
আজ ২৬ অক্টোবরের পূর্ণিমার চাঁদ পরিচিত ‘হান্টার্স মুন’ বা শিকারির চাঁদ নামে। উত্তর গোলার্ধে শরৎকালের এই পূর্ণিমার নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রাচীন মানুষের শিকার, ফসল তোলা ও শীতের প্রস্তুতির ইতিহাস।
একসময় শরৎকালে ফসল কাটার পর মাঠ ফাঁকা হয়ে যেত, ঝরতে শুরু করত গাছের পাতা। ফলে খোলা জায়গায় বন্য প্রাণীর চলাচল সহজে দেখা যেত। শীতের আগে খাবার সংগ্রহে অনেকে শিকারের ওপর নির্ভর করতেন। পূর্ণিমার আলোয় রাতে শিকার করাও তুলনামূলক সহজ হতো। এভাবেই প্রচলিত হয় ‘হান্টার্স মুন’ নামটি।
জ্যোতির্বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে হান্টার্স মুন আলাদা কোনো ধরনের চাঁদ নয়। শরৎ বিষুবের সবচেয়ে কাছের পূর্ণিমাকে বলা হয় ‘হারভেস্ট মুন’। এর পরের পূর্ণিমা সাধারণত ‘হান্টার্স মুন’ নামে পরিচিত। তাই প্রতিবছর অক্টোবরেই এই পূর্ণিমা দেখা যাবে, এমন নয়।
দিগন্তের কাছে চাঁদকে বড় দেখানোর কারণ দৃষ্টিবিভ্রম, যা ‘মুন ইলিউশন’ নামে পরিচিত। এ সময় চাঁদের আলো বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ায় নীল আলো বেশি ছড়িয়ে পড়ে। ফলে চাঁদকে হলুদ, কমলা বা লালচে দেখাতে পারে। এটি হান্টার্স মুনের বিশেষ বৈশিষ্ট্য নয়।
আকাশ পরিষ্কার থাকলে খোলা জায়গা থেকেই এই পূর্ণিমার চাঁদ দেখা যায়। ছবি তুলতে ফোন স্থির রেখে এক্সপোজার কমিয়ে নিলে চাঁদের বিস্তারিত ফুটে উঠতে পারে।
আরটিভি/এমএইচজে
