ঢাকা সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

কলা কি বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৬ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

জলবায়ু পরিবর্তন এবং মারাত্মক সব উদ্ভিদ রোগের আক্রমণে বিশ্বজুড়ে কলা চাষ এক ভয়াবহ সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। তবে গবেষকরা জানিয়েছেন, ক্যাভেন্ডিশ জাতের কলা এখন অস্তিত্বের লড়াই করলেও সংকট কাটিয়ে ফলটিকে টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে এক নতুন আশার দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

বিশ্বের জনপ্রিয় ফলগুলোর তালিকায় টমেটোর পরেই কলার অবস্থান। প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৩ কোটি ৯০ লাখ টন কলা উৎপাদিত হয়।

কলার এক হাজারের বেশি জাত রয়েছে, তবে বিশ্বের বেশির ভাগ মানুষের ফলের পাত্রে মূলত ক্যাভেন্ডিশ জাতের কলাই দেখা যায়। ১৯৫০-এর দশক থেকে পানামা রোগের শিকার হয়ে হারিয়ে যায় ‘গ্রোস মিশেল’ জাতের কলা। এরপর বাজার দখল করে নিয়েছে এই ‘ক্যাভেন্ডিশ’। এই সময় বাণিজ্যিক এই কলা মূলত প্রজননে অক্ষম ক্লোন হওয়ায় সব গাছের জিন হুবহু একই এবং রোগ সংক্রমণের ঝুঁকিও সমান।

বর্তমানে ক্যাভেন্ডিশ জাতটি ট্রপিক্যাল রেস ৪ বা টিআর৪ নামক রোগের হুমকিতে রয়েছে। নরউইচের আর্লহ্যাম ইনস্টিটিউটের ফসলের জিনোমবিজ্ঞান বিশেষজ্ঞ ড. হোসে দে ভেগা জানান, এই রোগ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে ছড়িয়ে অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং লাতিন আমেরিকায় পৌঁছেছে।

তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে উদ্বেগজনক খবরটি আসে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, বিশ্বের শীর্ষ কলা রপ্তানিকারক দেশ ইকুয়েডর থেকে।

ড. ভেগার মতে, এই রোগ বিশ্বজুড়ে কলার সরবরাহকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে, যা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলের লাখো মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা ও জীবিকার জন্য বড় হুমকি। গুয়াতেমালা থেকে মালাবি পর্যন্ত চাষিরা এই প্রভাবে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন। তবে এই বিপর্যয় ঠেকাতে গবেষকেরা নতুন সাফল্যের দাবি করেছেন।

শীর্ষস্থানীয় কলা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান চিকুইটা এবং ফসল উন্নয়নবিষয়ক সংস্থা কি-জিনের যৌথ গবেষণা উদ্যোগ ‘ইয়েলোওয়ে’ জানিয়েছে, তারা প্রজননক্ষম ক্যাভেন্ডিশ কলার একটি জাত উদ্ভাবন করেছে। এর মাধ্যমে সংকরায়ণের সাহায্যে রোগ প্রতিরোধী ও বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক নতুন জাতের কলা তৈরির পথ প্রশস্ত হয়েছে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
উৎপাদন বাড়লেও পুষ্টিমান হারাচ্ছে ফসল, যা বলছে গবেষকরা
আধুনিক নিবিড় কৃষি ও জলবায়ু পরিবর্তনের মিলিত প্রভাবে বিশ্বব্যাপী খাদ্যশস্যের পুষ্টিগুণ দিন দিন কমতে কমতে ক্রমান্বয়ে তলানিতে ঠেকছে। গত কয়েক দশকে উৎপাদনমুখী চাষাবাদের কারণে শস্যের ফলন ও আকার বাড়লেও চাল, গম ও সবজিতে জিংক, আয়রন ও প্রোটিনের মতো জরুরি অণুপুষ্টির ঘনত্ব ২০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে।  ফলে পেট ভরা খাবার পেয়েও প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজের অভাবে কোটি কোটি মানুষ এক মারাত্মক ‘প্রচ্ছন্ন ক্ষুধা’ বা অদৃশ্য অপুষ্টির শিকার হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্য নীতিনির্ধারকদের সামনে এক নতুন বৈশ্বিক সংকট হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। যুক্তরাজ্যের অলাভজনক বিজ্ঞান সংস্থা ডিপ সায়েন্স ভেঞ্চারস (ডিএসভি) এবং মার্ক লিওনার্ড ট্রাস্ট-এর যৌথ উদ্যোগে ২০২৬ সালের অক্টোবর মাসের শুরুতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত ‘হলো হারভেস্ট’ (ফাঁপা ফসল) নামক একটি বৈশ্বিক গবেষণা প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। এই প্রতিবেদনের পূর্ণ শিরোনাম হলো: ‘হলো হারভেস্ট: রিবিল্ডিং দ্য নিউট্রিশনাল ভ্যালু অব ক্রপস ইন অ্যান এজ অব আবান্ড্যান্ট ক্যালোরিজ’ (ফাঁপা ফসল: প্রচুর ক্যালোরির যুগে ফসলের পুষ্টিমান পুনর্গঠন)। নেদারল্যান্ডসের লাইডেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের ২০২৬ সালের একটি সাম্প্রতিক মেটা-অ্যানালাইসিসে ৪৩টি খাদ্যশস্যের প্রায় ৬০ হাজারটি পুষ্টিগত পরিমাপ পরীক্ষা করে দেখা গেছে, বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বৃদ্ধির কারণে উদ্ভিদে শর্করা ও ক্যালোরির পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, কিন্তু প্রোটিন, জিংক ও আয়রনের মতো খনিজ গড়ে ৩.২ শতাংশ কমে যাচ্ছে। এমনকি কিছু বিশেষ ফসলে জিংকের পরিমাণ ৩৭.৫ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পাওয়ার প্রমাণ মিলেছে।  সাম্প্রতিক এই গবেষণাগুলোর ভয়াবহ তথ্য কৃষি ও পুষ্টিবিজ্ঞানীদের নতুন করে ভাবিয়ে তুলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক নিবিড় কৃষি পদ্ধতি, উচ্চ ফলনশীল জাতের একচেটিয়া চাষাবাদ এবং তীব্র জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবে বিশ্বব্যাপী প্রধান প্রধান খাদ্যশস্যের পুষ্টির মান ও ঘনত্ব (নিউট্রিয়েন্ট ডেনসিটি) আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পাচ্ছে। গত কয়েক দশকে বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শস্যের গুণগত মানের চেয়ে পরিমাণের ওপর বেশি জোর দেওয়ায় উৎপাদন বাড়লেও উৎপাদিত খাদ্যের পুষ্টিগুণ ক্রমান্বয়ে তলানিতে ঠেকছে। ফলে পেট ভরার মতো পর্যাপ্ত খাবার বা ক্যালোরি পেলেও প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজের অভাবে কোটি কোটি মানুষ ‘প্রচ্ছন্ন ক্ষুধা’ বা তীব্র অণুপুষ্টির ঘাটতির (মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট ডেফিসিয়েন্সি) শিকার হচ্ছে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুষ্টি জরিপের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে এই সংকটের রূপ আরও স্পষ্ট। সর্বশেষ ‘জাতীয় মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সার্ভে’-র তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রায় ৪৪ শতাংশ শিশু এবং ৫৭ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক নারী তীব্র জিংক বা দস্তার ঘাটতিতে ভুগছেন। প্রধান খাদ্য হিসেবে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে চাল বা ভাত খাওয়া সত্ত্বেও মানুষের শরীরে জিংক ও আয়রনের মতো অত্যাবশ্যকীয় খনিজের এই ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। মূলত প্রথাগত উচ্চ ফলনশীল সাদা চালের পুষ্টি ঘনত্ব কমে যাওয়া এবং সুষম খাদ্যাভ্যাসের অভাবই এর অন্যতম প্রধান কারণ। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ)-এর দীর্ঘমেয়াদি তথ্য বিশ্লেষণ করে টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. ডোনাল্ড ডেভিস ও তার দল ২০০৪ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত এক ঐতিহাসিক গবেষণায় দেখিয়েছিলেন, ১৯৫০ থেকে ১৯৯৯ সালের মধ্যে উৎপাদিত ৪৩টি বিভিন্ন ফসলে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, ভিটামিন সি এবং প্রোটিনের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। কৃষিবিজ্ঞানীরা একে ‘ডিলিউশন ইফেক্ট’ বলছেন; যেখানে আধুনিক শস্যের আকার ও ফলন বাড়লেও পুষ্টির ঘনত্ব আনুপাতিক হারে কমে যাচ্ছে। তাছাড়া রাসায়নিক সারের অত্যধিক ব্যবহার এবং নিবিড় চাষাবাদের ফলে মাটির গভীরে থাকা ‘মাইকোরাইজাল ছত্রাক’ ও উপকারী অণুজীবের নেটওয়ার্ক ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক মৃত্তিকা বিজ্ঞান সাময়িকীগুলোর গবেষণায় দেখা গেছে, এই অণুজীবগুলো উদ্ভিদের মূল বা শিকড়কে মাটি থেকে খনিজ পুষ্টি উপাদান শোষণে সরাসরি সাহায্য করে। এগুলো ক্ষতিগ্রস্ত থাকায় উদ্ভিদ তার প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান পাচ্ছে না। দেশের সরকারি সংস্থা মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (এসআরডিআই)-এর বার্ষিক ও জাতীয় ভূমি অবক্ষয় প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিবিড় চাষাবাদের কারণে বাংলাদেশের প্রায় ৭৬.২ শতাংশ আবাদি জমি মাঝারি থেকে তীব্র মাত্রার পুষ্টিহীনতার শিকার। সংস্থাটির দেশব্যাপী মৃত্তিকা পুষ্টি মানচিত্রের তথ্য বলছে, দেশের অর্ধেকেরও বেশি ফসলি জমির মাটিতে জৈব উপাদানের পরিমাণ আদর্শ মাত্রার চেয়ে কমে ১ থেকে ১.৫ শতাংশের নিচে নেমে গেছে এবং প্রায় সাড়ে ৫ মিলিয়ন হেক্টর চাষযোগ্য জমির মাটিতে দস্তা (জিঙ্ক), বোরন ও সালফারের মতো জরুরি অণুপুষ্টির তীব্র ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এদিকে আন্তর্জাতিক পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, ১৯৬০ সালের পর উদ্ভাবিত রুটি তৈরির গম বা ব্রেড-হুইটের তিন-চতুর্থাংশেরও কম জাত জিংকের ন্যূনতম আদর্শ মাত্রা পূরণ করতে পারছে। এই পুষ্টিহানি মানুষের দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসকে অকার্যকর করে তুলছে। যেমন, আজ থেকে ৬০ বছর আগের একটি গাজর থেকে যে পরিমাণ পটাশিয়াম পাওয়া যেত, এখনকার গাজরে তার অর্ধেক পাওয়া যাচ্ছে, অর্থাৎ একই পুষ্টি পেতে একজনকে এখন দ্বিগুণ পরিমাণ গাজর খেতে হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও বিভিন্ন পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, খাদ্যশস্যের পুষ্টিমান কমে যাওয়ার সরাসরি প্রভাব পড়ছে মানবদেহে। এর ফলে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং সাব-সাহারা আফ্রিকার উন্নয়নশীল দেশগুলোতে গর্ভবতী নারী ও শিশুদের মধ্যে রক্তস্বল্পতা, হাড় ক্ষয় এবং অপুষ্টিজনিত বিভিন্ন দীর্ঘস্থায়ী রোগ বাড়ছে। পর্যাপ্ত খাবার খাওয়ার পরও প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাবে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য খাতের ওপর বিশাল আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছে। এটি ২০৩০ সালের মধ্যে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি-২) ‘ক্ষুধা মুক্তি ও পুষ্টি নিশ্চিতকরণ’ এজেন্ডা বাস্তবায়নের পথে বড় অন্তরায়। এই অপুষ্টির সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) ইতিমধ্যে বায়োফর্টিফাইড বা জিঙ্কসমৃদ্ধ চালের জাত (যেমন- ব্রি ধান-৭৪, ব্রি ধান-১০০) উদ্ভাবন করেছে, যা মানুষের শরীরে জিংকের দৈনিক চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণ করতে সক্ষম। তবে ব্রির বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলেছেন, ভোক্তা পর্যায়ে অতিরিক্ত ছাঁটা ও চকচকে ‘মিনিকেট’ চাল খাওয়ার প্রবণতার কারণে চাল মিলিং ও পলিশিংয়ের সময় এর উপরিভাগে থাকা জিংক ও আয়রনের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশই নষ্ট হয়ে যায়। ফলে পুষ্টিসমৃদ্ধ জাত চাষের পাশাপাশি ভোক্তাদের আচরণ ও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করাও জরুরি। ব্রির গবেষকরা এখন জিংক ও আয়রনের দ্বৈত সুবিধাযুক্ত আরও উন্নত জাতের ‘হেলদিয়ার রাইস’ উদ্ভাবনের লক্ষ্যে কাজ করছেন, যাতে একটি জাত থেকেই শরীরের অন্তত ৮০% জিংক এবং ৫০% আয়রনের চাহিদা মেটানো সম্ভব হয়। বিশেষজ্ঞ মহল এই সংকট মোকাবিলায় অবিলম্বে প্রচলিত কৃষি নীতিতে আমূল পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছেন। তারা শুধু মোট ফলন বা ওজনের ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং ফসলের পুষ্টির ঘনত্বের ওপর ভিত্তি করে কৃষকদের মূল্যায়ন ও প্রণোদনা দেওয়ার কথা বলছেন। পাশাপাশি মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষায় রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে জৈব সার, অণুজীব ইনোকুল্যান্ট এবং শস্য পর্যায় পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করেছেন তারা। এছাড়া প্রথাগত হাইব্রিড ধান-গমের পাশাপাশি জিংক ও আয়রনসমৃদ্ধ স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী শস্য ও মিলেট চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা প্রয়োজন। নীতিনির্ধারকদের মতে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কেবল খাদ্যের সহজলভ্যতা বা ক্যালোরি নিশ্চিত করা নয়, বরং পুষ্টিকর ও গুণগত মানসম্পন্ন খাদ্য নিশ্চিত করাই এখন সময়ের সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ। আরটিভি/এসআর
উৎপাদন বাড়লেও পুষ্টিমান হারাচ্ছে ফসল, যা বলছে গবেষকরা
আরও পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রে মহাকাশবিজ্ঞান গবেষণায় স্কলারশিপসহ ইন্টার্নশিপের সুযোগ, আবেদন করুন দ্রুত 
কাঁচা নাকি পাকা, কোন কলা শরীরের জন্য বেশি উপকারী
মাদরাসায় ছাত্রদের সঙ্গে ‘অনৈতিক কার্যকলাপ’, পরিচালককে পিটিয়ে পুলিশে দিলো জনতা
বাবা ছিলেন ঘুমিয়ে, উঠে দেখলেন ১০ মাসের সন্তান গায়েব