ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

তীব্র দাবদাহে পুড়ছে ইউরোপ, ফ্রান্সে ৪০ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ জুন ২০২৬, ১১:০৩ পিএম
তীব্র তাপদাহ থেকে বাঁচতে আইফেল টাওয়ারের সামনে ছাতা মাথায় এক পথচারী। ছবি: এএফপি

রেকর্ডভাঙা তীব্র দাবদাহের কবলে পড়েছে ফ্রান্সসহ পুরো পশ্চিম ইউরোপ। এদিকে ফ্রান্সে তাপমাত্রা সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছানোর পূর্বাভাসের মধ্যেই দেশটির পশ্চিমাঞ্চলে বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে হাজার হাজার পরিবার। তীব্র গরমের মধ্যে নদী ও সাগরে সাঁতার কাটতে গিয়ে দেশটিতে এ পর্যন্ত পানিতে ডুবে অন্তত ৪০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। খবর বিবিসির।

ফরাসি আবহাওয়া পূর্বাভাস সংস্থা মেতেও ফ্রান্স জানিয়েছে, দেশের অর্ধেকেরও বেশি এলাকা এখন সর্বোচ্চ ‘লাল সতর্কতা’র অধীনে রয়েছে। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে। এর আগে মঙ্গলবার(২৩ জুন) ফ্রান্সের ইতিহাসে উষ্ণতম দিন রেকর্ড করা হয়, যেদিন গড় তাপমাত্রা ছিল ২৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই দিন লান্দেস অঞ্চলের পিসোস গ্রামে তাপমাত্রা ৪৪ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে গিয়ে ঠেকেছিল। শুধু তাই নয়, সোমবার(২২ জুন) দিবাগত রাতটি ছিল ফ্রান্সের ইতিহাসের উষ্ণতম রাত, যেখানে দেশজুড়ে গড় তাপমাত্রা ছিল ২৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আরও পড়ুন

বিদ্যুৎ সরবরাহকারী কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দাবদাহের কারণে ব্রিট্টানি অঞ্চলের প্রায় ৬৮ হাজার বাড়ি বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। আজ রাতের আগে সেখানে পুরোপুরি বিদ্যুৎ সংযোগ সচল হওয়ার সম্ভাবনা কম। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় লা রোশেল শহরে স্থানীয় সময় ভোর পাঁচটাতেই তাপমাত্রা ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। প্যারিস থেকে শুরু করে ব্রিট্টানি পর্যন্ত দেশের পশ্চিমাঞ্চলের বেশিরভাগ এলাকায় তাপমাত্রা ৩৯ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে, যা সপ্তাহান্ত পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

বোর্দো শহরে টানা তিন দিনের মতো ইতিহাসের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ভাঙার রেকর্ড তৈরি হতে যাচ্ছে। এর আগে গত বছর শহরটিতে সর্বোচ্চ ৪১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। কিন্তু চলমান দাবদাহে সোমবার সেখানে ৪১ দশমিক ৮ ডিগ্রি এবং মঙ্গলবার ৪২ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। অবশ্য আগামী শুক্রবার থেকে গরম কিছুটা কমতে পারে। তবে এই আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে বজ্রঝড়, আকস্মিক বন্যা এবং বড় আকারের শিলাবৃষ্টির ঝুঁকি রয়েছে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

ফরাসি শ্রমমন্ত্রী জঁ-পিয়েরে ফারান্দো বলেন, ‘আমরা এখন বুঝতে পারছি যে আমরা একটি উষ্ণ দেশে পরিণত হয়েছি।’

তীব্র গরমের প্রভাব পড়েছে রাজধানী প্যারিসের ঐতিহাসিক পর্যটন কেন্দ্রগুলোতেও। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পরিদর্শিত জাদুঘর লুভর চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে তাদের দরজা আগেভাগেই বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। লুভর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের ঐতিহাসিক ভবনটি অত্যন্ত নাজুক এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে এটি পুরোপুরি মানিয়ে নেওয়ার মতো উপযোগী নয়। এ ছাড়া আইফেল টাওয়ারও স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে আগে বন্ধ করা হচ্ছে।

ফরাসি প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) থেকে এ পর্যন্ত দাবদাহ-সংক্রান্ত ঘটনায় পানিতে ডুবে অন্তত ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে গিরোন্দের বেগলেস এলাকায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাবা-মায়ের সঙ্গে একটি সৈকতে গিয়ে ছয় বছরের এক শিশু মারা যায়। একই দিন প্যারিসের উপকণ্ঠে মার্নে নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সাঁতার কাটতে গিয়ে ১৭ বছরের এক কিশোরী ডুবে মারা যায়। কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছে, দীর্ঘস্থায়ী ও তীব্র দাবদাহের কারণে বনে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি অনেক বেড়ে গেছে।

এই দাবদাহ এখন পশ্চিম ইউরোপের অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে পড়েছে। নেদারল্যান্ডসের দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলে আবহাওয়া অফিস ‘কমলা’ বা বিপজ্জনক আবহাওয়ার সতর্কতা জারি করেছে। বেলজিয়ামের বেশির ভাগ এলাকায় ‘অরেঞ্জ অ্যালার্ট’ জারি রয়েছে। যুক্তরাজ্যের কিছু অংশে বিরল ‘লাল সতর্কতা’ জারি করা হয়েছে, যেখানে তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে। জার্মানিতে সপ্তাহান্তে পারদ ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সেখানেও দানিয়ুব নদীতে সাঁতার কাটতে গিয়ে ২৬ বছর বয়সী এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

স্পেনে গত কয়েক দিন ধরে তীব্র গরমের পর তাপমাত্রা কিছুটা কমতে শুরু করেছে। তবে দেশটির উত্তরাঞ্চলে এখনো লাল সতর্কতা জারি রয়েছে। ইতালির ১৬টি প্রাদেশিক রাজধানীতে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এই দাবদাহ পোল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া ও হাঙ্গেরিসহ পূর্ব ইউরোপেও ছড়িয়ে পড়বে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের জলবায়ু বিষয়ক সংস্থা কোপার্নিকাস জানিয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রা বাড়ছে, তবে ইউরোপে এর গতি সবচেয়ে বেশি। বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে দ্বিগুণ গতিতে উত্তপ্ত হচ্ছে ইউরোপ। যার ফলে গ্রীষ্মকালীন দাবদাহ, পানির সংকট এবং ভয়াবহ দাবানলের মতো ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মার্কিন ভিসাপ্রত্যাশী বিদেশি সাংবাদিকদের স্যোশাল মিডিয়ার প্রোফাইল যাচাই শুরু
যুক্তরাষ্ট্রে যেতে ভিসার আবেদন করা বিদেশি সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রোফাইল যাচাই-বাছাই শুরুর সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) থেকে এটি কার্যকর হচ্ছে। এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর এ সিদ্ধান্তের ঘোষণা দিয়েছিল মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছিল, ১ অক্টোবর থেকে ‘আই’ ভিসার আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে এই নীতি প্রযোজ্য হবে। পেশাগত দায়িত্ব পালনে যুক্তরাষ্ট্র যেতে আগ্রহী বিদেশি সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের ‘আই’ ভিসা দেওয়া হয়। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই যাচাইবাছাই প্রক্রিয়া সহজ করতে আই, টিডি ও টিএন নন-ইমিগ্রান্ট ভিসা আবেদনকারীদের সব ধরনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রোফাইলের প্রাইভেসি সেটিং ‘পাবলিক’ বা ‘ওপেন’ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া চলাকালে বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সামাজিকমাধ্যমের প্রোফাইল উন্মুক্ত বা দৃশ্যমান রাখতে হবে। তবে আবেদনকারীদের কতদিন আগের অ্যাক্টিভিটি পর্যালোচনা করা হবে, কতদিন প্রোফাইল 'পাবলিক' রাখতে হবে কিংবা কোন ধরনের অনলাইন কনটেন্ট দেখা হবে—সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা হয়নি। উল্লেখ্য, ২০১৯ সাল থেকেই অধিকাংশ ভিসাপ্রার্থীর কাছ থেকে সোশ্যাল মিডিয়া আইডির তথ্য নেওয়া বাধ্যতামূলক করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আই, টিডি এবং টিএন নন-ইমিগ্রান্ট ভিসার আবেদনকারীদেরও এই প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হলো। টিএন ভিসা মূলত ‘ইউনাইটেড স্টেটস-মেক্সিকো-কানাডা অ্যাগ্রিমেন্টের’ অধীনে সাময়িকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী কানাডা ও মেক্সিকোর পেশাজীবীদের জন্য এবং টিডি ভিসা দেওয়া হয় তাদের স্ত্রী বা নির্ভরশীল সন্তানদের। আরটিভি/এসআর
মার্কিন ভিসাপ্রত্যাশী বিদেশি সাংবাদিকদের স্যোশাল মিডিয়ার প্রোফাইল যাচাই শুরু
লস অ্যাঞ্জেলেসে জন্মদিনে পার্টির বদলে গৃহহীনদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র গড়লেন তরুণী
২১ বছর বয়সে পদার্পণ উপলক্ষে বিলাসবহুল পার্টি বা লাস ভেগাসে ভ্রমণের বদলে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক উদ্যোগ নিয়ে বিশ্বকে চমকে দিয়েছেন মিরিয়াম হারেগোট। নিজের বিশেষ দিনটিকে আরও অর্থবহ করে তুলতে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের প্রাণকেন্দ্রে গৃহহীনদের জন্য একটি আশ্রয়কেন্দ্র সংস্কার ও চালু করেছেন এই তরুণী। মানবিক এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে মিরিয়াম বলেন, মানুষকে মানবিকতার ছোঁয়া দিতে পেরে দারুণ লাগছে, কারণ বর্তমান বিশ্বে এর বড্ড অভাব। আপনি নিজে সমাজে যে পরিবর্তন দেখতে চান, সেই পরিবর্তনের সূচনা আপনার নিজেকে দিয়েই করা উচিত। এই আশ্রয়কেন্দ্র চালুর পরপরই মিরিয়াম প্রতিষ্ঠা করেন ‘দ্য প্যাক প্রজেক্ট’ (P.A.C.K. - People Advocating Community Kinship) নামের একটি সংগঠন।  সাউথ সেন্ট্রাল লস অ্যাঞ্জেলেসের একদল তরুণ, উদ্যোক্তা এবং সৃজনশীল ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত এই সংগঠনটি মূলত গৃহহীন ও সুবিধাবঞ্চিত তরুণদের খাদ্য, বাসস্থান এবং শিক্ষার ব্যবস্থা করতে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের এই প্রজেক্টের আওতায় ‘ফিড দ্য হোমিস’ (Feed The Homies) নামের একটি মাসিক উদ্যোগের মাধ্যমে স্কিড রো এলাকায় এ পর্যন্ত হাজার হাজার সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে গরম খাবার পরিবেশন করা হয়েছে।  সমাজ পরিবর্তনের জন্য কোনো প্রাতিষ্ঠানিক পদবি, বড় তহবিল বা অনুমোদনের অপেক্ষা না করে মিরিয়াম যেভাবে নিজেই সমস্যার সমাধানে এগিয়ে এসেছেন, তা বর্তমান প্রজন্মের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা। আরটিভি/এসআর
লস অ্যাঞ্জেলেসে জন্মদিনে পার্টির বদলে গৃহহীনদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র গড়লেন তরুণী
যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ নিয়ে যাওয়ার আগে যা জানা খুবই জরুরি
বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সময় প্রেসার, ডায়াবেটিসসহ নিয়মিত ব্যবহারের ওষুধ সঙ্গে নিলে ইংরেজিতে প্রেসক্রিপশন বা ডাক্তারের চিঠি রাখার পরামর্শ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (সিবিপি)।  ওষুধ মূল প্যাকেটে রাখা এবং প্রবেশের সময় কাস্টমস কর্মকর্তাকে জানানোও জরুরি। তবে শুধু প্রেসক্রিপশন থাকলেই সব ধরনের ওষুধ যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া যায় না। নিউইয়র্কের জেএফকেসহ যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো প্রবেশপথে ওষুধ বহনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ফেডারেল নিয়ম প্রযোজ্য।  সিবিপির নির্দেশনা অনুযায়ী, সঙ্গে থাকা ওষুধ নিজের চিকিৎসায় কেন প্রয়োজন, তা বোঝাতে ইংরেজিতে বৈধ প্রেসক্রিপশন বা ডাক্তারের চিঠি রাখা উচিত। ওষুধ মূল প্যাকেটে না থাকলে প্রেসক্রিপশনের কপি অথবা রোগ ও চিকিৎসার প্রয়োজন ব্যাখ্যা করা ডাক্তারের চিঠি সঙ্গে রাখতে হবে। প্রেসক্রিপশনে রোগীর নাম, ওষুধের জেনেরিক নাম, ডোজ এবং ব্যবহারের নির্দেশনা স্পষ্ট থাকলে ওষুধ শনাক্ত করা সহজ হয়। মূল কাগজের পাশাপাশি ফটোকপি রাখা এবং ফোনে ডিজিটাল কপি সংরক্ষণ করা বাড়তি প্রস্তুতি হিসেবে কাজে আসতে পারে। ওষুধ মূল লেবেলযুক্ত প্যাকেট বা বোতলে রাখার পরামর্শ দিয়েছে সিবিপি। সম্ভব হলে প্যাকেটে ডাক্তারের ব্যবহারের নির্দেশনাও থাকতে হবে। এতে কাস্টমস পরীক্ষার সময় ওষুধ ও প্রেসক্রিপশনের তথ্য মিলিয়ে দেখা সহজ হয়। পরিমাণের ক্ষেত্রে সাধারণ নির্দেশনা হলো, নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধ নেওয়া এবং সাধারণভাবে ৯০ দিনের সরবরাহের বেশি সঙ্গে না রাখা। তবে এই নির্দেশনাকে সব যাত্রীর জন্য সব ধরনের ওষুধ নেওয়ার অনুমতি হিসেবে ধরে নেওয়া যাবে না। যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, এফডিএ জানিয়েছে, সাময়িকভাবে আমেরিকায় আসা বিদেশি নাগরিকেরা ব্যক্তিগত চিকিৎসার জন্য ৯০ দিনের ওষুধ আনতে পারেন। এ নির্দেশনায় বিদেশি নাগরিক বলতে আমেরিকার নাগরিক বা স্থায়ী বাসিন্দা নন, এমন ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে। ফলে আমেরিকান নাগরিক বা গ্রিন কার্ডধারীদের একই সুবিধা প্রযোজ্য ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। এফডিএর নির্দেশনা অনুযায়ী, বিদেশে অনুমোদিত কোনো ওষুধ আমেরিকায় অনুমোদিত না হলে সেটি আমদানিতে বিধিনিষেধ থাকতে পারে। ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য কিছু ক্ষেত্রে ছাড় বিবেচনা করা হলেও তা শর্তসাপেক্ষ। বাংলাদেশে ওষুধটি সহজে পাওয়া যায় কিংবা ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন রয়েছে, এই কারণেই আমেরিকায় প্রবেশের অনুমতি নিশ্চিত হয় না।  বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন নিয়ন্ত্রিত উপাদানযুক্ত ওষুধের ক্ষেত্রে। কিছু ঘুমের, ব্যথার বা অন্য চিকিৎসার ওষুধ এই শ্রেণিতে পড়তে পারে। এসব ওষুধের ক্ষেত্রে ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, ডিইএর নিয়মও মানতে হয়। তাই ভ্রমণের আগে ওষুধের জেনেরিক নাম ও উপাদান অনুযায়ী প্রযোজ্য নিয়ম যাচাই করা প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিন থাকার পরিকল্পনা থাকলে সঙ্গে আনা ওষুধ শেষ হওয়ার আগেই স্থানীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা ভালো। প্রাইমারি কেয়ার ডাক্তারের কাছে আগের প্রেসক্রিপশন ও চিকিৎসার কাগজপত্র নিয়ে গেলে চলমান চিকিৎসা মূল্যায়নে সহায়তা হবে। স্থানীয় ফার্মেসি থেকে পরবর্তী ওষুধ পাওয়ার বিষয়টি আগে থেকেই চিকিৎসক ও ফার্মেসির সঙ্গে নিশ্চিত করা উচিত। ভ্রমণের প্রস্তুতিতে সবচেয়ে জরুরি হলো ওষুধের পরিচয় স্পষ্ট রাখা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে নেওয়া এবং কাস্টমস কর্মকর্তাকে ওষুধের কথা জানানো। নিজের নাগরিকত্ব বা স্থায়ী বাসিন্দার অবস্থান এবং ওষুধের ধরন অনুযায়ী এফডিএ, সিবিপি ও প্রয়োজনে ডিইএর নির্দেশনা মিলিয়ে প্রস্তুতি নিতে হবে। আরটিভি/এসআর
যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ নিয়ে যাওয়ার আগে যা জানা খুবই জরুরি
স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ায় ভাড়ায় লোক পাঠিয়ে তরুণীকে গণধর্ষণ করালেন স্ত্রী
বিবাহিত বন্ধুর সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ার চরম খেসারত দিতে হয়েছে এক তরুণীকে। প্রতিশোধ নিতে লোক ভাড়া করে তাকে গণধর্ষণ করিয়েছেন ওই বন্ধুর স্ত্রী।  
স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ায় ভাড়ায় লোক পাঠিয়ে তরুণীকে গণধর্ষণ করালেন স্ত্রী
স্ত্রীকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করে গিনেস রেকর্ড গড়লেন বৃদ্ধ
ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে স্ত্রীকে হারানোর পর সেই শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে বিশ্বজয়ের অভিযানে নেমেছেন ৬৯ বছর বয়সী কানাডিয়ান সাইক্লিস্ট মার্ক হার্বস্ট। স্ত্রীকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা এবং প্রবীণদের অনুপ্রাণিত করার উদ্দেশ্যে সাইকেলে ৩০ হাজার কিলোমিটারের বেশি পথ পাড়ি দিয়েছেন তিনি। 
স্ত্রীকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করে গিনেস রেকর্ড গড়লেন বৃদ্ধ
আরও পড়ুন
নারীদের পাচার করে নির্যাতন, ভিডিওবার্তায় জানানোর পর চক্রের হোতা গ্রেপ্তার
পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ, ইউরোপের যে ১০ দেশে আয় বেশি
হঠাৎ পুতিনকে নিয়ে আতঙ্কে ইউরোপ!
এবার ইইউর ‘সহযোগী সদস্য’ হতে পারে আরও দুই দেশ, মিলল ইঙ্গিত