ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

ইতিহাসে আজকের এই দিনে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০৪ এএম
বইয়ের পাতায় ইতিহাস। ছবি: কাল্পনিক

ঘটনাবহুল এ বিশ্বে প্রতিদিন ঘটে নানান ঘটনা। উদ্ভাবন-উন্মোচন ঘটে অনেক কিছুর। জন্মের পাশাপাশি মৃত্যুও হয় অনেকের। রোজকার এসব ঘটনার মধ্যে বিশেষ কিছু ঘটনা স্থায়ীভাবে দাগ কাটে মানুষের মনে। কিছু উঠে যায় ইতিহাসের পাতায়।

রোববার (১ নভেম্বর) এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তেমনই কিছু ঘটনা।

ঘটনাবলি
১৬০৪- উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিয়োগান্ত নাটক ওথেলো প্রথমবার লন্ডনে হোয়াইটহল প্যালেসে মঞ্চস্থ হয়।

১৬১১ - উইলিয়াম শেক্সপিয়ার রোম্যান্টিক কমেডি টেমপেস্ট প্রথমবার লন্ডনে হোয়াইটহল প্যালেসে মঞ্চস্থ হয়।

১৭৫৫ - পর্তুগালের লিসবনে ভূমিকম্পে ৬০ হাজার লোকের মৃত্যু হয়।

১৭৯৪ - ‘ক্যালকাটা মান্থলি জার্নাল’ নামে মাসিক পত্রিকা প্রকাশনা শুরু হয়।

১৮০০ - যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জন অ্যাডামস হলেন দেশটির প্রথম প্রেসিডেন্ট, যিনি দি এক্সিকিউটিভ ম্যানসন এ থাকা শুরু করেন (পরবর্তীকালে যার নাম হয় হোয়াইট হাউস)।

১৮২১ - পানামার ভূখণ্ড স্পেনের উপনিবেশিক কবল থেকে মুক্ত হয়ে কলোম্বিয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়।

১৮৫৮ - ব্রিটিশ রাজতন্ত্র ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছ থেকে ভারতের শাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

১৮৬৪ - প্রথম পোস্ট অফিসের মাধ্যমে মানি অর্ডার পদ্ধতি চালু হয়।

১৮৮০ - কলকাতায় প্রথম ঘোড়ায় টানা ট্রাম চলাচল শুরু হয়।

১৮৯৭ - ইতালীয় ফুটবল দল জুভেন্টাস ফুটবল ক্লাব গঠিত হয়।

১৯০৩ - পানামার স্বাধীনতাকামী জনতার আন্দোলন সফল হয় এবং তারা স্বাধীনতা অর্জন করে।

১৯১৩ - সানফ্রান্সিসকোতে হরদালের নেতৃত্বে গদর (বিপ্লবী) আন্দোলনের সূচনা হয়।

১৯২৪ - মঙ্গোলীয় প্রজাতন্ত্রের জন্ম হয়।

১৯৪৪ - আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান পরিবহন সংস্থা (আইসিএও) গঠিত হয়।

১৯৫২ - যুক্তরাষ্ট্র সর্ব প্রথম হাইড্রোজেন বোমার পরীক্ষা চালায়। এই বোমাটি হিরোশিমাতে নিক্ষিপ্ত বোমার চেয়ে প্রায় ৫০০ গুণ বেশি শক্তিশালী।

১৯৫৪ - আহমদ বিন বালার নেতৃত্বে আলজেরিয়ায় স্বাধীনতাকামী যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯৫৫ - পর্তুগালে ভূমিকম্পে ৩০ হাজার লোক নিহত হয়।

১৯৫৬ - বাংলা ভাষা আন্দোলনের ফলস্বরূপ মানভূমের একটা অংশ পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে যুক্ত হয় পুরুলিয়া জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

১৯৫৬ - ভারতে রাজ্য পুনর্গঠন আইন, ১৯৫৬ মোতাবেক মহীশূর রাজ্য বর্তমানে কর্নাটক, কেরালা ও মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের আত্মপ্রকাশ ও পুনর্গঠন হয়।

১৯৭৯ - বলিভিয়ার সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখল করে।

১৯৮১ - অ্যান্টিগুয়া ও বারমুডা স্বাধীন হয়।

১৯৯২ - ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়ার মূল ক্যাম্পাস শান্তিডাঙ্গাতে উদ্বোধন করা হয়।

২০০৭ - বাংলাদেশের বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা করা হয়।

২০২০ - চীনে আদমশুমারি শুরু হয়।

জন্ম
১৮৭৮ - কার্লোস সাভেড্রা লামাস, আর্জেন্টাইন রাজনৈতিক নেতা, নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী।

১৮৮৯ - ফিলিপ নোয়েল-বেকার, ব্যারন নোয়েল-বেকার, কানাডিয়ান শান্তিকর্মী, নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী।

১৯২৬ - আবু ইসহাক, বাংলাদেশি সাহিত্যিক।

১৯২৭ - আবু বারকাত আতাউর গণী খান চৌধুরী, ভারতীয় রাজনীতিবিদ এবং সাবেক সংসদ সদস্য।

১৯৩২ - একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ।

১৯৩৩ - সমীর রায় চৌধুরী, বাঙালি ভারতীয় কবি এবং ছোট গল্পকার।

১৯৪৫ - আবু সাইয়িদ, বাংলাদেশের সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী। নরেন্দ্র দাভোলকার, ভারতীয় চিকিৎসক, সমাজসেবী ও মহারাষ্ট্র অন্ধশ্রদ্ধা নির্মূলন সমিতির প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি।

১৯৪৯ - মাইকেল ডগলাস গ্রিফিন, মার্কিন পদার্থবিদ এবং মহাকাশ প্রকৌশলী।

১৯৫০ - রবার্ট বি. লাফলিন, মার্কিন পদার্থবিদ, পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

১৯৬২ - আনিস বাজমি, ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্যকার ও প্রযোজক।

১৯৬৩ - মার্ক হিউজ, ওয়েলসীয় ফুটবলার ও ম্যানেজার।

১৯৬৫ - পদ্মিনী কোলহাপুরী, ভারতীয় অভিনেত্রী।

১৯৬৮ - আকরাম খান, সাবেক বাংলাদেশি ক্রিকেটার।

১৯৭৩ - ঐশ্বরিয়া রায়, ভারতীয় অভিনেত্রী।

১৯৭৩ - টিস্কা চোপড়া, ভারতীয় অভিনেত্রী, লেখিকা এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা।

১৯৭৪ - ভিভিএস লক্ষ্মণ, ভারতীয় ক্রিকেটার।

১৯৮৬ - ইলিয়ানা ডি’ক্রুজ, ভারতীয় অভিনেত্রী।

মৃত্যু
১৮৭৩ - দীনবন্ধু মিত্র, বাঙালি নাট্যকার।

১৯০৩ - টেওডোর মম্‌জেন, জার্মান লেখক, নোবেল সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ী।

১৯১৫ - বাংলা ক্রিকেটের জনক সারদারঞ্জন রায়।

১৯৫০ - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঙালি কথাসাহিত্যিক।

১৯৫৫ - রামনাথ বিশ্বাস, ভারতীয় বিপ্লবী, সৈনিক, ভূপর্যটক ও ভ্রমণকাহিনী লেখক। তিনি ১৯৩৬ ও ১৯৩৭ সালে সাইকেলে চড়ে বিশ্বভ্রমণ করেন।

১৯৭০ - ফ্রাঁসোয়া মারিয়াক, নোবেলজয়ী ফরাসি সাহিত্যিক।

১৯৮৪ - নিবারণ পণ্ডিত, গণসঙ্গীত রচয়িতা।

১৯৯৩ - সেভেরো ওচোয়া, স্পেনীয় বায়োকেমিস্ট, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

১৯৯৬ - জুনিয়াস রিচার্ড জয়েবর্ধনে, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রাণের মাঝে আয়
নস্টালজিয়া খুব খারাপ জিনিস। না চাইতেও এমন সব স্মৃতি মনে পড়ে, যা কখনও আমাদের হাসায়, আবার কখনও বা কাঁদায়। মনে হচ্ছে এইতো সেদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডিতে পা রাখলাম। প্রথম ক্লাসে অনেকের দেখেছি দাড়ি-গোঁফ ওঠেনি। আবার কেউতো পরিচিতি পর্বে নিজের নাম বলতেও থরথর করে কাঁপছিল। এরপর কতশত দিন একসঙ্গে। কত স্মৃতি বুকের সঞ্চয়ী হিসাবে জমা।
প্রাণের মাঝে আয়
কাজহীন দিবস আজ
সারাদিন কাজের ব্যস্ততা, একের পর এক দায়িত্ব, আর হাতে লম্বা কাজের তালিকা। এই ব্যস্ততার মাঝেই নিজের জন্য একটু সময় বের করার কথা মনে করিয়ে দেয় ‘জিরো টাস্কিং ডে’ বা কাজহীন দিবস। প্রতি বছর নভেম্বর মাসের প্রথম রোববার পালিত হয় দিনটি। এ বছর ১ নভেম্বর এই বিশেষ দিন। দিনটির মূল ভাবনা খুব সহজ- অন্তত একটি দিন নিজের উপর কাজের চাপ না রেখে বিশ্রাম নেওয়া, পছন্দের কাজ করা কিংবা একেবারেই কিছু না করা। বিশেষ করে যেসব দেশে ডে-লাইট সেভিং টাইম বা দিবালোক সাশ্রয়ী সময়ের নিয়ম চালু রয়েছে, সেখানে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়ার ফলে পাওয়া অতিরিক্ত সময়টিকে নিজের জন্য কাজে লাগানোর ধারণা থেকেই এই দিনের প্রচলন। ‘জিরো টাস্কিং ডে’-র ধারণাটি সামনে আনেন লেখক ও জীবনযাপনবিষয়ক পরামর্শদাতা ন্যান্সি ক্রিস্টি। তার উদ্দেশ্য ছিল, মানুষ যেন কাজের তালিকা থেকে একের পর এক দায়িত্ব মেটানোর বাইরে নিজের সঙ্গে সময় কাটানোর গুরুত্বও বোঝে। মানসিক সুস্থতার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে মেন্টাল হেলথ আমেরিকাও দিনটির প্রচারে ভূমিকা রেখেছে। বর্তমান সময়ে একসঙ্গে একাধিক কাজ সামলানো যেন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কাজের চাপ, সময়ের অভাব এবং প্রতিনিয়ত উৎপাদনশীল থাকার তাগিদে অনেকেই বিশ্রাম নিতে অপরাধবোধ করেন। অথচ প্রয়োজনীয় বিরতি মানসিক চাপ কমাতে, সৃজনশীলতা বাড়াতে এবং কাজে মনোযোগ ফেরাতে সাহায্য করতে পারে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম শরীর ও মনকে নতুন করে চাঙা করে। দিনটি পালনের জন্য বিশেষ কোনও আয়োজনের প্রয়োজন নেই। সকালে একটু দেরি করে ঘুম থেকে ওঠা, পছন্দের বই পড়া, নিরিবিলি হাঁটতে বেরোনো কিংবা কিছুক্ষণ ধ্যান করাসহ যা ভালো লাগে, তা-ই করতে পারেন।  চাইলে বারান্দায় বসে আকাশ দেখতে পারেন, মনের মতো কোনও রান্না করতে পারেন, ছবি আঁকতে পারেন অথবা দুপুরে একটু ঘুমিয়ে নিতে পারেন। এমনকি ফোন ও কাজের বার্তা থেকে দূরে থেকে নিজের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোও হতে পারে উদ্‌যাপনের অংশ। ‘জিরো টাস্কিং ডে’-র আসল শিক্ষা অবশ্য সারাদিন অলসভাবে কাটানো নয়। বরং প্রতিদিনের দায়িত্বের পাশাপাশি বিশ্রাম ও নিজের যত্নের জন্যও সময় রাখা জরুরি সেই কথাই মনে করিয়ে দেয় দিনটি। কারণ, সব সময় কাজের মধ্যে ডুবে থাকাই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হতে পারে না। কখনও কখনও কিছু না করাও নিজের জন্য প্রয়োজনীয়। আরটিভি/এসআর
কাজহীন দিবস আজ
হ্যালোইন উৎসব কি, জেনে নিন পালনের নিয়ম
পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতি বছর ৩১ অক্টোবর পালন করা হয় হ্যালোইন উৎসব। পশ্চিমা দেশগুলোতে এর উৎপত্তি হলেও বর্তমানে বাংলাদেশেও উৎসবটি জনপ্রিয়তা পেয়েছে।  তাই এ বছরও ৩১ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে পালিত হবে বছরের অন্যতম মজার উৎসব হ্যালোইন। তাই আসুন জেনে নেওয়া যাক হ্যালোইন আসলে কী? ভুতুড়ে এই উৎসবটির ইতিহাস প্রায় ২,০০০ সালের পুরনো। এটি মূলত মৃত আত্মাদের স্মরণ করতে পালন করা হয়। অনেকে এই দিনকে ভূতের মতো করে সাজার জন্য পালন করে থাকেন। হ্যালোইন মূলত সাধুদের শহিদ এবং যারা মারা গেছেন তাদেরসহ মৃতদের সম্মান জানানোর দিন। বিড়ালের কান এবং ভ্যাম্পায়ার ফ্যাং থেকে শুরু করে সবুজ মুখের পেইন্ট পর্যন্ত, লোকেরা ভুতুড়ে চেতনাকে আলিঙ্গন করতে সমস্ত ধরণের পোশাক পরে। প্রায় ২,০০০ বছর আগে বর্তমান ইংল্যান্ড, ফ্রান্স ও আয়ারল্যান্ডে বসবাস করতো ‘কেল্টিক জাতি’। নভেম্বরের প্রথম দিনটি তারা ‘সাহউইন’ হিসেবে পালন করতো।  তাদের ধারণা ছিল অক্টোবরের শেষ দিন সবচেয়ে খারাপ হবে। সে রাতে সকল প্রেতাত্মারা মানুষের ক্ষতি করবে। তাই কেল্টিক জাতির মানুষরা এই দিনে বিভিন্ন ধরনের ভূতের মুখোশ ও কাপড় পরতো। হ্যালোইন যেভাবে পালন করা হয় হ্যালোইন উৎসব বিভিন্ন ক্রিয়াকলাপের সঙ্গে উদযাপিত হয়। এগুলো বেশ মজাদার এবং ভুতুড়ে। এ দিন শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্করা একইভাবে পোশাক পরেন। আর “ট্রিক-অর-ট্রিটিং” শিশুদের মধ্যে খুব জনপ্রিয়। কারণ বাচ্চারা প্রতিবেশীদের কাছ থেকে ক্যান্ডি সংগ্রহ করে ঘরে ঘরে যায়।  বড়রা পার্টিতে যোগ দিতে ভুতুড়ে বাড়িতে যান বা হরর সিনেমা দেখেন। তবে কিছু জায়গার মানুষ আচার-অনুষ্ঠান বা সম্প্রদায়ের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মৃতদের সম্মান করেন। আরটিভি/এসআর
হ্যালোইন উৎসব কি, জেনে নিন পালনের নিয়ম
আজ বিশ্বজুড়ে হ্যালোইন উৎসব, ভূতুড়ে সাজে মাতবেন কোটি মানুষ
ভূত, প্রেত, ডাইনি কিংবা ভ্যাম্পায়ারের সাজে সেজে ওঠার দিন আজ। কোথাও কুমড়ো কেটে তৈরি হচ্ছে ভুতুড়ে মুখ, কোথাও বাড়ির দরজায় ঝুলছে কৃত্রিম মাকড়সার জাল।
আজ বিশ্বজুড়ে হ্যালোইন উৎসব, ভূতুড়ে সাজে মাতবেন কোটি মানুষ
আজ বিশ্ব সঞ্চয় দিবস
আজ ৩১ অক্টোবর, বিশ্ব সঞ্চয় দিবস। ব্যক্তিগত জীবনে সঞ্চয়ের গুরুত্ব তুলে ধরা এবং মানুষকে নিয়মিত অর্থ জমানোর অভ্যাসে উৎসাহিত করতে বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর দিবসটি পালিত হয়।
আজ বিশ্ব সঞ্চয় দিবস
আরও পড়ুন
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
ইতিহাসে আজকের এই দিনে