ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ইরান আর কতদিন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবে?

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ আগস্ট ২০২৬, ০২:৫২ পিএম
ছবি প্রতীকী

ইরান যুদ্ধ এখন ছয় মাসে প্রবেশ করেছে। অর্থনীতির ওপর চাপ পড়লেও আরও কত দিন চলবে এবং কবে শেষ হবে, তা ক্রমেই অনিশ্চিত হয়ে উঠছে। এ বিষয়ে দেশটির নীতিনির্ধারকদের কাছ থেকেও কিছু জানা যায়নি।

যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি নিয়ন্ত্রণের বিষয়টা এককভাবে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে নেই। তাই তেহরান হয়তো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সামরিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক মূল্যও বাড়িয়ে দিতে চাইছে যেন শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটন কিছু দাবি দাওয়া মেনে নিতে বাধ্য হয়।

তবে সবকিছু ছাড়িয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো- ইরান আর কতদিন এই যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবে?

আরও পড়ুন


সামরিক শক্তি দিয়ে ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করতে সক্ষম?

ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর বেশ কয়েকটিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার সময় নিশানা করা হয়েছে। তবে তার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে কোনো নিরপেক্ষ তথ্য পাওয়া যায়নি।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘চ্যাথাম হাউজ’ তাদের সর্বশেষ পর্যালোচনায় জানিয়েছে, ইরানের কাছে বর্তমানে কী পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র মজুদ করা আছে তার কোনো নির্ভরযোগ্য হিসাব নেই।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের মাত্রা বা ঢেউ ছোট হয়ে এসেছে। তবে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা যে শুধু ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যার উপর নির্ভর করে তা নয়। ড্রোন ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন করা তুলনামূলকভাবে অনেক সহজ এবং কাজটা দ্রুততর করা সম্ভব।

অন্যদিকে, এই যুদ্ধে নিহত কমান্ডারদের পদে নতুন কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে এবং সামরিক কমান্ড কাঠামো এখন পর্যন্ত অক্ষুণ্ণ অবস্থায় রয়েছে।

এই প্রসঙ্গে জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক অধ্যাপক মোহাম্মদ গায়েদি বলেন, ইরান সম্ভবত দীর্ঘ সময় ধরে উৎক্ষেপণ কার্যক্রম চালানোর সক্ষমতা বজায় রাখতে পারবে, যদিও তার মাত্রা কমতে পারে। তারা কিন্তু এখনো হরমুজ প্রণালিতেও বিঘ্ন ঘটাতে সক্ষম।

অধ্যাপক গায়েদি আরও বলেন, তেলের দামের উপর যুদ্ধের প্রভাব এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তেহরানে এমন আশার সঞ্চার হয়েছে যে, তারা ওয়াশিংটনকে নিজেদের কিছু শর্ত মেনে নিতে বাধ্য করতে পারবে।

আরও পড়ুন

তেহরানের লক্ষ্য হয়তো যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিকভাবে পরাজিত করা নয়, বরং দীর্ঘস্থায়ী এবং অত্যন্ত ব্যয়বহুল একটা যুদ্ধ চালিয়ে নিয়ে যাওয়া। যা একটা চাপ তৈরির পন্থা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে এই মুহূর্তে এমন ইঙ্গিত নেই যে শুধু সামরিক সীমাবদ্ধতার কারণেই ইরান যুদ্ধ বন্ধ করতে বাধ্য হবে।

কতদিন টিকবে ইরানের অর্থনীতি?

যুদ্ধ শুরুর আগেই উচ্চ মূল্যস্ফীতি, অপর্যাপ্ত বিনিয়োগ, তাদের নিজস্ব মুদ্রা ‘রিয়াল’-এর মূল্য কমে যাওয়া এবং ব্যাপক কাঠামোগত ভারসাম্যহীনতার মতো একাধিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল ইরানের অর্থনীতি।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ইরানের অর্থনীতি প্রায় ২.৭ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে এবং এই অর্থবছরের শেষ কয়েক সপ্তাহেই শুধু যুদ্ধের প্রভাব পড়েছিল।

এই যুদ্ধ পরিস্থিতি নতুনভাবে আরও নানা ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে। ইরানের পরিসংখ্যান কেন্দ্রের তথ্য বলছে সে দেশে বার্ষিক মূল্যস্ফীতির হার ৬২ শতাংশে পৌঁছেছে।

ইরানের শ্রম উপমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কর্মসংস্থানের দিক থেকে ১০ লাখেরও বেশি পদের উপর যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে। শুধু তাই নয়, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্রায় ২০ লাখ মানুষ বেকার হয়ে পড়েছেন।

এছাড়া আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) পূর্বাভাস দিয়েছে যে, ২০২৬ সালে ইরানের অর্থনীতি প্রায় ৫.৪ শতাংশ সংকুচিত হবে এবং মূল্যস্ফীতি ৬৯ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছাবে।

তেহরানে যুদ্ধের সময়সীমা নিয়ে মতভেদ

এই পরিস্থিতিতে সামনে এগোনোর জন্য কোন পন্থা সবচেয়ে উপযোগী সে বিষয়ে তেহরানের অভ্যন্তরে মতভেদ রয়েছে।

আরও পড়ুন

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলাপ-আলোচনায় দরকষাকষির দায়িত্বে থাকা দলের প্রধান মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ এর আগেই সতর্ক করেছিলেন যে, ইরান যেন কোনোভাবেই ‘দীর্ঘস্থায়ী ও ক্ষয় সৃষ্টিকারী সংঘাতের’ ফাঁদে না পড়ে। যারা এই আলাপ-আলোচনার বিরুদ্ধে তাদেরও সমালোচনা করেছেন তিনি।

তবে এই মতপার্থক্যকে শুধু ‘যুদ্ধের সমর্থক’ ও ‘শান্তির সমর্থক’- এই দুই শিবিরে ভাগ করা যায় না। এদিকে মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ এও জানিয়েছেন যে, ইরানের অধিকার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয় এমন কোনো চুক্তি তিনি মেনে নেবেন না।

ইরানের জনসাধারণ কী ভাবছে?

যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ইরানের নাগরিক মতামত নিয়ে কোনো নিরপেক্ষ ও নির্ভরযোগ্য জনমত জরিপ নেই। একইসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সামগ্রিক দিক থেকে সমাজের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে না।

তবে একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরান-বিষয়ক বিশেষজ্ঞ ও ‘জার্মান ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাফেয়ার্স’-এর ভিজিটিং ফেলো হামিদরেজা আজিজি জানিয়েছেন, এই ইসলামি প্রজাতন্ত্রর জন্য তাদের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিই শেষ পর্যন্ত ‘সবচেয়ে বিপজ্জনক ফ্রন্ট’ হয়ে উঠতে পারে।

আরও পড়ুন

যুদ্ধ থেকে বেরোনোর কৌশল

দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের কারণে ইরানের আঞ্চলিক পর্যায়েও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তেহরান উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর সঙ্গে- বিশেষত সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো করার চেষ্টা চালিয়েছে। এই সব দেশে অবস্থিত সামরিক ঘাঁটি, অবকাঠামো ও নৌ-চলাচলের পথে অব্যাহত হামলার ঘটনা সেই প্রচেষ্টাকে নষ্ট করে দিতে পারে।

ইরানের কাছে যুদ্ধের একটা গ্রহণযোগ্য সমাপ্তি ঘটাতে পারে এমন এক চুক্তি কেমন হবে এবং সেই চুক্তিতে কীভাবেই বা পৌঁছানো সম্ভব তা এখনো স্পষ্ট নয়।

তবে তেহরান প্রমাণ করেছে তারা বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত করতে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বড় ধরনের মাশুল গুনতে বাধ্য করতে সক্ষম। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে তারা কীভাবে দীর্ঘমেয়াদে সংঘাতপূর্ণ অবস্থায় টিকে থাকবে, সেটা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পুলিশ সেজে ট্রেনে জরিমানা আদায়, টাকা না পেয়ে ট্রেন থেকে যাত্রীকে ধাক্কা
ভারতের বিহারে পুলিশ, রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স (আরপিএফ) ও স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) কর্মকর্তা সেজে ট্রেনে যাত্রীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগে রোহিত তিওয়ারি নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সেজে ট্রেনে জরিমানা আদায়, টাকা না পেয়ে ট্রেন থেকে যাত্রীকে ধাক্কা
কঙ্গোতে সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ১৪
গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআর কঙ্গো) একটি সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দেশটির সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও রয়েছেন।
কঙ্গোতে সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ১৪
ফ্লাইটের আগে মদ্যপ অবস্থায় এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট আটক
জুরিখ থেকে দিল্লিগামী ফ্লাইট পরিচালনার আগে মদ্যপ অবস্থায় থাকায় এয়ার ইন্ডিয়ার এক পাইলটকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৬ সেপ্টেম্বরের জুরিখ-দিল্লি ফ্লাইটের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনতে হয়। সুইজারল্যান্ডের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএকে (ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল এভিয়েশন) জানালে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। এয়ার ইন্ডিয়া সূত্রে জানা গেছে, জুরিখ বিমানবন্দরে ওই পাইলটের প্রাথমিক ব্রেথ অ্যানালাইজার পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে। এরপরই তাকে ফ্লাইট পরিচালনার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসা পরীক্ষার জন্য তাকে পাঠানো হয় এবং সাধারণ যাত্রী হিসেবে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়। চূড়ান্ত মেডিকেল প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত পাইলটটি সাময়িক বরখাস্ত থাকবেন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এয়ার ইন্ডিয়ার ক্রুদের মদ্যপান ও মাদক পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ার সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনার পর পাইলট ও ক্রুদের ওপর নজরদারি এবং পরীক্ষার ব্যবস্থা আরও কঠোর করার নির্দেশ দিয়েছে ডিজিসিএ। এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে কানাডার ভ্যাঙ্কুভার বিমানবন্দরে ভারতগামী ফ্লাইট পরিচালনার আগে মদের গন্ধ পাওয়ায় এয়ার ইন্ডিয়ার এক পাইলটকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া সম্প্রতি মাদক পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ায় আরেক পাইলটকে চাকরিচ্যুত করেছে এয়ার ইন্ডিয়া। গত বছরের জুনে আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি উড়োজাহাজ দুর্ঘটনার পর পাইলটদের নিরাপত্তা বিধি ও পেশাগত আচরণ নিয়ে আরও কঠোর নজরদারি শুরু হয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে তাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে। দায়িত্ব পালনের আগে অ্যালকোহল বা নিষিদ্ধ মাদক গ্রহণের বিরুদ্ধে সব পাইলটকে কঠোরভাবে সতর্ক করেছে সংস্থাটির ফ্লাইট অপারেশন্স বিভাগ। আরটিভি/এসকে
ফ্লাইটের আগে মদ্যপ অবস্থায় এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট আটক
সেনেগালের উন্নয়নে ২৫০ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প নিয়ে হাজির সাদিও মানে
সেনেগালে ফুটবলের বাইরেও আলোচিত নাম সাদিও মানে। দেশের মানুষের প্রতি নিবেদন তাকে উচ্চ সম্মান প্রদান করেছেন। এবার আরও বড় চমক দেখালেন এই স্ট্রাইকার। সেনেগালের বাম্বালিতে ২৪৬ কোটি টাকার বিশাল কৃষি প্রকল্প নিয়ে হাজির হয়েছেন এই তারকা ফুটবলার। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে সেনেগালের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এপিএস । গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, মানের উদ্যোগে ‘এসএম১০ অ্যাগ্রো’ নামে এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করা হচ্ছে ১১৭০ কোটি সিএফএ ফ্রাঁ, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৫০ কোটি টাকার সমান। গত ১৯ সেপ্টেম্বর নিজ গ্রাম বাম্বালিতে প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কাজের উদ্বোধন করেছেন সাদিও মানে। সেখানকার ৫০০ হেক্টর জমিতে গড়ে উঠবে আমের বাগান। লাগানো হবে প্রায় ৭৮ হাজার আমগাছ। এ ছাড়া থাকবে আম বাছাই, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের কারখানা, কৃষি প্রশিক্ষণকেন্দ্র এবং গবেষণা ও উন্নয়ন সুবিধা। প্রকল্পটি শুরুতে ১ হাজারের বেশি কর্মসংস্থান তৈরি করবে; দীর্ঘ মেয়াদে এই সংখ্যা আড়াই হাজারে পৌঁছানোর লক্ষ্য রয়েছে। নিজের এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য নিয়ে মানে বলেছেন, আমি চাই আমাদের মাটির সম্পদ আমাদের কাছেই থাকুক। এই সম্পদ থেকে যে আয় হবে, তা সবার আগে আমাদের মানুষের উপকারে আসুক। তিনি আরও বলেন, এই প্রকল্প শুধু সংখ্যার বিষয় নয়। আমি চাই আমাদের অঞ্চলের তরুণ ও নারীরা এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাক। এ কারণেই প্রকল্পের সঙ্গে একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্র রাখা হয়েছে, যাতে আধুনিক কৃষিপদ্ধতি শেখানো যায়। এই প্রকল্প আপনাদের। আমি এটি আপনাদের হাতে তুলে দিচ্ছি। নিজেদের প্রকল্প মনে করে এটিকে এগিয়ে নিন। আপনারাই এটি পরিচালনা করবেন। এর আগে বাম্বালিতে স্কুল, মসজিদ, হাসপাতাল ও পেট্রোল স্টেশনসহ বিভিন্ন সামাজিক অবকাঠামোতে টাকা দিয়েছেন সাদিও মানে। এবার তার লক্ষ্য শুধু দান করা নয়, স্থানীয় সম্পদকে কাজে লাগিয়ে দীর্ঘমেয়াদি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনা। আরটিভি/এসআর
সেনেগালের উন্নয়নে ২৫০ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প নিয়ে হাজির সাদিও মানে
জরুরি ভিত্তিতে কৃষি ভিসা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া
কৃষি খাতের জরুরি প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নিয়ে বিদেশি শ্রমিকদের ভিসা আবেদনের দ্রুত নিষ্পত্তি করতে সম্মত হয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার।
জরুরি ভিত্তিতে কৃষি ভিসা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া
আরও পড়ুন
বাণিজ্য যুদ্ধবিরতিতে আপাতত স্বস্তি যুক্তরাষ্ট্র-চীনের
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার আশায় ওয়াল স্ট্রিটে শেয়ারবাজার চাঙ্গা
ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল এক দেশ 
যুক্তরাষ্ট্রকে ৫ দিনের আলটিমেটাম ইরানের