ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

বাজার খরচ কমানোর ১০ সহজ কৌশল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ আগস্ট ২০২৬, ০২:০৭ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রে খাবারের দাম বাড়ায় পরিকল্পিত কেনাকাটার মাধ্যমে বাজার খরচ কমানো যেতে পারে । ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাবারের দাম বাড়তে থাকায় পরিবারের মাসিক বাজার খরচ কমানো অনেকের জন্যই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাইয়ে ঘরে রান্নার জন্য কেনা খাবারের দাম আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে।

তবে কিছু সহজ কৌশল মেনে চললে বাজার খরচ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। বিশেষ করে বাংলাদেশি পরিবারগুলো নিয়মিত কেনে এমন চাল, ডাল, মাংস, সবজি ও মসলার ক্ষেত্রে পরিকল্পিতভাবে কেনাকাটা করলে সাশ্রয় করা যেতে পারে।

১. কম দামের দোকান খুঁজে নিন

একই পণ্যের দাম সব দোকানে সমান নয়। দুধ, ডিম, চাল, সবজি ও মাংসের মতো নিয়মিত কেনা পণ্যের এককপ্রতি দাম বিভিন্ন দোকানে তুলনা করে কেনাকাটা করা ভালো।

২. দেশি দোকানের দামও তুলনা করুন

বাংলাদেশি বা অন্যান্য দেশি খাবারের দোকানে শাক, করলা, কাঁচামরিচসহ বিভিন্ন সবজির দাম তুলনা করে দেখতে পারেন। কিছু ক্ষেত্রে এসব দোকানে বড় দোকানের চেয়ে দাম কম হতে পারে।

আরও পড়ুন

৩. সদস্য কার্ড ও ছাড়ের সুবিধা নিন

অনেক গ্রোসারি দোকানে সদস্য কার্ড বা মোবাইল সুবিধার মাধ্যমে বিশেষ দাম, কুপন ও ছাড় দেওয়া হয়। বাজারে যাওয়ার আগে সপ্তাহের ছাড়গুলো দেখে নিলে অপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনার প্রবণতাও কমে।

৪. মাংস বড় প্যাকেটে কিনে ভাগ করে রাখুন

পরিবারে নিয়মিত মাংস খাওয়া হলে তুলনামূলক বড় প্যাকেট কিনে প্রয়োজন অনুযায়ী ভাগ করে সংরক্ষণ করা যেতে পারে। তবে কেনার আগে প্রতি পাউন্ডের দাম, পরিবারের চাহিদা এবং ফ্রিজে জায়গা আছে কি না—এসব হিসাব করা জরুরি।

৫. সরকারি খাদ্য সহায়তার যোগ্যতা যাচাই করুন

আয় ও পারিবারিক পরিস্থিতি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির সুবিধা পাওয়া যেতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে সম্পূরক পুষ্টি সহায়তা কর্মসূচি এবং নারী, শিশু ও নবজাতকের পুষ্টি সহায়তা কর্মসূচি। এসব সুবিধা পেতে আয়, পরিবারের সদস্যসংখ্যা ও অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হয়।

৬. সপ্তাহের খাবারের পরিকল্পনা করুন

সপ্তাহের শুরুতেই কোন দিন কী রান্না হবে এবং ঘরে কী কী আছে, তা দেখে বাজারের তালিকা তৈরি করুন। একই উপকরণ দিয়ে একাধিক দিনের খাবার তৈরি করলে অপচয় ও অতিরিক্ত কেনাকাটা কমানো সম্ভব।

৭. স্থানীয় খাদ্য সহায়তা কেন্দ্রের সুবিধা নিন

যোগ্য হলে স্থানীয় খাদ্য সহায়তা কেন্দ্র থেকেও বিনা মূল্যে খাদ্যসামগ্রী পাওয়া যেতে পারে। তবে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতা ও বিতরণের নিয়ম আলাদা।

৮. প্যাকেটের দাম নয়, এককপ্রতি দাম দেখুন

চাল, ডাল, লবণ, মসলা, টিস্যু ও অন্যান্য শুকনা পণ্য কেনার সময় শুধু প্যাকেটের দাম দেখলে হবে না। প্রতি আউন্স, পাউন্ড বা এককপ্রতি দাম তুলনা করলে কোন পণ্যটি প্রকৃতপক্ষে সস্তা, তা সহজেই বোঝা যায়।

৯. ছাড়ের খাবার কেনার আগে তারিখ ও মান দেখুন

খাবারের গায়ে থাকা তারিখ দেখেই সেটিকে নষ্ট মনে করা ঠিক নয়। যুক্তরাষ্ট্রে অনেক খাবারের তারিখ মূলত খাবারের মান বা গুণগত অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। তবে খাবার কীভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং পচন বা নষ্ট হওয়ার কোনো লক্ষণ আছে কি না, তা অবশ্যই দেখতে হবে।

মাংস ও মুরগির ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন। কাঁচা কিমা করা মাংস ও মুরগি সাধারণত ফ্রিজে এক থেকে দুই দিন রাখা যায়। কিছু ধরনের গোশত তিন থেকে পাঁচ দিন পর্যন্ত রাখা যায়। দীর্ঘ সময় রাখতে হলে ফ্রিজারে সংরক্ষণ করা নিরাপদ পদ্ধতি।

১০. অর্থ ফেরত বা পুরস্কারের সুবিধা বুঝে ব্যবহার করুন

বৈধ অর্থ ফেরত বা পুরস্কারভিত্তিক কর্মসূচি ব্যবহার করে কিছুটা সাশ্রয় করা সম্ভব। তবে শুধু ছাড় বা অর্থ ফেরত পাওয়ার জন্য প্রয়োজনের বাইরে পণ্য কেনা উচিত নয়। এতে বরং মোট খরচ বেড়ে যেতে পারে।

বাংলাদেশি পরিবারের জন্য চাল, ডাল ও অন্যান্য শুকনা পণ্য বড় প্যাকেটে কেনার সময়ও সতর্ক থাকা জরুরি। বড় প্যাকেট সবসময় সস্তা হয় না। তাই ছোট ও বড় প্যাকেটের এককপ্রতি দাম তুলনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া ভালো।

স্কুলগামী শিশু থাকলে স্থানীয় স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে বিনা মূল্যে বা কম দামে স্কুলের খাবার পাওয়ার সুযোগ আছে কি না, সেটিও যাচাই করা যেতে পারে। তবে এ সুবিধার নিয়ম ও যোগ্যতা এলাকাভেদে ভিন্ন হতে পারে।

তবে বাজার খরচ কমিয়ে মাসে নির্দিষ্ট ১৫০ থেকে ২৫০ ডলার বা বছরে ২ হাজার ৭৬০ ডলার সাশ্রয় হবেই—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। পরিবারের সদস্যসংখ্যা, বসবাসের শহর, খাবারের ধরন, কোন দোকান থেকে কেনাকাটা করা হচ্ছে এবং মোট কেনাকাটার পরিমাণের ওপর সাশ্রয়ের অঙ্ক নির্ভর করে।

তাই সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো গত কয়েক মাসের বাজার খরচের হিসাব রেখে নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী খরচের সঙ্গে তা তুলনা করা। এতে নিজের পরিবারের জন্য কোন কৌশল সবচেয়ে বেশি কাজে দিচ্ছে, তা সহজেই বোঝা যাবে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দুই নৌকার ভয়াবহ সংঘর্ষে কঙ্গোতে নিহত ৩০
ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) কঙ্গো নদীতে দুই নৌকার সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
দুই নৌকার ভয়াবহ সংঘর্ষে কঙ্গোতে নিহত ৩০
সৌদির দুই বিমানবন্দরে হামলা
সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের দুটি বিমানবন্দরে হামলায় তিনজন আহত হয়েছেন। হামলায় বিমানবন্দর দুটির বিভিন্ন স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে।
সৌদির দুই বিমানবন্দরে হামলা
ইমরান খানের পক্ষ নিয়ে পাকিস্তান সরকারের কড়া সমালোচনা করলেন রবি শাস্ত্রি
২০২৩ সালের আগস্ট থেকে রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে বন্দি আছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও কিংবদন্তি ক্রিকেটার ইমরান খান। সম্প্রতি তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় পাকিস্তান সরকারের কড়া সমালোচনা করেছেন সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটাররা। এবার সেই তালিকায় যোগ দিয়েছেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার ও জনপ্রিয় ক্রিকেট বিশ্লেষক রবি শাস্ত্রি। তার মতে, রাজনৈতিক বিষয় বাদ দিলেও মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে কোনো মানুষের সঙ্গে এমন আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। সম্প্রতি  রিপাবলিক ওয়ার্ল্ডকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি। রবি শাস্ত্রি বলেন, ইমরানের সঙ্গে যে আচরণ করা হচ্ছে, তা কোনোভাবেই তার প্রাপ্য নয়। শাস্ত্রির মতে, ইমরান শুধু পাকিস্তানের একজন রাজনৈতিক নেতা নন, ক্রিকেটবিশ্বেও তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তি। ইমরানের সুস্বাস্থ্য কামনা করে শাস্ত্রি বলেন, ক্রিকেটে তার অবদান অসাধারণ। ইমরানকে নিজের দেখা অন্যতম সেরা নেতা হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি।  তরুণদের অনুপ্রাণিত করা এবং তাদের নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে ইমরানের অসাধারণ দক্ষতা ছিল বলে মন্তব্য করেন শাস্ত্রি। তার নেতৃত্বেই তুলনামূলক তরুণ একটি পাকিস্তান দল ১৯৯২ সালে বিশ্বকাপ জিতেছিল—সেটিও স্মরণ করেন তিনি। ইমরান কবে কারাগার থেকে মুক্তি পাবেন, এমন প্রশ্নে শাস্ত্রি আশা প্রকাশ করেন, তিনি দ্রুতই বেরিয়ে আসবেন এবং এরপর তার সঙ্গে আরও ভালো আচরণ করা হবে। দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে থাকা ইমরানের অবস্থাকে অমানবিক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।  ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষে রাজনীতিতে যোগ দেন পাকিস্তানের ১৯৯২ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইমরান খান। ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত দেশটির প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে বন্দি আছেন ইমরান।  দুর্নীতিসহ বিভিন্ন মামলায় তাকে একাধিক মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে ইমরান ও তার দল এসব অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে। কারাগারে থাকা অবস্থায় ইমরানের শারীরিক অবস্থা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।  তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে গত আগস্টে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে চিঠি দেন ২১ জন সাবেক অধিনায়ক। এর আগে ফেব্রুয়ারিতেও ১৪ জন সাবেক অধিনায়ক একই দাবিতে সরকারের কাছে চিঠি দিয়েছিলেন। উল্লেখ্য, পাকিস্তানের হয়ে ইমরান খান ৮৮টি টেস্ট ও ১৭৫টি ওয়ানডে খেলেছেন ইমরান খান। ক্রিকেট ইতিহাসে পাকিস্তানের অন্যতম সেরা অধিনায়ক ও অলরাউন্ডার হিসেবে তার অবস্থান এখনো অমলিন। আরটিভি/এসআর
ইমরান খানের পক্ষ নিয়ে পাকিস্তান সরকারের কড়া সমালোচনা করলেন রবি শাস্ত্রি
পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন ফ্রান্সিস হালজেন
চলতি বছরের নোবেল পুরস্কারের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা শুরু হয়েছে। ২০২৬ সালের পদার্থবিজ্ঞানে মর্যাদাপূর্ণ এ পুরস্কার পেয়েছেন বেলজিয়ান বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হালজেন।  মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) এ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। ১৯৪৪ সালে বেলজিয়ামের টিনেন শহরে জন্মগ্রহণ করেন হালজেন। বেলজিয়ামের কে ইউ লিউভেন থেকে ১৯৬৯ সালে পিএইচডি সম্পন্ন করেন তিনি। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন-ম্যাডিসন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করছেন এই বিজ্ঞানী। রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস জানিয়েছে, ‘আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরি’তে গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং মহাজাগতিক উৎস থেকে আসা উচ্চশক্তির নিউট্রিনো শনাক্ত করার ক্ষেত্রে অসামান্য ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে হালজেনকে এ বছরের পদার্থবিজ্ঞানের নোবেল দেওয়া হয়েছে। দক্ষিণ মেরুর বরফকে কাজে লাগিয়ে নিউট্রিনো শনাক্ত করার ধারণার অন্যতম পথিকৃৎ হালজেন। তার এই চিন্তাই পরবর্তী সময়ে ‘আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরি’ তৈরির ভিত্তি তৈরি করে।  প্রায় এক ঘনকিলোমিটার আয়তনের বিশাল বরফস্তরের মধ্যে স্থাপন করা হয়েছে অসংখ্য আলোকসংবেদী সেন্সর। এসব যন্ত্রের সাহায্যে মহাবিশ্বের দূরবর্তী শক্তিশালী বিভিন্ন উৎস থেকে পৃথিবীর দিকে ছুটে আসা নিউট্রিনো শনাক্ত করা হয়। ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ মেরুর বরফ ব্যবহার করে নিউট্রিনো শনাক্ত করার ধারণা সামনে আনেন হালজেন। কোনো নিউট্রিনো যখন পরমাণুর নিউক্লিয়াসের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়, তখন সেখানে ক্ষীণ আলোর ঝলক তৈরি হতে পারে। দক্ষিণ মেরুর স্বচ্ছ ও গভীর বরফে স্থাপিত সংবেদনশীল সেন্সরের সাহায্যে সেই আলোর সংকেত শনাক্ত করা সম্ভব। গবেষণার জন্য দক্ষিণ মেরুর বরফকে উপযোগী করে তোলে এর কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য। বাইরের নানা ধরনের প্রভাব থেকে তুলনামূলকভাবে সুরক্ষিত এই বিশাল বরফস্তর এবং ওই অঞ্চলের ভৌগোলিক স্থিতিশীলতা গবেষণার জন্য সুবিধাজনক পরিবেশ তৈরি করে। হালজেনের ধারণা তাই পরবর্তী সময়ে অন্য গবেষকদের সমর্থন পায় এবং দক্ষিণ মেরুতে সেন্সর স্থাপনের মাধ্যমে পরীক্ষামূলক কাজ শুরু হয়। উল্লেখ্য, ১৯০১ সাল থেকে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত এই বিভাগে ১১৯ বার পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। মাত্র ২৫ বছর বয়সে সবচেয়ে কম বয়সী নোবেলজয়ী হিসেবে পদার্থবিজ্ঞানের পুরস্কার পেয়েছিলেন লরেন্স ব্র্যাগ। অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি বয়সে এই পুরস্কার পাওয়া বিজ্ঞানী আর্থার আসকিন। ২০১৮ সালে ৯৬ বছর বয়সে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল অর্জন করেন তিনি। আরটিভি/এসআর
পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন ফ্রান্সিস হালজেন
করমুক্ত ডিজেল ব্যবহারের সুযোগ দিতে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার একটি নির্বাহী আদেশে সড়কে করমুক্ত লাল রঙের ডিজেল (রেড-ডাইড ডিজেল) ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন।
করমুক্ত ডিজেল ব্যবহারের সুযোগ দিতে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ
আরও পড়ুন
কক্সবাজারে নারী পর্যটকের মৃত্যু
কারওয়ান বাজারে মেট্রোরেল লাইনে কুকুর, কিছুক্ষণ বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল
ডেঙ্গুতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১০ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ২৮৮২
জ্বালানি তেলের দাম কমে স্থিতিশীল হলে সমন্বয়ের কথা ভাববে সরকার: জাহেদ উর রহমান