ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

নিউজিল্যান্ডে দেখা মিলল বিরল জাতের আপেলের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ জুন ২০২৬, ০৮:৪৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের একটি ফল ও সবজির দোকানে দেখা মিলেছে অত্যন্ত বিরল ও খুব চমৎকার এক আপেলের। যার অর্ধেক অংশ লাল এবং বাকি অর্ধেক অংশ নিখুঁতভাবে হলুদ রঙে বিভক্ত। অবিকল মাঝখান থেকে দুই রঙে ভাগ হওয়া এই আপেলটি দেখতে এখন দোকানটিতে ভিড় জমাচ্ছেন অসংখ্য দর্শনার্থী।

গত মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে ক্রাইস্টচার্চের মাইরেহাউ উপশহরের ‘সানশাইন কর্নার মার্কেট’ নামক একটি দোকানে পাকা, রসালো ও মিষ্টি লাল আপেলের একটি চালানের মধ্যে এই অদ্ভুত ফলটি খুঁজে পাওয়া যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের দুই রঙের আপেল পাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল—যা প্রায় ১০ লাখে একটি ঘটতে পারে। এটি মূলত একটি বিশেষ জেনেটিক মিউটেশন বা জিনগত পরিবর্তনের কারণে ঘটে থাকে। ফলটি যখন বড় হতে শুরু করে, তখন এর কোষগুলো দুটি ভিন্ন জিনগত বৈশিষ্ট্যে বিভক্ত হয়ে যাওয়ার ফলেই এমন রঙের নিখুঁত পার্থক্য তৈরি হয়।

আরও পড়ুন

স্থানীয় গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে দোকানের মালিক হিদার জানান, আপেলটি এখন এলাকার মানুষের কাছে এক বিরাট কৌতূহলের বিষয়ে পরিণত হয়েছে। তিনি হাসিমুখে বলেন, ‘যারা এটি দেখছেন, তারা বাড়ি গিয়ে তাদের জীবনসঙ্গীকে জানালে অনেকেই তা বিশ্বাস করতে চান না। ফলে অনেকেই সত্যতা প্রমাণ করতে তাদের সাথে নিয়ে পুনরায় দোকানে ফিরে আসছেন।’ ইতোমধ্যে প্রচুর দর্শনার্থী এই অদ্ভুত সুন্দর ফলের ছবি তুলে নিয়ে গেছেন।

হিদার আরও বলেন, বহু বছর ধরে ফলের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকলেও তিনি এর আগে কখনো এমন নিখুঁত দুই রঙের আপেল দেখেননি। এমনকি কোনো কোনো ক্রেতা বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার আগে নিজেদের ভাগ্য পরীক্ষার জন্য এই আপেলটি একবার ছুঁয়ে দেখারও অনুরোধ করছেন।

আপাতত আপেলটির পচন রোধ করতে এবং স্থায়িত্ব বাড়াতে সেটিকে একটি রেফ্রিজারেটরে যত্নে সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে। তবে দোকান মালিক জানিয়েছেন, এটিকে স্থায়ীভাবে কোনো উপায়ে সংরক্ষণ করা হবে নাকি কেটে এর ভেতরের অংশটি পরীক্ষা করে দেখা হবে—সে বিষয়ে খুব শীঘ্রই তারা একটি সিদ্ধান্ত নেবেন।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সীমান্ত ও শুল্ক সুরক্ষা কর্মকর্তার ৫ গুলিতে বেঁচে যাওয়া নারীর মামলা
যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর এক কর্মকর্তার (CBP Officer) গুলিতে পাঁচবার আহত হয়ে বেঁচে যাওয়া মারিমার মার্টিনেজ এবার দেশটির সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।
সীমান্ত ও শুল্ক সুরক্ষা কর্মকর্তার ৫ গুলিতে বেঁচে যাওয়া নারীর মামলা
স্ত্রী হত্যায় সাবেক ‘আমেরিকান আইডল’ প্রতিযোগীর যাবজ্জীবন
স্ত্রীকে হত্যার দায়ে সাবেক ‘আমেরিকান আইডল’ প্রতিযোগী ও সংগীত যাজক ক্যালেব ফ্লিনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত।
স্ত্রী হত্যায় সাবেক ‘আমেরিকান আইডল’ প্রতিযোগীর যাবজ্জীবন
নোবেল ইতিহাসে ক্যুরি পরিবারের অনন্য রেকর্ড
নোবেল পুরস্কারের ১২৫ বছরের সুদীর্ঘ ইতিহাসে একই ব্যক্তির একাধিক নোবেল জয়ের ঘটনা যেমন বিরল, তেমনি একই পরিবারের একাধিক সদস্যের এই সর্বোচ্চ সম্মাননা পাওয়ার নজির আরও বিস্ময়কর। বিশ্বমঞ্চে মেধার এই অনন্য বংশানুক্রমিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে কয়েকটি পরিবার। বিশেষ করে ফরাসি বিজ্ঞানী ক্যুরি পরিবার বিজ্ঞান ও গবেষণায় যৌথ অবদানের মাধ্যমে নোবেল ইতিহাসে এমন এক অবিস্মরণীয় কীর্তি গড়েছে, যা আজ পর্যন্ত আর কোনো পরিবার স্পর্শ করতে পারেনি।  নোবেল পুরস্কারের ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, নোবেল পুরস্কারের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল এবং আলোচিত পরিবার হলো ক্যুরি পরিবার। এই একটি পরিবারই যৌথ ও এককভাবে মোট ৫টি নোবেল পুরস্কার নিজেদের করে নিয়েছে। মারি ক্যুরি ও পিয়েরে ক্যুরি (স্বামী-স্ত্রী) ১৯০৩ সালে তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার ও গবেষণার জন্য মারি ক্যুরি এবং তার স্বামী পিয়েরে ক্যুরি যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। এর মাধ্যমে মারি ক্যুরি ইতিহাসের প্রথম নারী নোবেল জয়ী হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। মারি ক্যুরি (একক রেকর্ড) স্বামী পিয়েরে ক্যুরির মৃত্যুর পর, ১৯১১ সালে মারি ক্যুরি রসায়নে এককভাবে তার দ্বিতীয় নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি ইতিহাসের একমাত্র ব্যক্তি যিনি দুটি ভিন্ন বিজ্ঞান শাখায় (পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন) নোবেল জয়ের অনন্য রেকর্ডের অধিকারী। আইরিন ও ফ্রেডেরিক জোলিও-ক্যুরি (কন্যা ও জামাতা) মারি ও পিয়েরে ক্যুরির জ্যেষ্ঠ কন্যা আইরিন জোলিও-ক্যুরিও বাবা-মায়ের পথ ধরে বিজ্ঞানের আঙিনায় আসেন। ১৯৩৫ সালে কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কারের জন্য আইরিন এবং তার স্বামী ফ্রেডেরিক জোলিও-ক্যুরি যৌথভাবে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া মারি ক্যুরির ছোট মেয়ে ইভ ক্যুরির স্বামী হেনরি ল্যাবৌইসি ১৯৬৫ সালে জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফেট নির্বাহী পরিচালক হিসেবে সংস্থাটির পক্ষে নোবেল শান্তি পুরস্কার গ্রহণ করেন। সব মিলিয়ে ক্যুরি পরিবারের সাথে ৫টি নোবেল পুরস্কারের সরাসরি সংযোগ রয়েছে। দম্পতির নোবেল জয় নোবেল ইতিহাসে অন্যান্য সফল দম্পতি ক্যুরি দম্পতি ও তাদের কন্যা-জামাতা ছাড়াও ইতিহাসে আরও বেশ কয়েকজন স্বামী-স্ত্রী যৌথভাবে নোবেল পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। গার্টি কোরি ও কার্ল কোরি: ১৯৪৭ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে যৌথভাবে নোবেল পান এই চিকিৎসাবিজ্ঞানী দম্পতি। মে-ব্রেট মোজার ও এডভার্ড মোজার: ২০১৪ সালে মস্তিষ্কের পজিশনিং সিস্টেম বা ‘অভ্যন্তরীণ জিপিএস’ আবিষ্কারের জন্য চিকিৎসাবিজ্ঞানে যৌথ নোবেল পান নরওয়ের এই দম্পতি।  অভিজিৎ ব্যানার্জি ও এস্থার দুফলো: ২০১৯ সালে বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য বিমোচনে পরীক্ষামূলক পদ্ধতির জন্য অর্থনীতিতে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত অভিজিৎ ব্যানার্জি ও তার স্ত্রী ফরাসি-মার্কিন অর্থনীতিবিদ এস্থার দুফলো। সূত্র: বাসস    আরটিভি/জেএমএ
নোবেল ইতিহাসে ক্যুরি পরিবারের অনন্য রেকর্ড
পিতা-পুত্রের নোবেল জয়ের অনন্য রেকর্ড
নোবেল পুরস্কারের সোয়া শ' বছরের সুদীর্ঘ ইতিহাসে একই পরিবারের একাধিক সদস্যের এই সর্বোচ্চ সম্মাননা পাওয়ার নজির অত্যন্ত বিরল ও বিস্ময়কর। বিশ্বমঞ্চে পারিবারিক মেধার এই অনন্য উত্তরাধিকার সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে পদার্থবিজ্ঞান ও চিকিৎসাবিজ্ঞানে। নোবেল ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, ইতিহাসে এ পর্যন্ত মোট ৭ বার পিতা-পুত্রের নোবেল জয়ের অনন্য নজির সৃষ্টি হয়েছে। নিচে নোবেলজয়ী সেই সফল পিতা-পুত্রদের বিবরণ তুলে ধরা হলো: হেনরি ও লরেন্স ব্র্যাগ এক্স-রে ক্রিস্টালোগ্রাফি বিশ্লেষণের মাধ্যমে স্ফটিকের গঠন আবিষ্কারের জন্য পিতা উইলিয়াম হেনরি ব্র্যাগ ও পুত্র উইলিয়াম লরেন্স ব্র্যাগ ২৯১৫ সালে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পান। এটি একই বছর যৌথভাবে পিতা-পুত্রের নোবেল জয় একমাত্র রেকর্ড। লরেন্স ব্র্যাগ মাত্র ২৫ বছর বয়সে বাবার সাথে যৌথভাবে এই পুরস্কার পেয়ে বিজ্ঞানের ইতিহাসে আজও সর্বকনিষ্ঠ পদার্থবিজ্ঞানী হিসেবে বিশ্ব রেকর্ড ধরে রেখেছেন। জে জে থমসন ও জর্জ পেজেট স্যার জোসেফ জন থমসন (জে জে থমসন) ১৯০৬ সালে ইলেকট্রন আবিষ্কার ও গ্যাসে বিদ্যুৎ পরিবাহিতা নিয়ে গবেষণার জন্য পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পান। এর ৩১ বছর পর, ১৯৩৭ সালে তাঁর পুত্র জর্জ পেজেট থমসন ইলেকট্রনের তরঙ্গধর্মী বৈশিষ্ট্য প্রমাণের জন্য একই বিভাগে নোবেল লাভ করেন। নিলস বোর ও অগে বোর কোয়ান্টাম তত্ত্ব ও পরমাণুর গঠন ব্যাখ্যার জন্য বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী নিলস বোর ১৯২২ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পান। তাঁরই যোগ্য উত্তরসূরি অগে বোর ১৯৭৫ সালে পরমাণুর নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে উপ-পারমাণবিক কণার গতিপ্রকৃতি আবিষ্কারের জন্য একই বিভাগে নোবেল জয়ের গৌরব অর্জন করেন। ম্যান ও কাই সিগবান এক্স-রে স্পেকট্রোস্কোপি আবিষ্কারের জন্য ১৯২৪ সালে সুইডিশ বিজ্ঞানী কার্ল ম্যান সিগবান পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পান। ১৯৮১ সালে তাঁর পুত্র কাই সিগবান উচ্চ-রেজোলিউশন ইলেকট্রন স্পেকট্রোস্কোপি উন্নত করার স্বীকৃতিস্বরূপ একই বিভাগে নোবেল লাভ করেন। হ্যান্স ও উলফ ভন ইউলার বাবা হ্যান্স ভন ইউলার-চেলপিন ১৯২৯ সালে এনজাইমের গাঁজন প্রক্রিয়ার ওপর গবেষণার জন্য রসায়নে নোবেল পান। অন্যদিকে তাঁর পুত্র উলফ ভন ইউলার স্নায়ুতন্ত্রের নিউরোট্রান্সমিটার (নোরপাইনফ্রিন) সংক্রান্ত যুগান্তকারী আবিষ্কারের জন্য ১৯৭০ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল লাভ করেন। আর্থার ও রজার কর্নবার্গ মার্কিন বিজ্ঞানী আর্থার কর্নবার্গ ১৯৫৯ সালে  (উঘঅ) কৃত্রিমভাবে ডিএনএ সংশ্লেষণের পদ্ধতি আবিষ্কারের জন্য চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পান। এর দীর্ঘ ৪৭ বছর পর, ২০০৬ সালে তাঁর পুত্র রজার কর্নবার্গ ইউক্যারিওটিক কোষের জিনগত তথ্য প্রতিলিপিকরণ প্রক্রিয়া আবিষ্কারের জন্য রসায়নে নোবেল লাভ করেন। নিলস জার্নি ও সোভান্তে পাবো ইমিউন সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ তত্ত্বের জন্য ১৯৮৪ সালে নিলস জার্নি চিকিৎসায় নোবেল পান। আর ২০২২ সালে বিলুপ্ত হোমিনিন ও মানব বিবর্তনের জিনোম আবিষ্কারের জন্য তাঁর পুত্র সুইডিশ বিজ্ঞানী সোভান্তে পাবো চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল লাভ করেন। আরটিভি/টিআর
পিতা-পুত্রের নোবেল জয়ের অনন্য রেকর্ড
তুরস্কে নূহের নৌকার খোঁজে কী পেলেন গবেষকরা
ইরান সীমান্তবর্তী তুরস্কের আগ্রি প্রদেশের দোগুবেয়াজিত জেলায় জাহাজের আকৃতির একটি ভূতাত্ত্বিক কাঠামো ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে গবেষণা। অনেকের বিশ্বাস, এটি নূহ (আ.)-এর নৌকার ধ্বংসাবশেষ। সম্প্রতি সেখানে মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধান শেষ করেছে সিভাস জুমহুরিয়েত বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বাধীন একটি গবেষক দল। তবে এখনই নূহ (আ.)-এর নৌকার অস্তিত্ব নিশ্চিত করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। গবেষক দলের উপপ্রধান ও মার্কিন গবেষক অ্যান্ড্রু জোনস জানান, অনুসন্ধানের সময় কাঠামোটির বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায় এক হাজার মাটির নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পাশাপাশি কোর ড্রিলিংয়ের মাধ্যমে ভূগর্ভের নমুনা নেওয়া হয়েছে এবং নতুন প্রজন্মের রাডার প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাটির নিচে বেশ কিছু অস্বাভাবিকতা শনাক্ত করা হয়েছে। গবেষকদের মতে, প্রাথমিক অনুসন্ধানে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় উঠে এসেছে কাঠামোটি কোনো একক পাথরের খণ্ড নয়। আগে ধারণা করা হয়েছিল, শক্ত কোনো পাথর দীর্ঘদিনের ক্ষয়প্রক্রিয়ায় জাহাজের মতো আকৃতি ধারণ করেছে। কিন্তু কোর ড্রিলিংয়ের সময় বিভিন্ন গভীরতা থেকে ধারাবাহিকভাবে মাটির নমুনা পাওয়া গেছে। তবে এর অর্থ যে কাঠামোটি মানুষের তৈরি, এমন সিদ্ধান্তেও এখনই পৌঁছানো যাচ্ছে না। জোনস বলেন, ভূগর্ভে পাওয়া গাঢ় রঙের মাটি বিশেষভাবে পরীক্ষা করা হচ্ছে। এটি পচে যাওয়া কাঠের অবশেষ কি না, নাকি অন্য কোনো প্রাকৃতিক বা মানবিক কর্মকাণ্ডের ফল ল্যাবরেটরি পরীক্ষার পর তা জানা যাবে। গত আগস্টে পরিচালিত রাডার স্ক্যানেও কাঠামোর নিচে কিছু অস্বাভাবিক বস্তু বা গঠনের সংকেত পাওয়া গেছে। গত মে মাসে শুরু হওয়া সর্বশেষ গবেষণার নেতৃত্ব দিচ্ছেন সিভাস জুমহুরিয়েত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক সেনকার আতিলা। পাঁচটি দেশের প্রায় ২০ জন বিজ্ঞানী এতে অংশ নেন। তেলচেকার ও উজেঙ্গিলি গ্রামের মধ্যবর্তী এলাকায় টানা প্রায় ৯০ দিন ধরে চলে মাঠপর্যায়ের কাজ। গবেষকরা ওই এলাকার ভূখণ্ডের বিস্তারিত মডেল তৈরি করতে ড্রোন ব্যবহার করেন। মাটির নিচের গঠন শনাক্ত করতে ব্যবহার করা হয় আধুনিক রাডার ব্যবস্থা। বিভিন্ন স্থান থেকে মাটির নমুনা সংগ্রহের পাশাপাশি কোর ড্রিলিংও করা হয়। এসব নমুনা ইতোমধ্যে পরীক্ষার জন্য গবেষণাগারে পাঠানো হয়েছে। নূহ (আ.)-এর নৌকার সঙ্গে এই কাঠামোর সম্পর্কের দাবি অবশ্য নতুন নয়। ১৯৫৯ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তুরস্কের ম্যাপিং ইঞ্জিনিয়ার ইলহান দুরুপিনার পূর্ব আনাতোলিয়া অঞ্চলে বিমান থেকে জরিপ চালানোর সময় প্রথম কাঠামোটির সন্ধান পান। এরপর থেকেই এটি নিয়ে তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশের গবেষকদের আগ্রহ তৈরি হয়। তবে সাম্প্রতিক গবেষণা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু গণমাধ্যমে নূহ (আ.)-এর নৌকার অস্তিত্ব নিশ্চিত হওয়ার দাবি ছড়িয়ে পড়েছে। এ ধরনের দাবির বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন অ্যান্ড্রু জোনস। তিনি বলেন, গবেষণার কাজ এখনো শেষ হয়নি। রাডার থেকে পাওয়া তথ্য, মাটির নমুনা ও কোর ড্রিলিংয়ের ফলাফল একসঙ্গে বিশ্লেষণ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হবে। আগামী বছরের এপ্রিল বা মে মাসে এ গবেষণার চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে পারে। অর্থাৎ, এখন পর্যন্ত গবেষকদের হাতে রয়েছে কিছু অস্বাভাবিক ভূগর্ভস্থ গঠন ও মাটির নমুনা কিন্তু এগুলো নূহ (আ.)-এর নৌকার ধ্বংসাবশেষ, এমন বৈজ্ঞানিকভাবে নিশ্চিত প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। আরটিভি/এসকে
তুরস্কে নূহের নৌকার খোঁজে কী পেলেন গবেষকরা
আরও পড়ুন
যে কারণে ১০ লাখ ডলারের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন স্যান্টনার
বিপন্ন কালো রবিনই নিউজিল্যান্ডের ‘বার্ড অব দ্য ইয়ার
নিউজিল্যান্ডের উদ্দেশ্যে মিশর ছাড়লেন আলোচিত রাষ্ট্রদূত সামিনা নাজ
এবার ভূমিকম্পে কাঁপল নিউজিল্যান্ড