ঢাকা বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রশান্ত মহাসাগরে আবারও মার্কিন হামলা, নিহত ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ জুন ২০২৬, ০৪:৪৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে মাদক পাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত একটি নৌকায় মার্কিন সামরিক বাহিনী আবারও বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) চালানো এই আকস্মিক হামলায় নৌকাটিতে থাকা তিনজন নিহত হয়েছেন।

লাতিন আমেরিকায় কথিত মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন বর্তমানে অত্যন্ত কঠোর ও আগ্রাসী সামরিক অভিযান চালাচ্ছে। সর্বশেষ এই হামলার পর চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে ট্রাম্প প্রশাসন যাদের ‘নারকো-টেররিস্ট’ বা মাদক-সন্ত্রাসী বলে আখ্যা দিয়েছে, তাদের লক্ষ্য করে চালানো মার্কিন সামরিক হামলায় নিহতের মোট সংখ্যা অন্তত ২১১ জনে পৌঁছেছে।

পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগর ও ক্যারিবিয়ান সাগরে চালানো সাম্প্রতিক এসব রক্তাক্ত হামলা নিয়ে মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড জানিয়েছে, তারা সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে কথিত মাদক পাচারকারীদের লক্ষ্য করে এই অভিযান চালিয়েছে। তবে মার্কিন সামরিক বাহিনী বা পেন্টাগন ওই নৌকাটি আসলেই কোনো মাদক বহন করছিল কি না, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ এখনো প্রকাশ করেনি।

আরও পড়ুন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত মার্কিন বাহিনীর একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সাগরে আঘাত পাওয়ার পর নৌকাটিতে আগুন ধরে যাওয়ার আগে সেটি অত্যন্ত দ্রুত গতিতে পানিতে চলছিল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, লাতিন আমেরিকার শক্তিশালী মাদক চক্র বা কার্টেলগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর একধরনের সরাসরি যুদ্ধ চলছে। তিনি এই সামরিক হামলাগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রে মাদকের অবৈধ প্রবাহ কমানো এবং মাদক অতিরিক্ত সেবনে মার্কিন নাগরিকদের মৃত্যুর হার ঠেকানোর জন্য একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তবে তার প্রশাসন মাদক-সন্ত্রাসীদের হত্যার দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত খুব কম প্রমাণ হাজির করতে পেরেছে।

এদিকে বিশ্লেষক ও সমালোচকেরা মার্কিন এই নৌ-হামলার বৈধতা ও কার্যকারিতা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের মতে, ফেন্টানাইলসহ অতি প্রাণঘাতী মাদকের একটি বড় অংশ মূলত মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে স্থলপথে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করে, যা মূলত চীন ও ভারত থেকে আসা বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান দিয়ে তৈরি করা হয়। ফলে সাগরে নৌকা ডুবিয়ে মাদক চোরাচালান বন্ধের এই নীতি কতটা কার্যকর, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নোবেলজয়ীদের কালো-সোনালি ছবি কেন আঁকা হয়?
নোবেল পুরস্কার ঘোষণার পর পরই বিজয়ীদের নামের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে সংবাদমাধ্যমে চোখে পড়ে কিছু ব্যতিক্রমী পোর্ট্রেট। কালো রেখায় আঁকা মুখাবয়ব, যার ওপর থাকে ঝকঝকে সোনালি পাতের ছোঁয়া।
নোবেলজয়ীদের কালো-সোনালি ছবি কেন আঁকা হয়?
শান্তিতে নোবেল: শেষ মুহূর্তের আলোচনায় সম্ভাব্য যারা
এ বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার কে পাচ্ছেন, তা নিয়ে তুমুল জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান ইয়র্গেন ওয়াটনে ফ্রাইডনেস বিজয়ীর নাম ঘোষণা করবেন। এ বছর পুরস্কারের জন্য মোট ২৮৭ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান মনোনীত হয়েছেন। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, এবারের পুরস্কারের জন্য মোট ২৮৭টি মনোনয়ন জমা পড়েছে। এর মধ্যে ২০৮ জন ব্যক্তি এবং ৭৯টি সংগঠন রয়েছে। তবে কারা মনোনয়ন পেয়েছেন, তার আনুষ্ঠানিক তালিকা প্রকাশ করে না নোবেল কমিটি। নিয়ম অনুযায়ী মনোনয়ন-সংক্রান্ত নথি ৫০ বছর পর্যন্ত গোপন রাখা হয়। ফলে পুরস্কার ঘোষণার আগে যেসব নাম সামনে আসে, সেগুলোর অনেকটাই মনোনয়নদাতা, বিশেষজ্ঞ ও গণমাধ্যমের প্রকাশিত তথ্যের ওপর নির্ভরশীল। আলোচনায় আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন এবারের সবচেয়ে চমকপ্রদ সম্ভাবনার একটি হলো আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন বা আইএসএস। বার্তা সংস্থা এপি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নোবেল শান্তি পুরস্কারের পূর্বাভাসদাতাদের কেউ কেউ আইএসএসকে সম্ভাব্য বিজয়ী হিসেবে দেখছেন। শান্তি গবেষণা ইনস্টিটিউট অসলোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হাকন গেরলভ এই সম্ভাবনার কথা বলেছেন। তার মতে, বিভিন্ন দেশের মানুষ ও প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে কাজ করার বিরল প্রতীক হলো আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ যখন নিজেদের জাতীয় স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে, তখন মহাকাশ স্টেশন আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একটি ব্যতিক্রমী উদাহরণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, নোবেল কমিটি সাধারণত এমন উদ্যোগ বিবেচনায় নেয়, যা দীর্ঘস্থায়ী শান্তি তৈরি করে, দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করে। পোপ লিও, আন্তর্জাতিক আদালত ও ফ্রান্সেসকা আলবানিজ রয়টার্সের বিশ্লেষণে এ বছরের আলোচিত নামগুলোর মধ্যে রয়েছে পোপ লিও, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি), আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) এবং জাতিসংঘের ফিলিস্তিনবিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক ফ্রান্সেসকা আলবানিজ। প্রতিবেদনে বলা হয়, পোপ লিও যুদ্ধ বন্ধ, সংলাপ এবং শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির পক্ষে বক্তব্য দিয়ে আসছেন। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও আন্তর্জাতিক অস্থিরতার সময়ে তার শান্তির আহ্বান তাকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের আলোচনায় এনেছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। আন্তর্জাতিক আইন ও বহুপক্ষীয় ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার ভূমিকার কারণে আইসিসি ও আইসিজির নামও আলোচনায় রয়েছে। নোবেল শান্তি পুরস্কারের অন্যতম মূল উদ্দেশ্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধান- এ কারণে দুই আন্তর্জাতিক আদালতকে স্বীকৃতি দেওয়ার সম্ভাবনার কথা বলছেন কিছু বিশ্লেষক। অন্যদিকে গাজা ও ফিলিস্তিন ইস্যুতে তার অবস্থানের কারণে আলবানিজের নামও আলোচনায় রয়েছে। তবে তার প্রার্থিতা অত্যন্ত রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল হতে পারে বলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের কেউ কেউ মনে করছেন। ট্রাম্পের নামও আলোচনায় এবারের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। ট্রাম্প নিজেই একাধিকবার নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা তাকে মনোনয়ন দেওয়ার কথা প্রকাশ্যে বলেছেন। তবে নোবেল কমিটি কোনো নির্দিষ্ট মনোনয়নের বিষয় নিশ্চিত করে না। এপি বলছে, ট্রাম্পের প্রার্থিতা বিতর্ক তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিষয়ক চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তার শান্তি পুরস্কার পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। উপসালা কনফ্লিক্ট ডেটা প্রোগ্রামের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক শন ডেভিসও ট্রাম্পের জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। সুদানের স্বেচ্ছাসেবকেরাও আলোচনায় আফ্রিকার যুদ্ধবিধ্বস্ত সুদানের ‘ইমারজেন্সি রেসপন্স রোমসে’র নামও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে উঠে এসেছে। কারণ ২০২৩ সালে সুদানে গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের গড়ে তোলা এই নেটওয়ার্ক বিভিন্ন এলাকায় মানুষের জন্য খাবার, চিকিৎসা, নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া এবং অন্যান্য জরুরি সহায়তা দিয়ে আসছে। আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে যাওয়ার পরিস্থিতিতে স্থানীয় নাগরিকদের এসব উদ্যোগ বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট অসলো (পিআরআইও)-এর পরিচালক হাকন গ্যেরলভের ২০২৬ সালের আলোচিত তালিকাতেও সুদানের ইমারজেন্সি রেসপন্স রোমস’ রয়েছে। ইউক্রেনের মাইকোলা কুলেবা ইউক্রেনের শিশু অধিকারকর্মী মাইকোলা কুলেবা এবং তার সংগঠন ‘সেইভ ইউক্রেনে’র নামও আলোচনায় রয়েছে। যুদ্ধের মধ্যে রাশিয়ায় নিয়ে যাওয়া ইউক্রেনীয় শিশুদের উদ্ধারে ও পরিবারগুলোর সঙ্গে পুনর্মিলনে তার সংগঠন কাজ করেছে। পিআরআইও-এর তালিকায় কুলেবা ও শিশুদের নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক ‘সংস্থা সেভ দ্যা চিলড্রেনকে’ও রাখা হয়েছে। যুদ্ধের সময় শিশুদের সুরক্ষা ও অধিকারকে সামনে নিয়ে আসার মাধ্যমে শান্তি ও মানবিক নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব পাওয়ার পক্ষে এটি একটি সম্ভাব্য বার্তা হতে পারে বলে পিআইআইও জানিয়েছে। সাংবাদিকদের সুরক্ষায় সিপিজে বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হত্যার ঘটনাও এবার নোবেল শান্তি পুরস্কারের আলোচনায় এসেছে। এ ক্ষেত্রে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে রয়েছে কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিজম (সিপিজে)। পিআরআইও-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ১৩২ জন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী নিহত হয়েছেন- যা রেকর্ড রাখা শুরুর পর সবচেয়ে ভয়াবহ বছরগুলোর একটি। বিশেষ করে যুদ্ধক্ষেত্রে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর ক্রমবর্ধমান চাপের প্রেক্ষাপটে সিপিজে-এর নাম আলোচনায় এসেছে। আলোচনায় রয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিও চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ও শুল্কসংক্রান্ত নানা বিষয়ে ট্রাম্পের অবস্থানের বিরুদ্ধে তুলনামূলক দৃঢ় অবস্থান নেওয়ায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কার্নি আলোচনায় এসেছেন।তবে কানাডার সাবেক অধ্যাপক নেলসন ওয়াইজম্যান মনে করেন, কার্নি পুরস্কার পেলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কানাডার সম্পর্ক আরও খারাপ হতে পারে। তার মতে, পুরস্কার যেই পান না কেন, ট্রাম্প তাতে খুশি না-ও হতে পারেন। আরটিভি/টিআর
শান্তিতে নোবেল: শেষ মুহূর্তের আলোচনায় সম্ভাব্য যারা
বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের সন্দেহে নারীকে গণধর্ষণ
ভারতের গুজরাটে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের সন্দেহে এক নারীকে শিকল দিয়ে বেঁধে আটকে রাখা, গাছের সঙ্গে দড়ি দিয়ে বেঁধে নির্যাতন এবং পরে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের সন্দেহে নারীকে গণধর্ষণ
জাপানে হঠাৎ মার্কিন সেনাদের ওপর কারফিউ জারি
বুধবার (৭ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স।
জাপানে হঠাৎ মার্কিন সেনাদের ওপর কারফিউ জারি
প্রেমিকের সঙ্গে পালানোর শাস্তি, বধূকে প্রকাশ্যে যৌনতায় বাধ্য করল শ্বশুরবাড়ি
প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগে এক বধূকে ‘শাস্তি’ ও ‘শুদ্ধকরণের’ নামে প্রকাশ্যে যৌন নির্যাতনে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। ভারতের গুজরাটের সুরেন্দ্রনগরে ঘটেছে এ ঘটনা।
প্রেমিকের সঙ্গে পালানোর শাস্তি, বধূকে প্রকাশ্যে যৌনতায় বাধ্য করল শ্বশুরবাড়ি
আরও পড়ুন
ভেঙে পড়ল ৫৫০ বছরের পুরোনো ‘হোলে সি আর্চ’
ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে বিশ্ব
ফিজিতে প্রতি ৫০ জন গর্ভবতী নারীর একজন এইচআইভিতে আক্রান্ত, জরুরি অবস্থা জারি 
ঘুর্ণিঝড়ের প্রভাবে ক্যালিফোর্নিয়ার সৈকতে প্রকাণ্ড ঢেউ, পর্যটকদের সতর্কবার্তা