ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

জাপানে প্রচণ্ড গরমে চিড়িয়াখানায় তিন সিংহের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৩৭ পিএম
জাপানের তামা চিড়িয়াখানার সিংহ মুগি। ছবি: সংগৃহীত

জাপানের টোকিওর তামা জুলজিক্যাল পার্কে এক সপ্তাহের ব্যবধানে হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে তিনটি সিংহী। তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে উঠে যাওয়ায় তীব্র পানিশূন্যতা ও একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে সিংহগুলোর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। খবর বিবিসির।

চিড়িয়াখানার প্রতিনিধি মিওয়া কোসাকা জানান, এ ধরনের মর্মান্তিক অভিজ্ঞতা তাদের এবারই প্রথম। গত ১৯ জুলাই তিন বছর বয়সী ‘মুগি’ নামের একটি সিংহী খাওয়া বন্ধ করে দেয় এবং পরদিন উঠে দাঁড়ানোর ক্ষমতা হারায়। ফ্যান, স্যালাইন ও ভিটামিন দিয়েও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি; ২৮ জুলাই সে মারা যায়। এরপর ৩১ জুলাই ১১ বছর বয়সী ‘ইচিগো’ এবং রোববার (২ আগস্ট) ১৫ বছর বয়সী ‘লুয়েনা’ মারা যায়।

আরও পড়ুন

মৃত্যুর চূড়ান্ত কারণ ল্যাব পরীক্ষার পর জানা যাবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত গরমকেই দায়ী করা হচ্ছে। অসুস্থ থাকা বাকি সিংহগুলোর জন্য এয়ারকন্ডিশনার ও বড় ফ্যানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বর্তমানে চিকিৎসা শেষে আরও কয়েকটি সিংহ সুস্থতার দিকে।

টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি মেডিসিনের অধ্যাপক হিদেয়াকি কারাকি জানান, সিংহ সাধারণত ঘামের বদলে ঘন ঘন শ্বাস ছেড়ে শরীর ঠান্ডা রাখে। তবে বাতাসে অতিরিক্ত আর্দ্রতা ও হঠাৎ তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় সিংহগুলো পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারেনি।

১৯৬৪ সাল থেকে এই চিড়িয়াখানার প্রধান আকর্ষণ ছিল সাফারি বাস থেকে সিংহ দেখা। সিংহ অসুস্থ হয়ে পড়ায় ইতোমধ্যে এই বাস সার্ভিস ও উন্মুক্ত প্রদর্শন স্থগিত করা হয়েছে। এই গ্রীষ্মে তীব্র তাপদাহের কারণে জাপানজুড়ে ৪৩ হাজারের বেশি মানুষকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে। জলবায়ুর এমন বিরূপ পরিস্থিতিতে সাধারণ জনগণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে জাপান সরকার।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সম্মতি ছাড়া জন্ম দেওয়ায় নিজের মা-বাবার বিরুদ্ধে মামলা করার পরিকল্পনা ছেলের
নিজের সম্মতি ছাড়া জন্ম দেওয়ার অপরাধে নিজের জন্মদাতা মা-বাবার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করার পরিকল্পনা করেছেন ২৭ বছর বয়সী এক ভারতীয় তরুণ।  মুম্বাইয়ের ব্যবসায়ী রাফায়েল স্যামুয়েল জানান, শিশুদের পৃথিবীতে নিয়ে আসা অনুচিত, কারণ পরবর্তীতে তাদের সারা জীবন ধরে বহু কষ্ট ও ভোগান্তির মধ্য দিয়ে যেতে হয়। রাফায়েল স্যামুয়েল বিষয়টি অনুধাবন করেন যে জন্মের আগে কারও সম্মতি নেওয়া বৈজ্ঞানিকভাবে অসম্ভব। তবে তার মতে, জন্ম নেওয়াটা তো আমাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত ছিল না। তাই যেহেতু তিনি বা অন্য কেউ স্বেচ্ছায় জন্ম নিতে চায়নি, সেহেতু আজীবন বেঁচে থাকার সব ধরনের খরচ মা-বাবারই বহন করা উচিত বলে যুক্তি দেন তিনি। সাধারণ কোনো পরিবারে এমন অযৌক্তিক দাবি সম্পর্কের ইতি ঘটাতে পারত, তবে পেশায় আইনজীবী রাফায়েলের মা-বাবার ক্ষেত্রে বিষয়টি বিপরীত। তারা বিষয়টিকে হাস্যরসাত্মক ও ইতিবাচকভাবেই দেখছেন।  রাফায়েলের মা কবিতা কার্নাড স্যামুয়েল এক বিবৃতিতে জানান, আমি আমার ছেলের সাহসের প্রশংসা করি যে মা-বাবা দুজনই আইনজীবী জেনেও সে আমাদের আদালতে নেওয়ার কথা ভাবছে। ও যদি কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিতে পারে যে আমরা কীভাবে জন্মের আগে তার সম্মতি নিতে পারতাম, তবে আমি আমার ভুল স্বীকার করে নেব। স্যামুয়েলের এই ব্যতিক্রমী চিন্তাভাবনা মূলত ‘অ্যান্টি-ন্যাটালিজম’ বা ‘জন্মবিরোধিতা’ দর্শনের ওপর প্রতিষ্ঠিত। এই দর্শনের অনুসারীদের মতে, মানবজীবন নানা দুঃখ-কষ্টে পূর্ণ; তাই মানুষের সন্তান জন্মদান প্রক্রিয়া অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত। এতে ধীরে ধীরে পৃথিবী থেকে মানবজাতি বিলুপ্ত হয়ে যাবে, যা সার্বিকভাবে এই গ্রহ এবং অন্যান্য পশুপাখির বেঁচে থাকার জন্য অনেক ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। এক বছর আগে ‘নিহিলানন্দ’ (Nihilanand) নামে একটি ফেসবুক পেজ খুলে নিজের বেশ কিছু ডিজিটাল পোস্টার ছড়িয়ে দেন রাফায়েল। সেখানে তিনি প্রশ্ন তোলেন, একটি শিশুকে এই পৃথিবীতে আসতে বাধ্য করা এবং ক্যারিয়ার গড়তে চাপ দেওয়া কি অপহরণ বা দাসত্বের শামিল নয়? তবে মা-বাবার সঙ্গে কোনো ব্যক্তিগত শত্রুতা নেই বলে জানান স্যামুয়েল। তিনি জানান, তার জীবন বেশ ভালোই কাটছে এবং তিনি বিষণ্ণ নন। তবে তিনি মনে করেন, মানুষের অস্তিত্ব ছাড়া পৃথিবী আরও সুন্দর হতে পারত। যদিও কোনো বিচারক এই মামলা গ্রহণ করবেন না বলে তিনি জানেন, তবুও এই বিষয়ে বৈশ্বিক জনসচেতনতা ও আলোচনা তৈরির লক্ষ্যেই তিনি আইনি ব্যবস্থা নিতে চান বলে জানান। আরটিভি/এসআর  
সম্মতি ছাড়া জন্ম দেওয়ায় নিজের মা-বাবার বিরুদ্ধে মামলা করার পরিকল্পনা ছেলের
যুক্তরাষ্ট্রে গৃহঋণ: ‘লুকানো খরচে’ বাড়ছে হাজার হাজার ডলার
ব্যাংকরেটের নতুন এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বিভিন্ন ঋণদাতার সুদের হার ও ফি তুলনা না করার কারণে একজন সাধারণ বাড়ির মালিক বছরে ৩ হাজার ৩০০ ডলারের বেশি অতিরিক্ত খরচ করেন। এই বাড়তি ব্যয়কে বিশ্লেষণে ‘লুকানো বাড়ির মালিকানা কর’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে গৃহঋণ: ‘লুকানো খরচে’ বাড়ছে হাজার হাজার ডলার
প্রায় ১০০ শতাংশ ভোট পেয়ে রমজান কাদিরভের বিজয়
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র রমজান কাদিরভ প্রায় ১০০ শতাংশ ভোট পেয়ে পঞ্চমবারের মতো রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় মুসলিম-অধ্যুষিত চেচনিয়া প্রজাতন্ত্রের নেতা নির্বাচিত হয়েছেন।  সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাশিয়ার নির্বাচন কমিশন এ তথ্য জানিয়েছে। রয়টার্স বলছে, রোববার রাশিয়ায় জাতীয় সংসদ, আঞ্চলিক আইনসভা ও গভর্নর নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরুর সাড়ে চার বছরেরও বেশি সময় পর দেশটির কঠোর নিয়ন্ত্রিত রাজনৈতিক ব্যবস্থার জন্য এই নির্বাচনকে একটি পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছিল। ফলাফল অনুযায়ী, অধিকাংশ যুদ্ধবিরোধী প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ না পাওয়ায় ক্রেমলিন-সমর্থিত দল ও প্রার্থীরা ব্যাপক জয় পেয়েছেন। রাশিয়ার কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, চেচনিয়ায় কাদিরভ ৯৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। ২০২১ সালের নির্বাচনে তিনি পেয়েছিলেন ৯৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ ভোট। ছোট ও পাহাড়ি এই অঞ্চলের নির্বাচন পরিচালনা নিয়ে অতীতে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকেরা তীব্র সমালোচনা করেছেন। কাদিরভ অবশ্য এসব সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করে এগুলোকে তার শাসন দুর্বল করার পশ্চিমা-সমর্থিত প্রচেষ্টা বলে অভিহিত করেন। তিনি নিয়মিতই পুতিনের প্রতি নিজের ব্যক্তিগত আনুগত্যের কথা তুলে ধরেন। ইউক্রেন যুদ্ধের ক্ষেত্রেও তিনি কঠোর অবস্থান নিয়েছেন এবং দাবি করেন, ২০২২ সাল থেকে তার চেচেন বাহিনী সেখানে লড়াই করছে। পুতিনের কাছ থেকে ব্যাপক স্বাধীনতা পেয়ে কাদিরভ চেচনিয়াকে অনেকটাই নিজের ব্যক্তিগত নিয়ন্ত্রণাধীন অঞ্চলের মতো পরিচালনা করেন। এর বিনিময়ে ইসলামপন্থি ও রাশিয়াবিরোধী বিদ্রোহে উত্তাল ১৯৯০-এর দশকের পর অঞ্চলটিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি। কাদিরভের ক্ষমতায় উত্থান ঘটে তার বাবা আখমাত কাদিরভের মৃত্যুর পর। ২০০৪ সালে বিদ্রোহীদের চালানো এক বোমা হামলায় আখমাত নিহত হন। মানবাধিকার সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে কাদিরভের সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ করে আসছে।  এর মধ্যে সাংবাদিক ও সমকামী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিপীড়নের অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন কাদিরভ। আরটিভি/এসআর
প্রায় ১০০ শতাংশ ভোট পেয়ে রমজান কাদিরভের বিজয়
দাদির বাড়ি থেকে শটগান এনে স্কুলের সামনে গুলি ছুড়ল শিক্ষার্থী, আহত ১১
তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলে একটি উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে এক বন্দুকধারীর চালানো গুলিতে অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকালে মানিসা প্রদেশের তুরগুতলু জেলায় এ ঘটনা ঘটে। সন্দেহভাজন বন্দুকধারীকে আটক করেছে পুলিশ বলে বিবিসির প্রতিবেদনে জানা গেছে। মানিসা প্রদেশের গভর্নরের কার্যালয় জানিয়েছে, তুরগুতলু জেলার একটি ভোকেশনাল ও টেকনিক্যাল হাইস্কুলের সামনে এ হামলা হয়। খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ও চিকিৎসাকর্মীদের ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। তুরস্কের সংবাদমাধ্যম হাবেরতুর্ক জানিয়েছে, সন্দেহভাজন হামলাকারী ইনচি উজমেজ ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল আনাতোলিয়ান হাইস্কুল নামে ওই স্কুলেরই শিক্ষার্থী। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সে তার দাদির বাড়ি থেকে নেওয়া একটি শটগান নিয়ে স্কুলের সামনে আসে। এরপর আশপাশে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে পায়ে হেঁটে পালানোর চেষ্টা করে। ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সিসিটিভি ফুটেজে একজনকে স্কুলের কাছের একটি সড়কে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে দেখা গেছে। অন্য কয়েকটি ভিডিওতে তাকে অস্ত্র হাতে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে দেখা যায়। তবে হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে তুরস্কের বিচারমন্ত্রী আকিন গুরলেক বলেন, আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে অন্তত দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বিচারমন্ত্রী গুরলেক আরও জানান, ঘটনাটি তদন্তে দুজন প্রধান কৌঁসুলিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। স্কুলে ওই শিক্ষার্থীকে হয়রানি বা নির্যাতন করা হয়েছিল কি না, সেই অভিযোগও তদন্ত করা হবে। তদন্তের অংশ হিসেবে সন্দেহভাজন হামলাকারীর মা-বাবা এবং তার দাদাকেও হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। অস্ত্রটির মালিক ছিলেন ওই দাদা। হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর উদ্বিগ্ন অভিভাবকেরা দ্রুত স্কুলে ছুটে যান। তবে পুলিশ স্কুল ভবনে প্রবেশের পথ বন্ধ করে দিলে অভিভাবকদের সঙ্গে পুলিশের কয়েক দফা বাগ্‌বিতণ্ডা হয় বলে তুরস্কের সংবাদপত্র জুমহুরিয়েত জানিয়েছে। ঘটনার পর তুরস্কের শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, এই ঘটনায় ‘আমাদের জাতি এবং বিশেষ করে শিক্ষাঙ্গনের মানুষ গভীরভাবে মর্মাহত’। ঘটনা তদন্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তিনজন জাতীয় পর্যায়ের তদন্তকারীকে মানিসায় পাঠানো হয়েছে বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। চলতি বছর তুরস্কে আরও দুটি স্কুলে গুলির ঘটনার কয়েক মাস পর এই হামলা হলো। গত সপ্তাহে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর সময় দেশটির সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা বাড়িয়েছিল। এপ্রিল মাসে দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সানলিউরফা প্রদেশের একটি উচ্চবিদ্যালয়ে সাবেক এক শিক্ষার্থী গুলি চালায়। এতে বেশির ভাগ শিক্ষার্থীসহ ১৬ জন আহত হন। পরে ওই হামলাকারী আত্মহত্যা করে। এর পরদিন কাছের কাহরামানমারাশ প্রদেশের একটি স্কুলের দুটি শ্রেণিকক্ষে গুলি চালায় ১৪ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী। এতে আটজন শিক্ষার্থী ও একজন শিক্ষক নিহত হন। আহত হন আরও ১৩ জন। পরে পুলিশের গুলিতে ওই হামলাকারী নিহত হয়। আরটিভি/এসআর
দাদির বাড়ি থেকে শটগান এনে স্কুলের সামনে গুলি ছুড়ল শিক্ষার্থী, আহত ১১
চেয়ারের চেয়েও গাড়ি সরু, ঢুকিয়ে রাখা সম্ভব শোবার ঘরে
গাড়িটি চার চাকার। তবে চওড়ায় মাত্র ৫০ দশমিক ২ সেন্টিমিটার বা ১ ফুট ৮ ইঞ্চির মতো। আমরা ঘরে বা কার্যালয়ে যে ধরনের প্লাস্টিক চেয়ার ব্যবহার করি, গাড়িটি তার চেয়েও সরু।
চেয়ারের চেয়েও গাড়ি সরু, ঢুকিয়ে রাখা সম্ভব শোবার ঘরে
আরও পড়ুন
ভারতকে ৩২ রানে আটকে দিয়েও ২ রানে হার জাপানের
জাপানের বিপক্ষে ৩২ রানে আটকে গেল ভারত
টাইফুন দুজুয়ানের তাণ্ডব: নিহত ২, বিদ্যুৎহীন ৫০ হাজারের বেশি মানুষ
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!