ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

দুই নৌকার ভয়াবহ সংঘর্ষে কঙ্গোতে নিহত ৩০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৯ পিএম
কঙ্গোর ইকুয়েটরে ছোট নৌকায় নদী পার হচ্ছেন গ্রামবাসী। ছবি: আল জাজিরা

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) কঙ্গো নদীতে দুই নৌকার সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার (৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইকুয়েটর প্রদেশের এনগোম্বে-লুকোলেলা এলাকার কাছে নৌকা দুটির মধ্যে সংঘর্ষ হয়। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, এতে বেশ কয়েকজন পানিতে ডুবে মারা যান। নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলছে।

ইকুয়েটর প্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিসপিন এমপুতু জানান, ‘দিয়ু সে কাশে’ নামের একটি ধাতব নৌকা রাজধানী কিনশাসা থেকে আসার সময় ‘এইচবি সুপার ভিক্টোর’ নামের কাঠের নৌকার সঙ্গে ধাক্কা খায়। দ্বিতীয় নৌকাটি বাসিঙ্গা থেকে আসছিল।

সংঘর্ষের পর প্রায় সব যাত্রী পানির নিচে আটকা পড়েন এবং নৌকা দুটির একটি ডুবে যায়। নিহতদের ইতোমধ্যে দাফন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাতে নৌযান চলাচলের সময় দেশটিতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এক নিরাপত্তাকর্মী জানান, কিনশাসা থেকে আসা নৌকাটিতে অতিরিক্ত পণ্য বোঝাই ছিল।

ডিআর কঙ্গোতে নৌদুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটে। অতিরিক্ত যাত্রী বহন, রাতে নৌযাত্রা, দুর্বল নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং প্রত্যন্ত এলাকায় পর্যাপ্ত অবকাঠামোর অভাব এসব দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে জুলাইয়ে কাসাই প্রদেশে সরকারি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বহনকারী একটি কাঠের নৌকা ডুবে অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়।

সূত্র: আল জাজিরা

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নাইজেরিয়ায় সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, ৩২ আরোহীর সবাই নিহত
নাইজেরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় ওন্দো প্রদেশে একটি সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৩২ আরোহীর সবাই নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২৫ জন যাত্রী ও সাতজন ক্রু সদস্য ছিলেন। দেশটির প্রেসিডেন্ট বোলা টিনুবু দুর্ঘটনায় ৩২ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নাইজেরিয়ায় সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, ৩২ আরোহীর সবাই নিহত
দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে নিজ দেশ জিম্বাবুয়েতে ফিরেও কাটছে না দুর্ভোগ 
দক্ষিণ আফ্রিকায় অভিবাসীবিরোধী উত্তেজনার মধ্যে জিম্বাবুয়েতে ফিরে আসা হাজারো মানুষ এখন নতুন করে অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছেন।
দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে নিজ দেশ জিম্বাবুয়েতে ফিরেও কাটছে না দুর্ভোগ 
সোমালিয়ায় ইসরায়েলিদের উপস্থিতি নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি প্রেসিডেন্ট হাসানের
সোমালিয়া ‘কোনো অবস্থাতেই’ দেশটিতে ইসরায়েলি উপস্থিতি মেনে নেবে না এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংকটে জড়িয়ে পড়ার যেকোনো প্রচেষ্টা তারা প্রতিহত করবে বলে জানিয়েছেন সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট হাসান শেখ মোহামুদ। সম্প্রতি আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই কথা বলেন তিনি।  হাসান শেখ মোহামুদ বলেন, ইসরায়েল বারবার্বায় একটি নৌঘাঁটি স্থাপন ও বিমানবন্দর ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে। তাদের আসল উদ্দেশ্য হলো উপসাগরীয় দেশগুলোর ও ইরানের কাছাকাছি যাওয়া। বারবার্বা হলো সোমালিল্যান্ডের এডেন উপসাগর উপকূলের একটি বন্দরনগরী। সোমালিল্যান্ড হলো সোমালিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের একটি স্বঘোষিত প্রজাতন্ত্র, যাকে ইসরায়েল গত বছর স্বীকৃতি দিয়েছিল, কিন্তু মোগাদিশু এই অঞ্চলটিকে নিজেদের বলে দাবি করে।  বারবার্বা কৌশলগত বাব আল-মান্দেব প্রণালীর কাছাকাছি সমুদ্রের ওপারে ইয়েমেনের মুখোমুখি অবস্থিত। ইরানপন্থি হুথিরা এর আগে এ এলাকায় ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোর ওপর অবরোধ আরোপ করেছিল। এ বিষয়ে সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, ইসরায়েলি পরিকল্পনাগুলো ‘গ্রেটার ইসরায়েল’ প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত। এই শব্দ এমন বিভিন্ন প্রস্তাবকে বোঝায়, যা প্রায়শই বাইবেলের ব্যাখ্যার ওপর ভিত্তি করে বর্তমান সীমানার বাইরে ইসরায়েলের ভূখণ্ডগত নিয়ন্ত্রণের কথা বলে। এর কিছু রূপ নীল নদ থেকে ইউফ্রেটিস নদী পর্যন্ত বিস্তৃত। ইসরায়েল এটিকে তাদের আনুষ্ঠানিক নীতি হিসেবে গ্রহণ করেনি, তবে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ২০২৫ সালের আগস্টে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, তিনি এই দর্শনের সঙ্গে নিজের সংযোগ অনুভব করেন, যা আরব সরকারগুলোর তীব্র নিন্দা কুড়িয়েছিল। সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট ইসরায়েলকে একটি ‘অস্থিতিশীলতাকারী শক্তি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যারা আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলে না। গত ডিসেম্বরে সোমালিল্যান্ডকে তেল আবিবের স্বীকৃতি দেওয়ারও সমালোচনা করেন তিনি। মোহামুদ বলেন, ইসরায়েল ছাড়া অন্য কোনো দেশ সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেয়নি, অথচ ওই অঞ্চলের নিজস্ব বাসিন্দারাও ইসরায়েলি উপস্থিতির সম্পূর্ণ বিরোধী। সোমালিল্যান্ড ১৯৯১ সালে সোমালিয়া থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেয় এবং তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে নিজেদের স্বাধীনভাবে পরিচালনা করে আসছে। কিন্তু ইসরায়েলি পদক্ষেপের আগ পর্যন্ত তারা জাতিসংঘের কোনো সদস্য রাষ্ট্রের স্বীকৃতি অর্জন করতে পারেনি। সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট জানান, ‘সন্ত্রাসবাদের’ বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনো তাদের দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী অংশীদার। প্রধান শহরগুলোতে আল-শাবাবের কোনো উপস্থিতি নেই, ফলে এই গোষ্ঠীটির সোমালিয়ার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। আল-শাবাব একটি সোমালি সশস্ত্র গোষ্ঠী, যা দুই হাজার দশকের মাঝামাঝি সময়ে ইসলামিক কোর্টস ইউনিয়ন থেকে আত্মপ্রকাশ করে এবং ২০১২ সালে আল-কায়েদার প্রতি আনুগত্যের অঙ্গীকার করে। তারা বছরের পর বছর ধরে সোমালিয়ার ফেডারেল সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে, সোমালিয়ার দক্ষিণ ও মধ্য অংশের কিছু এলাকা দখল করে রেখেছে এবং মোগাদিশু ও প্রতিবেশী কেনিয়াসহ বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক হামলা চালিয়েছে। পূর্ব আফ্রিকা অঞ্চলের বিষয়ে সাক্ষাৎকারে মোহামুদ বলেন, প্রতিবেশী ইথিওপিয়ার সঙ্গে সোমালিয়ার সম্পর্ক ভালো এবং অর্থনৈতিক স্বার্থে সোমালি বন্দরগুলো ব্যবহারের জন্য যৌথ চুক্তির মাধ্যমে আদ্দিস আবাবার সমুদ্রের প্রবেশাধিকার অর্জনে মোগাদিশুর কোনো আপত্তি নেই। ১৯৯৩ সালে ইরিত্রিয়া স্বাধীন হওয়ার পর থেকে ইথিওপিয়া স্থলবেষ্টিত রয়েছে এবং বাণিজ্যের জন্য মূলত জিবুতির বন্দরগুলোর ওপর নির্ভর করে। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে আদ্দিস আবাবা সোমালিল্যান্ডের সঙ্গে সমুদ্র প্রবেশাধিকারের বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে, যাকে সোমালিয়া তাদের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বলে নিন্দা জানায়। পরে সোমালিয়া ও ইথিওপিয়া উত্তেজনা প্রশমনে সম্মত হয়। আরটিভি/এসআর
সোমালিয়ায় ইসরায়েলিদের উপস্থিতি নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি প্রেসিডেন্ট হাসানের
জিম্বাবুয়েতে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, সব আরোহীর মৃত্যু
জিম্বাবুয়ের রাজধানী হারারের কাছে একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ছয় আরোহীর সবাই নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জিম্বাবুয়েতে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, সব আরোহীর মৃত্যু
নাইজেরিয়ায় জঙ্গলে একসঙ্গে মিলল ২৮ জনের কঙ্কাল
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ায় জঙ্গল থেকে অন্তত ২৮ জনের মাথার খুলি ও হাড় উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নাইজেরিয়ায় জঙ্গলে একসঙ্গে মিলল ২৮ জনের কঙ্কাল
আরও পড়ুন
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে একই স্থানে পরপর দুই দুর্ঘটনা, নিহত ১
ফ্লোরিডায় স্কুলবাস উল্টে প্রাণ গেল শিক্ষার্থীসহ ২ জনের
প্রাইভেট পড়তে যাচ্ছিল তিন ছাত্র, পথেই ঝরল একজনের প্রাণ 
সেপ্টেম্বরে সড়কে ঝরল ৪২৩ প্রাণ, সর্বোচ্চ মৃত্যু মোটরসাইকেলে