ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

বৃক্ষরোপণে দেশ সাজানোর উদ্যোগ, ইনফিনিটি এসএসসি-২০০১ বাংলাদেশের

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ আগস্ট ২০২৬, ০২:১৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

‘বৃক্ষ রোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’এই স্লোগানকে সামনে রেখে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে ব্যাচভিত্তিক সামাজিক ও মানবিক সংগঠন ‘ইনফিনিটি এসএসসি-২০০১, বাংলাদেশ’।

প্রতি বছরের মতো এবারও সংগঠনটির পরিচালনা পরিষদের সার্বিক সহযোগিতায় এবং ২০০১ ব্যাচের বিভিন্ন জেলার সোশ্যাল ওয়ার্কার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক বন্ধুদের তত্ত্বাবধানে চলছে ‘ইনফিনিটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬’। জেলাভিত্তিক বন্ধুদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আগস্ট মাসজুড়ে এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

image

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এরই মধ্যে দেশের প্রায় ৪০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদ্রাসা, হাসপাতাল ও স্থায়ী স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের খালি জায়গায় বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে। এ বছর আরও ৫০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেছে সংগঠনটি।

সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্যে ২০২৪ সাল থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করে ইনফিনিটি এসএসসি-২০০১, বাংলাদেশ।

image

২০২১ সালের ৬ জুন ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করা সংগঠনটি বর্তমানে মাঠপর্যায়ে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। প্রি-মেডিকেল ক্যাম্প, শীতবস্ত্র বিতরণ, দুর্যোগকালীন মানবিক সহায়তা, ছিন্নমূল মানুষ, পথশিশু ও বৃদ্ধাশ্রমে সহায়তাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে তারা।

এ ছাড়া সংগঠনটির পরিচালনা পরিষদের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সদস্যদের উদ্যোগে জামগড়া, জিরাবো ও আশুলিয়ায় তিনটি ফ্রি চিকিৎসা কেন্দ্র পরিচালিত হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে মাত্র ৫০ টাকা ফিতে বিনামূল্যে ওষুধসহ প্রতিদিন স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হচ্ছে।

image

বৃক্ষরোপণের মতো সামাজিক কর্মসূচিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য ইনফিনিটি এসএসসি-২০০১, বাংলাদেশের ফাউন্ডার মো. আব্দুল মতিন রনি মাঠপর্যায়ে কর্মসূচি বাস্তবায়নে এগিয়ে আসা সব সোশ্যাল ওয়ার্কার ও শিক্ষক বন্ধু এবং ২০০১ ব্যাচের সব স্তরের বন্ধুদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

image

একই সঙ্গে সংগঠনের পরিচালনা পরিষদের সদস্য ডা. তানিয়া হাফিজ, আরজু রাজু, কামরুল হাসান, সুলতানা পপি, নুরুল আলম, আয়েশা সিদ্দিকী, আল-আমিন রাকিব, সাকিল সুমন, সেলিনা, পলাশ, দিলরুবা জলি, জামির, রেজোয়ান রনি, জাকির, ডিকেন, রাসেল ও রানা বুলবুলের প্রতিও ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।

সংগঠনটির আহ্বান আসুন, আমরা সবাই নিজে বৃক্ষরোপণ করি এবং অন্যদেরও বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করি। পরিবেশ রক্ষায় গড়ে তুলি সবুজ বাংলাদেশ।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রয়াত আত্মাদের স্মরণে আজ ‘অল সোলস ডে’
মৃত্যুর পরও প্রিয়জনের স্মৃতি বেঁচে থাকে হৃদয়ে। তাদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত, ভালোবাসা ও জীবনের নানা গল্প স্মরণ করেই দিন কাটে স্বজনদের।
প্রয়াত আত্মাদের স্মরণে আজ ‘অল সোলস ডে’
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আজ
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আগামীকাল। প্রতিবছর ২ নভেম্বর জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস পালিত হয়।
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আজ
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
সোমবার (২ নভেম্বর) এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তেমনই কিছু ঘটনা।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
প্রাণের মাঝে আয়
নস্টালজিয়া খুব খারাপ জিনিস। না চাইতেও এমন সব স্মৃতি মনে পড়ে, যা কখনও আমাদের হাসায়, আবার কখনও বা কাঁদায়। মনে হচ্ছে এইতো সেদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডিতে পা রাখলাম। প্রথম ক্লাসে অনেকের দেখেছি দাড়ি-গোঁফ ওঠেনি। আবার কেউতো পরিচিতি পর্বে নিজের নাম বলতেও থরথর করে কাঁপছিল। এরপর কতশত দিন একসঙ্গে। কত স্মৃতি বুকের সঞ্চয়ী হিসাবে জমা।
প্রাণের মাঝে আয়
কাজহীন দিবস আজ
সারাদিন কাজের ব্যস্ততা, একের পর এক দায়িত্ব, আর হাতে লম্বা কাজের তালিকা। এই ব্যস্ততার মাঝেই নিজের জন্য একটু সময় বের করার কথা মনে করিয়ে দেয় ‘জিরো টাস্কিং ডে’ বা কাজহীন দিবস। প্রতি বছর নভেম্বর মাসের প্রথম রোববার পালিত হয় দিনটি। এ বছর ১ নভেম্বর এই বিশেষ দিন। দিনটির মূল ভাবনা খুব সহজ- অন্তত একটি দিন নিজের উপর কাজের চাপ না রেখে বিশ্রাম নেওয়া, পছন্দের কাজ করা কিংবা একেবারেই কিছু না করা। বিশেষ করে যেসব দেশে ডে-লাইট সেভিং টাইম বা দিবালোক সাশ্রয়ী সময়ের নিয়ম চালু রয়েছে, সেখানে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়ার ফলে পাওয়া অতিরিক্ত সময়টিকে নিজের জন্য কাজে লাগানোর ধারণা থেকেই এই দিনের প্রচলন। ‘জিরো টাস্কিং ডে’-র ধারণাটি সামনে আনেন লেখক ও জীবনযাপনবিষয়ক পরামর্শদাতা ন্যান্সি ক্রিস্টি। তার উদ্দেশ্য ছিল, মানুষ যেন কাজের তালিকা থেকে একের পর এক দায়িত্ব মেটানোর বাইরে নিজের সঙ্গে সময় কাটানোর গুরুত্বও বোঝে। মানসিক সুস্থতার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে মেন্টাল হেলথ আমেরিকাও দিনটির প্রচারে ভূমিকা রেখেছে। বর্তমান সময়ে একসঙ্গে একাধিক কাজ সামলানো যেন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কাজের চাপ, সময়ের অভাব এবং প্রতিনিয়ত উৎপাদনশীল থাকার তাগিদে অনেকেই বিশ্রাম নিতে অপরাধবোধ করেন। অথচ প্রয়োজনীয় বিরতি মানসিক চাপ কমাতে, সৃজনশীলতা বাড়াতে এবং কাজে মনোযোগ ফেরাতে সাহায্য করতে পারে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম শরীর ও মনকে নতুন করে চাঙা করে। দিনটি পালনের জন্য বিশেষ কোনও আয়োজনের প্রয়োজন নেই। সকালে একটু দেরি করে ঘুম থেকে ওঠা, পছন্দের বই পড়া, নিরিবিলি হাঁটতে বেরোনো কিংবা কিছুক্ষণ ধ্যান করাসহ যা ভালো লাগে, তা-ই করতে পারেন।  চাইলে বারান্দায় বসে আকাশ দেখতে পারেন, মনের মতো কোনও রান্না করতে পারেন, ছবি আঁকতে পারেন অথবা দুপুরে একটু ঘুমিয়ে নিতে পারেন। এমনকি ফোন ও কাজের বার্তা থেকে দূরে থেকে নিজের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোও হতে পারে উদ্‌যাপনের অংশ। ‘জিরো টাস্কিং ডে’-র আসল শিক্ষা অবশ্য সারাদিন অলসভাবে কাটানো নয়। বরং প্রতিদিনের দায়িত্বের পাশাপাশি বিশ্রাম ও নিজের যত্নের জন্যও সময় রাখা জরুরি সেই কথাই মনে করিয়ে দেয় দিনটি। কারণ, সব সময় কাজের মধ্যে ডুবে থাকাই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হতে পারে না। কখনও কখনও কিছু না করাও নিজের জন্য প্রয়োজনীয়। আরটিভি/এসআর
কাজহীন দিবস আজ
আরও পড়ুন
খুলনায় আরটিভির উদ্যোগে তাল গাছের চারা রোপণ
সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের দুই পাশে আরটিভির উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ
‘সৌরবিদ্যুৎ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও বৃক্ষরোপণে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার’
বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ডিআইইউ ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি