
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের সুদহার বাড়ানোর সম্ভাবনা জোরালো হওয়ায় বিশ্ববাজারে টানা তৃতীয় সপ্তাহের মতো কমতির দিকে রয়েছে সোনার দাম। শুক্রবার দিনের শুরুতে ফিউচার বাজারেও মূল্যবান এই ধাতুটির দর কমেছে। তবে স্পট বাজারে দিনের হিসাবে কিছুটা দাম বাড়লেও সাপ্তাহিক হিসাবে এখনো নিম্নমুখী রয়েছে সোনার দাম।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার গ্রিনিচ মান সময় সকাল ৬টা ৩৯ মিনিটে স্পট সোনার দাম দিনের হিসাবে দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৫১ দশমিক ৯৭ ডলারে দাঁড়ায়। তবে সপ্তাহের হিসাবে এখন পর্যন্ত দাম কমেছে প্রায় ২ শতাংশ।
অন্যদিকে, ডিসেম্বরে সরবরাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সোনার ফিউচার দর দশমিক ৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৯৩ দশমিক ১০ ডলারে নেমেছে।
বাজারে এখন বিনিয়োগকারীদের নজর মার্কিন মূল্যস্ফীতির নতুন তথ্যের দিকে। এই তথ্য ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী সুদহার সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে। সুদহার বাড়ানোর প্রত্যাশা জোরালো হলে সাধারণত সুদ না দেওয়া সম্পদ হিসেবে সোনার আকর্ষণ কমে যায়। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে চাপ তৈরি হয়।
এদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশের বাজারেও কমানো হয়েছে সোনার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) নতুন দর অনুযায়ী, ভালো মানের ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম কমেছে ১ হাজার ১০৮ টাকা।
নতুন দর অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা। এর আগে গত ৬ সেপ্টেম্বর একই মানের সোনার দাম ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমানো হয়েছিল। ফলে দুই দফায় ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ভরিতে মোট ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমেছে।
নতুন দাম বুধবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
এখন ভ্যাটসহ ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৩ হাজার ৫৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৩১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম প্রতি ভরি ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮২২ টাকা।
তবে সোনার দাম কমলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
আরটিভি/এসকে




