ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

নিপাহ ভাইরাস কতটা ভয়ঙ্কর, কীভাবে ছড়ায়?

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:৫০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

শীতের মৌসুমে দেশে পিঠা-পায়েসের সঙ্গে খেজুরের কাঁচা রসের প্রচলিত পানীয় ‘তাড়ি’ অনেকের কাছে উৎসবের আনন্দের অংশ। কিন্তু এর সঙ্গে সঙ্গে এসে গেছে নিপাহ ভাইরাসের হুমকি, যা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের মধ্যে প্রতিবছর ছড়িয়ে পড়ে। দেশের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এই ভাইরাসের বিস্তার রোধে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে।

নিপাহ ভাইরাস কী? কতটা ভয়ঙ্কর?

নিপাহ ভাইরাস হলো একটি প্রাণঘাতী ভাইরাস, যা মানুষের মধ্যে অত্যন্ত দ্রুত ছড়াতে পারে এবং মস্তিষ্কে প্রদাহসহ শ্বাসকষ্টের মতো ভয়ঙ্কর লক্ষণ সৃষ্টি করে। আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুহার প্রায় ৭১ শতাংশ, অর্থাৎ প্রতি ১০ জনের মধ্যে প্রায় ৭ জন মারা যান। এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে এখনো কার্যকর কোনো ভ্যাকসিন বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা আবিষ্কৃত হয়নি, যা এই রোগকে আরো ভয়ঙ্কর করে তোলে।

কীভাবে ছড়ায় নিপাহ ভাইরাস?

নিপাহ ভাইরাসের প্রধান বাহক হলো ফলখেকো বাদুড়। বাদুড়ের লালা বা প্রস্রাব দিয়ে দূষিত হয় খেজুরের কাঁচা রস। খেজুরের সেই দূষিত কাঁচা রস খেলে মানুষ সংক্রমিত হয়। এছাড়া নেশাজাতীয় পানীয় ‘তাড়ি’ও এই ভাইরাস ছড়ানোর মাধ্যম হতে পারে। এরপর আক্রান্ত মানুষের সঙ্গে সুস্থ মানুষের সরাসরি সংস্পর্শে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, একজন মায়ের বুকের দুধেও এই ভাইরাস পাওয়া গেছে, যা এক বিরল ও উদ্বেগজনক ঘটনা।

লক্ষণগুলো কী কী?
নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হলে সাধারণত ৫-৭ দিনের মধ্যে জ্বর, মাথা ব্যথা, গলা ব্যথা, পেশীতে ব্যথা, ঘুমঘুম ভাব, বমি, ঝিমুনি ও অচেতনতার মতো লক্ষণ দেখা দেয়। রোগী মস্তিষ্কে প্রদাহ এবং শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় ভুগতে পারে, যা প্রাণঘাতী পর্যায়ে পৌঁছে।

সতর্কতা ও প্রতিরোধ: খেজুরের কাঁচা রস একেবারেই পান করা যাবে না, কারণ মশারি দিয়ে খেজুর গাছ ঢেকে রাখার পদ্ধতি ‘নিরাপদ’ নয়। খেজুরের রস থেকে নিরাপদ বিকল্প হলো খেজুরের গুড় তৈরি ও ব্যবহার করা। ফলগুলো ভালোভাবে ধুয়ে খেতে হবে, বিশেষ করে টমেটো, পেয়ারা, বরই জাতীয় ফলগুলো। গাছের নিচে পড়ে থাকা বা ফাটা ফল অবশ্যই এড়িয়ে চলতে হবে। শিশু ও বয়স্কদের জন্য বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

আইইডিসিআরের সাম্প্রতিক পরীক্ষায় পাঁচজনের শরীরে রিও ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে, যা ঠান্ডা-কাশি থেকে শুরু করে শ্বাসকষ্ট পর্যন্ত সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। যদিও এই ভাইরাসে আক্রান্তরা বড় ধরনের জটিলতা ছাড়াই সুস্থ হয়ে উঠেছেন, তবে এটি সতর্ক থাকার প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে।

আরও পড়ুন

নিপাহ ভাইরাস একটি মারাত্মক ও প্রাণঘাতী ভাইরাস, যা বাদুড় থেকে খেজুরের কাঁচা রসের মাধ্যমে মানুষে ছড়ায়। বর্তমানে এর বিরুদ্ধে কোনো ভ্যাকসিন বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই, তাই এ থেকে রক্ষা পেতে হলে শীতকালে খেজুরের কাঁচা রস থেকে দূরে থাকা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি সঠিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও সচেতনতা বজায় রাখা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব।

সরকারি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ও আইইডিসিআর জনসাধারণকে সতর্ক করে দিচ্ছে এই শীতে খেজুরের রস পানের বদলে সতর্কতা অবলম্বন করুন, যাতে নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ রোধ করা যায়।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মানহীন মেডিকেল কলেজ কাউকে করতে দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
রাজনৈতিক চাপ কিংবা প্রভাবশালী মহলের প্রভাব খাটিয়ে মানহীন কোনো মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। বুধবার (৪ নভেম্বর) বুধবার রাজধানীর মহাখালীতে বাংলাদেশ মেডিকেল এডুকেশন অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল (বিএমইএসি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘অ্যাসেসর ট্রেনিং’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, চিকিৎসা শিক্ষার আন্তর্জাতিক মান এবং রোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত আমরা নতুন কোনো বেসরকারি মেডিকেল কলেজের অনুমোদন দিইনি। এতে প্রভাবশালী বিভিন্ন মহলের পক্ষ থেকে চাপ আসছে। কিন্তু মান ও নির্ধারিত শর্ত পূরণ না করে কাউকে মেডিকেল কলেজ করতে দেওয়া হবে না। হাসপাতাল ছাড়া মেডিকেল কলেজ হবে আর রোগী না দেখে কেউ চিকিৎসক হয়ে যাবে, এমন পরিস্থিতি চলতে পারে না। দেশে চিকিৎসা শিক্ষার বৈষম্য ও ভৌগোলিক অসম বণ্টন তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজই ঢাকা বিভাগে পুঞ্জীভূত। অথচ বাকি সাতটি বিভাগে ভারসাম্যহীনতা স্পষ্ট। সংসদ বা রাজনৈতিক বক্তৃতায় যখন-তখন নিজ জেলা বা উপজেলায় মেডিকেল কলেজ চাওয়ার মতো জনপ্রিয় হওয়ার প্রবণতা পরিহার করে পরিকল্পিতভাবে স্বাস্থ্য কাঠামো গড়ে তুলতে হবে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন ফর মেডিকেল এডুকেশনের নিয়ম মেনে অ্যাক্রিডিটেশন অর্জন না করলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চিকিৎসকদের বৈশ্বিক কর্মক্ষেত্র সংকুচিত হয়ে পড়বে। চিকিৎসকদের পেশাগত মর্যাদা ও আস্থা ফেরাতে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা এখন বাধ্যতামূলক। বিদেশ থেকে ডিগ্রি নিয়ে আসা শিক্ষার্থীদের প্রসঙ্গে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি জানান, সম্প্রতি বিদেশ থেকে পাস করে আসা চিকিৎসকদের রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষায় মাত্র ৩০ শতাংশ উত্তীর্ণ হয়েছেন। সন্তানদের কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করে বিদেশে পাঠানোর আগে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান যাচাই করতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। আরটিভি/টিআর
মানহীন মেডিকেল কলেজ কাউকে করতে দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
পেছালো মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা
আগামী ৪ ডিসেম্বর নির্ধারিত মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের ২০২৬-২৭ সেশনের এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। আরও কিছুদিন পিছিয়ে পরীক্ষাটি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর। বুধবার (৪ নভেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. রুবীনা ইয়াসমীন। অধ্যাপক রুবীনা ইয়াসমীন বলেন, পূর্বনির্ধারিত তারিখে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে এখনও নতুন তারিখ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। অধিদপ্তরের একটি সূত্র জানিয়েছে, এইচএসসি ও সমমানের পুনঃপরীক্ষায় (সাপ্লিমেন্টারি) অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত কী হবে, তার ওপর নির্ভর করছে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার নতুন তারিখ। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের এডিজি রুবীনা ইয়াসমীন বলেন, সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা বর্তমানে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সমান সুযোগ পাবে কিনা, এ বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা ব্যবস্থা নেব।  এ ছাড়া এখনও ভর্তি নীতিমালা চূড়ান্ত হয়নি। সেটি চূড়ান্ত হলেও আমরা সে অনুযায়ী পরীক্ষা নিতে পারব। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের সাপ্লিমেন্টারি বা বিশেষ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দিচ্ছে সরকার। এ বছর পরীক্ষায় প্রায় ৬ লাখ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যা গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।  এমন পরিস্থিতিতে প্রথমবারের মতো ৪ লাখের বেশি শিক্ষার্থীকে সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এ পরীক্ষা নেওয়া এবং একই মাসের শেষে ফল প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা চলতি শিক্ষাবর্ষেই উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সুযোগ পাবেন। আরটিভি/টিআর
পেছালো মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা
ডেঙ্গুতে একদিনে ৬ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১৮৬৬
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৮৬৬ জন। বুধবার (৪ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৭৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে গেছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ৩৯৪ জন রোগী। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ৫ হাজার ৯৩৬ জন ডেঙ্গু রোগী।  এছাড়া চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে মোট ৪৪৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। বিভাগওয়ারি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ডেঙ্গুর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি রয়েছে ঢাকা বিভাগে। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৮৬৮ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ঢাকা বিভাগে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮ হাজার ২৮৪ জনে এবং মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২১২ জনে পৌঁছেছে। এছাড়া খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ২১৫ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে এবং ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। যার ফলে মোট আক্রান্ত বেড়ে ২১ হাজার ৪৪৭ জনে এবং মোট মৃত্যু ৮২ জনে দাঁড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগে ২৫৬ জন নতুন রোগী ভর্তি হলেও এই সময়ে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। তবে এই বিভাগে এখন পর্যন্ত মোট ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজার ৮৮৬ জন। রাজশাহী বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৭১ জন (মৃত্যু নেই), মোট আক্রান্ত ১১ হাজার ৫২ জন এবং মোট মৃত্যু ২৯ জন। অন্যদিকে রংপুর বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ৭১ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন, যেখানে মোট আক্রান্ত ৪ হাজার ৯৮০ জন এবং এ পর্যন্ত ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। বরিশাল বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২০৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, ফলে এই বিভাগে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৭ হাজার ৭১২ জনে এবং মোট মৃত্যু ৩০ জনে দাঁড়িয়েছে। তুলনামূলক কম আক্রান্ত হওয়া সিলেট বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছিল মাত্র ১৩ জন, এবং এ পর্যন্ত এই বিভাগে মোট ৯১২ জন আক্রান্ত ও ৪ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে। আরটিভি/টিআর
ডেঙ্গুতে একদিনে ৬ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১৮৬৬
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
দেশে হাম ও হাম-সংশ্লিষ্ট উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে নিশ্চিত হামে ১০৫ শিশু এবং উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ১৬৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৬৯ জনে। বুধবার (৪ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত নিয়মিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে ১ হাজার ৩২৫ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ১৪৮ জনে। এর মধ্যে ল্যাবরেটরিতে নিশ্চিত হওয়া হাম রোগীর সংখ্যা ২৪ হাজার ১৫০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৭৭ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও হাম উপসর্গে মোট ১ হাজার ১৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ১০৫ জনের। বিভাগভিত্তিক তথ্যে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৬ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৪ জন, সিলেট বিভাগে ১ জন এবং খুলনা বিভাগে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঢাকা জেলাতেই সর্বোচ্চ ৪ জনের মৃত্যু নিবন্ধিত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৫২০ জন নতুন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এছাড়া চট্টগ্রামে ২৩১ জন, বরিশালে ১৫৮ জন, সিলেটে ১৪৪ জন, খুলনায় ৯৭ জন, ময়মনসিংহে ৯১ জন এবং রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে ৪২ জন করে রোগী শনাক্ত হয়েছেন। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট ২ লাখ ৮ হাজার ৬৩৪ জন সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ৯৯ হাজার ৮৯৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ২০৬ জন এবং ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ হাজার ১৪২ জন। আরটিভি/টিআর
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
বাংলাদেশ-সৌদি ‘ভাসমান হাসপাতাল’র সেবা পেয়েছেন ৬ লাখেরও বেশি রোগী
সৌদি আরবের সহযোগিতায় বাংলাদেশ সরকারের এই জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের ফলে অবহেলিত গড়ইখালী ও আশপাশের অঞ্চলের দুস্থ মানুষের দীর্ঘদিনের স্বাস্থ্য বঞ্চনার অবসান হতে চলেছে।
বাংলাদেশ-সৌদি ‘ভাসমান হাসপাতাল’র সেবা পেয়েছেন ৬ লাখেরও বেশি রোগী
আরও পড়ুন
নিপাহ নয়, বাংলাদেশে শনাক্ত প্রাণঘাতী নতুন ভাইরাস পিআরভি
বাংলাদেশে নিপাহ ভাইরাসে নারীর মৃত্যু নিয়ে যা জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
দেশে নিপাহ ভাইরাসে এক নারীর মৃত্যু
দেশে প্রাণঘাতী ভাইরাস শনাক্ত, বিজ্ঞানীদের সতর্কবার্তা