ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের চুক্তির পথে বাধা যে ৫টি বিষয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪০ এএম
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান প্রায় ৪০ দিনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে রয়েছে। এরমধ্যে গত ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের ইসলামাবাদে ২১ ঘণ্টার দীর্ঘ বৈঠক করেও কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল।

বুধবার (২২ এপ্রিল) যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে চললেও তেহরানের অনাগ্রহ ও ওয়াশিংটনের কড়া অবস্থান পুরো প্রক্রিয়াকে অনিশ্চয়তায় ফেলেছে।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উচ্চপর্যায়ের আলোচনা নতুন করে কূটনৈতিক গতি পেলেও মূল কয়েকটি ইস্যুতে এখনো বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়ে গেছে। পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, এমনকি যুদ্ধক্ষতিপূরণ বিভিন্ন বিষয়ে উভয় পক্ষই নিজেদের অবস্থানে অনড়। ফলে সম্ভাব্য কোনো চুক্তির পথ এখনও অনিশ্চিত রয়ে গেছে।

আরও পড়ুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্ভাব্য যেকোনো চুক্তির প্রধান বাধাগুলো নিচে তুলে ধরা হলো-

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি: যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান সম্পূর্ণভাবে তার পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করুক। কিন্তু তেহরানের দাবি, এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা অবশ্যই নির্দিষ্ট সময়ের জন্য হতে হবে।

সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের প্রায় ৪০০ কেজি উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু ইরান এ প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।

হরমুজ প্রণালি: ইরান বলছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরে আরোপিত অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে। কিন্তু ট্রাম্প বলেছেন চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত অবরোধ বহাল থাকবে।

জব্দ সম্পদ: ইরান যেকোনো স্থায়ী চুক্তির অংশ হিসেবে নিজের বিরুদ্ধে থাকা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের জব্দ সম্পদ মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে।

যুদ্ধকালীন ক্ষতিপূরণ: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় ক্ষয়ক্ষতির জন্য প্রায় ২৭০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করছে ইরান। এই ইস্যুগুলোকে নিয়ে উভয় পক্ষের অবস্থানে এখনও দূরত্বে থাকায় সমঝোতায় পৌঁছানো কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘আমি থাকলে হারত না রিপাবলিকানরা’, নির্বাচনে হারার পর ট্রাম্প 
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
‘আমি থাকলে হারত না রিপাবলিকানরা’, নির্বাচনে হারার পর ট্রাম্প 
৯৪ বছর পর কানসাসে সিনেট আসন পেল ডেমোক্র্যাটরা
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কানসাস অঙ্গরাজ্যের সিনেটে জয় পেয়েছেন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী অ্যাডাম হ্যামিল্টন।
৯৪ বছর পর কানসাসে সিনেট আসন পেল ডেমোক্র্যাটরা
আমি নির্বাচনের ফল মেনে নিতে প্রস্তুত: ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল মেনে নিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতেও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি। সম্প্রতি দ্য নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, আমি অবশ্যই নির্বাচনের ফল মেনে নিতে প্রস্তুত। আমরা ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করব। আশা করি, একসঙ্গে কাজ করার কোনো পথ বের করতে পারব। নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের জন্য ট্রাম্প দায়ী করেছেন নিজের নাম ব্যালটে না থাকাকে। অর্থাৎ, তিনি নিজে প্রার্থী না হওয়ায় দলের প্রার্থীরা প্রত্যাশিত ফল পাননি বলে মনে করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ব্যালটে আমি ছিলাম না। যদি থাকতাম, তাহলে আমরা বিপুল ব্যবধানে জয়ী হতাম! নির্বাচনে নিজের সমর্থন দেওয়া পরাজিত প্রার্থীদের নিয়েও কোনো অনুশোচনা নেই বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।  তবে সাউথ ক্যারোলাইনার প্রার্থী ডারলিন গ্রাহামের পরাজয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘দেখলাম ডারলিন হেরে গেছেন। বাহ, এটা তো অবিশ্বাস্য!’ এবারের নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসন, সিনেটের ১০০টির মধ্যে ৩৫টি আসন এবং বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের গভর্নরসহ স্থানীয় পর্যায়ের বেশ কয়েকটি পদে ভোট হচ্ছে। বর্তমানে কংগ্রেসের দুই কক্ষ সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদ; দুটির নিয়ন্ত্রণই রিপাবলিকানদের হাতে।  যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হলো প্রতিনিধি পরিষদ। সদস্যরা দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হন। সাধারণত আইন প্রণয়নের প্রস্তাব প্রথমে এই কক্ষে উত্থাপন ও আলোচনা করা হয়, পরে তা সিনেটে পাঠানো হয়। আরটিভি/এসআর
আমি নির্বাচনের ফল মেনে নিতে প্রস্তুত: ট্রাম্প
টেক্সাসে ৩২ বছর পর সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের জয়, ইতিহাস গড়লেন টালারিকো
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের সিনেটে জয় পেয়েছেন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী জেমস টালারিকো।
টেক্সাসে ৩২ বছর পর সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের জয়, ইতিহাস গড়লেন টালারিকো
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে প্রথমবার নির্বাচিত হলেন সমকামী পুরুষ ক্রিস পাপাস 
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে নিউ হ্যাম্পশায়ার অঙ্গরাজ্যের সিনেটে জয় পেয়েছেন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী ক্রিস পাপাস।
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে প্রথমবার নির্বাচিত হলেন সমকামী পুরুষ ক্রিস পাপাস 
আরও পড়ুন
‘আমি থাকলে হারত না রিপাবলিকানরা’, নির্বাচনে হারার পর ট্রাম্প 
৯৪ বছর পর কানসাসে সিনেট আসন পেল ডেমোক্র্যাটরা
আমি নির্বাচনের ফল মেনে নিতে প্রস্তুত: ট্রাম্প
টেক্সাসে ৩২ বছর পর সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের জয়, ইতিহাস গড়লেন টালারিকো