
চোরাশিকার ও আবাসস্থল সংকটের কারণে দীর্ঘদিন হুমকিতে থাকা থাইল্যান্ডের বাঘের সংখ্যা বেড়ে ২১০ থেকে ২৫৭টিতে দাঁড়িয়েছে। দেশটির বাঘ সংরক্ষণ কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে মায়ে কায়েও নামে একটি বাঘিনী। তিন দফায় ৯টি শাবকের জন্ম দেওয়া বাঘিনীটি এবার নানি হয়েছে। তার একটি মেয়ে বাঘও শাবকের জন্ম দিয়েছে।
থাইল্যান্ড সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২৯ জুলাই দেশটিতে বাঘের সংখ্যা ২১০ থেকে ২৫৭টির মধ্যে বলে জানানো হয়। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে থাইল্যান্ডে বাঘের সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।
দেশটির হুয়াই খা খেং বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে বসবাসকারী মায়ে কায়েও ২০২২ সালে দুটি, ২০২৩ সালে তিনটি এবং ২০২৬ সালে চারটি শাবকের জন্ম দেয়। সম্প্রতি ২০২২ সালে জন্ম নেওয়া তার একটি মেয়ে বাঘের শাবকসহ চলাচলের দৃশ্য বনাঞ্চলে স্থাপিত ক্যামেরা ট্র্যাপে ধরা পড়ে।
বাঘের সংখ্যা নির্ধারণে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার যৌথ জরিপে সংরক্ষিত ৩০টি এলাকায় ক্যামেরা ট্র্যাপ বসানো হয়। এর মধ্যে ২৬টি এলাকায় বাঘের উপস্থিতি পাওয়া যায়। সবচেয়ে বেশি, প্রায় ১০০টি বাঘের সন্ধান মেলে হুয়াই খা খেং অভয়ারণ্যে।
বাঘ সংরক্ষণে ২০১০ সালে সেন্ট পিটার্সবার্গ ঘোষণায় স্বাক্ষর করে থাইল্যান্ড। এরপর চোরাশিকার ঠেকাতে নজরদারি বাড়ানো, বনরক্ষীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি, নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিত করা এবং বাঘের খাদ্যপ্রাণীর সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সংরক্ষণসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, বাঘের বংশবৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত শিকার, নিরাপদ বনাঞ্চল ও মানুষের উৎপাতমুক্ত পরিবেশ অপরিহার্য। মায়ে কায়েওর পরিবারে নতুন প্রজন্মের আগমন দেশটির বাঘ সংরক্ষণ কার্যক্রমে ইতিবাচক অগ্রগতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। সূত্র: ইয়াহু
আরটিভি/এমএইচজে




