ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

বারমুডার ‘রহস্য’ উন্মোচন, বিজ্ঞানীদের গবেষণায় মিলল অবিশ্বাস্য তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ০২:২৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

দশকের পর দশক ধরে আটলান্টিক মহাসাগরের একটি রহস্য ভূতত্ত্ববিদদের ভাবিয়ে তুলছিল। বারমুডা দ্বীপটি কেন আশপাশের সমুদ্রতলের তুলনায় এত উঁচুতে অবস্থান করছে, যেখানে এর আগ্নেয়গিরিগুলো ৩ কোটিরও বেশি বছর ধরে নিষ্ক্রিয়? সাধারণত আগ্নেয়গিরি নিভে যাওয়ার পর সমুদ্রতল নিচে নেমে যাওয়ার কথা থাকলেও বারমুডার ক্ষেত্রে তা হয়নি। মার্কিন বিজ্ঞানীদের একটি দল দাবি করছে, তারা অবশেষে এই রহস্যের জট খুলতে পেরেছেন। খবর এনডিটিভির।

বিজ্ঞানীদের মতে, বারমুডা এমন এক ধরনের ভূতাত্ত্বিক গঠনের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, যা পৃথিবীর আর কোথাও দেখা যায়নি। কার্নেগি সায়েন্সের ভূকম্পবিদ উইলিয়াম ফ্রেজার এবং ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের জেফ্রি পার্কের নেতৃত্বে পরিচালিত নতুন গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে। তাদের গবেষণাটি সম্প্রতি কার্নেগি সায়েন্সের প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।

হাওয়াইয়ের মতো আগ্নেয় দ্বীপমালাগুলো সাধারণত ‘ম্যান্টল প্লুম’-এর ওপর গঠিত হয়। এটি হলো পৃথিবীর গভীর থেকে উঠে আসা উত্তপ্ত শিলার স্তম্ভ। আগ্নেয় কার্যকলাপ বন্ধ হয়ে গেলে এবং টেকটোনিক প্লেট দূরে সরে গেলে স্ফীত অংশটি আবার নিচে নেমে যায়। কিন্তু বারমুডা এখনো আশপাশের সমুদ্রতলের তুলনায় প্রায় ১ হাজার ৬০০ ফুট উঁচুতে অবস্থান করছে।

এই রহস্য অনুসন্ধানে গবেষকরা বড় ভূমিকম্প থেকে উৎপন্ন ভূকম্পীয় তরঙ্গ বিশ্লেষণ করেছেন। বারমুডার একটি ভূকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য ব্যবহার করে তারা দ্বীপটির নিচে প্রায় ২০ মাইল গভীর পর্যন্ত পৃথিবীর অভ্যন্তরের একটি চিত্র তৈরি করেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, সমুদ্রীয় ভূত্বকের ঠিক নিচে ১২ মাইলেরও বেশি পুরু একটি বিশাল শিলাস্তর রয়েছে। এই শিলার ঘনত্ব আশপাশের ম্যান্টলের তুলনায় কম। ফলে এটি অস্বাভাবিকভাবে ভাসমান। নিচ থেকে কোনো উত্তপ্ত পদার্থ ওপরে ঠেলে দেওয়ার পরিবর্তে, এই হালকা শিলাস্তরটি অনেকটা ‘ভেলা’র মতো কাজ করছে। এই হালকা ও বিশাল স্তরের কারণেই বারমুডা এবং এর চারপাশের সমুদ্রতল এখনো ভেসে আছে।

আরও পড়ুন

গবেষকদের ধারণা, ‘আন্ডারপ্লেটিং’ নামে পরিচিত এই স্তরটি কয়েক কোটি বছর আগে বারমুডার আগ্নেয়গিরি সক্রিয় থাকাকালীন গঠিত হয়েছিল। তখন কার্বনসমৃদ্ধ গলিত ম্যান্টল শিলা ভূত্বকের নিচের অংশে প্রবেশ করে সেখানেই ঠান্ডা হয়ে জমাট বাঁধে। এই পদার্থের উৎস সম্ভবত কয়েকশ কোটি বছর আগের, যখন সুপারমহাদেশ ‘প্যাঞ্জিয়া’ গঠিত হচ্ছিল।

গবেষক উইলিয়াম ফ্রেজার বলেন, বারমুডা গবেষণার জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয়। কারণ এর ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য প্রচলিত ‘ম্যান্টল প্লুম’ মডেলের সঙ্গে মেলে না। আমাদের এই আবিষ্কার ইঙ্গিত দেয় যে পৃথিবীর ম্যান্টলের ভেতরে আরও কিছু প্রবাহগত প্রক্রিয়া রয়েছে, যা আমরা এখনো পুরোপুরি বুঝতে পারিনি।

উল্লেখ্য ফ্লোরিডা, বারমুডা এবং পুয়ের্তো রিকোর মধ্যবর্তী এই অঞ্চলটি ‘বারমুডা ট্রায়াঙ্গল’ হিসেবে পরিচিত। জাহাজ ও উড়োজাহাজ রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার নানা লোককথা এই অঞ্চলকে ঘিরে রয়েছে। যদিও অনেকে অলৌকিক শক্তির ইঙ্গিত দেন, তবে বিজ্ঞানীরা মনে করেন এর মূল কারণ অতিরিক্ত যানচলাচল, চরম প্রতিকূল আবহাওয়া এবং মানুষের ভুল। নতুন এই গবেষণাটি মূলত দ্বীপটির ভৌগোলিক উচ্চতা ও স্থায়িত্বের বৈজ্ঞানিক কারণ উন্মোচন করেছে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তরের প্রশংসাপত্র পেলেন বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ফরিদ আহাম্মদ রনি
বাংলাদেশের আলোকচিত্রী ও লেখক ফরিদ আহাম্মদ রনির আলোকচিত্রভিত্তিক গ্রন্থ ‘প্যারিসের ছবি’ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর হাতে গ্রন্থটি উপহার দেওয়ার পর এবার রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে পাওয়া আনুষ্ঠানিক প্রশংসাপত্র তার সৃজনশীল উদ্যোগকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। ২০২৫ সালের ৩০ অক্টোবর ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর হাতে নিজের প্রকাশিত গ্রন্থ ‘প্যারিসের ছবি’ তুলে দেওয়ার সুযোগ পান ফরিদ আহাম্মদ রনি। প্যারিসের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সৌন্দর্যকে আলোকচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা এই গ্রন্থ রাষ্ট্রপতির হাতে পৌঁছে দেওয়া তার দীর্ঘদিনের সৃজনশীল যাত্রার একটি স্মরণীয় ঘটনা। এর আগে ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তর এবং প্যারিসের মেয়র দপ্তর থেকেও গ্রন্থটির জন্য প্রশংসাপত্র ও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়ার কথা জানান লেখক। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের ২০ অক্টোবর ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে প্রাপ্ত আনুষ্ঠানিক চিঠি তার এই উদ্যোগে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। প্রাপ্ত চিঠিতে গ্রন্থটি উপহার দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি ফ্রান্সের সাংস্কৃতিক মর্যাদা ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশটির ভাবমূর্তি তুলে ধরার ক্ষেত্রে লেখকের উদ্যোগের প্রশংসা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ফ্রান্স ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং সাংস্কৃতিক বন্ধন সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে তার অবদানের স্বীকৃতিও উল্লেখ করা হয়েছে। ‘প্যারিসের ছবি’ কেবল একটি আলোকচিত্রের বই নয়, বরং ফ্রান্সের রাজধানীর ইতিহাস, স্থাপত্য, শিল্প, সংস্কৃতি ও নগরজীবনের এক নান্দনিক উপস্থাপনা। গ্রন্থটিতে আইফেল টাওয়ার, লুভর জাদুঘর, ঐতিহাসিক স্থাপনা, ভাস্কর্য, নগরজীবন এবং প্যারিসের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আলোকচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। বাংলা, ইংরেজি ও ফরাসি ভাষায় প্রকাশিত গ্রন্থটি বাংলাদেশের প্রকাশনা ও আলোকচিত্রচর্চার আন্তর্জাতিক পরিচিতি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে। বহুভাষিক উপস্থাপনার মাধ্যমে বইটি বাংলাদেশ, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশের পাঠক ও শিল্পানুরাগীদের কাছে প্যারিসের সৌন্দর্য ও ঐতিহ্য তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদনেও গ্রন্থটির বহুভাষিক প্রকাশনা এবং ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির হাতে পৌঁছানোর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে। ফরিদ আহাম্মদ রনির এই গ্রন্থ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের কাছে পৌঁছেছে। ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর পাশাপাশি প্যারিসের সাবেক মেয়র আন্নে ইদালগোর হাতেও বইটি তুলে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্যারিসের ঐতিহাসিক গ্রঁ পালে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ChangeNOW Summit-এ মোনাকোর যুবরাজ প্রিন্স আলবার্ট দ্বিতীয়, ফ্রান্সের সাবেক প্রধানমন্ত্রী লরাঁ ফাবিউস এবং জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল মেলিসা ফ্লেমিংয়ের হাতেও গ্রন্থটি পৌঁছে দেন তিনি। ২০২৬ সালের জুনে প্যারিসের বর্তমান মেয়র ইমানুয়েল গ্রেগোয়ারের কাছেও গ্রন্থটি উপহার দেওয়া হয়। একই বছরের আগস্টে ফ্রান্সের সাবেক রাষ্ট্রপতি ফ্রাঁসোয়া ওলান্দের হাতেও বইটি তুলে দেওয়ার খবর প্রকাশিত হয়। ফ্রান্স ও বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ওপর প্রতিষ্ঠিত। শিল্প, সাহিত্য, আলোকচিত্র ও সংস্কৃতির মাধ্যমে দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ আরও গভীর করার সুযোগ রয়েছে। ফরিদ আহাম্মদ রনির ‘প্যারিসের ছবি’ সেই সাংস্কৃতিক যোগাযোগের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। একজন বাংলাদেশি আলোকচিত্রীর দৃষ্টিতে ফ্রান্সের রাজধানীকে আন্তর্জাতিক পাঠকের সামনে তুলে ধরার এই প্রচেষ্টা দুই দেশের সাংস্কৃতিক বিনিময়কে নতুনভাবে পরিচিত করার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে পাওয়া আনুষ্ঠানিক প্রশংসাপত্র তার ব্যক্তিগত সৃজনশীল অর্জনের পাশাপাশি বাংলাদেশের আলোকচিত্র ও প্রকাশনা জগতের জন্যও অনুপ্রেরণার বিষয়। সংস্কৃতির কোনো ভৌগোলিক সীমারেখা নেই। শিল্প ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে মানুষে মানুষে সম্পর্ক গড়ে ওঠে, দেশ থেকে দেশে তৈরি হয় বন্ধুত্বের সেতু। ‘প্যারিসের ছবি’ সেই সেতুবন্ধনেরই একটি নান্দনিক প্রয়াস, যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। আরটিভি/টিআর
ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তরের প্রশংসাপত্র পেলেন বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ফরিদ আহাম্মদ রনি
বিশ্ববাজারে বাড়ল সোনার দাম
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের পর ডলারের দরপতনে বিশ্ববাজারে সোনার দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
বিশ্ববাজারে বাড়ল সোনার দাম
নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হলেন লেটিশিয়া জেমস
নিউ ইয়র্ক অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে পুনর্নির্বাচনের লড়াইয়ে জয়ী হয়েছেন লেটিশিয়া জেমস। তিনি রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী সারিতা কোমাতিরেডিকে পরাজিত করেছেন বলে ঘোষণা করেছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস। স্থানীয় সময় বুধবার (৪ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে এই নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়, যেখানে জেমস ৬০ শতাংশেরও বেশি ভোট পেয়েছেন বলে জানা গেছে। ২০১৯ সাল থেকে জেমস নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি কর্মজীবী ​​পরিবারগুলোর ব্যয় কমানো, অপরাধীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং নিউ ইয়র্কবাসীর অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করেছেন। দায়িত্বকালে গত সাত বছরে তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ৫০ বারেরও বেশি মামলা করেছেন। ২০২০ সালে ট্রাম্প কোমাতিরেডিকে নিউ ইয়র্কের পূর্বাঞ্চলীয় ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের বিচারক হিসেবে মনোনীত করেছিলেন। তিনি নিউ ইয়র্কে নিরাপত্তা বৃদ্ধি, মানসিক অসুস্থতার মোকাবিলা এবং নিউ ইয়র্কবাসীর অধিকার রক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আরটিভি/টিআর
নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হলেন লেটিশিয়া জেমস
নিজেদের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্পিকার পেতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের হারিয়ে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নিয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। এরই ধারাবাহিকতায় এবার মার্কিন কংগ্রেসে নতুন ইতিহাস গড়ার পথে রয়েছেন ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফ্রিস। 
নিজেদের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্পিকার পেতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে যে ৫ কারণে ভরাডুবি হলো রিপাবলিকানদের
এবারের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের ব্যাপকতাকে হোয়াইট হাউজে ট্রাম্পের দুই বছরের শাসনের বিরুদ্ধে মার্কিন ভোটারদের জোরালো প্রত্যাখ্যান হিসেবে দেখা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে যে ৫ কারণে ভরাডুবি হলো রিপাবলিকানদের
আরও পড়ুন
নতুন করে ইরানে দফায় দফায় হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে মালদ্বীপের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ
সেন্টমার্টিন দ্বীপে রাত্রিযাপন নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত সরকারের
ওমান সাগরে নিখোঁজ নুর উদ্দিনের পরিবার কাঁদছে, বাবার অপেক্ষায় দেড় বছরের শিশু