্ঘটনায় এক নারীর বিচ্ছিন্ন হওয়া কান পায়ের পাতার ত্বকের নিচে সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে, কয়েক মাস পর সেটি সফলভাবে আবার মাথায় প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এটি বিশ্বে প্রথম এই ধরনের অস্ত্রোপচার। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনায় ওই নারীর মাথার চামড়া এবং একটি কান পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। মুখমণ্ডল ও ঘাড়ের ত্বকও ছিন্নভিন্ন হওয়ায় সরাসরি কান পুনঃস্থাপন সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হাসপাতালের মাইক্রোসার্জারি ইউনিটের প্রধান কিউ শেনকিয়াং এক অভিনব পদ্ধতি গ্রহণ করেন। চিকিৎসকরা কানটি পচন থেকে রক্ষা করতে এবং রক্ত সঞ্চালন সচল রাখতে নারীর পায়ের পাতার ত্বকের নিচে সেটি প্রতিস্থাপন করেন। পায়ের রক্তনালীর মাধ্যমে কানটি সজীব রেখে রাখা হয় যতক্ষণ না মাথার ক্ষত শুকিয়ে আবার পুনঃস্থাপনের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়। দীর্ঘ কয়েক মাসের সংরক্ষণের পর সম্প্রতি সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কানটি পা থেকে বিচ্ছিন্ন করে আবার মাথায় বসানো হয়। বর্তমানে কানটি সুস্থ এবং সেখানে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রয়েছে। আরও পড়ুন ২৬টি মামলা জিতে অবশেষে গ্রেপ্তার ‘ভুয়া আইনজীবী’ এই অপারেশন চিকিৎসাবিজ্ঞানে এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে এবং ভবিষ্যতে জটিল বিচ্ছিন্ন অঙ্গ পুনঃস্থাপনের ক্ষেত্রে নতুন উদাহরণ স্থাপন করেছে। আরটিভি/এসকে
কাটা কান পায়ের পাতায় বাঁচিয়ে রেখে মাথায় বসালেন চিকিৎসকরা
২৬টি মামলা জিতে অবশেষে গ্রেপ্তার ‘ভুয়া আইনজীবী’
কেনিয়ায় এক অবিশ্বাস্য কাহিনি সামনে এসেছে যেখানে ব্রায়ান মওয়েন্ডা ন্টউইগা নামের এক ব্যক্তি নিজেকে দক্ষ আইনজীবী পরিচয় দিয়ে টানা ২৬টি মামলা জিতে সবাইকে স্তম্ভিত করে তুলেছিলেন। কিন্তু এক রহস্য ফাঁস হলে জানা যায়, তার আইন বিষয়ে কোনো প্রশিক্ষণ বা যোগ্যতা ছিল না। ব্রায়ান অত্যন্ত চালাক ও চতুর। তিনি হ্যাক করে কেনিয়ার ল’ সোসাইটির পোর্টালে আসল আইনজীবীদের প্রোফাইলে নিজের ছবি বসিয়ে দেন। ফলে বিচারক এবং ক্লায়েন্টরা কেউই বুঝতে পারেননি যে তিনি আসলে একজন ভুয়া আইনজীবী। তার আত্মবিশ্বাসী বক্তব্য এবং কোর্টরুমে দৃঢ় উপস্থিতি তাকে দীর্ঘদিন ধরে সবাইকে বোকা বানিয়ে রাখতে সাহায্য করেছিল। কিন্তু অবশেষে তার প্রতারণার ছদ্মবেশ ধরা পড়ে। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে এবং এই ঘটনা এখন কেনিয়ার বিচারব্যবস্থা ও আইনজীবীদের যাচাই–বাছাই প্রক্রিয়ার উপর নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। আরও পড়ুন এবার ক্যানসার সারাবে ব্যাঙ-গিরগিটি আইনের মতো গুরুতর ক্ষেত্রেও যথাযথ যাচাই এবং সতর্কতা জরুরি, যাতে আইনজীবীর আসল পরিচয় ও যোগ্যতা নিশ্চিত করা যায় এবং প্রতারণার সুযোগ না থাকে। আরটিভি/এসকে
২৬টি মামলা জিতে অবশেষে গ্রেপ্তার ‘ভুয়া আইনজীবী’
আরও পড়ুন
২৯ ডিসেম্বর: ইতিহাসে আজকের এই দিনে
২২ ডিসেম্বর: ইতিহাসে আজকের এই দিনে
একটানা ৬৮৪টি গান গেয়ে মিউজিক দুনিয়াকে চমকে দিলেন যে ব্যক্তি
মুক্তিযুদ্ধ বিকৃত করলে জনগণ ক্ষমা করবে না: ইশরাক