ইরানে টানা দুই সপ্তাহ ধরে হামলা চালানোর পর গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) থেকে সব ধরনের সামরিক হামলা স্থগিত করে যুক্তরাষ্ট্র। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মিত্রদের ওপর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ স্থগিত রেখেছিল। তবে ইরানের সঙ্গে সামরিক উত্তেজনার পারদ কিছুটা কমার ইঙ্গিত মিললেও এবার মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ ইরাকে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে লক্ষ্য করে যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব। এই হামলায় অন্তত ২০ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৩২ জন।
সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে দেশটির আধা-সামরিক বাহিনী পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের (পিএমএফ) বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
পিএমএফ জানিয়েছে, হতাহতের এই তথ্য প্রাথমিক হিসাব। অনুসন্ধান কার্য পরিচালনা শেষে এই সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, রাজধানী বাগদাদ, ওয়াসিত, নিনেভেহ, বসরা, কিরকুক, কারবালা ও দিয়ালা—ইরাকের এই সাতটি প্রদেশে তাদের সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে একযোগে এই হামলা চালানো হয়েছে।
ইরাকের ভূখণ্ডে নতুন করে এই বড় ধরনের বিমান হামলার পর উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনায় জরুরি বৈঠক ডেকেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি।
অন্যদিকে যৌথ হামলার বিষযে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেনটকম) জানিয়েছে, তাদের ওপর ও সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার উপযুক্ত জবাব দিতেই তারা এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে।
একইভাবে সৌদি কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, নিজেদের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ড রক্ষায় আত্মরক্ষার অধিকার হিসেবেই এই হামলায় অংশ নেওয়া হয়েছে।
আরটিভি/এআর



