
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত ৩৪ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ঘটনায় রংপুর বিভাগ অ্যানথ্রাক্সের নতুন ক্লাস্টারে পরিণত হচ্ছে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিষয়টি অনুসন্ধানে সেখানে দল পাঠিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)।
গত ১১ সেপ্টেম্বর সুন্দরগঞ্জের সর্বানন্দ ইউনিয়নে একটি অসুস্থ গরু জবাই করে মাংস ভাগ করে নেওয়ার চার দিন পর গরু জবাই ও মাংস কাটায় অংশ নেওয়া চারজনের শরীরে জ্বর ও ফোসকা দেখা দেয়। পরে ওই মাংস খাওয়া ৩৪ জন অ্যানথ্রাক্সের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।
আইইডিসিআরের পরিচালক কাজী আহমেদ জাকী গণমাধ্যমকে বলেন, আক্রান্ত প্রাণী জবাই, মাংস বিক্রি বা কাঁচা মাংস ও প্রাণীর অংশ নাড়াচাড়ার মাধ্যমে মানুষের অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। অ্যানথ্রাক্স নিয়ন্ত্রণে গবাদিপশুর নিয়মিত টিকাদান জরুরি।
আইইডিসিআরের তথ্য অনুযায়ী, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইল, রাজশাহী ও মেহেরপুরে অ্যানথ্রাক্সের প্রাদুর্ভাব বেশি। চলতি বছরের আগস্টে মেহেরপুরের গাংনীতে ৩৮ জন এবং এর আগে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ১৫ জন অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হন।
গত বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে রংপুরের কাউনিয়া, মিঠাপুকুর ও পীরগাছায় প্রায় ১০০ জন আক্রান্ত হন; মারা যান অন্তত দুজন।
আরটিভি/এমএইচজে


