ঢাকা শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

পুরোনো জুতা গাড়ির পেছনে ঝুলানোর রহস্য জানলে অবাক হবেন!

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:২৬ পিএম
গাড়ির পেছনে জুতা ঝুলানো হয় কেন? আসল রহস্য জানলে অবাক হবেন!। ছবি: সংগৃহীত

রাস্তায় চলাচলের সময় ট্রাক, বাস কিংবা মালবাহী গাড়ির পেছনে ঝুলতে থাকা একটি পুরোনো জুতা-এই দৃশ্য দক্ষিণ এশিয়ায় খুবই পরিচিত। অনেকেই একে কুসংস্কার বা ‘নজর টোটকা’ বলে মনে করেন। তবে বাস্তবে এর পেছনে রয়েছে একটি চমকপ্রদ দেশীয় কৌশল, যা গাড়ির অতিরিক্ত ওজন বা ওভারলোড পরিমাপে ব্যবহৃত হয়ে আসছে বহু বছর ধরে।

ওভারলোড মাপার দেশি প্রযুক্তি

অভিজ্ঞ চালকদের ভাষ্য অনুযায়ী, গাড়ির পেছনে জুতা ঝুলানো আসলে একটি সহজ ও কার্যকর যান্ত্রিক ইঙ্গিতক ব্যবস্থা। মালবাহী ট্রাক বা বাসে যত বেশি মালামাল বা যাত্রী ওঠানো হয়, গাড়ির পেছনের অংশ তত নিচের দিকে দেবে যায়।

জুতা মাটি ছুঁলে: গাড়ি ওভারলোড হয়ে গেছে-আর মাল বা যাত্রী তোলা যাবে না।

জুতা মাটি না ছুঁলে: গাড়িতে এখনো নির্ধারিত সীমার মধ্যে ওজন বহনের সক্ষমতা রয়েছে।

চালকদের মতে, এই পদ্ধতি অতিরিক্ত ওজনের কারণে টায়ার ফেটে যাওয়া, এক্সেল ভেঙে যাওয়া বা দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে।

সহজ, সস্তা কিন্তু কার্যকর

আধুনিক লোড সেন্সর না থাকায় পুরোনো বা গ্রামাঞ্চলের অনেক ট্রাকে এখনো এই পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। কোনো বিদ্যুৎ, সফটওয়্যার বা যন্ত্রাংশ ছাড়াই এটি একটি ভিজ্যুয়াল সেন্সর হিসেবে কাজ করে।

কুসংস্কার ও লোকবিশ্বাসও রয়েছে। তবে শুধু কারিগরি কারণই নয়, জুতা ঝুলানোর পেছনে রয়েছে নানা লোকজ বিশ্বাসও।

নজর লাগা থেকে রক্ষা: অনেক চালক মনে করেন, পুরোনো ও নোংরা জুতা ঝুলিয়ে রাখলে মানুষের কুদৃষ্টি গাড়ির ওপর পড়ে না।

অশুভ শক্তি প্রতিরোধ: দূরপাল্লার চালকদের বিশ্বাস, এটি অশুভ শক্তিকে দূরে রাখে।

ঐতিহ্য ও প্রতীক: কিছু ক্ষেত্রে এটি নিছক অভ্যাস বা প্রথায় পরিণত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব বিশ্বাসের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি না থাকলেও সামাজিক বাস্তবতায় এগুলো এখনও প্রচলিত।

জুতা নয়, কখনো শিকল

অনেক ট্রাকের পেছনে জুতার বদলে লোহার শিকল ঝুলতে দেখা যায়। এটি একদিকে ওভারলোড বোঝাতে সাহায্য করে, অন্যদিকে ঘর্ষণজনিত স্থির বিদ্যুৎ (স্ট্যাটিক ইলেকট্রিসিটি) মাটিতে পাঠাতে সহায়ক বলে ধারণা করা হয়।

আরও পড়ুন

প্রাইভেট কারে কেন জুতা?

শহরের কিছু প্রাইভেট কারেও জুতা ঝুলতে দেখা যায়। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব ক্ষেত্রে এটি প্রায় পুরোপুরি কুসংস্কার বা প্রতীকী বিশ্বাসের অংশ-কারিগরি প্রয়োজন নয়।

আধুনিক প্রযুক্তির যুগে প্রাসঙ্গিকতা

বর্তমানে আধুনিক ট্রাক ও বাসে ডিজিটাল লোড সেন্সর ব্যবহৃত হচ্ছে। তবুও অনেক পুরোনো যানবাহনে বা কম খরচে ঝুঁকি কমানোর জন্য আজও এই দেশি কৌশল ব্যবহৃত হচ্ছে।

আরটিভি/কেআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বছরে ১৬০ রাত বিদ্যুতের ঝলকানি, কোথায় দেখা যায় প্রকৃতির এই বিস্ময়?
রাতের আকাশজুড়ে একের পর এক বিদ্যুতের ঝলকানি। কখনও কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে, কখনও আবার এক মিনিটে কয়েক ডজন বার। প্রকৃতির এমনই এক বিস্ময়কর দৃশ্যের দেখা মেলে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায়। মারাকাইবো হ্রদের ওপর সংঘটিত এই বিরল প্রাকৃতিক ঘটনাটি পরিচিত ‘কাটাতুম্বো বজ্রপাত’ নামে। বছরে প্রায় ১৪০ থেকে ১৬০ রাত এই অঞ্চলে বজ্রঝড়ের দেখা মেলে বলে গবেষকদের পর্যবেক্ষণ। কোথায় দেখা যায় এই বিরল দৃশ্য? ভেনেজুয়েলার মারাকাইবো হ্রদের পশ্চিম দিকে, কাটাতুম্বো নদী যেখানে হ্রদে মিশেছে, সেই আশপাশের জলাভূমি অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় এই বজ্রপাত। স্থানীয় বারি জনগোষ্ঠীর ভাষায় ‘কাটাতুম্বো’ শব্দের অর্থ ‘বজ্রের ঘর’। নামের সঙ্গে এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের রয়েছে অদ্ভুত মিল। গবেষকদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কোনও কোনও রাতে প্রায় নয় ঘণ্টা ধরে আকাশে বিদ্যুতের ঝলকানি দেখা যায়। এক মিনিটে ১৬ থেকে ৪০ বার পর্যন্ত বজ্রপাতের ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে। স্যাটেলাইটভিত্তিক পরিসংখ্যানেও এই অঞ্চলকে বিশ্বের অন্যতম বজ্রপাতপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কেন এত ঘন ঘন বজ্রপাত হয়? এই অস্বাভাবিক ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে অঞ্চলের বিশেষ ভূপ্রকৃতি ও বায়ুমণ্ডলীয় পরিস্থিতি। মারাকাইবো হ্রদ ও সংলগ্ন জলাভূমি থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প বাতাসে মিশে যায়। অন্য দিকে, আন্দিজ়-সহ আশপাশের পর্বতশ্রেণি স্থানীয় বায়ুপ্রবাহকে প্রভাবিত করে। উষ্ণ ও আর্দ্র বাতাসের সঙ্গে তুলনামূলক ঠান্ডা বাতাসের সংঘাতে বায়ুমণ্ডলে অস্থিরতা তৈরি হয়। এর ফলে গড়ে ওঠে শক্তিশালী বজ্রঝড়। ঝড়ের মেঘের মধ্যে বৈদ্যুতিক চার্জ জমতে থাকলে ঘন ঘন বিদ্যুতের ঝলকানি দেখা যায়। এই অঞ্চলে বজ্রপাতের বড় অংশই মেঘের অভ্যন্তরে ঘটে। তবে কাটাতুম্বোতেই কেন এমন ঘটনা এত বেশি ঘটে, তার সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা এখনও মেলেনি। স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ, আর্দ্রতা, ঋতু পরিবর্তন এবং এল নিনোর মতো বৃহত্তর জলবায়ুগত প্রভাব এই ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করেন গবেষকেরা। কখন বেশি দেখা যায় এই বজ্রপাত? সারা বছর সমান তীব্রতায় বজ্রপাত হয় না কাটাতুম্বো অঞ্চলে। ঋতু ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে এর ঘনত্বও ওঠানামা করে। ২০১০ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত এই অঞ্চলে বজ্রপাত উল্লেখযোগ্য ভাবে কমে গিয়েছিল। সে সময়ে খরার প্রভাবকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এমনকি এই প্রাকৃতিক ঘটনা স্থায়ী ভাবে বন্ধ হয়ে গেল কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছিল। পরে অবশ্য আবার বজ্রপাতের ঘটনা দেখা যায়। গবেষকদের মতে, স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ ও বৃহত্তর জলবায়ুগত পরিবর্তন বিশ্লেষণ করে কয়েক মাস আগেও এই অঞ্চলে বজ্রপাতের সম্ভাবনা সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাওয়া সম্ভব। তবে নির্দিষ্ট কোনও রাতে কতটা বজ্রপাত হবে, তা নিশ্চিত করে বলা কঠিন। ‘মারাকাইবোর বাতিঘর’ নাম কেন? কাটাতুম্বো বজ্রপাতের ইতিহাস বহু পুরনো। ঔপনিবেশিক আমলের বিভিন্ন বিবরণেও এই প্রাকৃতিক ঘটনার উল্লেখ রয়েছে। ১৮২৬ সালে প্রুশীয় প্রকৃতিবিদ ও অভিযাত্রী আলেকজান্ডার ভন হামবোল্ট এবং ১৮৪১ সালে ইতালীয় ভূগোলবিদ অগাস্টিন কোডাজ্জিও এই অঞ্চলের বিদ্যুতের ঝলকানির বর্ণনা দেন। রাতের আকাশে বহু দূর থেকেও এই আলো দেখা যেত বলে একসময় একে ‘মারাকাইবোর বাতিঘর’ বলা হত। নাবিকদের কাছে এই দৃশ্য ছিল পরিচিত। ভেনেজুয়েলার জুলিয়া রাজ্যের সংস্কৃতি ও প্রতীকেও এই বজ্রপাতের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। স্থানীয় ওয়ায়ু, ইউকপা ও বারি জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি এবং বিশ্বাসের সঙ্গেও জড়িয়ে রয়েছে এই প্রাকৃতিক ঘটনা। পর্যটকদের কাছে কেন আকর্ষণীয়? রাতের অন্ধকারে হ্রদের জলরাশির ওপর একের পর এক বিদ্যুতের ঝলকানি, দূরের জলাভূমি আর ঝড়ের মেঘ সব মিলিয়ে কাটাতুম্বো অঞ্চলের দৃশ্য অনন্য। প্রকৃতিপ্রেমী ও পর্যটকদের কাছে তাই এই অঞ্চল বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্র। তবে বজ্রঝড়ের সময় সেখানে অবস্থান করা বিপজ্জনক। এই দৃশ্য দেখতে যাওয়ার পরিকল্পনা করলে স্থানীয় আবহাওয়ার পূর্বাভাস, নিরাপত্তা নির্দেশিকা এবং অভিজ্ঞ গাইডের পরামর্শ মেনে চলা জরুরি। প্রকৃতি ও ভূপ্রকৃতির বিশেষ সমন্বয়ে কী ভাবে তৈরি হতে পারে এমন বিস্ময়কর দৃশ্য, তারই এক অনন্য উদাহরণ ভেনেজুয়েলার কাটাতুম্বো বজ্রপাত। বছরের পর বছর ধরে রাতের আকাশে এই বিদ্যুতের খেলা মানুষকে মনে করিয়ে দেয়, পৃথিবীতে এখনও এমন অনেক প্রাকৃতিক রহস্য রয়েছে, যা বিজ্ঞানীদের কাছেও গবেষণার বিষয়। আরটিভি/এসকে
বছরে ১৬০ রাত বিদ্যুতের ঝলকানি, কোথায় দেখা যায় প্রকৃতির এই বিস্ময়?
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তেমনই কিছু ঘটনা।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
জমি কিনে দলিল করার আগে যাচাই জরুরি ৭ বিষয়
জমি কেনাকে নিরাপদ একটি বিনিয়োগ মনে করেন অনেকেই। তবে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ছাড়া দলিল তৈরি বা নিবন্ধন করলে এই নিরাপদ বিনিয়োগই ভবিষ্যতে হয়ে ওঠে কান্নার কারণ; আইনি জটিলতার পাশাপাশি সম্মুখীন হতে হয় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির।
জমি কিনে দলিল করার আগে যাচাই জরুরি ৭ বিষয়
নদী থেকে সোনার কণা সংগ্রহ করে প্রেমিকার জন্য আংটি বানালেন যুবক
প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে বাজার থেকে আংটি না কিনে নিজেই সোনা সংগ্রহ করে ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডোর এক যুবক। কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন নদী থেকে সোনার কণা সংগ্রহ করে সেসব দিয়ে তৈরি করেছেন দীর্ঘদিনের প্রেমিকার জন্য বাগদানের আংটি। ভালোবাসার এই অনন্য উপহার পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তার প্রেমিকা জোয়ান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ‘দ্য পিপল’-এর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, কলোরাডোর হুইট রিজ এলাকার বাসিন্দা জ্যাক ভলকানি প্রেমিকা জোয়ানকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন। এ সময় বাজার থেকে আংটি কেনার পরিবর্তে নিজের হাতে তৈরি করার চিন্তা আসে তার মাথায়। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কলোরাডোর বিভিন্ন নদী থেকে সোনার কণা সংগ্রহ শুরু করেন তিনি। ভলকানি জানান, প্রথমে কাজটি শেষ করতে অনেক সময় লাগবে বলে মনে হয়েছিল তার। তবে সেই কঠিন চ্যালেঞ্জই তাকে আরও বেশি অনুপ্রাণিত করে। মাসের পর মাস পরিশ্রম করে একপর্যায়ে প্রয়োজনীয় পরিমাণ সোনা সংগ্রহ করতে সক্ষম হন তিনি। পরে সংগৃহীত সোনা নিয়ে হুইট রিজের গয়না নির্মাতা জ্যাক অ্যালেনের কাছে যান ভলকানি। তার অনুরোধে সোনা গলিয়ে বিশেষভাবে তৈরি করা হয় বাগদানের আংটি। ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগে আগ্রহী হয়ে আংটিটি তৈরির কাজ করেন অ্যালেন। আংটি তৈরি হওয়ার পর প্রেমিকাকে চমকে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন ভলকানি। একদিন জোয়ানকে নিয়ে পাহাড়ি পথে হাঁটতে বের হন তিনি। সেখানে তাকে নদী থেকে সোনার কণা সংগ্রহের বিভিন্ন মুহূর্ত নিয়ে তৈরি একটি ভিডিও দেখান। প্রথমে ভিডিওটির উদ্দেশ্য বুঝতে পারেননি জোয়ান। তবে ভিডিওর মাঝামাঝি গিয়ে বুঝতে পারেন, প্রেমিকের দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের পেছনে রয়েছে তার জন্য বাগদানের আংটি তৈরির পরিকল্পনা। বিষয়টি উপলব্ধি করেই আবেগাপ্লুত হয়ে কেঁদে ফেলেন তিনি। জোয়ান বলেন, ভিডিওতে প্রেমিককে নদী থেকে সোনা সংগ্রহ করতে দেখে প্রথমে তার কাছে বিষয়টি বেশ আকর্ষণীয় মনে হয়েছিল। কিন্তু কেন তাকে ভিডিওটি দেখানো হচ্ছে, তা বুঝতে পারছিলেন না। পরে যখন উপলব্ধি করেন, এই সোনা দিয়েই তার জন্য আংটি তৈরি করা হয়েছে, তখন আর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। জোয়ানের মতে, ভলকানির এই উদ্যোগ তাদের সম্পর্কের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত। প্রেমিকের এমন আন্তরিক প্রচেষ্টা তাকে বুঝিয়েছে, জীবনসঙ্গী হিসেবে তিনি সঠিক মানুষটিকেই বেছে নিয়েছেন। এদিকে, আংটি তৈরির পরও কিছু সোনা অবশিষ্ট রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভলকানি। সেই সোনা দিয়ে নিজের জন্যও একটি আংটি তৈরির পরিকল্পনা করছেন তিনি। তার বিশ্বাস, দুজনের আঙুলে একই স্মৃতিবিজড়িত আংটি থাকলে দূরে থাকলেও তাদের মধ্যে ভালোবাসার বন্ধন অটুট থাকার অনুভূতি জাগবে। ভলকানির এই উদ্যোগ যেন ভালোবাসার প্রকাশে দামি উপহারের চেয়ে সময়, শ্রম ও আন্তরিকতার গুরুত্বই নতুন করে তুলে ধরেছে। আরটিভি/এসকে
নদী থেকে সোনার কণা সংগ্রহ করে প্রেমিকার জন্য আংটি বানালেন যুবক
যে কারণে দিনে দিনে ছোট হচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিয়ের আয়োজন
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক চাপের কারণে জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের বদলে ছোট পরিসরে অনুষ্ঠান করছেন দম্পতিরা।
যে কারণে দিনে দিনে ছোট হচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিয়ের আয়োজন
আরও পড়ুন
কর্মীদের যাতায়াতের কষ্ট দেখে বিএমডব্লিউ গাড়ি উপহার দিলেন মালিক
প্রদর্শনীতে হঠাৎ ‘অদ্ভুত গাড়ি’ দেখে চোখ আটকে যায় মানুষের!
যুক্তরাষ্ট্রে ৪ বিলিয়ন ডলারের কারখানা গড়ছে গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘অডি’
ছাত্রদলে পদ না পেয়ে নিজের গালে নিজের জুতাপেটা